ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ৯৫০ কোটি ব্যয়ে আনা হবে এক কার্গো এলএনজি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
প্রতীকী ছবি

সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে এক কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১০৫-এর উপবিধি (৩) এর দফা (ক) অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ পদ্ধতিতে আগামী ১৫ থেকে ১৬ আগস্টের মধ্যে ৪২তম কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা হবে।

আরও পড়ুন

এ জন্য সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২২ দশমিক ৩৫ মার্কিন ডলার দরে এই গ্যাস কেনা হবে।

এ ক্রয়ে মোট ব্যয় হবে ৯৪৯ কোটি ৪৩ লাখ ১২ হাজার ১৮৪ টাকা, যার মধ্যে অগ্রিম আয়কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সুপারিশ করে এবং তা অনুমোদন দেওয়া হয়।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভের পরিমাণ কমে ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন (তিন হাজার ৬১২ কোটি ৩৫ লাখ) ডলারে দাঁড়িয়েছে।
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ওঠানামার প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সর্বশেষ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দেশের বাজারে সোনা বিক্রি হচ্ছে। বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। এর আগে এ মানের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দামও কমেছে। এ মানের সোনার দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা। এর আগের দাম ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ৭৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, এ ধরনের সোনার প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা। আগে দাম ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা। সোনার দাম কমানো হলেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। সর্বশেষ নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩১৬ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ৩৭০ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা। প্রতি গ্রামের দাম ৩৫৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ৩০৫ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ২৩০ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা ও ধরন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে সোনা ও রৌপ্যের অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পুরোনো অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দেওয়ার পর অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। আরটিভি/এসকে
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিজিএমইএ’র বৈঠক
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পরিবেশগত সুরক্ষা, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সাথে বিজিএমইএ এর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর উত্তরাস্থ বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালক মারা কে. ওয়ারউইক এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সাথে মতবিনিময় করেন। বিজিএমইএ এর পক্ষ থেকে আলোচনায় আরও অংশ নেন পরিচালক ড. মো. হাসিব উদ্দিন। বৈঠকের শুরুতেই  বিজিএমইএ সভাপতি বলেন যে, পানি ব্যবস্থাপনা এখন কেবল একটি পরিবেশগত বিষয় নয়, বরং এটি আমাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতার সাথে সরাসরি জড়িত। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা, বিশেষ করে ইউরোপীয় ব্র্যান্ডগুলো, পোশাক উৎপাদনের প্রতিটি স্তরে পানির ব্যবহার হ্রাস, বর্জ্যপানি পরিশোধন এবং পানি রিসাইক্লিংয়ের ডেটা বা তথ্যকে অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে দেখছেন। তাই, ঢাকার নদী ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষার পাশাপাশি রপ্তানি বাজার টিকিয়ে রাখতে পানি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। সভায় বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘ঢাকা ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম’ এবং এর আওতাধীন ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ভিজিএফ পাইলট প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে ৩১টি কারখানার একটি প্রাথমিক তালিকা প্রস্তাব করা হয়েছিল, যার মধ্য থেকে বিশ্বব্যাংক ৮টি কারখানা নিয়ে কাজ শুরু করবে। তবে টেকসই প্রযুক্তির প্রতি দেশীয় পোশাক কারখানাগুলোর বিপুল আগ্রহ ও চাহিদার তুলনায় এই ৫ মিলিয়ন ডলারের তহবিল এবং নির্বাচিত কারখানার সংখ্যা অত্যন্ত অপ্রতুল। এই বাস্তবতায় বিজিএমইএ সভাপতি প্রকল্পের তহবিল এবং সামগ্রিক পরিধি আরও বড় পরিসরে বাড়ানোর জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান। বৈঠক শেষে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল বিজিএমইএ নেতাদের প্রস্তাবগুলোকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সবুজ রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে লজিস্টিকস ও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জোরালো আশ্বাস প্রদান করেন। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন লিড ওয়াটার স্পেশালিস্ট ডেভিড মেলকম লর্ড, সিনিয়র ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন স্পেশালিস্ট রোকেয়া আহমেদ, ওয়াটার স্পেশালিস্ট মো. মাহাদী হাসান এবং এনভায়রনমেন্টাল স্পেশালিস্ট বুশরা নিশাত। আরটিভি/টিআর
বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিজিএমইএ’র বৈঠক
টোকিওর ফ্যাশন মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন
জাপানের টোকিও বিগ সাইটে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রদর্শনী ‘ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড টোকিও (অটাম) ২০২৬’-এ বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করা হয়েছে।   বুধবার (৭ অক্টোবর) জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী প্রধান অতিথি হিসেবে এ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করেন। মেলার স্টলগুলো তিনি ঘুরে দেখেন এবং উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। খবর তথ্যবিররণীর। পরে টোকিও বিগ সাইটের এক্সিবিশন হলে ‘বাংলাদেশ : সোর্সিং এক্সিলেন্স ফর অ্যাপারেল, হোম টেক্সটাইল এন্ড লেদার প্রডাক্টস’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।  বাংলাদেশ দূতাবাস এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের সহায়তায় অনুষ্ঠিত এ সেমিনারের জাপানি আমদানিকারক, বিনিয়োগকারী, ট্রেডিং হাউস এবং দু’দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সেমিনারে মো. দাউদ আলী বলেন, বাংলাদেশ কেবল একটি উৎপাদনকারী দেশই নয় বরং জাপানি ব্যবসার জন্য অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সোর্সিং এবং বিনিয়োগের অংশীদার। অ্যাপারেল, টেক্সটাইল, চামড়া ও পাদুকা, ফার্মাসিউটিক্যালস, সিরামিকস, আইটিইএস এবং এগ্রো-প্রসেসিংয়ের মতো খাতে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলেছে।   প্রতিযোগিতামূলক দাম, দক্ষ ও তরুণ কর্মী বাহিনী এবং ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ সক্ষমতার সুবাদে বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সুনামের সঙ্গে পণ্য সরবরাহ করছে বলেও জানান তিনি। রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আরএমজি রপ্তানিকারক দেশ, যেখান থেকে বার্ষিক প্রায় ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় হয়। এখন বাংলাদেশ ইউনিক্লো, এইচঅ্যান্ডএম, জারা, ওয়ালমার্টের মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অন্যতম আস্থার প্রতীক।   তিনি বলেন, এছাড়া পরিবেশগত ও সামাজিক সুরক্ষায় বাংলাদেশের রয়েছে বিশ্বের সর্বোচ্চ সংখ্যক ২৩০টিরও বেশি এলইইডি সার্টিফাইড গ্রিন গার্মেন্টস কারখানা।  চামড়া ও পাদুকা খাত সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত জানান, এটি আরএমজির পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত, যার বার্ষিক রপ্তানি আয় প্রায় ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং আগামী পাঁচ বছরে তা ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে।   এছাড়া, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (ইপিএ) ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো সুদৃঢ় হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।  জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজি বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর ইউজি আন্দো বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাতসমূহ— বিশেষ করে অ্যাপারেলস, হোম টেক্সটাইল এবং চামড়াজাত পণ্যের গুণগত মান ও দামের বিষয়টি তুলে ধরেন।   তিনি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কঠোরভাবে বজায় রেখে উৎপাদিত হওয়ায় বাংলাদেশের পণ্যগুলোর মান অত্যন্ত উচ্চমানের বলে উল্লেখ করেন। বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাক, হোম টেক্সটাইল ও চামড়াজাত পণ্যের সক্ষমতা তুলে ধরার লক্ষ্যে আয়োজিত এ মেলায় বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর অধীন ২৫টি বাংলাদেশি কোম্পানির ২৭টি বুথের পাশাপাশি আরো পাঁচটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিয়েছে। আরটিভি/টিআর
টোকিওর ফ্যাশন মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন
এডিবির সঙ্গে বাংলাদেশের ২৭৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি
দুটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের মোট ২৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের দুটি ঋণচুক্তি এবং ২ দশমিক ৭২ মিলিয়ন ডলারের একটি অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং এডিবির বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এডিবির নির্বাহী পরিচালক সত্য শ্রীনিবাস লোল্লা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। চুক্তির আওতায় প্রথম প্রকল্পটি ‘ইনক্লুসিভ অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং ফাইন্যান্স প্রজেক্ট’। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে এডিবি ১০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের জন্য সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হবে। দ্বিতীয় প্রকল্প ‘সাসটেইনেবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্ট ইন দ্য চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস প্রজেক্ট’-এ এডিবি ১৭৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ এবং ২ দশমিক ৭২ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিদ্যুৎ অবকাঠামোর জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎনির্ভর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। উভয় ঋণের বার্ষিক সুদের হার ২ শতাংশ। পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ২৫ বছরে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। দ্বিতীয় প্রকল্পের অনুদানটি এডিবি পরিচালিত জাপান ফান্ড ফর প্রস্পেরাস অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (জেএফপিআর) থেকে দেওয়া হবে। ১৯৭৩ সালে সদস্যপদ লাভের পর থেকে এডিবি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বহুপক্ষীয়  উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন অগ্রাধিকার খাতে সহায়তা দিয়ে আসছে। এ পর্যন্ত এডিবি বাংলাদেশকে ৩৬ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ এবং ৬৩৬ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছে। আরটিভি/টিআর
এডিবির সঙ্গে বাংলাদেশের ২৭৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি
আরও পড়ুন
মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় চাপ তৈরি করেছে: অর্থমন্ত্রী
সরকারি কর্মীদের জন্য ডেটিং অ্যাপ চালু করল সিঙ্গাপুর
ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী
সিঙ্গাপুর থেকে এলো এলএনজির নতুন আরও এক কার্গো