
কুড়িগ্রামে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বইছে। আজ বুধবার সকাল নয়টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সাত দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কুড়িগ্রামের রাজার হাট আবহাওয়া কৃষি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র পর্যবেক্ষক জাকির হোসেন জানান, মৃদু বা মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে প্রবল শৈত্যপ্রবাহ শুরু হবে। এর মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ক্রমাগত বাড়ছে তীব্র শীতের প্রকোপ। ঠাণ্ডায় চরম বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ ও পশুপাখি। ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠাণ্ডায় বিশেষ কাজ ছাড়া বাইরে বের হতে সাহস পাচ্ছে না অনেকেই।
গেল এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে প্রচণ্ড শীত জেঁকে বসে পড়েছে। ফলে জেলার মানুষ রয়েছে অত্যন্ত কষ্টে দিনাতিপাত করছে। দিনভর রোদের মুখ দেখা না মেলায় সন্ধ্যার পরপরই রাস্তাঘাট জনমানব শূন্য হয়ে পড়ছে। এমন অবিরাম মৃদু শৈত্যপ্রবাহে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার প্রকোপে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষজন।
তীব্র শীত ও অতিরিক্ত ঠাণ্ডায় কুড়িগ্রাম জেলার জেনারেল হাসপাতালসহ উপজেলার বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে রোগী। এদের বেশিরভাগ শিশু ও বৃদ্ধ।
শীতের প্রভাব পড়েছে কৃষিতে। চলতি বোরো মৌসুমের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ঘন কুয়াশার কারণে। এছাড়া আলু এবং সবজির আবাদেও প্রভাব পড়েছে।
জেলা ত্রাণ শাখা সূত্রে জানা গেছে, ৫৬ হাজার পাঁচশ’ ১৪টি কম্বল উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে।
জেবি




