
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো কিংবা কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) কোনো হাত নেই। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে বাজুসের ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং’ কমিটি দেশে মূল্যবান ধাতব বস্তুটির দাম তদারকি করে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
সম্প্রতি ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেনের দেওয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (১৬ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে সংগঠনটি।
ব্যারিস্টার এম সরোয়ার হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এতে বলা হয়, স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি বা কমার বিষয়ে কারও কোনো হাত নেই। বাংলাদেশ সম্পূর্ণরূপে সোনা আমদানিনির্ভর দেশ। আন্তর্জাতিক বাজারে যখন সোনার দাম ওঠা-নামা করে, বাজুস দ্রুততম সময়ের মধ্যে তখন মূল্য সমন্বয় করে মাত্র। অর্থাৎ, দাম বাড়লে বাড়ায়, কমলে কমায়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোনার মূল্য সংক্রান্ত বিষয়টি তদারকির জন্য বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং গঠন করেছে। এই কমিটি স্বর্ণের মূল্য সংক্রান্ত বিষয়টি তদারকি করছে।
উল্লেখ্য, গত ১৫ আগস্ট দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। ওইদিন ভরিতে একলাফে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা।
আরটিভি/এমএ




