ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

জামায়াত নিজেদের কর্মীদের ছাড়া একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না: মীর শাহে আলম

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৭ পিএম
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত নিজেদের কর্মীদের ছাড়া একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বেহেশতের লোভ দেখিয়ে জামায়াত ভোট নিয়েছে, কিন্তু ভোটের পর মানুষের পাশে নেই বলেও দাবি করেছেন তিনি।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বগুড়ার মোকামতলা উপজেলার সৈয়দপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন কার্যক্রমের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিবগঞ্জ উপজেলায় একটা চোখ যেন খারাপ না থাকে, সব চোখ আমরা ঠিক করে ফেলব। কারণ চোখ যদি ঠিক না হয় তাহলে ফ্যামিলি কার্ড দেখবে কি দিয়ে, কৃষক কার্ড দেখবে কি দিয়ে? পাকা রাস্তাঘাট দেখবে কি দিয়ে, সব শেষ কথা হচ্ছে ৫ বছর পর ব্যালট পেপারে ধানের শীষটা তো দেখা লাগবে। এজন্য চোখ ঠিক করা দরকার।

জামায়াতের ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে পূজা নিয়ে অনেক কথা বলা হলেও এখন হিন্দু সম্প্রদায়ের খোঁজ নেওয়ার সময় তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। তারা ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করে। অথচ ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের কল্যাণ নিয়েও তাদের কোনো কথা নেই। আপনাদের সন্তান তারেক রহমান ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতনের ব্যবস্থা করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ‘আমি-ডামি’ নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে চায় না। জনগণের কল্যাণে কাজ করে পাঁচ বছর পর আবারও ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায় সরকার। এ সময় তিনি আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথাও জানান।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এতিম জমজ বোনকে প্রায়ই ডেকে নিতেন মাদারাসার পরিচালক, অতঃপর...
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় একটি আবাসিক হাফেজিয়া মাদরাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে দুই এতিম জমজ বোনকে (১১) যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পদ্মপুকুর গ্রামের রওজাতুল জান্নাত বালিকা হাফেজিয়া মাদরাসার পরিচালক ও বায়তুল আকসা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে। 
এতিম জমজ বোনকে প্রায়ই ডেকে নিতেন মাদারাসার পরিচালক, অতঃপর...
পূজার ছুটি শেষে বাসায় ফিরে হতভম্ব সুখন
দুর্গাপূজার ছুটি কাটাতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন সুখন চৌধুরী। নরসিংদীর বাসায় রেখে গিয়েছিলেন জমি বিক্রির ৫০ লাখ টাকা, যা দিয়ে ডাইং কারখানা কেনার পরিকল্পনা ছিল তার। ছয় দিন পর ফিরে দেখেন, জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে আলমারি ভেঙে টাকা ও স্ত্রীর আট ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
পূজার ছুটি শেষে বাসায় ফিরে হতভম্ব সুখন
ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না চাম্বল ভূমি অফিসে!
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেন ও সেবা নিতে যাওয়া মানুষকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। অফিস সহায়ক বাসু দাশকে কেন্দ্র করে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে।
ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না চাম্বল ভূমি অফিসে!
জামালপুরে সাড়ে ৯০ লাখ টাকার ভারতীয় থান কাপড় জব্দ 
নৌকায় করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় থান কাপড় চোরাচালানের সময় জামালপুরের সীমান্তে অভিযান চালিয়ে জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
জামালপুরে সাড়ে ৯০ লাখ টাকার ভারতীয় থান কাপড় জব্দ 
দেশে প্রথমবারের মতো ‘চর উৎসব’ অনুষ্ঠিত
দেশে প্রথমবারের মতো সিরাজগঞ্জ জেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘চর উৎসব’। যমুনা নদীতে নৌভ্রমণ, চরাঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ জীবনযাত্রাকে পর্যটনের আকর্ষণ হিসেবে তুলে ধরা এবং বিচ্ছিন্ন জনপদের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।  শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মেছড়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলে দিনব্যাপী এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সমবায় ও সামাজিক সংগঠন ‘সমধারা’ আয়োজিত এ উৎসবের ইভেন্ট পার্টনার ছিল সিরাজগঞ্জের পর্যটন উদ্যোগ ‘স্মার্ট ট্যুরিজম’। বাংলাদেশের পর্যটনে নদীকেন্দ্রিক ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে যমুনা নদীতে নৌভ্রমণ, নদীর বুকে জেগে ওঠা চর, বিস্তীর্ণ বালুচর এবং চরের মানুষের জীবনযাত্রা পর্যটকদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে। এসব সম্ভাবনা তুলে ধরা এবং চরাঞ্চলকে ভিলেজ ট্যুরিজমের আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে পরিচিত করার ভাবনা থেকেই চর উৎসবের আয়োজন করা হয়। চরের প্রকৃতি, গ্রামীণ জীবনযাত্রা, লোকসংস্কৃতি ও স্থানীয় ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে সাজানো হয় উৎসবের আয়োজন। এতে ছিল সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী খাবার পিটুলি, বাউলসংগীত ও ঘুড়ি উৎসব। আকাশে উড়েছে নানা রঙের ঘুড়ি। উৎসবে শিশুদের মধ্যে ঘুড়ি ও খাবার বিতরণ করা হয়। চরের মানুষের অংশগ্রহণে উৎসবের সব আয়োজন সম্পন্ন হয়। সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হয় সিরাজগঞ্জের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য গামছা। খাবার পরিবেশন থেকে শুরু করে সাজসজ্জার বিভিন্ন অনুষঙ্গে ছিল গ্রামীণ জনপদের নিজস্বতা ও ঐতিহ্যের ছোঁয়া। উৎসবে অতিথিদের কলাপাতায় পরিবেশন করা হয় ঐতিহ্যবাহী পিটুলি। বাউলসংগীত, ঘুড়ি ওড়ানো এবং চরের পরিবেশ উপভোগের মধ্য দিয়ে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে আয়োজন। শহরের পরিবারগুলোর পাশাপাশি শিশুদের কাছে চরের প্রকৃতি, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। সমধারার সভাপতি ও সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল সাফি উৎসবে অংশ নেওয়া সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, চরের রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা। যমুনা নদীতে নৌভ্রমণ এবং চরাঞ্চলের প্রকৃতিকে ঘিরে পর্যটনের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে। চর উৎসবের মধ্য দিয়ে আমরা চরের সম্ভাবনাকে সবার সামনে তুলে ধরতে চেয়েছি।  ‘চরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে স্থানীয় খাবার, সাজসজ্জা ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে আয়োজনটি করা হয়েছে, যাতে শহরের মানুষ বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম চরের জীবন ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে। আমাদের লক্ষ্য, এ ধরনের উৎসব ও জমায়েতের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন জনপদের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ও যোগাযোগ বাড়ানো, স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং ভিলেজ ট্যুরিজমের বিকাশে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা।’   সমধারার সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক প্রতীক মাহমুদ বলেন, সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো চর উৎসবের আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে চরের মানুষের জীবনযাপন, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্ভাবনাকে সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। চরের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি এখানকার মানুষের সঙ্গে অতিথিদের পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা চাই, এ ধরনের আয়োজনের মধ্য দিয়ে চরাঞ্চল সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ বাড়ুক এবং চরের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হোক। স্মার্ট ট্যুরিজমের প্রতিষ্ঠাতা মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ তথা চরাঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে এ আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। আমরা আশা করি, দেশের পর্যটনের নতুন ঠিকানা হিসেবে চরাঞ্চলকে পরিচিত করার ক্ষেত্রে চর উৎসব একটি নতুন সংযোজন হবে। সামনের দিনগুলোতে এ ধরনের আরও আয়োজনের মাধ্যমে আমরা ভিলেজ ট্যুরিজমকে এগিয়ে নিতে চাই।’ চর উৎসবে আরও উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বাবু, লেখক ও সংগঠক শ্যামলী খান, কবি শামীমা আফরোজ হ্যাপি, লেখক সুরাইয়া ইসলাম, উদ্যোক্তা শামীমা সুলতানা সাথী, সমধারার কোষাধ্যক্ষ বাবলা বাশার, ব্যবসায়ী এনামুল প্রবালসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। আয়োজকদের প্রত্যাশা, চর উৎসবের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে যমুনা নদীকেন্দ্রিক নৌভ্রমণ ও চরাঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে পর্যটনের নতুন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে শহরের মানুষের সঙ্গে চরের বাসিন্দাদের যোগাযোগ বাড়বে, নতুন প্রজন্ম গ্রামীণ ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হবে এবং স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণে ভিলেজ ট্যুরিজমের বিকাশের পথ তৈরি হবে। আরটিভি/এসআর
দেশে প্রথমবারের মতো ‘চর উৎসব’ অনুষ্ঠিত
আরও পড়ুন
কৃষকের ছেলের চোখের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
রেস্তোরাঁর পেছনে নিরবকে কুপিয়ে চলে যায় ১২ জন
শজিমেক হাসপাতালের ওটিতে আগুন
ট্রেনে কাটা মরদেহের ওপর দিয়ে গেল আরেক ট্রেন