ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

অল্প টাকায় সরকারি সম্পত্তি যেভাবে কেনা যাবে  

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশে বিভিন্ন কারণে সরকারি দপ্তর থেকে মালামাল নিলামে তোলা হয়। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে- জমি, বাড়ি, গাড়ি থেকে শুরু করে তেল, পেঁয়াজ, রসুনের মত কাঁচা পণ্য, এমনকি সুতাও। বাজারে প্রচলিত দামের তুলনায় সরকারি নিলামে কম মূল্যে এসব পণ্য কেনা যায়। অনেক পণ্যের প্রতি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের আগ্রহ থাকে, যেমন কাঁচা পণ্য, তেল, গার্মেন্টস আইটেম ইত্যাদি।

তবে সরকারি নিলাম হলে গাড়ি ও মোটরবাইক কেনার প্রতি সাধারণ ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি থাকে। সাধারণ ক্রেতারা নিজেরাই সরাসরি এসব পণ্য কেনার জন্য নিলামে অংশ নিতে পারেন।

নিলাম কেন হয়?

কোনো কারণে পণ্য জব্দ করা হলে, মালিক না পাওয়া গেলে, পণ্য বাবদ সরকারের প্রাপ্য শুল্ক অপরিশোধিত থাকলে বা দীর্ঘদিন বন্দরে পড়ে থাকলে সেগুলো নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে সরকার।

চলতি মাসেই বেশ কিছু গাড়ি নিলামের মাধ্যমে বিক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে মোংলা বন্দর। চট্টগ্রাম বন্দরেও শতাধিক দামী গাড়ির নিলাম হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তর এসব নিলাম আহ্বান করে থাকে।

চট্টগ্রাম, মোংলা, বেনাপোল বা কমলাপুরের রেলওয়ে গুদামে যখন কোন পণ্য নিলামে তোলা হয়, তখন দরপত্রে অংশগ্রহণ করে সর্বোচ্চ দর দিয়েই সেটার মালিক হওয়া সম্ভব।

তবে জমি, বাড়ি বা কারখানা যখন নিলামে তোলা হয়, সাধারণত আদালতের আদেশের ভিত্তিতে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এগুলো নিলামে তোলে, তখন নিলামে অংশ নিতে কিছুটা আনুষ্ঠানিকতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

যারা নিলামে অংশ নিতে পারেন

এ বিষয়ে মোংলা কাস্টম হাউজের রাজস্ব কর্মকর্তা আবু বাসার সিদ্দিক বলছেন, নিলামে অংশ নেয়াট খুব সহজ। যেকোনো ব্যক্তি এতে অংশ নিতে পারেন।

নিলামে অংশ নেয়ার জন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ভেদে কাগজপত্রের কিছু চাহিদা রয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকার শাহজাদপুরের বাসীন্দা নেওয়াজ চৌধুরী বলেন, নিলামে কিছু কিনতে হলে নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে হয়। চাহিদা অনুযায়ী গাড়ি বা পণ্য নিলামে তোলা হলে আগে সেটা নিজে দেখে যাচাই করে দেখা উচিত। তারপর নিলামে নিলামে অংশ নেয়া উচিত।

নিলামকারী প্রতিষ্ঠান যদি তাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের দাম না পায়, তাহলে পরবর্তীতে আরও অন্তত দুইবার নিলাম ডাকতে পারে। তৃতীয়বারে অবশ্য যে দাম পাওয়া যায়, সেই দামেই পণ্য ছেড়ে দেয়া হয়।

যেভাবে নিলামে অংশ নেওয়া যায়

নেওয়াজ চৌধুরী বলেন, দরপত্র কেনার আগে নির্ধারিত নিলামকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পণ্যের বিবরণ সম্বলিত একটি ক্যাটালগ (লট ভিত্তিক পণ্যের তালিকা) কেনা উচিৎ। সেখানে কোন কোন পণ্য নিলামে তোলা হবে, তার বিস্তারিত বিবরণ, কাস্টমস কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য ইত্যাদি উল্লেখ থাকে। সেখান থেকে প্রথমে নিজের পছন্দের পণ্যটি বাছাই করতে হবে।

নিলাম বিজ্ঞপ্তিতেই এই নিলামকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর দেয়া থাকে।

নিলামকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স আল-আমিন ট্রেডার্সের কর্মকর্তা কাজী আব্দুল্লাহ বিন শাহরিয়ার বলেন, কাস্টমস বা বন্দর কর্তৃপক্ষ নিলামের সিদ্ধান্ত নেয়। আমাদের কাজ সেটি বাস্তবায়ন করা। এজন্য নিলাম ক্যাটালগ তৈরি, প্রাথমিক তথ্য দেয়া, নিলামের জিনিসপত্র কন্টেইনার থেকে বের করে রেডি করা।

ক্যাটালগ অনুযায়ী প্রতিটি লটের জন্য একটি করে দরপত্র কিনতে হবে আগ্রহী ক্রেতাদের। যেমন কেউ যদি তিনটা গাড়ি কিনতে চান, তাকে তিনটা দরপত্র কিনতে হবে। নিলামকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এই শিডিউল বা দরপত্র কেনা যাবে।

রাজস্ব কর্মকর্তা আবু বাসার সিদ্দিক বলেন, যখন কেউ ব্যক্তিগতভাবে নিলামে অংশ নিতে চাইবেন, পত্রিকায় নিলাম বিজ্ঞপ্তি দেখার পরে নিলামে অংশ নেয়ার জন্য তাকে প্রথম দরপত্র কিনতে হবে। তারপর সেটি পূরণ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, আয়কর সনদ বা টিআইএনের কপি, উদ্ধৃত দরের ১০ শতাংশ হারে পে অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটসহ জমা দিতে হবে। নিলামে যে তারিখ নির্ধারিত থাকবে, তার মধ্যেই অবশ্যই সেটি জমা দিতে হবে।

নিলামে পণ্য ক্রেতা নেওয়াজ মওলা বলেন, পণ্যের মডেল অনুযায়ী প্রস্তাব করার আগে সেটির বাজার মূল্য কত আছে, সেটির বাস্তব অবস্থা কী, দীর্ঘদিন পরে থাকার কারণে তার পেছনে নতুন করে অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে কিনা, সেটি আগে নিলামে উঠে থাকলে তখন কত টাকা পর্যন্ত দর উঠেছিল, ইত্যাদি খোঁজখবর নিয়ে মূল্য প্রস্তাব করা উচিৎ।

নিলামে যিনি সর্বোচ্চ দরদাতা নির্বাচিত হন, তিনি বা তাদের অনুকূলে বিক্রয় আদেশ জারি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পণ্য নিয়ে কোনো শর্ত বা মামলা থাকলে বলা হয় যে, সেসব শর্ত পূরণের পর এই আদেশ কার্যকর হবে।

বিক্রয় আদেশে নিলামে বিজয়ী ব্যক্তিদের বাকি মূল্য পরিশোধ করে পণ্য বুঝে নেয়ার সময় বেঁধে দেয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে বাকি মূল্য ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে পরিশোধ করে ওই কর্তৃপক্ষ বরাবর পণ্য বুঝিয়ে দেয়ার আবেদন করতে হবে।

রাজস্ব কর্মকর্তা আবু বাসার সিদ্দিক বলেন, আবেদন পাওয়ার পর আমাদের অফিসিয়াল কিছু কাজ থাকে। কিন্তু সেগুলো একদিনেই হয়ে যায়। ফলে সকালে কেউ আবেদন করলে বিকালেই পণ্য বুঝে নিয়ে যেতে পারেন।

গাড়ি বা মোটরবাইকের ক্ষেত্রে পণ্য ছাড়িয়ে নেয়ার পর নিলামের বিজ্ঞপ্তি, বিক্রয় আদেশ, পণ্য খালাস আদেশ ইত্যাদি সংরক্ষণ করতে হবে। বাহন রেজিস্ট্রেশনের সময় এগুলোর কপি জমা দিতে হয়।

পাতানো নিলামের অভিযোগ

অনেকে অভিযোগ করেন, নিলামে অংশ নিলেও পণ্য পাওয়া যায় না। কারণ কে পাবে, তা আগে থেকে ঠিক করা থাকে।

তবে এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে রাজস্ব কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এটা একেবারেই ঠিক নয়। সেরকম যদি হতো, তাহলে তো নিলাম ব্যবস্থাটাই ভেঙ্গে পড়ত। এই অভিযোগ তারা করে যারা বোঝে না।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে নিলাম যাতে অনলাইনে করা যায়, সেরকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

নিলামে পণ্য না পেলে জমা টাকা ফেরতের ব্যবস্থা কী?

নিলাম হওয়ার পর যখন বিক্রয় আদেশ জারি করা হবে, সেদিন থেকেই বাকি আগ্রহী ক্রেতারা তাদের জমা দেয়া টাকা তুলে নিতে পারবেন। তাদের জমা দেয়া পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফট তাদের ফেরৎ দেয়া হবে।

আবার নিলামে বিজয়ী হওয়ার পরেও যদি নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে কেউ মালামাল খালাস করে না নেন, তাহলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হতে পারে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

জেএইচ/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্রয়লার মুরগির ডবল সেঞ্চুরি (ভিডিও)
সপ্তাহের ব‍্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা করে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। এছাড়া কিছু সবজির দাম কমেছে অবার কিছু বেড়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় এবারের শীতে সব সবজির দাম বেড়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বেশ কিছু এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে। বাজারে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা। গত সপ্তাহে মুরগির কেজি ছিল ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা। এদিকে ১০ টাকা দাম বেড়ে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ টাকায়। গত সপ্তাহে সোনালি মুরগির কেজি ছিল ২৮০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা।   মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, বাজারের মুরগির সরবরাহের কোন সমস্যা নেই। সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে দাম। এছাড়া নতুন বছর উদযাপন উপলক্ষে মুরগির দাম বাড়তি। এদিকে বাজারে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৬০ টাকা, (গোল) বেগুন ৫০ টাকা, (লম্বা) বেগুন ৫০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, মুলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা ও পেঁপের কেজি ৪০ টাকা। এছাড়া ফুল কপি প্রতি পিস ৪০ টাকা, পাতা কপি ৪০ টাকা, লাউ আকারভেদে ৭০ টাকায়, চাল কুমড়া ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  বাজারে পুরান আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। নতুন আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা। পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকা। চায়না রসুন ১৫০ টাকা। দেশি রসুন ৫০ থেকে ৬০ টাকা। দেশি আদার ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা। এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, রসুন ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, আদা ১৪০ টাকা। হলুদ ১৬০ থেকে ২২০ টাকা। দেশি ডাল ১১০ টাকা এবং ইন্ডিয়ান ডালে বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, গত বছরের তুলনায় এবার যাতায়াত ভাড়া বেশির পাশাপাশি পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে। এছাড়া কিছুদিন আগে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হওয়াতে দাম বেড়েছে।  আরএ/
ব্রয়লার মুরগির ডবল সেঞ্চুরি (ভিডিও)
প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই ড্যাপের গেজেট প্রকাশ
রাজধানী ঢাকাকে পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) চূড়ান্ত করেছে সরকার। চূড়ান্ত করা ড্যাপ এখন প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। সরকার প্রধানের অনুমতি পেলে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে। সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার ড্যাপ পর্যালোচনা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এটি চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির আহ্বায়ক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘আজ ড্যাপ চূড়ান্ত করা হয়েছে। ড্যাপে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা কারও ওপর অবিচার করা হয়েছে বলে মনে করলে সেসব সংশোধন করা হবে। কোনও পক্ষের ক্ষতি করার জন্য ড্যাপ পাস করা হচ্ছে না। ড্যাপ চূড়ান্ত হওয়ায় এখন এটি অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে ড্যাপের গেজেট প্রকাশ করা হবে।’ ড্যাপের খসড়া অনুযায়ী রাজধানীর প্রায় ৯৪ হাজার ৫৮ দশমিক ৪২ হেক্টর জমি নগর এলাকা হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে আবাসিক এলাকা হিসেবে ১৯ হাজার ৪৫৭ দশমিক ৬৭ একর, আবাসিক প্রধান মিশ্র ব্যবহার এলাকা এক লাখ ২৩ হাজার ৯৩১ দশমিক নয় একর এবং আবাসিক-বাণিজ্যিক মিশ্র ব্যবহার এলাকা হিসেবে এক হাজার ৭৭৮ দশমিক ৯৩ একর চিহ্নিত করা হয়েছে। পি  
প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই ড্যাপের গেজেট প্রকাশ
আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ল
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আবারও বাড়াল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ২ জানুয়ারি পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন করদাতারা। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) এনবিআরের জনসংযোগ দপ্তর বিভাগ থেকে জানানো হয়, আগামী ৩১ ডিসেম্বর শুক্রবার সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় ২০২১-২২ কর বর্ষের জন্য ব্যক্তি, শ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ ২ জানুয়ারি ২০২২। জরিমানা পরিহারের লক্ষ্যে ২ জানুয়ারির মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করুন। এর আগে গত ৩০ নভেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ায় রাজস্ব বোর্ড। এসএস/এসকে
আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ল
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ / বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের টাইটেল স্পন্সর ওয়ালটন
নতুন বছরের প্রথম দিনেই মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। এই সিরিজের টাইটেল স্পন্সর হয়েছে ওয়ালটন। ওয়ালটন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে,ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং আইটিডব্লিউ বাংলাদেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) মিরপুরে ওয়ালটন কমপ্লেক্সে চুক্তি স্বাক্ষর কালীন উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ফিরোজ আলম এবং আইটিডব্লিউ বাংলাদেশের প্রতিনিধি ওমর হক। এই চুক্তির ফলে দুই টেস্টের বাংলাদেশ- নিউজিল্যান্ড সিরিজের নাম হবে ‘ওয়ালটন টেস্ট সিরিজ’। টাইটেল স্পন্সর হিসেবে গ্রাউন্ড এবং মিডিয়া কভারেজে বাড়তি সুবিধা পাবে ওয়ালটন। এ নিয়ে উদয় হাকিম বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য এটি একটি গর্বের বিষয় যে, বিদেশের মাটিতে কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে স্পন্সর হচ্ছে একটি বাংলাদেশী কোম্পানি। বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দাপটের সঙ্গে প্রাধান্য বিস্তার করছে- এটি তারই প্রমাণ।’ আগামী ১ জানুয়ারি নিউজিল্যান্ডের মাউন্ট মঙ্গানুইয়ের বে ওভালে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ৯ জানুয়ারি, ক্রাইস্টচার্চের হেগলি ওভালে। এম/
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের টাইটেল স্পন্সর ওয়ালটন
ঋণ পরিশোধে বিশেষ সুবিধা বাদ
করোনার কারণে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধে যে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল সেটির মেয়াদ বাড়াচ্ছে না বাংলাদশ ব্যাংক। এর আগে ডিসেম্বরের শেষ কর্মদিবসের মধ্যে ঋণের ২৫ শতাংশ পরিশোধ করেই খেলাপি না থাকার সুয়োগ ছিল। এই বিশেষ সুবিধার মেয়াদ আর বাড়ছে না। এখন ডিসেম্বরের মধ্যেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে ব্যবসায়ীদের। এই সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ না করলে গ্রাহক খেলাপিতে পরিণত হবেন। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ব্যাংকের ঋণ শ্রেণিকরণ সুবিধা ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিলেও বাংলাদেশ ব্যাংক সেদিকে নজর দেয়নি।  মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আয়োজিত ব্যাংকার্স সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান গভর্নর ফজলে কবির। সভা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম। সম্প্রতি ব্যাংকের ঋণ শ্রেণিকরণ সুবিধা আরও ছয় মাস অর্থাৎ ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবীরের কাছে চিঠি দিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। এফএ/এসকে
ঋণ পরিশোধে বিশেষ সুবিধা বাদ
আরও পড়ুন
ব্রয়লার মুরগির ডবল সেঞ্চুরি (ভিডিও)
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের টাইটেল স্পন্সর ওয়ালটন
বাণিজ্য মেলায় যাতায়াতে নতুন রূপে পূর্বাচল সড়ক
যা থাকছে বাণিজ্য মেলার নতুন ঠিকানায়, শুরু শনিবার