ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

দ.কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে, মিলবে যেসব সুবিধা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
প্রতীকী ছবি

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের চূড়ান্ত পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে সিইপিএ নিয়ে চূড়ান্ত দফার আলোচনার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া সফরে আছে বাংলাদেশের একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল। এছাড়া, দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আসছে ঢাকায়। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৪ আগস্ট এই চুক্তি সই হতে পারে।

বুধবার (২৯ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

এর আগে, মঙ্গলবার বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে টেলিফোনে সিইপিএ চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান বাণিজ্য, শিল্প ও সম্পদ মন্ত্রী কিম জং-ক্বান। দুই দেশের মধ্যকার এ আলোচনা ইতিবাচক ছিল।

জানা গেছে, এই সিইপিএ চুক্তিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি হয়— এমন সব পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারসহ বেশ কিছু সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে চার বিষয়ে চুক্তির জন্য একমত হয়েছে দুই দেশ। বাকি আরও আট বিষয়ে চলছে চূড়ান্ত আলোচনা।

এর মধ্যে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, পাটপণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানি পণ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার, এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও এ সুবিধা বহাল রাখা, কোনো কোনো পণ্য রুলস অব অরিজিনের আওতায় রাখা হবে, আইটি, প্রকৌশল, আর্থিক সেবা, শিক্ষা ও অন্যান্য সেবা খাতে বাজারে প্রবেশের সুযোগ। দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু প্রযুক্তিগত সহায়তা, বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানো, শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজ করা, পণ্য দ্রুত ছাড় এবং ডিজিটাল কাস্টমস ব্যবস্থা, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ (ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপারটি) পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক ও কপিরাইট সুরক্ষা, চুক্তি বাস্তবায়নে কোনো বিরোধ হলে তা কীভাবে সমাধান করা হবে- এসব বিষয় প্রধান্য পাচ্ছে। এছাড়া প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্প উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো সহযোগিতার বিষয়গুলোও রয়েছে।

আরও পড়ুন

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এখনো তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ধারাবাহিক বেড়েছে। দুই দেশের মোট দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় এক দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় রপ্তানি হয় প্রায় ৪৯১ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে আমদানি হয় প্রায় ৯০২ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। অর্থাৎ, বাংলাদেশের প্রায় ৪১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক (নিট ও ওভেন), হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, পাট ও পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ও সিরামিক পণ্য। বিপরীতে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে লোহা ও ইস্পাত, যন্ত্রপাতি ও শিল্প মেশিনারি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, প্লাস্টিক ও প্লাস্টিকজাত পণ্য, রাসায়নিক পদার্থ, কাগজ ও কাগজজাত পণ্য আমদানি করা হয়।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মন কাড়ছে টাটকা-নতুন শীতের সবজি, হাত দেওয়া বারণ!
রাজধানীর বাজারে শীতকালীন নতুন সবজির দেখা মিললেও চড়া দামের কারণে অস্বস্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা। নতুন আলু কেজিপ্রতি ১৬০ টাকা এবং দেশি টমেটো ১৮০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অধিকাংশ সবজির দাম কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে।
মন কাড়ছে টাটকা-নতুন শীতের সবজি, হাত দেওয়া বারণ!
দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম 
দেশের বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম 
বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে। সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলার দাবি এবং হরমুজ প্রণালিতে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, আজ দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনা। 
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
অক্টোবরের ২৮ দিনে এলো ৩২ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকার রেমিট্যান্স
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৮ দিনে ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে) এর পরিমাণ ৩২ হাজার ৬৬৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ২৮ দিনে ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল প্রায় ২৩৪ কোটি ডলার। সে হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি মাসে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এদিকে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ১১২৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে ৯৯২ কোটি ৫০ লাখ ডলার প্রবাসী আয় এসেছিল। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ।এর আগে, সদ্য বিদায় সেপ্টেম্বর মাসের পুরো সময়ে দেশে মোট ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ (২.৭৬ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে দেশে।  আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অর্থবছরের পরের মাস আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার।গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসেছিল ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। আরটিভি/এসআর
অক্টোবরের ২৮ দিনে এলো ৩২ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকার রেমিট্যান্স
আরও পড়ুন
সৌদিগামী ১৫৯ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী
তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায় বাংলাদেশ
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ
টাইগারদের স্পিন ট্র্যাকে জাদু দেখাচ্ছে ক্যারিবিয়ানরা, মহাবিপদে বাংলাদেশ