ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

চার ব্র্যান্ডের দামি গাড়ি আমদানি নিয়ে সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণা দিয়ে বিএমডব্লিউ, লেক্সাস, রেঞ্জ রোভার ও টয়োটাসহ চারটি বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির ঘটনায় সামনে এসেছে নতুন তথ্য। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেস নামের একটি প্রতিষ্ঠান এসব গাড়ি আমদানি করেছে। তবে আমদানি নথিতে দেওয়া রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ঠিকানায় গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

আমদানি নথিতে ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেসের ঠিকানা হিসেবে গেন্ডারিয়ার ৩/১ দীননাথ সেন রোড উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ওই স্থানে বর্তমানে একটি বহুতল আবাসিক ভবনের নির্মাণকাজ চলছে।

আল-আকসা বিল্ডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান ২৬ কাঠা জমির ওপর ভবনটি নির্মাণ করছে। ভবনটির কয়েকটি ফ্ল্যাটে ইতোমধ্যে লোকজন বসবাসও শুরু করেছেন। দ্বিতীয় তলায় রয়েছে আবাসন প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়।

আল-আকসা বিল্ডার্সের হিসাবরক্ষক আবদুল কাইয়ুম জানান, তারা ২০১৮ সাল থেকে সেখানে ভবন নির্মাণের কাজ করছেন। তাঁর ভাষ্য, সেখানে কোনো গাড়ির প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ছিল বলে তাঁর জানা নেই। তবে আগে ওই স্থানে ‘ক্রাউন’ নামে একটি বাতি তৈরির কারখানা ছিল।

ভবনটির পাশেই দীর্ঘদিন ধরে মুদিদোকান পরিচালনা করছেন সেলিম স্টোরের মালিক মো. সেলিম মিয়া। তিনি জানান, সাতক্ষীরাভিত্তিক একটি ক্রাউন কোম্পানি সেখানে আগে বাল্ব তৈরি করত। প্রায় ১০ বছর আগে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে জমিটি আবাসন প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়।

তবে ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেসের কোনো কার্যক্রম সেখানে না থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির নামে এখনো ডাকযোগে চিঠি আসে বলে জানিয়েছেন আল-আকসা বিল্ডার্সের হিসাবরক্ষক আবদুল কাইয়ুম।

গত বৃহস্পতিবার কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অভিযানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা চারটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করা হয়। গাড়িগুলোর প্রতিটির মূল্য কোটি টাকার বেশি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। মোংলা বন্দর দিয়ে গাড়িগুলো দেশে আনা হয়েছিল।

এনবিআর সূত্র জানিয়েছে, শতভাগ কায়িক পরীক্ষা, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও কুয়েটের বিশেষজ্ঞদের কারিগরি সহায়তা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে চারটি গাড়ির শুল্ক ফাঁকির ঘটনা শনাক্ত করা হয়।

অস্তিত্ব না থাকলেও ২০১৫ সাল থেকে আমদানি

আমদানিকারকের ঘোষিত ঠিকানায় গাড়ির যন্ত্রাংশের কোনো ব্যবসার অস্তিত্ব পাওয়া না গেলেও ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেস ২০১৫ সাল থেকে নিয়মিত গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানি করে আসছে বলে এনবিআরের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটি মোট ২৭টি চালান আমদানি করেছে। এসব চালানের ঘোষিত আমদানিমূল্য ছিল প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার মার্কিন ডলার।

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২৮ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি প্রথম চালান আমদানি করে। প্রায় দেড় হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের ওই চালানে দুই টন গাড়ির যন্ত্রাংশ আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

ওই বছরই প্রতিষ্ঠানটি মোট চারটি চালান আমদানি করে। পরবর্তী বছরগুলোতে এক থেকে ছয়টি পর্যন্ত চালান আমদানি করা হয়। এর মধ্যে ২০২৪ সালে পাঁচটি এবং ২০২৫ সালে ছয়টি চালান আনা হয়।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিটি চালানেই আমদানিকারকের ঘোষিত মূল্যের চেয়ে বেশি শুল্কায়নমূল্য নির্ধারণ করেছে কাস্টমস। কোনো কোনো চালানে ঘোষিত মূল্য ও শুল্কায়নমূল্যের ব্যবধান ছিল প্রায় দেড় থেকে ছয় গুণ।

অর্থাৎ, আমদানিকারকের ঘোষিত মূল্য কম হওয়ায় তা গ্রহণ না করে বাস্তব বা নির্ধারিত মূল্যের ভিত্তিতে শুল্কায়ন করেছে কাস্টমস।

এর আগে প্রতিষ্ঠানটির খালাস নেওয়া সব চালানই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশে এসেছে। এর মধ্যে সাতটি চালান চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ঢাকার কমলাপুর কনটেইনার ডিপোতে নিয়ে খালাস করা হয়। বাকি চালান চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে শুল্কায়নের পর খালাস দেওয়া হয়।

এসব চালানের পণ্য ঘোষণায় গাড়ির যন্ত্রাংশ উল্লেখ করা হয়েছিল।

তবে এবার প্রথমবারের মতো মোংলা বন্দর দিয়ে আনা চালানটি খালাসের আগেই আটক করা হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আসা ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেসের চালান খালাসের কাজে নিয়োজিত ছিল এম জেড ইন্টারন্যাশনাল। এ বিষয়ে জানতে প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মাসুদুজ্জামানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

একই রপ্তানিকারকের নাম একাধিক চালানে

মোংলা বন্দর দিয়ে যন্ত্রাংশের ঘোষণা দিয়ে আনা চারটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেসের কাছে রপ্তানি করেছে জাপানের আশিকাগা-শি শহরের মাহি কার পোর্ট।

এনবিআরের ডেটাবেজে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের পর ক্রাউন অটোমোবাইল সার্ভিসেসের একটি ছাড়া বাকি সব চালানের রপ্তানিকারক ছিল মাহি কার পোর্ট। ব্যতিক্রম একটি চালান পাঠিয়েছিল দুবাইভিত্তিক মেগাসিটি জেনারেল ট্রেডিং।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেশের একজন গাড়ি ব্যবসায়ী জানান, জাপানে পুরোনো গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ রপ্তানির ব্যবসার সঙ্গে অনেক বাংলাদেশি যুক্ত রয়েছেন।

এদিকে, মোংলা বন্দরে চারটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দের পর চট্টগ্রামে একটি বিএমডব্লিউ এবং কক্সবাজারে আরও তিনটি গাড়ি জব্দ করেছেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তাদের দাবি, গাড়িগুলোর ব্যবহারকারীরা বৈধ আমদানিসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখাতে পারেননি।

এ পরিস্থিতিতে একই আমদানিকারকের গত ১২ বছরে খালাস নেওয়া ২৭টি চালানে আসলে কী পণ্য দেশে এসেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরুর প্রক্রিয়া চলছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ
ওমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ।  বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ওমানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দিতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ওমানের রাষ্ট্রদূত জামিল বিন হাজি বিন ইসমাইল আল বালুশির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ওমান বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। সিইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। বৈঠকে ওমানের রাষ্ট্রদূত ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাংলাদেশের সঙ্গেও অনুরূপ চুক্তি সম্পাদনের প্রস্তাব দেন। বাণিজ্যমন্ত্রী এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ভিত্তিতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সঙ্গে ওমানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশটিতে কর্মরত প্রায় সাত লাখ বাংলাদেশি ওমানের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং ওমান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সমন্বয়ে বাংলাদেশ-ওমান যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক এবং পরে দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফরের বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ওমানের সোহর, দুকম ও সালালাহ বন্দর এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত। এসব অঞ্চলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া ওমানের ঐতিহ্যবাহী ‘কুমা’ টুপি তৈরিতে বাংলাদেশের নারী কারিগরদের অবদানের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন। বৈঠকে বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ওমান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন
পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা (এপিসিএস) স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি, প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক চালনা কার্যক্রমে সহায়তা দিতে যুক্ত করা হয়েছে অপারেটর ইনফরমেশন সাপোর্ট সিস্টেম (ওআইএসএস)। রাশিয়ার বাইরে রোসাটমের নির্মিত কোনও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন
‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে একমত বিশ্বব্যাংক’
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের তৈরি নীতি ও কর্মসূচির সঙ্গে বিশ্বব্যাংক একমত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতির সঙ্গে একমত বিশ্বব্যাংক’
ইলিশের উৎপাদন বাড়তে সরকারের বড় উদ্যোগ  
জাতীয় মাছ ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এ নিয়ে কাজের অংশ হিসেবে আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন...
ইলিশের উৎপাদন বাড়তে সরকারের বড় উদ্যোগ  
কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে ‘বড় সরবরাহ’
নবায়নযোগ্য জ্বালানির যে সম্ভাবনা তার অন্যতম উদাহরণ রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে গড়ে ওঠা দেশের প্রথম অনগ্রিড সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র। সূর্যের আলো থেকে প্রতিদিন উৎপাদিত বিদ্যুৎ যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর ধরে পড়ে থাকা পাহাড়ের পরিত্যক্ত জমিতে ৭ বছর আগে গড়ে ওঠা এই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করেছে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট সোলার বিদ্যুৎ। যার বাণিজ্যিক বাজার মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।
কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে ‘বড় সরবরাহ’
আরও পড়ুন
স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ
সমকামী সেজে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
বেরিয়ে এলো সেই পাইলটের চাঞ্চল্যকর তথ্য
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে বিস্ফোরণ, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য