ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আবরার হত্যা : মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যে ৩ আসামি এখনও পলাতক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৩১ পিএম
পলাতক ৩ আসামি হলেন- (বাঁ থেকে)- বুয়েট শিক্ষার্থী এহতেশামুল রাব্বি তানিম, মোস্তবা রাফিদ ও মোর্শেদুজ্জামান জিসান।। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে আজ। রায়ে ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আর ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে, ঘটনার পর থেকে তাদের মধ্যে ৩ আসামি এখনও পলাতক রয়েছে, যাদেরকে ইতোমধ্যে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

এ মামলার যে ৩ আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন- বুয়েট শিক্ষার্থী এহতেশামুল রাব্বি তানিম, মোরশেদুজ্জামান জিসান ও মোস্তবা রাফিদ।

২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর বুয়েটের শেরেবাংলা হলের গেস্টরুমে আসামিরা সভা করে বুয়েটের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র আবরারকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। পর দিন রাতে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

আবরার নিহতের ঘটনায় তার বাবা মো. বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ১৩ নভেম্বর আদালতে মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

২৫ জনকে অভিযুক্ত করে এ চার্জশিট দেওয়া হয়। এরমধ্যে ১১ আসামি সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন। বাকি ১৪ জনকে বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ততার কারণে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

গত বছরের ২১ জানুয়ারি এ মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত। ওই বছরের ১৮ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ মামলাটি বদলির আদেশ দেন। এর পর একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর ২৫ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।

গত ১৪ মার্চ এ মামলায় কারাগারে থাকা ২২ আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

অপর তিন আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেনি। এর পর কয়েকজন আসামি নিজেদের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্যও দেন। ৭ সেপ্টেম্বর মামলায় কিছু ত্রুটি থাকায় রাষ্ট্রপক্ষ পুনরায় চার্জ গঠনের আবেদন করে। ৮ সেপ্টেম্বর আদালত ২৫ আসামির বিরুদ্ধে পুনরায় চার্জ গঠনের আদেশ দেন। এর পর ১৪ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ শুনানিতে ২২ আসামি ফের নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

এর পর আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে পৌঁছায়।

মামলার চার্জশিটে বলা হয়, আসামিরা যোগসাজশে শিবির সন্দেহে আবরারের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে নির্মমভাবে পিটিয়ে তাকে হত্যা করেন।

চার্জশিটে আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যা মামলায় আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান ওরফে মিজানকে হত্যার মূল হোতা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। তিনিই আবরারকে শিবির বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন। এর পর শেরেবাংলা হলের গেস্টরুমে কয়েকজন আসামি সভা করে এ হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। পরে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। চার্জশিটে অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং তদন্তে আগত ৬ জন রয়েছেন।

এ ছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে ৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ২৫ আসামির মধ্যে বুয়েট শিক্ষার্থী মোরশেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ পলাতক। বাকি ২২ জনকে আজ আদালতে হাজির করে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।

সেই ২২ জন হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মুহতাসিম ফুয়াদ হোসেন, মো. অনিক সরকার, মেহেদী হাসান রবিন, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, মো. মুজাহিদুর রহমান, খন্দকার তাবাককারুল ইসলাম তানভীর, হোসাইন মোহাম্মদ তোহা, মো. আকাশ হোসেন, মো. শামীম বিল্লাহ, এ এস এম নাজমুস সাদাত, মোরশেদ অমর্ত্য ইসলাম, মুয়াজ আবু হুরায়রা, মুনতাসির আল জেমি, অমিত সাহা, ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না, মো. শামসুল আরেফিন রাফাত, মো. মিজানুর রহমান ও এস এম মাহমুদ সেতু।

কেএফ/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৫২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি)। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) ডিএমপির পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।  গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৮ হাজার ৫৯১ পিস ইয়াবা, ৪ কেজি ১৩৫ গ্রাম (২৫০ পুরিয়া) গাঁজা, ১৩৮ গ্রাম (১৫৫ পুরিয়া) হেরোইন ও ১২৫ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৬টি মামলা হয়েছে। আরএ/টিআই
ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২
হাতুড়ির ভেতর মিলল ৫ কেজি স্বর্ণ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক যাত্রীর কাছে থাকা হাতুড়ি থেকে পাঁচ কেজি ১৮০ গ্রাম স্বর্ণ জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজ। জব্দকৃত স্বর্ণের দাম আনুমানিক ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ওই যাত্রী হবিগঞ্জের বাসিন্দা আতাউর রহমান। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে আসেন। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকা কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মো. সানোয়ারুল কবীর জানান, মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে আতাউর রহমান শারজাহ থেকে একটি ফ্লাইটে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন। ইমিগ্রেশন শেষ করে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যাগেজ (লাগেজ) স্ক্যানিং করা হয়। এ সময় লাগেজের ভেতরে দুইটি বড় হ্যামারের মধ্যে স্বর্ণের অস্তিত্বের ইমেজ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে যাত্রীর লাগেজে থাকা হ্যামার কেটে ৪৪টি স্বর্ণের বার এবং তার প্যান্টের ভেতর থেকে স্বর্ণালংকারসহ মোট পাঁচ কেজি ১৮০ গ্রাম স্বর্ণ জব্দ করা হয়। ঢাকা কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার জানান, আতাউরের বিরুদ্ধে ডিএমপির বিমানবন্দর থানায় কাস্টমস আইন ও ফৌজদারি একটি মামলা হয়েছে। এসএস/এসকে
হাতুড়ির ভেতর মিলল ৫ কেজি স্বর্ণ
পূর্তের পাঁচ প্রকৌশলীর সম্পদের হিসাব চায় দুদক
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন গণপূর্তের পাঁচ প্রকৌশলী ও তাদের স্ত্রীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে আগামী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদের হিসাব দাখিল করতে বলা হয়েছে। দুদক উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে অঢেল সম্পদ অর্জনের সত্যতা পাওয়ায় এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। নোটিশে বলা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানের কমিশনের স্থির বিশ্বাস জন্মেছে যে, তিনি জ্ঞাত আয় বহির্ভূত স্বনামে/বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ/সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। তাই নোটিশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তার নিজের, নির্ভরশীল ব্যক্তিদের যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ নির্ধারিত ফরমে দাখিল করতে বলা হয়। যাদের বিরুদ্ধে সম্পদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান প্রধান ও নাসরিন রহমান, গণপূর্তের শেরেবাংলা নগরের সার্কেল-৩ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নওশাদুল হক ও তার স্ত্রী সালেহা বেগম, গণপূর্তের শেরেবাংলা নগর অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মোহাম্মদ আতাউর রহমান ও তার স্ত্রী সাদিয়া আফরিন, গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম ও তার স্ত্রী কল্পনা আক্তার এবং নগর গণপূর্ত বিভাগ উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. হুমায়ুন কবির। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে উপরিউক্ত আইনের ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (২) মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। এফএ
পূর্তের পাঁচ প্রকৌশলীর সম্পদের হিসাব চায় দুদক
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির চিকিৎসক গ্রেপ্তার
ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আ ন ম ইমরান খান বলেন, হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেন। ভুক্তভোগীর মামলার কারণে ওই চিকিৎসককে র‌্যাব গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে। উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কলেজের শেষবর্ষের এক শিক্ষার্থী। জিডিতে শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, পরীক্ষায় পাস না করিয়ে একই শিক্ষাবর্ষে অনেক বছর রাখার হুমকি দিয়ে ওই শিক্ষক তাকে মেসেঞ্জারে খারাপ প্রস্তাব দেন। প্রাইভেট পড়ার জন্য তাকে বাসায় যেতে বলেন। কিন্তু বাসায় যেতে শিক্ষার্থী রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে নানাভাবে হুমকি দেন শিক্ষক। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ওই শিক্ষক তাকে খারাপ প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। এতে তার পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরে গতকাল মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর রমনা থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। পি/এসকে  
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির চিকিৎসক গ্রেপ্তার
শাহজালালে ৫ কেজি স্বর্ণসহ প্রবাসী আটক
প্রায় ৫ কেজি ওজনের ৪৪টি স্বর্ণের বারসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা এক ব্যক্তিকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ দল। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আতাউর রহমান নামের ওই যাত্রীকে আটক করা হয়। তার বাড়ি সিলেটের হবিগঞ্জে।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) সানোয়ারুল কবির। তিনি বলেন, আতাউরের ব্যাগেজে দুটি হ্যামার পাওয়া যায়। যা কেটে ৪৪টি স্বর্ণের বার এবং তার দেহ তল্লাশি করে স্বর্ণালংকারসহ মোট ৫ দশমিক ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা।   আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান এই কাস্টমস কর্মকর্তা। এনএইচ/এসকে 
শাহজালালে ৫ কেজি স্বর্ণসহ প্রবাসী আটক
আরও পড়ুন
হাতকড়াসহ যুবক পালানোর ঘটনায় দুই পুলিশ প্রত্যাহার
১ যুগ পর সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
আবরার হত্যা, রায়ের পর থমথমে পলাতক তানিমের বাড়ি
মৃত্যুদণ্ডের রায় শুনে আবরারের রুমমেটের আর্তনাদ