
আগামী বছরের (২০২৩) জুন মাস পর্যন্ত ঋণ পরিশোধের সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সভায় এ দাবি জানানো হয়।
সভায় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, করোনা পরবর্তী সময়েও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এখন ডলার সংকট চলছে। অনেকেই এলসি খুলতে পারছেন না। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম ও পরিবহন খরচ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের পক্ষে সময়মতো ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা সম্ভব হবে না। আমরা এজন্য ২০২৩ সালের জুন মাস পর্যন্ত ঋণ পরিশোধের সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছি।
এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ঋণ শ্রেণিকরণ সুবিধার মেয়াদ বাড়ানো না হলে অধিকাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অনিচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিতে পরিণত হবে। দেশের অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ জন্য ঋণ শ্রেণিকরণের প্রক্রিয়া আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছি। আমাদের দাবিকে বাংলাদেশ ব্যাংকও ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে।
মো. জসিম উদ্দিন আরও বলেন, রমজানের পণ্য আমদানিতে এলসি খুলতে রিজার্ভ থেকে ডলার সহায়তা চাওয়া হয়েছে। ঋণের সুদের ক্যাপ না ওঠাতে বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ করা হয়েছে।
এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক জানান, ব্যবসায়ীরা করোনা ঊর্ধ্বমুখী সময়ের মতো নীতি সহায়তা চেয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থনীতির স্বার্থে বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে। এলসি খোলায় যাতে সমস্যা না হয়, এজন্য আটটি পণ্যের বিষয়ে সার্কুলার হয়েছে। প্রয়োজনে এটি আরও বাড়ানো হবে।




