
সাভারের পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্রের (সিআরপি) দেওয়া কৃত্রিম পা সংযোজনের সাতদিন পর স্বাভাবিক চলাফেলা করছেন রাজধানীর গ্রিন লাইন বাসের চাপায় পা হারানো রাসেল সরকার।
বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে সিআরপি থেকে বের হয়ে যান তিনি।
জানা গেছে, প্রথমে তিনি ঢাকার বাসায় যাবেন তারপর সেখান থেকে গাইবান্ধা জেলার পলাশ বাড়ির নিজ বাড়িতে ফিরবেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল পৌনে ১১ টার দিকে সিআরপির অঙ্গ সংযোজন বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ শফিক তার কৃত্রিম পাটি সংযোজন করেন।
মোহাম্মদ শফিক জানান, রাসেল সরকার চার সপ্তাহের অনুশীলন মাত্র এক সপ্তাহে শেষ করেছেন। তিনি এখন সম্পূর্ণভাবে স্বাভাবিক মানুষের মতো চলাফেরা করতে পারছেন। রাসেল যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন সিআরপির পক্ষ থেকে তার পায়ের যাবতীয় চিকিৎসা বিনামূল্যে প্রদান করা হবে। তবে সেক্ষেত্রে একদিন আগে সিআরপিকে অবিহিত করতে হবে। এমনকি রাসেল যদি ব্যবসা করেন সেক্ষেত্রেও তাকে আর্থিক সহযোগিতা করবে সিআরপি।
এ ব্যাপারে রাসেল বলেন, আমি সিআরপির কাছে কৃতজ্ঞ। সিআরপি ছাড়া মনে হয় আমার আর হাঁটা-চলা সম্ভব হতো না। ধন্যবাদ সিআরপি ও এই সংস্থার সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের।
আর গ্রিন লাইন সম্পর্কে কি বলবো? তারা আমাকে পঙ্গু করে দিয়েছে। তাদের কাছে আমার খোঁজ রাখার দাবি জানাই। সিআরপির মতো যেন তারাও আমার পাশে থাকে।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ি এলাকার বাসিন্দা রাসেল সরকার রাজধানীর আদাবর এলাকায় স্থানীয় একটি 'রেন্ট-এ-কার' প্রতিষ্ঠানের প্রাইভেটকার চালাতেন। ২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে কথা কাটাকাটির জেরে গ্রিন লাইন পরিবহনের বাসের চালক ক্ষিপ্ত হয়ে রাসেলকে চাপা দেয়। এতে তার বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
জেবি/জেএইচ




