
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের পল্লীতে এক ছেলে-মেয়ের প্রেমঘটিত বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি ও পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের মাটিয়াপুর গ্রামের মাহতাব মিয়ার লোকজনের সঙ্গে একই ইউনিয়নের হলিমপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের লোকজনের সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাটিয়াপুর গ্রামের এক ছেলের সাথে হলিপুর গ্রামের এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ওই ছেলের সঙ্গে চলে যায় মেয়েটি। এরপর কাজীর মাধ্যমে ধর্মীয় বিধানে বিয়ে করেন তারা। কিন্তু মেয়ের পক্ষের অভিযোগ তাদের মেয়েকে ফুসলিয়ে নিয়ে গেছে ছেলেটি। কিন্তু ছেলের পক্ষের লোকজনের দাবি জোর করে বা ফুসলিয়ে নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিনের প্রেম করার পর প্রেমিকের সঙ্গে নিজের ইচ্ছেতেই চলে গেছে প্রেমিকা।
রাতেই ছেলের পক্ষের লোকজন মেয়ের বাবার বাড়িতে বিয়ের বিষয়টি মেনে নিতে ও জানাতে গিয়েছিলেন। এ সময় মেয়ের পরিবারের লোকজন ছেলের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মেয়ের পরিবারের লোকজন ছেলের আত্মীয়-স্বজনদের ওপর হামলা করেন।
ওই ঘটনার জের ধরে আজ দুপুরে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় দাঁড়ালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে দিরাই পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক আহতদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
আরটিভি/এমএইচজে


