ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বেজা ও মডার্ন সিনটেক্স’র মধ্যে জমি লিজ চুক্তি সই

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং মডার্ন সিনটেক্স লিমিটেডের মধ্যে জমি লিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এনএসইজেডে) ৩.৭৫ একর জমিতে ৭.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বেজা কার্যালয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

চুক্তির আওতায় জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড), মিরসরাই, চট্টগ্রামে একটি হাই ভ্যালু পলিয়েস্টার ইয়ার্ন (উন্নতমানের পলিয়েস্টার সুতা) শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের লক্ষ্যে ভূমি লিজ প্রদান করা হবে। এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি তাদের বিদ্যমান সুনাম ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারণ করবে।

আরও পড়ুন

অনুষ্ঠানে বেজা’র নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) সালেহ আহমদ বলেন, এনএসইজেডে মডার্ন সিনটেক্স লিমিটেডের মতো দেশীয় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগে বাংলাদেশে আমদানি নির্ভরতা হ্রাস পাচ্ছে। তিনি বলেন, বেজা বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করে শিল্প স্থাপনে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে। তিনি বিনিয়োগকারীকে দ্রুত শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য আহ্বান জানান এবং পরিবেশের উপাদানের ওপর প্রভাব কমিয়ে পণ্য উৎপাদনে জোর দেন।

মডার্ন সিনটেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সুফিয়ান চৌধুরী বলেন, বেজা’র সহযোগিতায় এনএসইজেডে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিবেশ বান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে যার দ্রুত সম্প্রসারণে তারা কাজ করছেন।

এ সময় বেজা’র পক্ষে লিজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন- অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) সালেহ আহমদ এবং মডার্ন সিনটেক্স লিমিটেডের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন- প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সুফিয়ান চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বেজা’র নির্বাহী সদস্য (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এবং নির্বাহী সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রায় ১৫টি শিল্প প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং প্রায় ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নির্মাণাধীন রয়েছে। সাগরতীরের ২৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে গড়ে ওঠা দেশের বৃহত্তম এই পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলে শিল্প প্রতিষ্ঠান ছাড়াও নগর ব্যবস্থার সব সুযোগ-সুবিধার সমন্বয় ঘটানো হচ্ছে।

মডার্ন সিনটেক্স লিমিটেড প্রতিষ্ঠানটি স্বনামধন্য টি কে গ্রুপের একটি অংগ প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যে তারা জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পলিয়েস্টার ইয়ার্ন শিল্প কারখানা স্থাপন করেছে, যা এ জমিতে সম্প্রসারণ করা হবে।

১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে টি কে গ্রুপ বাংলাদেশের ভোগ্য পণ্য জগতে অন্যতম প্রধান কনগ্লোমারেট হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ভোজ্যতেল, স্টিল গ্যালভানাইজিং, পার্টিকেল বোর্ড, চা, টেক্সটাইল, খাদ্য সামগ্রী, কন্টেইনার ও প্যাকেজিং, কাগজ শিল্প, শিপ বিল্ডিং ইত্যাদি খাতে গ্রুপটির বিনিয়োগ রয়েছে। জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে টি কে গ্রুপ ইতোপূর্বে মডার্ন সিনটেক্স লিমিটেড এবং সামুদা ফুড প্রোডাক্টসের নামে জমি লিজ নিয়েছে এবং সেখানে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস আজ
আজ ২ অক্টোবর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস।
জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস আজ
চড়ামূল্যের বাজারে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কৃত্রিম সংকট
রাজধানীর কাঁচামালের বাজারে শীতের আগাম সবজি হিসেবে দাপট দেখাচ্ছে শিম। ইতোমধ্যে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে এই সবজি। সেই সঙ্গে ক্রেতা সাধারণের ভোগান্তি বাড়িয়েছে এলপিজি গ্যাস, সয়াবিন তেল ও চিনির সরবরাহ সংকট। নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (এমআরপি) চেয়ে বেশি দামে এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর রায়ের বাজার, রামপুরা, হাজীপাড়া, মালিবাগ, সেগুনবাগিচা ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখন বেশিরভাগ দোকানে প্যাকেটজাত এক কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১১০ টাকা হলেও তা ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আবার এক লিটার সয়াবিন তেল ২০৪ টাকার পরিবর্তে ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোথাও প্যাকেট চিনি ও বোতলের তেল মিলছে না। খোলা তেল-চিনি বিক্রি হচ্ছে প্যাকেটজাত পণ্যের দামে। এদিকে সবজির বাজারে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সাধারণ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। শসা তুলনামূলক কিছুটা কম দামে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।  দাম সবচেয়ে বেশি এমন সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা ও টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকা, কচুরমুখি বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকায়। তবে দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে। ৩০ টাকা কেজিতে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে। সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে একমাত্র স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে যে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় ঠেকেছিল, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় তা এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজি ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, আজ বেগুন কিনেছি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা ও এক পোয়া মরিচ কিনেছি ৪০ টাকায়। সব কিছুর দাম বেশি। এদিকে মুরগি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা ও চারটি ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  মাছের বাজারেরও একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে।  মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। তবে মাছের সাইজ এবং মাছ জীবিত বা মৃত হওয়ার উপরও দাম নির্ভর করে। প্রতিটি বাজারে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি কম বেশি হতে পারে। মাছ বিক্রেতা নাজিম বলেন, মাছের দাম আগের মতোই আছে। আজকে তেলাপিয়া ২৫০ টাকা আর পাঙাশ ২২০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। মাছের দাম সরবরাহের উপর নির্ভর করে। এখন এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। আবার মাছ বেশি আসলেও দাম কমে যায়। আবার ক্রেতা বেশি আসলেও দাম বেড়ে যায়।  বাজারের কড়া উত্তাপের মধ্যে ক্রেতাদের নতুন করে বিপাকে ফেলেছে এলপিজি গ্যাসের অতিরিক্ত দাম বৃষ্টি ও কৃত্তিম সংকট। প্রতি মাসেই সরকারের পক্ষ থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও, সেই দামের চেয়ে বেশিতে ভোক্তাদের কাছে তা বিক্রি আসছেন খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতারা। জানতে চাইলেই তারা বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হয় বলে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি করা সম্ভব হয় না তাদের পক্ষে। সম্প্রতি আরও খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি। সবশেষ যেখানে প্রতিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা বেঁধে দিয়েছে সরকার, সেখানে সংকটের কথা বলে একেকটি এলপিজির সিলিন্ডারের জন্য ভোক্তাদের কাছ থেকে ২২০০ থেকে ২৬০০ টাকা নিয়ে নিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। অর্থাৎ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। আরটিভি নিউজ/এসআর
চড়ামূল্যের বাজারে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কৃত্রিম সংকট
দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
সবশেষ গত বুধবার দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই দামেই শুক্রবার (২ অক্টোবর) দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনা। এদিকে ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা।  আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা। সোনার দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৩১৬ টাকা।  এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আরটিভি নিউজ/এসআর
দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
রেমিট্যান্সে সুবাতাস, সেপ্টেম্বরের ৩০ দিনে এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকা
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ মাসিক পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
রেমিট্যান্সে সুবাতাস, সেপ্টেম্বরের ৩০ দিনে এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকা
চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন রেকর্ড বাংলাদেশের
ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রেকর্ড ১২.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৬ শতাংশ বেশি।
চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন রেকর্ড বাংলাদেশের
আরও পড়ুন
পারমাণবিক শক্তির নতুন যাত্রায় বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি
জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান 
গঙ্গার পানি নিয়ে গ্যারান্টি ক্লজসহ নতুন চুক্তি চায় বাংলাদেশ
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব নিয়োগ