ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বিপিএলের সাত দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৩:০৫ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

টিকিট নিয়ে দর্শকদের ক্ষোভের মাঝেই শুরু হলো বিপিএল। খেলা চলাকালিন অনেকে গেটের বাইরে অবস্থান নিয়েছিল ক্রিকেট পাগল। উত্তেজিত হয়ে গেটও ভাঙ্গে দর্শকরা। এত আলোচনার মধ্যেই শুরু হওয়া ১১তম আসরটির এবার এক নজরে দেখে নেয়া যাক ৭ দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড।

ঢাকা ক্যাপিটালস
অধিনায়ক: থিসারা পেরেরা

দেশি ক্রিকেটার: মুস্তাফিজুর রহমান, লিটন কুমার দাস, তানজিদ হাসান, মুনিম শাহরিয়ার, সাব্বির রহমান, শাহাদাত হোসেন, মুকিদুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম, আবু জায়েদ চৌধুরি, রহমতউল্লাহ আলি, মেহেদি হাসান রানা, আসিফ হাসান, হাবিবুর রহমান, আলাউদ্দিন বাবু।

বিদেশি ক্রিকেটার: থিসারা পেরেরা (শ্রীলঙ্কা), জনসন চার্লস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), স্টিভেন এসকেনাজি (ইংল্যান্ড), চাতুরাঙ্গা ডি সিলভা (শ্রীলঙ্কা), জাহুর খান (সংযুক্ত আরব আমিরাত), শাহনাওয়াজ দাহানি (পাকিস্তান), রিয়াজ হাসান (আফগানিস্তান), আমির হামজা (আফগানিস্তান), ফারমানউল্লাহ শাফি (আফগানিস্তান), জেপি কোটজে (নামিবিয়া), শুভাম সুভাস রাঞ্জানা (যুক্তরাষ্ট্র), জেসন রয় (ইংল্যান্ড)

কোচিং প্যানেল: খালেদ মাহমুদ (প্রধান কোচ), সাঈদ আজমল (মেন্টর), ফয়সাল হোসেন (সহকারী কোচ)

চিটাগং কিংস
অধিনায়ক: মোহাম্মদ মিঠুন

দেশি ক্রিকেটার: মোহাম্মদ মিঠুন, সাকিব আল হাসান, শরিফুল ইসলাম, শামীম হোসেন, পারভেজ হোসেন, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, আলিস আল ইসলাম, নাঈম ইসলাম, মারুফ মৃধা, রাহাতুল জাভেদ, শেখ পারভেজ রহমান, মার্শাল আইয়ুব, নাবিল সামাদ, ইফরান হোসেন।

বিদেশি ক্রিকেটার: মইন আলি (ইংল্যান্ড), উসমান খান (পাকিস্তান), হায়দার আলি (পাকিস্তান), অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস (শ্রীলঙ্কা), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র (পাকিস্তান), বিনুরা ফার্নান্দো (শ্রীলঙ্কা), গ্রাহাম ক্লার্ক (ইংল্যান্ড), থমাস ও'কনেল (অস্ট্রেলিয়া), খাওয়াজা নাফে (পাকিস্তান), লাহিরু মিলান্থা (যুক্তরাষ্ট্র), জুবাইরউল্লাহ আকবারি (আফগানিস্তান), হুসাইন তালাত (পাকিস্তান), আলি রাজা (পাকিস্তান)।

কোচিং প্যানেল: শন টেইট (প্রধান কোচ), শাহিদ আফ্রিদি (মেন্টর ও শুভেচ্ছাদূত), এনামুল হক জুনিয়র (সহকারী কোচ), মাহবুবুল আলম (ব্যাটিং কোচ)।

ফরচুন বরিশাল
অধিনায়ক: তামিম ইকবাল

দেশি ক্রিকেটার: তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, তাওহিদ হৃদয়, ইবাদত হোসেন চৌধুরি, রিশাদ হোসেন, রিপন মন্ডল, আরিফুল ইসলাম, তানভির ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, প্রিতম কুমার, ইকবাল হোসেন ইমন

বিদেশি ক্রিকেটার: দাভিদ মালান (ইংল্যান্ড), মোহাম্মদ নাবি (আফগানিস্তান), কাইল মেয়ার্স (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ফাহিম আশরাফ (পাকিস্তান), জাহান্দাদ খান (পাকিস্তান), মোহাম্মদ আলি (পাকিস্তান), জেমস ফুলার (ইংল্যান্ড), পাথুম নিসাঙ্কা (শ্রীলঙ্কা), মোহাম্মদ ইমরান (পাকিস্তান), শাহিন শাহ আফ্রিদি (পাকিস্তান)

কোচিং প্যানেল: মিজানুর রহমান (প্রধান কোচ), নাফিস ইকবাল (ব্যাটিং কোচ), হুমায়ুন কবির (সহকারী কোচ), শাহিন হোসেন (ফিল্ডিং কোচ), সাব্বির খান (ম্যানেজার)।

খুলনা টাইগার্স
অধিনায়ক: মেহেদী হাসান মিরাজ

দেশি ক্রিকেটার: মেহেদী হাসান মিরাজ, আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ নাঈম শেখ, ইমরুল কায়েস, মাহমুদুল হাসান জয়, নাসুম আহমেদ, মাহিদুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, হাসান মাহমুদ, মাহফুজুর রহমান রাব্বি, আবু হায়দার, রুবেল হোসেন।

বিদেশি ক্রিকেটার: লুইস গ্রেগরি (ইংল্যান্ড), মোহাম্মদ হাসনাইন (পাকিস্তান), মোহাম্মদ নাওয়াজ (পাকিস্তান), ওশান টমাস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ইব্রাহিম জাদরান (আফগানিস্তান), দারভিশ রাসুলি (আফগানিস্তান), সালমান ইরশাদ (পাকিস্তান)।

কোচিং প্যানেল: তালহা জুবায়ের (প্রধান কোচ), নাসিরউদ্দিন ফারুক (ব্যাটিং কোচ), মামুনুর রশিদ (সহকারী কোচ), মোহাম্মদ সেলিম (ফিল্ডিং কোচ), মহসিন শেখ (অ্যানালিস্ট)।

দুর্বার রাজশাহী
অধিনায়ক: এনামুল হক বিজয়

দেশি ক্রিকেটার: এনামুল হক বিজয়, তাসকিন আহমেদ (সহ-অধিনায়ক), জিসান আলম, আকবর আলি, সানজামুল ইসলাম, ইয়াসির আলি, সাব্বির হোসেন, হাসান মুরাদ, শফিউল ইসলাম, মোহর শেখ, এসএম মেহেরব হাসান, মিজানুর রহমান

বিদেশি ক্রিকেটার: মোহাম্মদ হারিস (পাকিস্তান), আরাফাত মিনহাজ (পাকিস্তান), রায়ান বার্ল (জিম্বাবুয়ে), সাদ নাসিম (পাকিস্তান), লাহিরু সামারাকুন (শ্রীলঙ্কা), সালমান মির্জা (পাকিস্তান)

কোচিং প্যানেল: এজাজ আহমেদ (প্রধান কোচ), রাও ইফতিখার (সহকারী কোচ)।

সিলেট স্ট্রাইকার্স স্কোয়াড
অধিনায়ক: আরিফুল হক

দেশি ক্রিকেটার: আরিফুল হক, মাশরাফি বিন মুর্তজা, জাকির হাসান, তানজিম হাসান, জাকের আলি, রনি তালুকদার, আল আমিন হোসেন, রুয়েল মিয়া, নিহাদউজ্জামান, নাহিদুল ইসলাম, মেহেদি হাসান সোহাগ, টিপু সুলতান, জাওয়াদ আবরার।

বিদেশি ক্রিকেটার: পল স্টার্লিং (আয়ারল্যান্ড), জর্জ মানজি (স্কটল্যান্ড), রাকিম কর্নওয়াল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), সামিউল্লাহ শিনওয়ারি (আফগানিস্তান), রিস টপলি (ইংল্যান্ড), অ্যারন জোন্স (যুক্তরাষ্ট্র), জন-রাস জাগেসার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।

কোচিং প্যানেল: একেএম মাহমুদ ইমন (প্রধান কোচ), সৈয়দ রাসেল (সহকারী কোচ), তুষার ইমরান (ব্যাটিং কোচ), ডলার মাহমুদ (বোলিং কোচ), মুরাদ খান (ফিল্ডিং কোচ)।

রংপুর রাইডার্স
অধিনায়ক: নুরুল হাসান সোহান

দেশি ক্রিকেটার: নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদি হাসান, সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, রকিবুল হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, কামরুল ইসলাম, রেজাউর রহমান রাজা, নাহিদ রানা, ইরফান শুক্কুর, তৌফিক খান, আজিজুল হাকিম তামিম।

বিদেশি ক্রিকেটার: অ্যালেক্স হেলস (ইংল্যান্ড), ইফতিখার আহমেদ (পাকিস্তান), সেদিকউল্লাহ আটাল (আফগানিস্তান), খুশদিল শাহ (পাকিস্তান), কার্টিস ক্যাম্পার (আয়ারল্যান্ড), স্টিভেন টেলর (যুক্তরাষ্ট্র), আকিফ জাভেদ (পাকিস্তান)।

কোচিং প্যানেল: মিকি আর্থার (প্রধান কোচ), মোহাম্মদ আশরাফুল (সহকারী কোচ), মোহাম্মদ রফিক (মেন্টর ও স্পিন বোলিং কোচ), ফাহিম আমিন (ফিল্ডিং কোচ), শাহরিয়ার নাফীস (ব্যাটিং পরামর্শক)।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিপিএল ২০২৫ / নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে বিপিএলের ১১তম আসরে শুভসূচনা করেছে গ্লোবাল সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল রংপুর রাইডার্স। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও। সিলেটকে ৩৪ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে ব্যাক টু ব্যাক জয় পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের দলটি। চার উইকেট তুলে নিয়ে এই জয়ের অন্যতম নায়ক নাহিদ রানা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রংপুর। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় রংপুর রাইডার্স। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সিলেট। ৩ বলে ২ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন জর্জি মানজি। তিনে ব্যাট করতে নেমে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকির হাসানও। ১২ বলে ১৮ রান করে বোল্ড আউট হন এই বাঁহাতি ওপেনার। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি পল স্ট্রালিংও। ৫ বলে ৬ রান করে এই আইরিশ ব্যাটার আউট হলে ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারায় সিলেট। তবে জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওপেনার রনি তালুকদার। দুজনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে সিলেট।  কিন্তু ১৫তম ওভারে রনি তালুকদারকে বোল্ড করেন খুশদিল শাহ। এর আগে ৩৬ বলে ৪১ রান করেন রনি। পরের বলে আরিফুল হককে ডাক আউট করে রংপুরকে খেলায় ফেরান খুশদিল শাহ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করতে থাকেন জাকের আলী। তবে ১৬তম ওভারে দ্বিতীয় বলে ২৪ রান করে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে ফিরিয়ে উল্লাস শুরু করে পেসার নাহিদ রান। এরপর তানজিম হাসান সাকিব (৩), নাহিদুজ্জামান (১) এবং শিনওয়ারি ৮ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত রিস টপলি ৫ রানে এবং আল আমিন ৩ রানে অপরাজিত থাকলেও নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় সোহান-মাহেদীরা। রংপুর রাইডার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন নাহিদরা। এ ছাড়াও খুশদিল শাহ ও সাইফউদ্দিন দুটি করে উইকেট নেন। আর এক উইকেট নেন কামরুল হাসান। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছিল রংপুর। আরটিভি/এসআর/এআর  
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
জয় দিয়ে বছরটা রাঙিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। বছরের শেষ ম্যাচে কষ্টার্জিত হলেও জয়ে ফিরল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। বসুন্ধরা কিংস ফেডারেশন কাপ শুরু করেছিল ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে জয় দিয়ে। মাঝখানে ফর্টিস এফসির কাছে হেরেছে। আজ কিংস অ্যারেনায় নিজেদের গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। ঘরের মাঠে কিংস অ্যারেনায় জয়ে পেতে মরিয়া বসুন্ধরা ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পায়। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে তপু বর্মণের গোলে এগিয়ে গেলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বসুন্ধরার উল্লাস। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই পুলিশ সমতা ফেরে আল আমিনের গোলে। তবে পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের ১১তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল ফেরেইরার গোলে আবারও এগিয়ে যায় কিংস। ২৫ মিনিটে গোলরক্ষক রাকিবুল তুষার ও সাগর মিয়ার ভুমিকায় পুলিশ গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায়। ৩৪ মিনিটে রাকিবকে আরেকবার হতাশ করেন গোলরক্ষক তুষার। প্রথমার্ধের খেলা ২–১ ব্যবধানে থেকে শেষ করে দুই দল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩–১ করেন কিংসের আরেক ব্রাজিলিয়ান জোনাথন ফার্নান্দেজ। ৫৪ মিনিটে পুলিশের আল আমিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩–২ করে খেলা জমিয়ে তুলেছিলেন। তবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে কিংসকে চোখ রাঙালেও শেষ পর্যন্ত দারুণ কিছু করতে পারেনি পুলিশ। এ ম্যাচে পুলিশ হারলেও চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে থাকা দলটির স্ট্রাইকার আল আমিনের ২টি গোলই নজর কেড়েছে। অষ্টম মিনিটে ঈসা ফয়সালের ক্রস থেকে আল আমিনের প্রথম গোলটি ছিল সুযোগের সন্ধানে থাকার ফল। প্রিমিয়ার লিগে ৬ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা আল আমিনের দ্বিতীয় গোলটি ছিল অসাধারণ। সৈয়দ কাজেমের ডিফেন্সচেরা থ্রু ধরে কিংসের গোলকিপার মেহেদী হাসানকে কাটাতে গিয়ে বাঁ পাশে সরে গেলেও বেশ কঠিন অ্যাঙ্গেল থেকে বল জালে পাঠান আল আমিন।  কুমিল্লার ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে দিনের অন্য খেলায় জয় কুমারের জোড়া গোলে বড় জয় পেয়েছে ফর্টিস এফসি। ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে তারা হারিয়েছে ৩–০ গোলে।  আরটিভি/এমএম
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রাইডার্স। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় রংপুর। সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন আল আমিন হোসেন ও তানজিম সাকিব। এ ছাড়াও সাইমুল্লাহ শিনওয়ারি ও রিস টপলি এক করে উইকেট নেন। আরটিভি/এসআর/এআর  
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১১তম আসরে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা গিয়েছে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে। এই সময় ধারাভাষ্য কক্ষে বেশ কিছু সময় পার করেন তিনি।   মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনা টাইগার্স এবং চট্টগ্রাম কিংসের মধ্যকার ম্যাচের কিছু সময় ধারাভাষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ। এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ধারাভাষ্য কক্ষে প্রবেশ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক। এরপর কিছুক্ষণ বাংলায় ধারাভাষ্য দেন তিনি। এসময় খুলনার ছুঁড়ে দেওয়া ২০৪ রানের টার্গেট তাড়া করছিল চট্টগ্রাম। ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে বের হয়ে প্রেস বক্সে সাংবাদিকদের সাথে দেখা করেন ফারুক। সেখানে ধারাভাষ্য করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ফারুককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে বল-টু-বল ধারাভাষ্য করতে হয়নি। আমি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছি।’ আরটিভি/এমএম
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
বিপিএলের তৃতীয় ম্যাচে চিটাগংকে ৩৭ রানে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স। এই ম্যাচের দ্বিতীয় প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে এসে ১ বলে ১৫ রান খরচ করে রেকর্ড গড়েছেন ওশানে থমাস। তবে তার একটি নো বলের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন খুলনার কোচ তালহা জুবায়ের। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনার দেওয়া ২০৪ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন নাইম শেখ। তবে নো বল হওয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছেন। আর নো বলের ভিডিওটা টিভিতে না দেখানোই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তালহা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে খুলনার কোচ বলেন, প্রথম বলে দেখলাম উইকেট পড়েছে গেছে; তারপর দেখি যে নো বল। আমার ওই নো বল নিয়ে একটি সন্দেহ আছে। কারণ, আমি এটি রিপ্লেতে দেখতে পারিনি। এটা দেখানো উচিত ছিল। আমি এটি দেখতে চাইব। এক বলে ১৫ রান দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, এরকম আগে দেখিনি নো বল ওয়াইড আবার নো বল, ফ্রি হিট। আর হয়তো থমাসও শুরুটা ভালো করতে পারেনি। আর এমনিতেই ওর নো বল দেওয়ার প্রবনতা রয়েছে। জাতীয় দলের হয়েও প্রায় নো বল করতে দেখা যায়। নো বল দেওয়ার জন্য থমাসের ফিটনেসকে দায়ী করেছেন তালহা। তার ভাষ্য, আসলে ওর যে ফিটনেস সেটা পেস বোলার হিসেবে ঠিক নেই। আর নিজের ফিটনেস এবং রানিং নিয়ে হয়তো এর আগে কোনো কাজ করেনি। তাই নো বল দেওয়ার প্রবনতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ১ বলে ১৫ রান এটা নতুন। নাইম ইসলামের বিপক্ষে ওশান থমাস ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যাচ লুফে নেন তিনি। আম্পায়ারের কলে সেটা ছিল নো বল। ফ্রি-হিটের পরের বলে ছিল ডট। সেটা ছিল লিগ্যাল ডেলিভারি। এরপরেই আসে ওশান থমাসের লিগ্যাল ডেলিভারির জন্য লম্বা সংগ্রাম। নো বলে ৬ রান হজম করেছেন। এরপর দুই ওয়াইড বল। পরের নো বলে হজম করেছেন ৪ রান। ততক্ষণে চলে এসেছে ১৪ রান। স্কোরবোর্ডে ১ বলের পাশে ১৫ রান। শেষ পর্যন্ত বৈধ বল ওশান থমাস করেছেন। সেটায় ছিল ডট। তারপর ফের একটা নো-বল। সেই বলেও ক্যাচ হয়েছিলেন নাইম। দ্বিতীয়বার জীবন পান ওই এক ওভারেই। ফ্রি-হিটের পর অবশ্য নিজেকে আর বাঁচাতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। বোসিস্টোর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। এর আগে এক বলে ১৩ রান নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন ভারতের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। চলতি বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন কীর্তি গড়েছিলেন ভারতের এই ওপেনার। অবশ্য সেবার ৭ রান তিনি পেয়েছিলেন নো-বল থেকে আর ১টা ছিল ছক্কার মার। এর আগে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এর ম্যাচে ১ বলে ১৪ রান তুলেছিলেন ওশান থমাস। আরটিভি/ এসআর  
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
আরও পড়ুন
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
মিচেল মার্শের অনুরোধেই খুলনা শিবিরে যোগ দেন বোসিসটো