ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যের সাথে দ্বিমত সিপিডি’র

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২০, ০৫:৩৩ পিএম
আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২০, ০৬:২৪ পিএম
ফাইল ছবি

গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি নিয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) যে তথ্য দিয়েছে তার সাথে দ্বিমত প্রকাশ করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

আজ রোববার (১৬ আগস্ট) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এমন মতামত দেয়।

সিপিডি’র পক্ষ থেকে বলা হয়, জিপিডির প্রবৃদ্ধি এখন একটা রাজনৈতিক সংখ্যায় পরিণত হয়েছে। এজন্য পরিসংখ্যানের সঠিক চিত্র তুলে ধরতে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের দাবি জানায়। প্রতিষ্ঠানটি।

বিবিএস থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ অর্জিত হয়েছে বলে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এর আগে সিপিডির পক্ষ থেকে পূর্বাভাস দেয়া হয় ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে। অর্থাৎ সিপিডি যে পূর্বাভাস দেয় সরকারি হিসাবে জিডিপির প্রবৃদ্ধি তার দ্বিগুণের বেশি হয়েছে।

রোববার ভার্চুয়ালে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সিপিডির পক্ষ থেকে জিডিপির বিভিন্ন দুর্বলতার দিক তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানটির রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, জিডিপির প্রবৃদ্ধির যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, সেখানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা রয়েছে। এগুলো হচ্ছে হিসাব পদ্ধতির মধ্যে অন্তর্নিহিত দুর্বলতা রয়েছে। কারণ আমরা দেখছি, এখানে অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসের ভিত্তিতে এই হিসাবটি করা হয়েছে। ফলে পরবর্তী তিন মাসে অর্থনীতির কী হলো তার কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।

দ্বিতীয় বিষয় হলো-অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হালনাগাদ নয়। তার মানে নিয়মিতভাবে সেই তথ্যগুলো আহরণ করা হয় না। অনেক তথ্য অনেক পুরোনো, তার ভিত্তিতে একটা প্রাক্কলন করা হয়েছে।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার বিষয়ে সিডিপির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসের ভিত্তিতে জিডিপির হিসাব করা হয়েছে। এই অর্থবছরে বাংলাদেশের এবং সারা পৃথিবীতে অর্থনীতিতে করোনার যে প্রভাব পড়েছে, সেই প্রভাবটা একটা ঐতিহাসিক। এটার প্রভাব সর্বব্যাপী। এ প্রভাবটা কিন্তু আমরা জিডিপির হিসাবের মধ্যে তুলে ধরতে পারলাম না।

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিবিএস যে কথা বলছে সেটাই ধরে নিচ্ছি। এটা হলো ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের জুন অর্থবছরে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি কত হয়েছে। বিবিএসই বলেছে, ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। যেহেতু চতুর্থ প্রান্তিকে আমাদের একটা নেগেটিভ অবস্থা ছিল, সুতরাং প্রবৃদ্ধির তো প্রশ্নই আসে না। এটা আমরা চ্যালেঞ্জ করতে পারি। কেউ যদি বলে চতুর্থ প্রান্তিকে, গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকর তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি, জুলাই-মার্চে (২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত) একমাত্র রেমিট্যান্স ছাড়া আমদানি, উৎপাদন, বেসরকারি খাতের ঋণ, ব্যক্তিখাতের বিনিয়োগ সবগুলো মিলিয়ে জুলাই-মার্চেই অর্থনীতিতে একটা শ্লোথ গতি দেখছিলাম। তারপর যোগ হয়েছে চতুর্থ প্রান্তিক। যেখানে প্রবৃদ্ধির তো প্রশ্নই আসে না। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে আমরা বলছি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বাস্তবতার সঙ্গে মিল খাচ্ছে না।

আরও পড়ুন:

এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
নতুন বছরের নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানির শেয়ার পেতে আর লটারির দরকার হবে না। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার। তবে সেক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের আগে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বাজারমূল্যে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে তথা সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানিয়েছে, আইপিওতে বিদ্যমান লটারির পরিবর্তে আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হবে। ধরা যাক, একজন বিনিয়োগকারী কোনো একটি কোম্পানির আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন করবেন। প্রথমত, ওই বিনিয়োগকারীর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজারে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, আইপিও আবেদনের জন্য একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক ২০, ৩০, ৪০ হাজার টাকা করে চাঁদা জমা দিতে হবে। যেহেতু লটারি পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে সেহেতু সব আবেদনকারী তার আবেদনের ভিত্তিতে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এমকে
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
বছরের শেষ দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দুই দিন দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেন বন্ধ থাকবে। এ তিনদিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও কোন লেনদেন হবে না। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ছিল চলতি বছরে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেনের শেষ কার্যদিবস। তবে এ সময় গ্রাহক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) থেকে কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন। ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে এবং ২০২১ সালের ১ ও ২ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। ছুটির কারণে এ তিন দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ৩১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত হিসাবের জন্য ব্যাংকগুলো খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরের শেষদিন ব্যাংক হলিডে থাকে। ওইদিন ব্যাংকগুলোর বার্ষিক হিসাব সম্পাদনের জন্য খোলা রাখা হলেও লেনদেন বন্ধ থাকে।  জিএম
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার।  তবে আজ ব্যাংক বন্ধ। ফলে পে অর্ডার বা কর পরিশোধের কোনো কাজ করা যাবে না। অবশ্য গত মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় করদাতারা যেন বুধবারই আয়করসংক্রান্ত কার্যক্রম সেরে ফেলেন।  করোনার জন্য এবার বিশেষ বিবেচনায় এক মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। সেই সময়ও শেষ হচ্ছে আজ। বর্তমান আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতিবছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক।   এবার অনলাইনে রিটার্ন জমার সুযোগ না থাকায় সবাইকে কর কার্যালয়ে নিজে গিয়ে বা কর আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে হয়ে। অনলাইনে কর দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শুধু কর অঞ্চল-৬–এর করদাতারা। এসএস
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেটের যাত্রা শুরু হলো ঢাকার লালবাগে। এটি ৫০ লালবাগ রোডে (লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের বিপরীতে) অবস্থিত। ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় নতুন এ আউটলেটের উদ্বোধন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘স্বপ্ন’র রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের ডিরেক্টর সামসুদ্দোহা শিমুল, ‘স্বপ্ন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান, ব্যবসায়ী শামিমা হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নানসহ অনেকে। ‘স্বপ্ন’ এর রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের পরিচালক সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, আমরা আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে বাজার করার জন্য লালবাগের মানুষ স্বপ্ন’তে নিয়মিত বাজার করবেন। স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পণ্য রাখা হয়েছে, আমাদের আউটেলেটে। আমরা তাদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং মূল্যায়নও আশা করব। গ্রাহকের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে সবসময় অগ্রাধিকার দেয় স্বপ্ন। এ ছাড়া গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ হোম ডেলিভারি সেবা। হোম ডেলিভারি নম্বর ০১৬৩০-৫১৩৮১৭। এম
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
করোনাভাইরাস মহামারীতেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিসেম্বর মাসের ২৯ দিনে ১শ’ ৯১ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর এর ওপর ভর করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার বা ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বেড়েছে। আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম ক‌রে‌ছে, যা আমা‌দের অর্থনৈতিক সক্ষমতার অন্যতম মাইলফলক। নতুন এক‌টি বছরের শুরু‌তে অবশ্যই জাতির জন্য এটি সুখকর ঘটনা। অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ এর মধ্যেও রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’ বিষয়টিকে সরকারের ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে এ অর্জনের জন্য প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ লগ্নে দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত ১৫ ডিসেম্বর এ রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ডে উন্নীত হয়েছিল। এফএ
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে