ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে চিল্লায় যান মুয়াজ্জিন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:০৬ পিএম
মোয়াজ্জিন জাকির হোসেন

কম দামে গরু কিনে দেওয়ার কথা বলে কিশোরগঞ্জের নির্জন স্থানে নিয়ে ব্যবসায়ী রমিজ উদ্দীনকে (৬৫) হত্যা করে মুয়াজ্জিন জাকির হোসেন। এর পর সে তাবলীগে গিয়ে বিভিন্ন জেলায় আত্মগোপন করে। হত্যার ২ মাস ২০ দিন পর চিল্লারত অবস্থায় লক্ষ্মীপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১৪। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বুধবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজারে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, গত ৩ অক্টোবর কিশোরগঞ্জ থানার কাটবাড়িয়া ডাউকিয়া এলাকায় খুন হন গরু ব্যবসায়ী রমিজ উদ্দীন। এ ঘটনায় রমিজ উদ্দিনের ছেলে বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর পর র‌্যাব ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। ঘটনার প্রায় ২ মাস ২০ দিন পর ঘাতককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। নিহত রমিজ উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী।

র‌্যাব জানায়, হত্যার শিকার রমিজ উদ্দিন ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মালেয়েশিয়ায় ছিলেন। ২০০৬ সালে দেশে ফেরার পর থেকে রমিজ উদ্দিন গরু কেনা-বেচার ব্যবসা করেন। গরুর খামারও রয়েছে তার। তারই এলাকার একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন জাকির হোসেন। তার বাড়ি নেত্রকোনা। মুয়াজ্জিন জাকির জানতো রমিজ উদ্দীন অনেক অর্থ-সম্পদের মালিক। এই টাকা হাতিয়ে নিতে মুয়াজ্জিন রমিজ উদ্দীনকে জানায়, তাদের এলাকায় কম দামে গরু পাওয়া যায়, সেখান থেকে গরু কিনে ব্যবসা করলে রমিজ উদ্দীন আরও লাভবান হবে।

জিজ্ঞাসাবাদে জাকির হোসেন র‌্যাবকে আরও জানায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর মুয়াজ্জিনের কথায় প্রলুব্ধ হয়ে রমিজ উদ্দীন ব্যাংক থেকে ৬ লাখ টাকা উত্তোলন করেন। গত ২ অক্টোবর রাতে রমিজকে নিয়ে প্রথমে মনোহরদী থেকে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী এবং পরে বড়পুল এলাকায় যায় জাকির। সেখান থেকে রিকশায় কাটাবাড়িয়া ডাউকিয়া মসজিদ এলাকায় যায় এবং তারা নির্জন এলাকায় অবস্থান নেয়। মুয়াজ্জিন জাকির গাড়িতে করে সেখানে গরু নিয়ে আসবে বলে রমিজকে জানায়। তারা সেখানে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করতে থাকে। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে রমিজ উদ্দিনকে কৌশলে ডাউরিয়া মসজিদের দক্ষিণ পাশে কলা বাগানে নিয়ে যায় মুয়াজ্জিন জাকির। সেখানে নিয়ে রমিজের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে। আঘাতে রমিজ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তার কপাল, মুখ, বাম চোখের ওপর-নিচে ও মাথার বিভিন্ন স্থানে আরও আঘাত করে মুয়াজ্জিন জাকির। পরে সে রমিজকে মৃত ভেবে সেখানে ফেলে রেখে ৬ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

খন্দকার আল মঈন জানান, হত্যাকাণ্ডের পর মুয়াজ্জিন প্রথমে কিশোরগঞ্জ থেকে মনোহরদী চলে যায় এবং নিজ বাসায় গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। ফজরের আজানের সময় হলে সে মসজিদে গিয়ে আজান দেয়, নামাজে অংশগ্রহণ করে এবং মক্তবে ২০ জন ছাত্রকে আরবি পড়ায়। তখনও এলাকায় রমিজ উদ্দীনের মৃত্যুর খবর কেউ জানতে পারেনি। মুয়াজ্জিন তার সাধারণ রুটিন অনুযায়ী চলাচল করতে থাকে। কিন্তু ৩ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে রমিজ উদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়টি এলাকাবাসী জানতে পারলে জাকির হোসেন ভয় পেয়ে মসজিদ থেকে ছুটি নিয়ে আত্মগোপনে নরসিংদীর মাধবদী যায়। সেখানে কয়েকদিন থাকার পর ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁওয়, ময়মনসিংহ সদর, সিলেট জেলার ফেঞ্জুগঞ্জ এবং সিলেট থেকে পুনরায় ময়মনসিংহ এসে আত্মগোপনে থাকে। পরে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকার কাকরাইলের একটি মসজিদে আসে এবং সেখান থেকে চিল্লায় লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতী উপজেলায় আত্মগোপনে থাকে। সেখান থেকে র‌্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃত জাকির র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, ৫ বছর ধরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার একটি গ্রামের মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে নিযুক্ত ছিল সে। রমিজ উদ্দীন একজন বিত্তশালী উঠতি ব্যবসায়ী। মূলত ভিকটিমের অর্থ আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায় সে। এর আগেও সে রমিজ উদ্দিনকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছে। রমিজকে হত্যার পর তার ছয় লাখ টাকা নিয়ে যায় জাকির। এরমধ্যে ১ লাখ টাকা নিজে খরচ করে, বাকি টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে রেখেছে। তার রক্তমাখা পোশাক উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

কেএফ/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৫২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি)। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) ডিএমপির পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।  গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৮ হাজার ৫৯১ পিস ইয়াবা, ৪ কেজি ১৩৫ গ্রাম (২৫০ পুরিয়া) গাঁজা, ১৩৮ গ্রাম (১৫৫ পুরিয়া) হেরোইন ও ১২৫ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৬টি মামলা হয়েছে। আরএ/টিআই
ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২
হাতুড়ির ভেতর মিলল ৫ কেজি স্বর্ণ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক যাত্রীর কাছে থাকা হাতুড়ি থেকে পাঁচ কেজি ১৮০ গ্রাম স্বর্ণ জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজ। জব্দকৃত স্বর্ণের দাম আনুমানিক ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ওই যাত্রী হবিগঞ্জের বাসিন্দা আতাউর রহমান। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে আসেন। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকা কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মো. সানোয়ারুল কবীর জানান, মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে আতাউর রহমান শারজাহ থেকে একটি ফ্লাইটে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন। ইমিগ্রেশন শেষ করে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যাগেজ (লাগেজ) স্ক্যানিং করা হয়। এ সময় লাগেজের ভেতরে দুইটি বড় হ্যামারের মধ্যে স্বর্ণের অস্তিত্বের ইমেজ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে যাত্রীর লাগেজে থাকা হ্যামার কেটে ৪৪টি স্বর্ণের বার এবং তার প্যান্টের ভেতর থেকে স্বর্ণালংকারসহ মোট পাঁচ কেজি ১৮০ গ্রাম স্বর্ণ জব্দ করা হয়। ঢাকা কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার জানান, আতাউরের বিরুদ্ধে ডিএমপির বিমানবন্দর থানায় কাস্টমস আইন ও ফৌজদারি একটি মামলা হয়েছে। এসএস/এসকে
হাতুড়ির ভেতর মিলল ৫ কেজি স্বর্ণ
পূর্তের পাঁচ প্রকৌশলীর সম্পদের হিসাব চায় দুদক
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন গণপূর্তের পাঁচ প্রকৌশলী ও তাদের স্ত্রীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে আগামী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদের হিসাব দাখিল করতে বলা হয়েছে। দুদক উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে অঢেল সম্পদ অর্জনের সত্যতা পাওয়ায় এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। নোটিশে বলা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানের কমিশনের স্থির বিশ্বাস জন্মেছে যে, তিনি জ্ঞাত আয় বহির্ভূত স্বনামে/বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ/সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। তাই নোটিশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে তার নিজের, নির্ভরশীল ব্যক্তিদের যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ নির্ধারিত ফরমে দাখিল করতে বলা হয়। যাদের বিরুদ্ধে সম্পদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান প্রধান ও নাসরিন রহমান, গণপূর্তের শেরেবাংলা নগরের সার্কেল-৩ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নওশাদুল হক ও তার স্ত্রী সালেহা বেগম, গণপূর্তের শেরেবাংলা নগর অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মোহাম্মদ আতাউর রহমান ও তার স্ত্রী সাদিয়া আফরিন, গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম ও তার স্ত্রী কল্পনা আক্তার এবং নগর গণপূর্ত বিভাগ উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. হুমায়ুন কবির। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে উপরিউক্ত আইনের ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (২) মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। এফএ
পূর্তের পাঁচ প্রকৌশলীর সম্পদের হিসাব চায় দুদক
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির চিকিৎসক গ্রেপ্তার
ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আ ন ম ইমরান খান বলেন, হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. সালাউদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেন। ভুক্তভোগীর মামলার কারণে ওই চিকিৎসককে র‌্যাব গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে। উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কলেজের শেষবর্ষের এক শিক্ষার্থী। জিডিতে শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, পরীক্ষায় পাস না করিয়ে একই শিক্ষাবর্ষে অনেক বছর রাখার হুমকি দিয়ে ওই শিক্ষক তাকে মেসেঞ্জারে খারাপ প্রস্তাব দেন। প্রাইভেট পড়ার জন্য তাকে বাসায় যেতে বলেন। কিন্তু বাসায় যেতে শিক্ষার্থী রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে নানাভাবে হুমকি দেন শিক্ষক। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ওই শিক্ষক তাকে খারাপ প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। এতে তার পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরে গতকাল মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর রমনা থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। পি/এসকে  
ছাত্রীকে যৌন হয়রানি : হলি ফ্যামিলির চিকিৎসক গ্রেপ্তার
শাহজালালে ৫ কেজি স্বর্ণসহ প্রবাসী আটক
প্রায় ৫ কেজি ওজনের ৪৪টি স্বর্ণের বারসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা এক ব্যক্তিকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ দল। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আতাউর রহমান নামের ওই যাত্রীকে আটক করা হয়। তার বাড়ি সিলেটের হবিগঞ্জে।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) সানোয়ারুল কবির। তিনি বলেন, আতাউরের ব্যাগেজে দুটি হ্যামার পাওয়া যায়। যা কেটে ৪৪টি স্বর্ণের বার এবং তার দেহ তল্লাশি করে স্বর্ণালংকারসহ মোট ৫ দশমিক ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা।   আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান এই কাস্টমস কর্মকর্তা। এনএইচ/এসকে 
শাহজালালে ৫ কেজি স্বর্ণসহ প্রবাসী আটক
আরও পড়ুন
ব্যবসায়ীকে খুন করে চিল্লায় মুয়াজ্জিন
সিজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু