ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

নাটোরে পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যার অভিযোগ

নাটোর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:৪৪ পিএম

নাটোরের বড়াইগ্রামে পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মেয়ের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বড়াইগ্রাম উপজেলার বাটরাগোপালপুর গ্রামের শাহজাহান মোল্লার ছেলে পুলিশ কনস্টেবল মনিরুল ইসলামের সাথে জোয়াড়ি গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে তাসলিমা খাতুনের (১৯) বিয়ে হয়।

বিয়ের পর মনিরুল তার স্ত্রী তাসলিমাকে নিয়ে কর্মস্থল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভবানীপুর থানার নয়াগেলা গ্রামের আলমের বাড়িতে ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। সেখানে থাকতে পারিবারিক কলহ সৃষ্টি হয়। গত ৯ সেপ্টেম্বর কর্মস্থল চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে স্ত্রীকে নিয়ে বড়াইগ্রাম উপজেলার জোয়াড়ি গ্রামে শ্বশুড়বাড়িতে বেড়াতে আসে মনিরুল। খাওয়া-দাওয়া শেষে রাতে শ্বশুরবাড়িতে একই কক্ষে থাকেন তারা।

এ ব্যাপারে ভিকটিমের বড় ভাই রবিউল করিম জানান, আমি সকালে রাস্তার পাশে কাজ করতেছিলাম। হঠাৎ দেখি মনিরুল দ্রুতগতিতে চলে যাচ্ছে। আমি মনিরুলকে জিজ্ঞাসা করি কোথায় যাও? মনিরুল বলে কর্মস্থল চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছি। আমার সময় শেষ। তাড়াতাড়ি গিয়ে কর্মস্থলে হাজিরা দিতে হবে। আপনার বোনের সাথে আমার সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। একথা শুনে তাকে জোর করে বাড়িতে নিয়ে আসি। পরে তাসলিমার ঘরের জানালা-দরজা বন্ধ দেখে আমি ও পরিবারের লোকজন তাসলিমার নাম ধরে ডাকাডাকি করতে থাকি।

রবিউল ইসলাম আরও বলেন, আমার পরিবারের সদস্যরা ঘরের পিছনের জানালা খোলা দেখতে পায়। জানালা দিয়ে দেখি ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছে বোন তাসলিমা। তাৎক্ষণিক জানালা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বনপাড়া আমিনা হাসপাতালে নিয়ে যাই। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে আমরা রাজশাহীতে না নিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর হাসপাতালে নিয়ে সেখানে ভর্তি করি। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় গত শুক্রবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে মারা যায়। ঘটনার দিন সুকৌশলে পালিয়ে যায় কনস্টেবল মনিরুল। গত ৯ সেপ্টেম্বরের পর থেকে মনিরুল ও তার পরিবার আমাদের সাথে কোনো যোগাযোগ করেনি।

---------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: ধর্ষণের শিকার তরুণীর লাথি খেয়ে পালালো ৩ ধর্ষক
---------------------------------------------------------------

ভিকটিমের বাবা আবুল কাশেম এই প্রতিবেদককে কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, মেয়ে মরে আমাকেও সর্বস্বান্ত করে গেছে। দীর্ঘ ৫৩ দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর মেয়েকে হারালাম, আর্থিকভাবেও পঙ্গু হলাম। মেয়ে অসুস্থ থাকাবস্থায় বড়াইগ্রাম থানায় অভিযোগ করতে গিয়েছি। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ আমার অভিযোগই গ্রহণ করেনি। মেয়ে মারা যাওয়ার পর আজ সকালে আবারও থানায় যাই। কিন্তু ওসি আমাদের মামলা গ্রহণ করেননি।

এই নিয়ে নাটোরে পর্যায়ক্রমে তিনজন কনস্টেবলের স্ত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটলো।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিলীপ কুমার দাস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রাপ্তির পর সবকিছু জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সারিয়া আক্তার (১৪) নামের এক পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে দুপুরে নিজ বাড়িতে সে  আত্মহত্যা করে। আত্মহননকারী সারিয়া আক্তার নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা বরিশাল কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন হাওলাদারের মেয়ে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিপিএ-৫ না পেয়ে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের লাশ সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছে। এজে
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরগুনায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ চলছে
অবৈধ দখল উচ্ছেদে বরগুনা সদর উপজেলায় দ্বিতীয় দিনের  মতো অভিযান শুরু করেছে বরগুনা জেলা প্রশাসন। পানি উন্নয়ন বোর্ড বরগুনা কার্যালয়ের সহযোগিতায় মঙ্গলবার সকালে বরগুনা সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা রুবাইয়া তাসমিনের নেতৃত্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় ভাড়ানি খালের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এ সময় খালের পাড়ের শতাধিক পাকা ও আধাপাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জানান, অবৈধ দখলদার ভূমিদস্যু কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে দখলদারিত্ব টিকিয়ে রাখতে পাঁয়তারা চালিয়েছে।  এরা শেষমেশ আইনি জটিলতা সৃষ্টির চেষ্টাও করেছে। তবে শেষ রক্ষা হবে না এদের। আমরা অবৈধ দখল উচ্ছেদে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর। উচ্ছেদ পরিচালনার সময় ঘরে গ্যাস সিলিন্ডার, ব্যাটারি, আইপিএসের মাধ্যমে বিদ্যুতের লাইন সচল রাখাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য রাখার কারণে ফজলুর রহমান নামের অবৈধ দখলদারকে দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি আরও বলেন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে জেলা প্রশাসন। পর্যায়ক্রমে ভাড়ানী খাল, খাকদোন নদীসহ সমস্ত খাল ও নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চলবে। উল্লেখ, বরগুনা জেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে প্রায়  চার হাজার অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। জেবি
বরগুনায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ চলছে
চেয়ারম্যানকে চা দিতে দেরি হওয়ায় দোকানদারকে মারধর
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে চা দোকানদারকে মারধর করার অভিযোগ ওঠেছে। চা দিতে দেরি হওয়াতে দোকানদারকে ডেকে নিয়ে মারধর করে দোকানও বন্ধ করে দেন চেয়ারম্যানসহ তার লোকজন। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের পটল বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিষয়ে চা দোকানদার বিল্লাল হোসেন কালিহাতী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগকারী চা দোকানদার বিল্লাল হোসেন আরটিভি অনলাইনকে বলেন, গতকাল সোমবার দুপুরে দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চৌকিদার দিয়ে চার কাপ চা দিতে বলেন। চা দিতে দেরি হওয়াতে আমাকে ডেকে নিয়ে ওই বাজারের জাহাঙ্গীরের দোকানের সামনে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে কিল-ঘুষি-লাথি ও গালে চর-থাপ্পড় মারেন। এ সময় বাজারের লোকজন এগিয়ে এসে আমাকে ছাড়িয়ে নেন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেই। চেয়ারম্যান ও তার ভাই আব্দুল খালেক প্রামাণিকসহ তার লোকজন আমার দোকান বন্ধ করে দেয়। চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হুমকি দিয়ে বলেন, এ বাজারে তুই আর চা দোকানদারি করতে পারবি না। এ ব্যাপারে কালিহাতী থানায়  চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ও তার ভাই খালেককে অভিযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মারধর ও হুমকির ঘটনা অস্বীকার করে আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমার এলাকার ছেলে। আমার ঘরেই থাকে। আমাকে চা দিবে না এ কারণে ধমক দিয়েছি। আমি চেয়ারম্যান হয়ে শাসন করতেই পারি। কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) নজরুল ইসলাম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেবি
চেয়ারম্যানকে চা দিতে দেরি হওয়ায় দোকানদারকে মারধর
প্রেমে বাধা দেওয়ায় প্রেমিকার বাবাকে মেরে ফেললো প্রেমিক
সিলেটের বিয়ানীবাজারে প্রেমে বাধা দেওয়ায় প্রেমিকার বাবা নজরুল ইসলামকে (৪২) গলা কেটে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে। গেল শনিবার উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের নন্দিরফল এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।  উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের নন্দিরফল  গ্রামের মুহিব আলীর ছেলে আব্দুল মুবিন লিমন নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে এ হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ গেল রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে লিমনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত নজরুল ইসলাম (৪২) পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন। তার মেয়ের সঙ্গে আব্দুল মুবিন লিমনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি নজরুল ও তার স্ত্রী হাছনা বেগম জানার পর মুবিনের সঙ্গে মেয়ের যোগাযোগ করা বন্ধ করে দেন। যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার পর ক্ষোভে নজরুলকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় মুবিন। গেল শনিবার নজরুল ইসলামকে রাজমিস্ত্রির কাজের প্রলোভন দেখিয়ে মোবাইলে কল করে ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে যায় মুবিন। নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে রাতের অন্ধকারে কাঠের টুকরা দিয়ে তার মাথার পেছনে ও সামনে আঘাত করে। পরে ধারালো ছোরা দিয়ে নজরুলের গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করে। পরে গেল শনিবার রাত আটটার দিকে বিয়ানীবাজারের লাউতা নন্দীরফল ও টিকরপাড়া গ্রামের মধ্যবর্তী একটি ফাঁকা এলাকার তালগাছের নিচ থেকে নজরুল ইসলামের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ তথ্য নিশ্চিত করে সিলেট জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (জকিগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার সার্কেল) সুদীপ্ত রায় আরটিভি অনলাইনকে বলেন, মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে বাধা দেওয়ায় নজরুল ইসলামকে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই হত্যার কথা স্বীকার করেছেন মুবিন। এ ঘটনায় নিহত নজরুলের স্ত্রী হাসনা বেগম গতকাল সোমবার রাতে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে বিয়ানীবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। জেবি
প্রেমে বাধা দেওয়ায় প্রেমিকার বাবাকে মেরে ফেললো প্রেমিক
গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাইয়ের সময় চারজনকে গণধোলাই
বাগেরহাটের ফকিরহাটে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে ছিনতাইকালে চারজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। গতকাল সোমবার বিকেলে ফকিরহাট উপজেলার ফলতিতা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলেন, যশোর জেলার বেনাপোল উপজেলার ভবর বর এলাকার ওয়াসিম ব্যাপারির ছেলে সোহরাব ব্যাপারী (৪৪), পিরোজপুর জেলার উজিরপুর এলাকার কাজী নুর হোসেনের ছেলে কাজী রিপন (৪৫), মাদারীপুর জেলার আক্কাস গাজীর ছেলে জামান গাজী (৩৫)  ও গাড়িচালক ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার দোহার এলাকার মো. মতিয়ারের ছেলে মো. রুবেল হোসেন। প্রতক্ষদর্শীরা জানান, ফলতিতা বটতলার মৎস্য ব্যবসায়ী আনন্দ লালের কর্মচারী কলকলিয়া গ্রামের মণিশংকর বিশ্বাস ফকিরহাট সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) থেকে গতকাল সোমবার বিকেলে সাত লাখ টাকা উত্তোলন করেন। টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলে ফলতিতা যাওয়ার সময় বটতলার কাছাকাছি পৌঁছলে একটি মাইক্রোবাস তার গতি রোধ করে। মাইক্রোবাসে থাকা লোকজন গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয় দিয়ে মণিশংকরকে গাড়িতে ওঠানোর চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে তাদেরকে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মাইক্রোর চালকসহ চারজনকে আটক করে। ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাইদ মো. খায়রুল আনাম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় আমরা গাড়ির চালকসহ চারজনকে আটক করেছি। আটককৃতদের বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। জেবি
গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাইয়ের সময় চারজনকে গণধোলাই
আরও পড়ুন
ডাকাতির চেষ্টাকালে আটক ৩, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার
১৮ বছর পর মামলা থেকে অব্যাহতি
নাটোরের বড়াইগ্রামে ব্যবসায়ীর ৬ লাখ টাকা ছিনতাই
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু