ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

গ্রীষ্মের দল বদলে চমক দিতে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ মে ২০২৪, ০৫:৫৬ পিএম
ছবি- গেটি ইমেজ

আগামী ১ জুন ওয়েম্বলিতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে রিয়াল মাদ্রিদ। এই ম্যাচ দিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ অধ্যায় শেষ করবেন টনি ক্রুস। কারণ, আসন্ন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের পর সব ধরনের ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন জার্মান এই তারকা মিডফিল্ডার।

রিয়ালের সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ৩০ জুন। অনেকেই মনে করেছিল আরও কিছুদিন হয়তো তিনি রিয়ালের সাথে থাকবেন। বিশেষ করে লা লিগার শিরোপা জয়ে মাদ্রিদের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পর এই ধারনা আরও দৃঢ় হয়। কিন্তু ক্রুসকে ছাড়ায় রিয়াল মাদ্রিদকে এখন এগিয়ে যেতে হবে।

ক্রুসের বিদায়ে ১০ বছর পাশাপাশি কাটানো লুকা মড্রিচের উপর এই বিদায় কতটা প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে এখন থেকেই চিন্তিত লস ব্লাঙ্কোসরা। এই দুই অভিজ্ঞ তারকা একসাথে চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, চারটি লা লিগা ও একটি কোপা ডেল রে শিরোপা জয় করেছে। পঞ্চম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন দুজনই।

মাদ্রিদ অধ্যায়ের সঙ্গে ক্রুস ফুটবল থেকে বিদায়ে ঘোষণা দিলেও মড্রিচ প্রায়ই বলেছেন চুক্তি নবায়ন না হলে তিনি অন্যত্র চলে যাবেন। রিয়াল মাদ্রিদ সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ অবশ্য সবসময়ই তার পুরনো খেলোয়াড়দের উপর আস্থা রাখার চেষ্টা করেছেন। সেপ্টেম্বরে মড্রিচ ৩৯ বছরে পা রাখবেন। এ মৌসুমেই তার খেলার সময় অনেকটাই কমে গেছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক আউট পর্বের কোন ম্যাচেই তিনি মূল দলে খেলেননি।

ফলে ক্রুসের বিদায় ও মড্রিচের অনিশ্চিত ভবিষ্যতকে সামনে রেখে মাদ্রিদের একটি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি হতে যাচ্ছে তা মোটামুটি নিশ্চিত। আরেক তারকা নাচো মাত্র ১১ বছর বয়সে এই ক্লাবে যোগ দেবার পর এখন প্রায় বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন।

কোচ কার্লো আনচেলত্তি স্বাভাবিক ভাবেই একসাথে দলের তিন অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে ছাড়তে চাননি। বিশেষ করে ক্রুসকে অন্তত আরও এক বছর তিনি দলে রাখতে চেয়েছিলেন। ক্রুসের বিদায়ে সমর্থকরা নি:সন্দেহে চোখের পানি ফেলেছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো নিজেকে সরিয়ে নেবার এটাই সঠিক সময়।

কারণ, আরও একটি লা লিগা শিরোপা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়ের পর এমন বিদায় ভাগ্যবানদের কপালেই জুটে। তিন জন খেলোয়াড়ই ফর্মের তুঙ্গে থেকেই বিদায় নিচ্ছেন, এটাও দারুণ সৌভাগ্যের।

এদের বিদায়ে ক্লাবের আর্থিক দিকটিও একটি প্রভাব ফেলবে। ক্রুস ও মড্রিচ এই মুহূর্তে ক্লাবের সর্বোচ্চ আয়ের খেলোয়াড়। তারা দুজনের মিলে বছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার একে অপরের মধ্যে ভাগ করে নেন। বেতন, বোনাস ও কমিশনের দিক থেকে অন্যান্যদের থেকে তারা অনেকটাই এগিয়ে।

অন্যদিকে গ্রীষ্মে ফ্রি-এজেন্ট হিসেবে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পিএসজি থেকে উড়িয়ে আনারও একটি বিষয় অপেক্ষা করছে। যদিও ২০০৩ সালের পর থেকে আর্থিক দিক থেকে রিয়াল মাদ্রিদ সবসময়ই সমৃদ্ধ একটি ক্লাব হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে এসেছে।
প্রতি বছরই তাদের লভ্যাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

যে কারণে, বড় খেলোয়াড়দের দলে ভেড়াতে তাদের খুব বেশি চিন্তা করতে হয়নি। যদিও এবারের দল বদল একটু হলেও ব্যয়বহুল হবে। এটা শুধুমাত্র এমবাপ্পের জন্য নয় মাদ্রিদ ফুলব্যাক ফারলান্ড মেন্ডিকে অথবা একইসাথে ডানি কারভাহাল ও লুকাস ভাসকুয়েজকে ছেড়ে দিতে চাচ্ছে।

নাচো চলে গেলে মাদ্রিদের সেন্টারব্যাক পজিশনে থাকবেন ৩১ বছর বয়সী এন্টোনিও রুডিগার, ৩২ বছর বয়সী ডেভিড আলাবা ও এডার মিলিটাও। সম্প্রতি এসিএল ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছে মিলিটাও। এর অর্থ হচ্ছে আরও একজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার দলে প্রয়োজন। যে কিনা রাইট-ব্যাক পজিশনেও খেলতে পারবে।

মাঝমাঠে ক্রুস ও মড্রিচ চলে গেলে অভিজ্ঞতার অভাব হলেও অপেক্ষাকৃত তরুণরা সব ফর্মে রয়েছে। জুড বেলিংহাম (২০), এডুয়ার্ডো কামভিনগা (২১), অরেলিয়েন চুয়ামেনি (২৪), ফেডে ভালভার্দে (২৫), ডানি সেবালোস (২৭) নিজেদের প্রতিদিনই প্রমাণ করে চলেছেন।

তবে আনচোলত্তির ৪-২-২ ফর্মেশনে পাঁচজন সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে এখান থেকে কাউকে কাউকে পজিশন পরিবর্তন করতে হয়। কামভিনগাকে লেফট ব্যাক, চুয়ামেনিকে সেন্টার ব্যাক ও ভালভার্দেকে রাইট উইংয়ে খেলানো হয়েছে। এ কারণেই দলে অন্য কোন খেলোয়াড় মিডফিল্ডার আনার প্রয়োজন রয়েছে।

সব মিলিয়ে গ্রীষ্মের ট্রান্সফার মার্কেটে বড় ভূমিকা রাখার ইঙ্গিত দিচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৯ সালে এডেন হ্যাজার্ড, লুকা জোভিচ, মেন্ডি, মিলিটাও ও রডিগোকে নেবার পর হয়তো সবচেয়ে বড় ট্রান্সফার এবারই করতে যাচ্ছে মাদ্রিদ।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিপিএল ২০২৫ / নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে বিপিএলের ১১তম আসরে শুভসূচনা করেছে গ্লোবাল সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল রংপুর রাইডার্স। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও। সিলেটকে ৩৪ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে ব্যাক টু ব্যাক জয় পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের দলটি। চার উইকেট তুলে নিয়ে এই জয়ের অন্যতম নায়ক নাহিদ রানা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রংপুর। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় রংপুর রাইডার্স। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সিলেট। ৩ বলে ২ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন জর্জি মানজি। তিনে ব্যাট করতে নেমে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকির হাসানও। ১২ বলে ১৮ রান করে বোল্ড আউট হন এই বাঁহাতি ওপেনার। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি পল স্ট্রালিংও। ৫ বলে ৬ রান করে এই আইরিশ ব্যাটার আউট হলে ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারায় সিলেট। তবে জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওপেনার রনি তালুকদার। দুজনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে সিলেট।  কিন্তু ১৫তম ওভারে রনি তালুকদারকে বোল্ড করেন খুশদিল শাহ। এর আগে ৩৬ বলে ৪১ রান করেন রনি। পরের বলে আরিফুল হককে ডাক আউট করে রংপুরকে খেলায় ফেরান খুশদিল শাহ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করতে থাকেন জাকের আলী। তবে ১৬তম ওভারে দ্বিতীয় বলে ২৪ রান করে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে ফিরিয়ে উল্লাস শুরু করে পেসার নাহিদ রান। এরপর তানজিম হাসান সাকিব (৩), নাহিদুজ্জামান (১) এবং শিনওয়ারি ৮ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত রিস টপলি ৫ রানে এবং আল আমিন ৩ রানে অপরাজিত থাকলেও নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় সোহান-মাহেদীরা। রংপুর রাইডার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন নাহিদরা। এ ছাড়াও খুশদিল শাহ ও সাইফউদ্দিন দুটি করে উইকেট নেন। আর এক উইকেট নেন কামরুল হাসান। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছিল রংপুর। আরটিভি/এসআর/এআর  
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
জয় দিয়ে বছরটা রাঙিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। বছরের শেষ ম্যাচে কষ্টার্জিত হলেও জয়ে ফিরল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। বসুন্ধরা কিংস ফেডারেশন কাপ শুরু করেছিল ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে জয় দিয়ে। মাঝখানে ফর্টিস এফসির কাছে হেরেছে। আজ কিংস অ্যারেনায় নিজেদের গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। ঘরের মাঠে কিংস অ্যারেনায় জয়ে পেতে মরিয়া বসুন্ধরা ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পায়। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে তপু বর্মণের গোলে এগিয়ে গেলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বসুন্ধরার উল্লাস। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই পুলিশ সমতা ফেরে আল আমিনের গোলে। তবে পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের ১১তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল ফেরেইরার গোলে আবারও এগিয়ে যায় কিংস। ২৫ মিনিটে গোলরক্ষক রাকিবুল তুষার ও সাগর মিয়ার ভুমিকায় পুলিশ গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায়। ৩৪ মিনিটে রাকিবকে আরেকবার হতাশ করেন গোলরক্ষক তুষার। প্রথমার্ধের খেলা ২–১ ব্যবধানে থেকে শেষ করে দুই দল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩–১ করেন কিংসের আরেক ব্রাজিলিয়ান জোনাথন ফার্নান্দেজ। ৫৪ মিনিটে পুলিশের আল আমিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩–২ করে খেলা জমিয়ে তুলেছিলেন। তবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে কিংসকে চোখ রাঙালেও শেষ পর্যন্ত দারুণ কিছু করতে পারেনি পুলিশ। এ ম্যাচে পুলিশ হারলেও চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে থাকা দলটির স্ট্রাইকার আল আমিনের ২টি গোলই নজর কেড়েছে। অষ্টম মিনিটে ঈসা ফয়সালের ক্রস থেকে আল আমিনের প্রথম গোলটি ছিল সুযোগের সন্ধানে থাকার ফল। প্রিমিয়ার লিগে ৬ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা আল আমিনের দ্বিতীয় গোলটি ছিল অসাধারণ। সৈয়দ কাজেমের ডিফেন্সচেরা থ্রু ধরে কিংসের গোলকিপার মেহেদী হাসানকে কাটাতে গিয়ে বাঁ পাশে সরে গেলেও বেশ কঠিন অ্যাঙ্গেল থেকে বল জালে পাঠান আল আমিন।  কুমিল্লার ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে দিনের অন্য খেলায় জয় কুমারের জোড়া গোলে বড় জয় পেয়েছে ফর্টিস এফসি। ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে তারা হারিয়েছে ৩–০ গোলে।  আরটিভি/এমএম
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রাইডার্স। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় রংপুর। সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন আল আমিন হোসেন ও তানজিম সাকিব। এ ছাড়াও সাইমুল্লাহ শিনওয়ারি ও রিস টপলি এক করে উইকেট নেন। আরটিভি/এসআর/এআর  
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১১তম আসরে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা গিয়েছে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে। এই সময় ধারাভাষ্য কক্ষে বেশ কিছু সময় পার করেন তিনি।   মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনা টাইগার্স এবং চট্টগ্রাম কিংসের মধ্যকার ম্যাচের কিছু সময় ধারাভাষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ। এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ধারাভাষ্য কক্ষে প্রবেশ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক। এরপর কিছুক্ষণ বাংলায় ধারাভাষ্য দেন তিনি। এসময় খুলনার ছুঁড়ে দেওয়া ২০৪ রানের টার্গেট তাড়া করছিল চট্টগ্রাম। ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে বের হয়ে প্রেস বক্সে সাংবাদিকদের সাথে দেখা করেন ফারুক। সেখানে ধারাভাষ্য করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ফারুককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে বল-টু-বল ধারাভাষ্য করতে হয়নি। আমি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছি।’ আরটিভি/এমএম
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
বিপিএলের তৃতীয় ম্যাচে চিটাগংকে ৩৭ রানে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স। এই ম্যাচের দ্বিতীয় প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে এসে ১ বলে ১৫ রান খরচ করে রেকর্ড গড়েছেন ওশানে থমাস। তবে তার একটি নো বলের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন খুলনার কোচ তালহা জুবায়ের। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনার দেওয়া ২০৪ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন নাইম শেখ। তবে নো বল হওয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছেন। আর নো বলের ভিডিওটা টিভিতে না দেখানোই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তালহা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে খুলনার কোচ বলেন, প্রথম বলে দেখলাম উইকেট পড়েছে গেছে; তারপর দেখি যে নো বল। আমার ওই নো বল নিয়ে একটি সন্দেহ আছে। কারণ, আমি এটি রিপ্লেতে দেখতে পারিনি। এটা দেখানো উচিত ছিল। আমি এটি দেখতে চাইব। এক বলে ১৫ রান দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, এরকম আগে দেখিনি নো বল ওয়াইড আবার নো বল, ফ্রি হিট। আর হয়তো থমাসও শুরুটা ভালো করতে পারেনি। আর এমনিতেই ওর নো বল দেওয়ার প্রবনতা রয়েছে। জাতীয় দলের হয়েও প্রায় নো বল করতে দেখা যায়। নো বল দেওয়ার জন্য থমাসের ফিটনেসকে দায়ী করেছেন তালহা। তার ভাষ্য, আসলে ওর যে ফিটনেস সেটা পেস বোলার হিসেবে ঠিক নেই। আর নিজের ফিটনেস এবং রানিং নিয়ে হয়তো এর আগে কোনো কাজ করেনি। তাই নো বল দেওয়ার প্রবনতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ১ বলে ১৫ রান এটা নতুন। নাইম ইসলামের বিপক্ষে ওশান থমাস ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যাচ লুফে নেন তিনি। আম্পায়ারের কলে সেটা ছিল নো বল। ফ্রি-হিটের পরের বলে ছিল ডট। সেটা ছিল লিগ্যাল ডেলিভারি। এরপরেই আসে ওশান থমাসের লিগ্যাল ডেলিভারির জন্য লম্বা সংগ্রাম। নো বলে ৬ রান হজম করেছেন। এরপর দুই ওয়াইড বল। পরের নো বলে হজম করেছেন ৪ রান। ততক্ষণে চলে এসেছে ১৪ রান। স্কোরবোর্ডে ১ বলের পাশে ১৫ রান। শেষ পর্যন্ত বৈধ বল ওশান থমাস করেছেন। সেটায় ছিল ডট। তারপর ফের একটা নো-বল। সেই বলেও ক্যাচ হয়েছিলেন নাইম। দ্বিতীয়বার জীবন পান ওই এক ওভারেই। ফ্রি-হিটের পর অবশ্য নিজেকে আর বাঁচাতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। বোসিস্টোর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। এর আগে এক বলে ১৩ রান নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন ভারতের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। চলতি বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন কীর্তি গড়েছিলেন ভারতের এই ওপেনার। অবশ্য সেবার ৭ রান তিনি পেয়েছিলেন নো-বল থেকে আর ১টা ছিল ছক্কার মার। এর আগে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এর ম্যাচে ১ বলে ১৪ রান তুলেছিলেন ওশান থমাস। আরটিভি/ এসআর  
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
আরও পড়ুন
‘স্থানীয় নয়, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে কাজ করছে ইসি’
বিপিএলের সাত দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড
বদলে যাচ্ছে রিয়ালের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর নাম
সরকারের জনপ্রিয়তা থাকলেও প্রশাসনিক অসহযোগিতা রয়েছে: নাহিদ