ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

নতুন বছরে সঞ্চয়পত্র নিয়ে সরকারের দুঃসংবাদ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:০১ পিএম
প্রতীকী ছবি

আরও এক দফায় কমানো হলো সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার। আগামী ছয় মাসের জন্য সঞ্চয়পত্রের নতুন মুনাফার হার ঘোষণা করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (ইআরডি)।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে এই নতুন মুনাফার হার কার্যকর হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের জন্য সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মুনাফার হার হবে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ। গত জুলাই মাসেও মুনাফার হার কমানো হয়েছিল। এখন ছয় মাস পর আবারও কমানো হলো। প্রতি ছয় মাস পরপর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পর্যালোচনা করা হয়।

দেখা যাচ্ছে, কম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার তুলনামূলকভাবে বেশি। বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কম। এ ক্ষেত্রে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ পরিমাণ বা এর কম হলে মুনাফার হার বেশি হবে। আর ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কমে আসবে। আয় ও ঋণ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে নিয়মিতভাবে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার নির্ধারণ করে থাকে সরকার।

আরও পড়ুন

দেশে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীন যত ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্র। এ সঞ্চয়পত্রে এতদিন সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ; এখন তা কমিয়ে করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আর সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে এ মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ, সেটা কমিয়ে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ করা হয়েছে।

পেনশনার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে পঞ্চম বছর শেষে, অর্থাৎ মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফা ছিল ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ; এখন তা করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ। অন্যদিকে, সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ; এখন থেকে তা হবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ।

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হারও কমানো হয়েছে। এ সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ; এখন থেকে তা হবে ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আর সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ; এখন থেকে তা হবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ।

এছাড়া, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করলেও মুনাফা কমবে। এ সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ; এখন থেকে তা হবে ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ। অন্যদিকে, সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ; এখন থেকে তা হবে ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

আরও পড়ুন

এছাড়া, ১ জুলাই ২০২৫ তারিখের আগে ইস্যু হওয়া সব জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ইস্যুকালীন মেয়াদে ওই সময়ের মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে। তবে, পুনর্বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পুনর্বিনিয়োগের তারিখের মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে। ছয় মাস পর মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণ করা হবে।

এদিকে সঞ্চয়পত্রের গ্রাহক মূলত দেশের সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। বিপদের সময় সঞ্চয়পত্র ভেঙে তা সামাল দেন এ শ্রেণির গ্রাহকরা। আবার, অনেকের প্রতি মাসের সংসার খরচের একটি অংশও আসে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে।

জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দুই বছরের বেশি সময় ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। গত কয়েক মাস ধরে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা ৮-৯ শতাংশের ঘরেই আছে। ফলে, সামগ্রিকভাবে নতুন বছরের শুরু থেকে মধ্যবিত্তের ওপর চাপ আরও বাড়ল। বিশেষ করে যাদের পারিবারিক খরচের বড় একটি অংশ সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে আসে, তারা আরও চাপে পড়বেন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিনা জামানতে ২০ লাখ টাকার ঋণ কর্মসূচি নিয়ে সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক
উপজেলাভিত্তিক তরুণ উদ্যোক্তা অনুসন্ধান, চিহ্নিতকরণ ও অর্থায়ন কর্মসূচি ‘উদ্যোগ’-এর আওতায় বিনা জামানতে ২০ লাখ টাকা ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে পরিশোধ করতে হবে ১০ লাখ টাকা, আর ১০ লাখ মিলবে অনুদান হিসেবে। ১ নভেম্বর থেকে দেশের ৫৬টি জেলায় আবেদন গ্রহণও শুরু হয়েছে। এর আগে অক্টোবর মাসে আবেদন নেয়া হয়েছিল বাকি ৮ জেলা থেকে। তবে এবার এই ঋণ কর্মসূচি নিয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে কিছু অসাধু ব্যক্তি বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং ও অন্যান্য মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচির সব কার্যক্রম স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এই ঋণ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা প্রদান কিংবা ঋণ পাইয়ে দেয়ার নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অর্থ প্রদান করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করেছে সংস্থাটি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘উদ্যোগ’ নামে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফেসবুকসহ অন্য কোনো অফিসিয়াল পেইজ বা চ্যানেল নেই। এ নামে কোনো ভুয়া পেইজ বা অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার কিংবা প্রতারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও দেয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রতারণা নিয়ে সতর্ক থেকে বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় প্রভাবিত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আরটিভি/এসআর  
বিনা জামানতে ২০ লাখ টাকার ঋণ কর্মসূচি নিয়ে সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক
আপনার যা লাগছে, সব মুক্ত অ্যাপে থাকছে
বাংলালিংকের মাইবিএল অ্যাপ এখন ‘মুক্ত’!
আপনার যা লাগছে, সব মুক্ত অ্যাপে থাকছে
ঢাকায় বেসরকারি খাতের অংশীদারদের নিয়ে আইডিই বাংলাদেশের সভা
গ্রামীণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে টেকসই পণ্য ও সেবা পৌঁছে দিতে বেসরকারি খাতের সঙ্গে সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরিতে ঢাকায় সভা করেছে আইডিই বাংলাদেশ।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে আয়োজিত এ সভায় বর্তমান ও সম্ভাব্য বেসরকারি খাতের অংশীদাররা অংশ নেন। এতে কৃষি, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পুষ্টি এবং জলবায়ু-সহনশীল খাতের বিভিন্ন বাজারভিত্তিক উদ্ভাবন তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে আইডিই বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের অংশীদারদের পণ্য, নমুনা, প্রযুক্তি ও সেবা নিয়ে ১৭টি প্রদর্শনী স্টল ছিল। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল গ্রামীণ ড্যানোন ফুডস লিমিটেড, এটেক, সিপিআইএল, আবেদিন ইকুইপমেন্ট লিমিটেড, বায়ার ক্রপসায়েন্স লিমিটেড বাংলাদেশ, টিএমএসএস, সার্পভ, আরএফএল, সেফপ্যাড বাংলাদেশ, মেটাল, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, এসিআই পিএলসি, লাল তীর সিড লিমিটেড, রুরাল সান পাওয়ার, এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি ও এসএমসি। অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তব্য দেন আইডিই গ্লোবালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিড অ্যান্ড্রু পিটারসন। তিনি বাজারভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে কীভাবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছাতে পারে, তা তুলে ধরেন। কক্সবাজারে সাম্প্রতিক সফরের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষ শুধু সহায়তা গ্রহণকারী নন; তাঁরা একই সঙ্গে ক্রেতা, উৎপাদক ও উদ্যোক্তা।  পণ্যের উপযোগী পরিবর্তন, সরবরাহব্যবস্থার শেষ ধাপ পর্যন্ত পৌঁছানোর নেটওয়ার্ক এবং যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে এসব জনগোষ্ঠীর সঙ্গে ব্যবসায়িক সংযোগ তৈরিতে আইডিই কাজ করছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে ১০ লাখ উদ্যোক্তাকে ক্ষমতায়িত করার বৈশ্বিক লক্ষ্যও তুলে ধরেন তিনি। আইডিই বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর সমীর কারকি বলেন, বেসরকারি খাতের অংশীদারেরা এমন পণ্য ও সেবা সরবরাহের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারেন, যা গ্রামীণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পৌঁছায়। তিনি আইডিই বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কৌশলের আওতায় যৌথ উদ্যোগ, সহবিনিয়োগ ও পণ্য উদ্ভাবনের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। এ কৌশল আইডিইর বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক। অনুষ্ঠানে বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও বক্তব্য দেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন লাল তীর সিডের পরিচালক তাজওয়ার এম আওয়াল, এসএমসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তসলিম উদ্দিন, আরএফএলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সুকান্ত দাস, সেফপ্যাড বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিদ কে. চৌধুরী, এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, বায়ার ক্রপসায়েন্স লিমিটেডের কান্ট্রি লিড, ফিল্ড সলিউশনস অ্যান্ড ক্রপসায়েন্স গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের রাজাউল করিম, টিএমএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাদিদ জামিল, আবেদিন ইকুইপমেন্ট লিমিটেডের মো. আমির হোসেন এবং আরএসপির মো. নাজমুল হাসান। তাঁরা বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ও বাজার উন্নয়ন নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আইডিই বাংলাদেশ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই সমাধানের সুযোগ বাড়াতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে এসব জনগোষ্ঠীর কাছে প্রয়োজনীয় পণ্য, সেবা ও অর্থনৈতিক সুযোগ পৌঁছে দেওয়া। আরটিভি/এসআর
ঢাকায় বেসরকারি খাতের অংশীদারদের নিয়ে আইডিই বাংলাদেশের সভা
ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে ঘরভর্তি ইলেকট্রনিক্স পণ্য উপহার পেলেন চট্টগ্রামের রীমা
এবার দেশের নাম্বার ওয়ান রেফ্রিজারেটর ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে বিনামূল্যে ঘরভর্তি নানান ইলেকট্রনিক্স পণ্য উপহার পেয়েছেন চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকার গৃহিণী আছমা সুলতানা রীমা।
ওয়ালটনের ফ্রিজ কিনে ঘরভর্তি ইলেকট্রনিক্স পণ্য উপহার পেলেন চট্টগ্রামের রীমা
আমাদের লক্ষ্য সৌরবিদ্যুৎ থেকে গ্রীষ্মের আগেই ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন: বিদ্যুৎমন্ত্রী
রাজশাহীতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সংকটে পড়েছে জ্বালানি খাত, তাই আমাদের সরকার বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সৌরবিদ্যুৎকে বেছে নিয়েছে। জনসম্পৃক্ততায় যত বেশি সোলার লাগানো যাবে তত বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। আমাদের লক্ষ্যমাত্রা হলো আগামী গ্রীষ্মের আগেই ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন।
আমাদের লক্ষ্য সৌরবিদ্যুৎ থেকে গ্রীষ্মের আগেই ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন: বিদ্যুৎমন্ত্রী
আরও পড়ুন
গ্যাস নিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশের জন্য বড় দুঃসংবাদ!
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ
সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল
সঞ্চয়পত্রের টাকা পেতে ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ে চালু হচ্ছে এভিএস