ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশে সোনার দাম নির্ধারণ ইস্যুতে যে ব্যাখ্যা দিলো বাজুস

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো কিংবা কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) কোনো হাত নেই। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে বাজুসের ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং’ কমিটি দেশে মূল্যবান ধাতব বস্তুটির দাম তদারকি করে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

সম্প্রতি ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেনের দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৬ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে সংগঠনটি।

ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এতে বলা হয়, স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি বা কমার বিষয়ে কারও কোনো হাত নেই। বাংলাদেশ সম্পূর্ণরূপে সোনা আমদানিনির্ভর দেশ। আন্তর্জাতিক বাজারে যখন সোনার দাম ওঠা-নামা করে, বাজুস দ্রুততম সময়ের মধ্যে তখন মূল্য সমন্বয় করে মাত্র। অর্থাৎ, দাম বাড়লে বাড়ায়, কমলে কমায়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোনার মূল্য সংক্রান্ত বিষয়টি তদারকির জন্য বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং গঠন করেছে। এই কমিটি স্বর্ণের মূল্য সংক্রান্ত বিষয়টি তদারকি করছে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ আগস্ট দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। ওইদিন ভরিতে একলাফে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চট্টগ্রাম থেকে মিয়ানমার হয়ে কুনমিংয়ের সঙ্গে সরাসরি সড়ক চায় বাংলাদেশ
চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিং পর্যন্ত সরাসরি সড়কপথ নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
চট্টগ্রাম থেকে মিয়ানমার হয়ে কুনমিংয়ের সঙ্গে সরাসরি সড়ক চায় বাংলাদেশ
বাংলা কিউআরে লেনদেনে প্রণোদনা ঘোষণা
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।
বাংলা কিউআরে লেনদেনে প্রণোদনা ঘোষণা
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা, ক্রেতা ধরতে সুপারশপগুলোতে ‘ডিসকাউন্টের’ হিড়িক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আবারও মূল্যস্ফীতি বাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতসহ বিভিন্ন কারণে জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বাড়ছে। এতে সাধারণ পরিবারগুলোর দৈনন্দিন খরচ আরও বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তাই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের উদ্বেগ কমাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে ডিসকাউন্ট বা মূল্যছাড় দিতে শুরু করেছে দেশটির বড় খুচরা বিক্রেতারা।
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা, ক্রেতা ধরতে সুপারশপগুলোতে ‘ডিসকাউন্টের’ হিড়িক
বৈদেশিক খাতে শক্তিশালী বাংলাদেশ, অর্থনীতির তিন সূচকে উন্নতি
প্রবাসী আয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উন্নতি এবং সার্বিক লেনদেন ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত এই তিন সূচকে বাংলাদেশের বৈদেশিক খাতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। 
বৈদেশিক খাতে শক্তিশালী বাংলাদেশ, অর্থনীতির তিন সূচকে উন্নতি
চীনের ইউনানের সঙ্গে বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ
চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও আঞ্চলিক যোগাযোগে সহযোগিতা জোরদারে একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-মিয়ানমার হয়ে ইউনানের রাজধানী কুনমিং পর্যন্ত সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশি পণ্যের জন্য ইউনানে বন্ডেড ওয়্যারহাউস ও প্রদর্শনী সুবিধা দ্রুত চালু এবং সরাসরি কার্গো বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের প্রস্তাব রয়েছে। রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা সফররত চীনের ইউনান প্রদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ইউনানের এক্সিকিউটিভ ভাইস গভর্নর ঝাও জুনমিন। বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম থেকে মিয়ানমার হয়ে কুনমিং পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটারের কার্যকর সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা গেলে দুই অঞ্চলের মধ্যে পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য পরিবহনের সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের মধ্যে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থা আরও গতিশীল হবে। ইউনানকে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভৌগোলিক নৈকট্য কাজে লাগিয়ে এ প্রদেশে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। ইউনানের প্রায় ৪ কোটি ৬৪ লাখ মানুষের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ সহজ করতে প্রস্তাবিত বিনামূল্যের বন্ডেড ওয়্যারহাউস ও প্রদর্শনী সুবিধা দ্রুত কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। বৈঠকে দুই অঞ্চলের বাণিজ্য সম্প্রসারণের সাম্প্রতিক চিত্রও তুলে ধরা হয়। এতে জানানো হয়, ২০২৫ সালে ইউনান ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ইউয়ান ছাড়িয়েছে। ইউনানের এক্সিকিউটিভ ভাইস গভর্নর ঝাও জুনমিন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম ইউনানের বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা নীতির আওতায় এসেছে। এর আওতায় বাংলাদেশি পণ্যের জন্য বন্ডেড ওয়্যারহাউস, প্রদর্শনী কেন্দ্র ও শুল্কসংক্রান্ত বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব সুবিধা দ্রুত কার্যকর হবে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, ইউনানের বাণিজ্য বিভাগ ও বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি পণ্য প্রদর্শনের জন্য ইউনানে স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। এ সুবিধা কাজে লাগাতে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের দ্রুত এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউনানের মধ্যে সরাসরি কার্গো বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশ থেকে পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত মাছ, ফলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য ইউনানে রপ্তানি এবং ইউনান থেকে ফুল, সার ও পশুখাদ্য আমদানির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি কার্গো বিমান যোগাযোগ স্থাপন করা গেলে দ্রুত পচনশীল কৃষিপণ্যের বাণিজ্যে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বৈঠকে মত দেওয়া হয়। বাংলাদেশের পাটের গুণগত মান ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ইউনানের সঙ্গে যৌথ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। কৃষি খাতে প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুই অঞ্চলের কৃষিপণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। জ্বালানি, ই-কমার্স ও প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশ ও ইউনানের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাবও দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এসব খাতে যৌথ উদ্যোগ ও বিনিয়োগের মাধ্যমে পারস্পরিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বিশেষ করে ইউনানের নারী উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ জানান। সিলেটের পুরনো কারাগারের জায়গায় পার্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি কুনমিংয়ের আধুনিক পার্কগুলোর আদলে সিলেটে একটি আধুনিক পার্ক গড়ে তুলতে ইউনান কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চান। ঝাও জুনমিন বাংলাদেশের প্রস্তাবগুলোকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কানেক্টিভিটি ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে দুই পক্ষের সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও চীন দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  সূত্র: বাসস আরটিভি/এসকে
চীনের ইউনানের সঙ্গে বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ