ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠেছে অসংখ্য ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান

সুকান্ত সেন, সিরাজগঞ্জ, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ১২:৫৬ পিএম
ফাইল ছবি

সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই কিস্তিতে পণ্য বিক্রির নামে অতিমাত্রায় সুদ নির্ধারণ করে ঋণ কার্যক্রম চালাচ্ছে মুনাভালোভী ব্যক্তি মালিকানাধীন বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান।

এনজিও স্টাইলে ঋণ আদায় ও বিতরণ কর্মী এবং ব্যবস্থাপক নিয়োগ করে পাসবই ছাপিয়ে বছরের পর বছর প্রকাশ্যে অবৈধ এই সুদের কারবার চললেও নীরব রয়েছে প্রশাসন।

জেলার বিভিন্ন প্রান্তে গড়ে ওঠা একাধিক প্রতিষ্ঠান ঘুরে জানা যায়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমবায় আইন অনুযায়ী প্রান্তিক পর্যায়ে শুধুমাত্র উপজেলা সমবায় অফিস থেকে অনুমোদনকৃত সমবায়ী প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের তালিকাভুক্ত সদস্যদের মধ্যে সমবায়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ বা ঋণ পণ্য বিতরণ করতে পারবে। সদস্য ব্যতীত সমবায় সমিতির ঋণদান কর্মসূচি অবৈধ, আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এছাড়া এনজিও ব্যুরো বা সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানও ঋণদান কর্মসূচি পরিচালিত করতে পারবে। এছাড়া অনুমোদনের জন্য আবেদনকৃত বা অনুমোদনবিহীন যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ঋণদান বা কিস্তিতে পণ্যবিক্রি আইনত অবৈধ।

কিন্তু সরকারের এই সমস্ত বিধি-বিধান ও আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে অসংখ্য কিস্তিতে পণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠান। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনীহা ও প্রশাসনের উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে এই সকল প্রতিষ্ঠান পাশ বই ছাপিয়ে, ঋণ বিতরণ ও উত্তোলন, কর্মী, ব্যবস্থাপক, শাখা ব্যবস্থাপক নিয়োগ করে একই নামে একাধিক শাখা খুলে দেদারসে সুদের ব্যবসা করছে। এ ধরনের অবৈধ ব্যবসায়ীরা গ্রাহকদের ঋণের জালে আটকিয়ে নিজেরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হচ্ছে। পাশাপাশি গ্রাহকেরা দরিদ্র থেকে হত দরিদ্রে পরিণত হচ্ছে।

জেলার কামারখন্দ উপজেলার বিয়ারা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় পশু চিকিৎসক মো. রফিকুল ইসলাম খান অনন্যা এন্টারপ্রাইজ নামে চালু করেছেন কিস্তিতে পণ্য বিক্রি প্রতিষ্ঠান। একই স্থানে গড়ে তুলেছেন এই প্রতিষ্ঠানের অপর একটি শাখা প্রতিষ্ঠান। তার দুটি প্রতিষ্ঠানের একটি থেকে টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্রসহ নানা সামগ্রী উচ্চহারে সুদ নির্ধারণ করে বিতরণ করছেন। অপর প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ হিসেবে বিতরণ করছেন কাঠের ও প্লাস্টিকের ফার্নিচার।

পাশ বই ছাপিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত এনজিওর অনুকরণে পণ্যের মূল্যের ওপর সুদহার নির্ধারণ করার পর মোট টাকার চার ভাগের এক ভাগ টাকা জমা নিয়ে মাসিক ছয় কিস্তি বা সাপ্তাহিক ছাব্বিশ কিস্তিতে এই ঋণ বিতরণ করছেন। ঋণ বিতরণ করার জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে একজন ব্যবস্থাপক ও তিনজন ঋণ বা পণ্য বিতরণ ও উত্তোলন কর্মী। এছাড়া অপর প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বাবাসহ আরও দুইজন এই অবৈধ কাজে সম্পৃক্ত।

কামারখন্দ উপজেলার শুধুমাত্র একটি ইউনিয়নেই এই প্রতিষ্ঠান পণ্য বা নগদ টাকায় বিতরণ করেছেন অন্তত ২০ লাখ টাকা।

অনন্যা এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত মো. সোনাউল্লাহ মিয়া এই প্রতিবেদককে জানান, আমি অফিসে বসে কিস্তিতে পণ্য বিক্রি ও কিস্তি আদায় তদারকি করি। প্রায় দুই বছর আগে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটির জন্মলগ্ন থেকেই আমি এখানে কর্মরত আছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিয়ারা গ্রামের অনন্যা এন্টারপ্রাইজের এক নারী গ্রাহক জানান, এই প্রতিষ্ঠান থেকে আমি একটি ফ্রিজ নিয়েছি। যার বাজার মূল্য ১৬ হাজার টাকা। কিন্তু এখানে ২৬ কিস্তিতে ২০ হাজার টাকা দাম নির্ধারণ করে আমাকে ফ্রিজটি দেওয়া হয়েছে। পণ্যটি নিতে আমার ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি, ছবিসহ বিভিন্ন কাগজপত্র নেওয়া হয়েছে। আমি প্রায় ১০টি কিস্তি পরিশোধ করেছি।

---------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: নতুন সড়ক আইন: কয়েক জেলায় চলছে না বাস
---------------------------------------------------------------

পাসবই ছাপিয়ে কিস্তিতে পণ্য বিক্রি ও পণ্য বিক্রির আড়ালে সুদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোনও সরকারি অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে অনন্যা এন্টারপ্রাইজের প্রতিষ্ঠাতা পশু চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে জানান, প্রায় দুই বছর আগে প্রতিষ্ঠান করে ২০ লাখ টাকার পণ্য কিস্তিতে দিয়ে রেখেছি। কেউ অনুমোদনের কথা বলেনি। আশেপাশের বাজারেও এ ধরনের একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তারা পণ্য ও নগদ টাকা দুইই দিচ্ছে তাদেরও কোনও অনুমোদন লাগে না। নিজের টাকায় ব্যবসা করতে কিসের অনুমোদন নিতে হবে।

অবৈধ এই সকল প্রতিষ্ঠান বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা সমবায় অফিসার সামিউল ইসলাম বলেন, এ ধরনের ঋণদান ও পণ্য বিক্রির কোনও নিয়ম নেই। এগুলোর জন্য নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসককে অবগত করা হয়েছে। শিগগিরেই এই সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ১৬ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মো. ইসমাঈল হোসেন (স্বদেশ বার্তা) সভাপতি ও সায়েদুজ্জামান জাহির (আরটিভি) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে সকলের সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আবু জাহির নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নতুন কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আব্দুল মঈন টিপু (দৈনিক করতোয়া), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত গোপ (নিউজ ২৪ টিভি), কোষাধ্যক্ষ শরীফ চৌধুরী (ইসলামি টিভি), দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক এসএম সুরুজ আলী (এশিয়ান টিভি), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ নূর উদ্দিন (জিটিভি)। আর কার্যনির্বাহী  সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন, মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল (ইত্তেফাক), মোহাম্মদ নাহিজ (বাংলাভিশন), মো. ফজলুর রহমান (দৈনিক জনতার এক্সপ্রেস), শোয়েব চৌধুরী (দেশ রূপান্তর), গোলাম মোস্তফা রফিক  (দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার), রাশেদ আহমদ খান (মানবজমিন), আলমগীর খান (বিটিভি), হারুনুর রশিদ চৌধুরী (এনটিভি), সৈয়দ এখলাছুর রহমান খান (যুগান্তর)। এর আগে প্রেসক্লাবের বিদায়ী কমিটির সভাপতি হারনুর রশিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকনের পরিচালনায় বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, গোলাম মোস্তফা রফিক, ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ নাহিজ, মোহাম্মদ শাবান মিয়া প্রমুখ। এজে
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে ইমতিয়াজ হাসান রুবেল সভাপতি  এবং নির্মলেন্দু চক্রবর্তী শঙ্কর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। বিকেল তিনটা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। নির্বাচনে ৯১ জন সদস্যের মধ্যে ৮৪জন সদস্য ভোট দেন। দুই বছর মেয়াদী নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শেখ ফয়েজ আহমেদ, আমিনুর রহমান ও জুবায়ের জাকির। সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শেখ মনির হোসেন, অর্থ সম্পাদক হয়েছেন জাকির হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন সঞ্জিব দাস, দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন বি কে সিকদার, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক হয়েছেন মাহবুব হোসেন। নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন এস এম মনিরুজ্জামান, রুহুল আমিন, মনিরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, বিজয় পোদ্দার ও এম এ আজিজ। এজে
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ মোরশেদ আলম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে ইনসুরেন্স সেক্টরও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ফয়স লেকে ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বৃহত্তর চট্টগ্রামের কর্মী সম্মেলন ও আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।   এ সময় আলহাজ মোরশেদ আলম বলেন, ইনসুরেন্স ব্যবসার ভবিষ্যৎ আছে। সরকার বীমা খাত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ন্যাশনাল লাইফ সরকারকে বিরাট অংকের ট্যাক্স দিয়ে থাকে। ন্যাশনাল লাইফে ২০ হাজারের মতো লোক কাজ করে। অনুষ্ঠানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল এম. এ. নাসের বলেন,  ন্যাশনাল লাইফ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। সাড়ে সাতশ কোটি টাকার বীমা দাবীর টাকা পরিশোধ করেছে। এ সময় ন্যাশনাল লাইফের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।   অনুষ্ঠানে আলহাজ মোরশেদ আলমের সহধর্মিণী বিলকিস নাহার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিচালক নাদের খান, ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমদসহ কোম্পানির উধ্বর্তন কর্মকর্তারা। এজে/ এমকে
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
সময়মতো বায়াররা ক্রয়কৃত নিটিং পণ্যের মূল্য পরিশোধ না করায় নারায়ণগঞ্জে নিটিং ব্যবসায় মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। এতে এই ব্যবসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভবনে বার্ষিক প্রতিবেদন সভায় ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ সময় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য না থাকায় কোনও কোনও ব্যবসায়ী কম মজুরিতে ওয়ার্ক অর্ডার নিচ্ছেন। যে মজুরিতে তারা অর্ডার নিচ্ছেন ওই মজুরিতে তাদের লাভ তো দূরের কথা প্রায় ৩ থেকে ৪ টাকা লোকসান গুনতে হয়। ফলে গত ছয় মাসে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশত নিটিং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম সারোয়ার বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য নেই। ফলে কেউ কেউ গোপনে কম মজুরিতে কাজের অর্ডার নিচ্ছেন। ফলে মাসে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা নিটিং ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মন্দা কাটিয়ে উঠতে নিটিং মূল্য নির্ধারণে ৭৮ সদস্য উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার ও রকিবুল হাসান রাকিব, পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, নিজাম মুন্সি, নির্মল চন্দ্র রায়সহ আরও অনেকে। এজে
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
‘কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে। আপনার যে কোনও সমস্যা নির্ভয়ে বলুন।’ জনসম্মুখে এমনই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দত্তপাড়া ইউনিয়নের আজিজিয়া মাদ্রাসার সামনে ও চন্দ্রগঞ্জ বাজারে ‘কথা বলুন আপনার ওসির সাথে’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় বাজারে আগত জনসাধারণের মধ্যে অনেকে সরাসরি ওসির কাছে তাদের সমস্যা তুলে ধরেন। ওসি জসীম উদ্দীন তাদের সমস্যা লিখে নেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, তাদের থানা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, যৌন হয়রানি, মাদক এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এ সময় তিনি পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মফিজ উদ্দিন ও চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলী হোসেন। এজে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
আরও পড়ুন
দোকান থেকে টিসিবি’র বিপুল পণ্য উদ্ধার, আটক ১
বিনা সুদে কৃষিঋণ দিতে হবে
নতুন বছরে সুদের হার এক অঙ্কে আসবে: অর্থমন্ত্রী
এসএ টিভির গেটে তালা ঝুলিয়ে কর্মীদের অবস্থান