ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

এনবিআর বিলুপ্ত হওয়া নিয়ে যা জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ মে ২০২৫, ০৮:১০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এখনই বিলুপ্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, রাজস্ব নীতি সংস্কার-সংক্রান্ত পরামর্শক কমিটিসহ সব অংশীজনের সঙ্গে বিশদ আলোচনা করে জারি করা ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার পর অধ্যাদেশটি বাস্তবায়ন করা হবে।

দুটি নতুন বিভাগের জন্য এলোকেশন অব বিজনেস (কার্যপরিধি নির্ধারণ) এবং আয়কর আইন, কাস্টমস আইন, মূল্য সংযোজন আইন এবং এসব আইনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিধি ও প্রবিধানেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন হবে। এ কাজগুলোও সময়সাপেক্ষ। এ কাজগুলো সম্পাদন না করে কোনোভাবে অধ্যাদেশটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তাই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এখনই বিলুপ্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবারের বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা বলেছেন, রাজস্ব নীতি সংস্কারসংক্রান্ত পরামর্শক কমিটিসহ অংশীজনের সঙ্গে বিশদ আলোচনা করে অধ্যাদেশে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার পর সেটি বাস্তবায়ন করা হবে। এমন ফলপ্রসূ আলোচনার পর ঐক্য পরিষদ পুনরায় অসহযোগ আন্দোলনের যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।

অধ্যাদেশটি জারি করার পর তা বাস্তবায়নের জন্য অনেকগুলো কাজ যেমন, দুইটি বিভাগের নতুন করে সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন, পদ সৃজনের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ, বাস্তবায়ন অনুবিভাগ, সচিব কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদন লাগবে। তাছাড়া, দুইটি নতুন বিভাগের জন্য বিদ্যমান আইনগুলোর বিধি ও প্রবিধানেও পরিবর্তন আনতে হবে। এসব কাজ বেশ সময়সাপেক্ষ। এই কাজগুলো সম্পাদন না করে অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তাই এনবিআর এখনি বিলুপ্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

বৃহস্পতিবার এনবিআরের সাবেক দুই সদস্যের মধ্যস্থতায় দিনব্যাপী দফায় দফায় আলোচনার এক পর্যায়ে ঐক্য পরিষদের পাঠানো সমঝোতা প্রস্তাব সম্পূর্ণ মেনে নেওয়ার পরও শেষ মুহূর্তে তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

তাই এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবারও জানানো যাচ্ছে, অধ্যাদেশটি প্রয়োজনীয় সংশোধন করে বাস্তবায়ন করার কাজটি অনেক সময়সাপেক্ষ। অতএব, এনবিআরের সব কার্যক্রম আগের মতো অব্যাহত থাকবে এবং কাস্টমস ও আয়কর ক্যাডারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিদ্যমান ব্যবস্থায় সব কার্যক্রম সম্পাদন করবেন। বিসিএস (কর) ও বিসিএস (শুল্ক ও আবগারি) ক্যাডারের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে পৃথকীকরণের প্রশাসনিক কাঠামো কীভাবে প্রণীত হবে তা এনবিআর ও গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে অধ্যাদেশে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে।

কাস্টমস ও কর ক্যাডারের সদস্যদের কোনো পদ-পদবি কমানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই, বরং সংস্কার কাজ সম্পাদন হলে তাদের পদ সংখ্যা বাড়বে এবং সচিব পদে নিয়োগসহ পদোন্নতির সুযোগও বাড়বে।

রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থে অর্থবছরের শেষ সময়ে জাতীয় বাজেট কার্যক্রম এবং রাজস্ব আহরণে নিয়োজিত এনবিআরের সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অফিস সময়ে দপ্তরে উপস্থিত থেকে স্ব স্ব দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় কার্যক্রম চালু রাখা এবং করদাতাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

আরটিভি/এফএ-টি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফের ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রেমিট্যান্স, রিজার্ভও ৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ
জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছেন প্রবাসীরা। এরই ধারাবাহিকতায় আরও একবার ৩ বিলিয়ন ডলারের ছাড়িয়েছে প্রবাসী আয়। চলতি মাসের ২৯ দিনে ৩০৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।   অন্যদিকে ব্যাংক থেকে ডলার কেনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভেও দেখা মিলেছে ইতিবাচক উন্নতির। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ৩৩ বিলিয়ন ডলার বা ৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে রিজার্ভ, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে, ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল, আর ২০২১ সালে এ রিজার্ভ পৌঁছেছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলারে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় রিজার্ভ নেমে গিয়েছিল ২৬ বিলিয়ন ডলারে। আরও পড়ুন বছরের শেষ দিনে দেশের বাজারে সোনার দামে পতন বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত মার্চে ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে, যা এখন পর্যন্ত একক কোনো মাসে দেশে আসা সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। এরপর চলতি মাসে আবারও ৩০০ কোটি ডলার ছাড়াল রেমিট্যান্স। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট প্রবাসী আয় এসেছে ৩ হাজার ৩৩ কোটি ডলার। তার আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এসেছিল ২ হাজার ৩৯১ কোটি ডলারের প্রবাসী আয়। প্রবাসী আয় বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনে চলছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া, বিদেশি ঋণও আসছে। এতে বাড়ছে রিজার্ভ। গতকাল মঙ্গলবার রিজার্ভ বেড়ে হয় ৩ হাজার ৩১৮ কোটি ডলার। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাবপদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮৫১ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার নিলামের মাধ্যমে সাতটি ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে এসব ডলার কেনা হয়। এর ফলে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ১৩ বিলিয়ন বা ৩১৩ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু ডিসেম্বর মাসেই ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, ডিসেম্বর শেষে ৩৪-৩৫ বিলিয়নে পৌঁছাবে রিজার্ভ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা কোনো সংস্থার ঋণে নয়, নিজেদের দেশ থেকে ডলার কিনেই রিজার্ভ বাড়ানো হবে। এটাই ভালো সিদ্ধান্ত। আরটিভি/এসএইচএম 
ফের ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল রেমিট্যান্স, রিজার্ভও ৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ
বছরের শেষ দিনে দেশের বাজারে সোনার দামে পতন
দুইদিনের ব্যবধানে ফের দেশের বাজারে পরিবর্তন হয়েছে সোনার দাম। নতুন সিদ্ধান্তে ভালো মানের; অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৭৪১ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।  আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে নতুন এ দাম। বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। এর আগে, সবশেষ গত ২৮ ডিসেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি; যা ছিল দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই হলুদ ধাতুর সর্বোচ্চ দাম। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৯২ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো সোনার দাম; যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৬৪ বার, আর কমেছে মাত্র ২৮ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে  সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ৬২ বার; যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার। এদিকে সোনার দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৬৫ টাকায়। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৭৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে চলতি বছর ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। এর মধ্যে বেড়েছে ১০ বার, আর কমেছে মাত্র ৩ বার। আর গত বছর সমন্বয় করা হয়েছিল ৩ বার। আরটিভি/এসএইচএম
বছরের শেষ দিনে দেশের বাজারে সোনার দামে পতন
এক বছরে সোনার দাম ভরিতে বেড়েছে যত
চলতি ২০২৫ সালজুড়ে সোনার দাম ব্যাপক ওঠানামার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই বিদায় নিচ্ছে ২০২৫ সাল। বিদায়ের পথে থাকা বছরটিতে দেশের বাজারে সোনার দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। বছরজুড়ে সোনার দাম ব্যাপক ওঠা-নামা করতে দেখা গেছে। বছরটিতে সোনার দাম ৯০ বার পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩ বার এবং কমেছে ২৭ বার। এতে এক বছরের মধ্যে এক ভরি সোনার দাম ৮৮ হাজার ৬৩৫ টাকা বা ৬৪ শতাংশ বেড়ে গেছে। সোনার সর্বোচ্চ দামের ক্ষেত্রে হয়েছে একের পর এক রেকর্ড। দেশের বাজারে সোনার দাম নির্ধারণের দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংগঠনটির সংশ্লিষ্ট কমিটি সর্বশেষ ২৯ ডিসেম্বর বৈঠক করে সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করে, যে দাম ৩০ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৩৯২ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৬৮০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৮০৮ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৩ টাকা। এটিই দেশের বাজারে সোনার সর্বোচ্চ দাম নয়, দেশের বাজারে ভালো মানের এক ভরি সোনার সর্বোচ্চ দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা। গত ২৯ ডিসেম্বর এই দাম নির্ধারণ করা হয়। এই রেকর্ড দাম নির্ধারণের ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সোনার দাম কমানো হয়, যা ২০২৫ সালের সর্বশেষ সোনার দাম নির্ধারণ। আরও পড়ুন অবশেষে কমলো সোনার দাম, ভরিতে কত চলতি বছর দেশের বাজারে সোনার দাম প্রথম পরিবর্তন করা হয় ১৬ জানুয়ারি। সেদিন ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ১ হাজার ১৫৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। এরপর আরও ৮৯ বার দাম পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে। দেশের বাজারে এক বছরে এতোবার সোনার দাম আর পরিবর্তন হয়নি। দেশের বাজারে সর্বোচ্চ সংখ্যক সোনার দাম পরিবর্তন হওয়ার পাশাপাশি ২০২৫ সালে রেকর্ড পরিমাণ দাম বাড়ার ঘটনাও ঘটেছে। এক বছরেই ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়েছে ৮৮ হাজার ৬৩৫ টাকা। দাম বাড়ার হার ৬৪ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। দেশের ইতিহাসে এক বছরে সোনার এতো দাম আগে কখনো বাড়েনি। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০০ সালে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ছিলো ৬ হাজার ৯০০ টাকা। এরপর কয়েক দফা বেড়ে ২০১০ সালে ৪২ হাজার ১৬৫ টাকায় উঠে। দেশে এক ভরি সোনার দাম প্রথম ৫০ হাজার টাকা হয় ২০১৮ সালে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে এক ভরি সোনার দাম ৬০ হাজার ৩৬১ টাকায় উঠে। দেশের বাজারে এক ভরি সোনার দাম প্রথম এক লাখ টাকা হয় ২০২৩ সালের জুলাই মাসে। আর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এক ভরি সোনার দাম প্রথমবার ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মাইলফলক স্পর্শ করে। এদিকে গত বছরের শুরুতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ছিলো ১ লাখ ১১ হাজার ৪১ টাকা। আর বছর শেষে দাঁড়ায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ২৮৮ টাকা। এ হিসাবে ২০২৪ সালে সোনার দাম বাড়ে ২৫ শতাংশ। আর দেশের বাজারে ভালো মানের সোনার দাম প্রথম দুই লাখ টাকা স্পর্শ করে চলতি বছরের ৭ অক্টোবর। এর পর আরও কয়েক দফা সোনার দাম বাড়ানো হয়। এমনকি বছরের শেষ সময়ে এসে টানা পাঁচবার সোনার দাম বাড়ানো হয়। এতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম রেকর্ড ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা হয়। যদিও এরপর কিছুটা দাম কমে বছর শেষ হচ্ছে। চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ দাম বাড়ার কারণে শেষ পাঁচ বছরে দেশে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৭১ টাকা। দাম বাড়ার হার ২৭৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। অন্যভাবে বলা যায় পাঁচ বছরের ব্যবধানে সোনার দাম বেড়ে ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ হয়েছে। আরটিভি/এমএ
এক বছরে সোনার দাম ভরিতে বেড়েছে যত
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের গভীর শোক
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এসসিসিআই)। এক শোকবার্তায় সংগঠনটি তাকে বাংলাদেশের রাজনীতির একজন অগ্রদূত এবং প্রভাবশালী নেত্রী হিসেবে অভিহিত করেছে। তার প্রয়াণে বাংলাদেশ একজন বিশিষ্ট রাষ্ট্রনায়ককে হারাল বলে মনে করে সার্কভুক্ত দেশগুলোর এই শীর্ষ বাণিজ্যিক সংগঠন। সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন তার বার্তায় বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অসাধারণ নেতৃত্ব ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন। গণতান্ত্রিক অগ্রগতির প্রতি তার গভীর নিষ্ঠা বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামো গঠনে অনন্য ভূমিকা রেখেছে, যা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। জনস্বার্থে তাঁর নিরলস পরিশ্রম ও সুযোগ্য নেতৃত্ব অসংখ্য মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। আরও পড়ুন মেয়েদের উপবৃত্তি দেওয়া শুরু করেন খালেদা জিয়া শোকবার্তায় সার্ক চেম্বার মরহুমার বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার শোকসন্তপ্ত পরিবার, অন্তর্বর্তী সরকার এবং তার আদর্শে অনুপ্রাণিত সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। এসসিসিআই প্রার্থনা করেছে যেন এই কঠিন সময়ে তার স্বজন ও অনুসারীরা ধৈর্য ধারণ করার শক্তি পান। দীর্ঘদিন বিএনপির হাল ধরা এবং তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেত্রীর মৃত্যুতে শুধু রাজনৈতিক নয়, বাণিজ্যিক ও আন্তর্জাতিক মহলেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সার্ক চেম্বারের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বাংলাদেশের উন্নয়নে তার অবদানের কথা ব্যবসায়িক সমাজ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। প্রিয় নেত্রীকে হারানোর এই বেদনাদায়ক মুহূর্তে সংগঠনটি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে। আরটিভি/এআর 
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের গভীর শোক
বাণিজ্যমেলার তারিখ পরিবর্তন
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। এজন্য ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) উপ-পরিচালক মো. রফিকুল ইসলামের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা গেছে। বেগম জিয়ার মৃত্যুতে মঙ্গলবার সকালে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে আগামীকাল বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর, ১ ও ২ জানুয়ারি) তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ইপিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ অবস্থায় ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ১ জানুয়ারি পরিবর্তে ৩ জানুয়ারি (শনিবার) আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আরও পড়ুন অবশেষে কমলো সোনার দাম, ভরিতে কত এরইমধ্যে পাঠানো আমন্ত্রণপত্র প্রযোজ্য থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। আরটিভি/কেআই
বাণিজ্যমেলার তারিখ পরিবর্তন
আরও পড়ুন
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বড় সুখবর, বাড়ল যে ভাতা!