
লক্ষ্মীপুরে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মরিয়ম বেগমের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের মালিক চিকিৎসক সোলায়মানসহ সবাই পলাতক রয়েছেন।
রোববার সকালে জেলার চন্দ্রগঞ্জের রয়েল হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হসপিটাল ঘেরাও করে রাখে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গেল ৬ মাসে এই হাসপাতালে একইভাবে আরও তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
নিহতের স্বজন ও পুলিশ জানায়, শনিবার রাত আড়াইটার দিকে মরিয়ম বেগমকে রয়েল হসপিটালে ভর্তি করে স্বজনরা। এর কিছুক্ষণ পর হসপিটালের মালিক চিকিৎসক সোলায়মান মরিয়ম বেগমকে দেখে তাড়াতাড়ি সিজার করার জন্য চাপ দেন। তার কথামতো মরিয়ম বেগমকে চিকিৎসার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন স্বজনরা। পরে সিজারের জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয় মরিয়ম বেগমকে। ভোররাতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে প্রসূতির মৃত্যু হয় বলে জানানো হয়। কিন্তু অপারেশন করার সময়ই ভুল চিকিৎসায় মরিয়ম মারা গেছে বলে দাবি করেন রোগির স্বজনরা। এ ঘটনার পর চিকিৎসক সোলায়মান হোসেনসহ অন্যরা হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। এরপর হসপিটাল ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে স্বজনরা।
নিহতের স্বামী মো. সালাউদ্দিন জানান, ভুল চিকিৎসায় তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসক সোলায়মানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
হাসপাতালের ম্যানেজার বায়েজিদ হোসেন বলেন, কোনও ভুল চিকিৎসায় নয় অপারেশন থিয়েটারে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মরিয়ম বেগমের মৃত্যু হযেছে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. জাফর আহমদ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনও কোনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জেবি



