
পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি স্বাভাবিক রাখতে ও কৃত্রিম সংকট নিরসনে মহানগরসহ দেশের সব বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় অধিদপ্তরের তিনটি টিম অভিযান পরিচালনা করে। এ ছাড়া অন্যান্য বিভাগীয় শহরসহ দেশের মোট ৪১টি জেলায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৮৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫ লাখ ৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করে।
ভোক্তা অধিকার রক্ষায় অধিদপ্তরের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণার পরদিন থেকেই দেশে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। যে পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে একই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। পেঁয়াজের অস্থির বাজারে লাগাম টানতে সরকারের একাধিক সংস্থা মাঠে নেমেছে।
পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযানে নেমেছে। বন্দরে আটকে থাকা পেঁয়াজ খালাসে তৎপর হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। নানামুখী পদক্ষেপে দ্রুতই পেঁয়াজের দাম কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে বাজারে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। পেঁয়াজের ভালো ফলনের খবর দিচ্ছেন দেশের চাষিরা।
জানা গেছে, ভারত থেকে আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলা ৫২ হাজার টন পেঁয়াজ দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ভারতের বাংলাদেশ হাইকমিশনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে একদিনে ৭৪৩ টন পেঁয়াজ এসেছে। আগের এলসিকৃত আরও পেঁয়াজ শিগগিরই দেশে আনা হবে।




