ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

খেলাপি ব্যবসায়ীদের আবারও সুবিধা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বৃহৎ খেলাপি ব্যবসায়ীদের আবারও সুবিধা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক। এক হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে মিলবে বাড়তি সময়।

সোমবার (৩১ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (বিআরপিডি-১) গাজী মো. মাহফুজুল ইসলামের সই করা ওই সার্কুলারে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় ও আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে নীতি সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিতকল্পে নিম্নোক্ত নির্দেশনা দেয়া হলো:

১) বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর-০৭/২০২৫ এর আওতায় নীতি সহায়তা প্রাপ্তির লক্ষ্যে ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নতুন আবেদন দাখিল করা যাবে।

২) যেসব ঋণগ্রহীতা ‘ব্যবসা ও আর্থিক ব্যবস্থাদি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত নীতি সহায়তা সংক্রান্ত বাছাই কমিটি’ থেকে নীতি সহায়তা গ্রহণ করেছেন, সেসব ঋণ গ্রহীতা ব্যাংকে বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর-০৭/২০২৫ এর আওতায় নতুন আবেদন দাখিল করতে পারবে।

৩) কোনো ঋণগ্রহীতা (একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপ) কর্তৃক নীতি সহায়তার আওতায় বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের জন্য আবেদনকৃত ঋণ হিসাবগুলোর ঋণ স্থিতি ১ হাজার কোটি টাকা বা এর বেশি হলে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ওই ঋণ হিসাবগুলো বিশেষ পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১৫ বছর মেয়াদে পুনঃতফসিল করা যাবে। আর বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর-১৬/২০২২ এর অনুচ্ছেদ নম্বর ৬(১) এ বর্ণিত মেয়াদের অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৪ বছর মেয়াদ নির্ধারণপূর্বক পুনর্গঠন করা যাবে।

৪) কোনো ঋণগ্রহীতা (একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপ) কর্তৃক আবেদনকৃত ঋণ হিসাবগুলোর ঋণ স্থিতি ১ হাজার কোটি টাকার কম হলে ওই ঋণ হিসাবগুলো বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর-০৭/২০২৫ এ বর্ণিত মেয়াদ প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুন

৫) যেসব ঋণগ্রহীতা ইতোপূর্বে বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর-০৭/২০২৫ অথবা বাছাই কমিটির আওতায় নীতি সহায়তা গ্রহণ করেছেন, সেসব ঋণগ্রহীতাকে অনুচ্ছেদ ২(গ) ও ২(ঘ) এ বর্ণিত সুবিধা প্রদান করা যাবে। এ ক্ষেত্রে গ্রেস পিরিয়ডের ইতোমধ্যে অতিক্রান্ত সময় এ সার্কুলারে বর্ণিত গ্রেস পিরিয়ডের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচনাপূর্বক প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করা যাবে।

৬) নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত অশ্রেণিকৃত (STD-0, 1, 2, SMA) ঋণগুলোকে সূত্রোক্ত সার্কুলারে বর্ণিত নির্দেশনানুযায়ী বিশেষ পুনর্গঠনজনিত সুবিধা এবং বিরূপমানে শ্রেণিকৃত (SS, DF, B/L) ঋণগুলোকে বিশেষ পুনঃতফসিলজনিত সুবিধা প্রদান করা যাবে।

৭) এ সার্কুলারের আওতায় সব আবেদন প্রয়োজনীয় ডাউনপেমেন্ট গ্রহণপূর্বক ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ এর মধ্যে ব্যাংক কর্তৃক নিষ্পত্তি করতে হবে।

৮) সূত্রোক্ত সার্কুলার ও এর অনুবৃত্তিক্রমে জারি করা অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৯(১) (চ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জারি করা এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে পৌঁছানোর শঙ্কা আইএমএফের
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা করেছে সংস্থাটি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অক্টোবর ২০২৬-এর ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।   ‘রেজিলিয়েন্স আন্ডার স্ট্রেইন, আর্জেন্ট চয়েসেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, চলতি বছরে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। ২০২৭ সালে তা কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। আইএমএফের মূল্যায়নে দেখা যাচ্ছে, একের পর এক অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলেও বিশ্ব অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এই সক্ষমতা সব দেশের মধ্যে সমানভাবে বণ্টিত নয়। প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের সুবিধা পাওয়া দেশগুলো তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল এবং প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে কম সম্পৃক্ত দেশগুলো বেশি চাপের মুখে পড়ছে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি বজায় থাকলেও বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বৈষম্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে এখনো পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি বলে মনে করছে আইএমএফ। বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ, সরবরাহব্যবস্থায় পরিবর্তন, মজুত ব্যবহার এবং জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার পরিস্থিতি সামাল দিতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি এআই প্রযুক্তিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ধরে রাখতে ভূমিকা রাখছে। এসব কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি তাৎক্ষণিকভাবে আরও বড় ধাক্কার মুখে পড়া থেকে কিছুটা সুরক্ষা পেয়েছে। তবে এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে অথবা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে বিঘ্ন ঘটলে জ্বালানির দাম বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব শুধু জ্বালানির বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং উৎপাদন ব্যয়, আমদানি ব্যয় এবং সরকারের ব্যয়ের ওপরও চাপ তৈরি করবে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে পণ্য ও সেবা উৎপাদন ব্যয়বহুল হয়ে উঠলে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে। আইএমএফের প্রতিবেদনে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, যেসব দেশ জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল, অথচ প্রযুক্তি খাতে তাদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ নেই, সেসব দেশ সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে। জ্বালানি আমদানিতে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হলে এসব দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য ও বিনিময় হারের ওপর চাপ বাড়বে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যেতে পারে। সরকারের রাজস্ব ও আর্থিক সক্ষমতা সীমিত থাকলে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠবে। নিম্ন আয়ের এবং অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে গেলে এসব দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা থাকবে। ফলে একদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার ওপর চাপ বাড়তে পারে। বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে চিহ্নিত করেছে আইএমএফ। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে অথবা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করলে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে সরকারি বাজেট এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা করাও অনেক দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং চরম আবহাওয়ার মতো ঘটনাও বৈশ্বিক অর্থনীতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সরবরাহব্যবস্থায় বাস্তব বিঘ্ন ঘটলে পণ্য উৎপাদন ও পরিবহনে ব্যয় বাড়বে। এর প্রভাব বাজারদরে পড়তে পারে এবং পণ্যের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। এদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ, শুল্ক বৃদ্ধি এবং উৎপাদনব্যবস্থায় পরিবর্তন বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।  আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি ধীর হতে পারে। ২০২৭ সালে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাণিজ্য উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সরবরাহব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। সরকারি ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। বড় অর্থনীতিগুলোতে ঋণের ব্যয় বাড়ছে। পাশাপাশি বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয়, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জাতীয় নিরাপত্তার মতো খাতে সরকারের অর্থের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নতুন কোনো সংকট দেখা দিলে তা মোকাবিলায় সরকারের হাতে থাকা আর্থিক সুযোগ সীমিত হয়ে আসছে। ঋণের ব্যয় ও অন্যান্য সরকারি ব্যয়ের চাপ বাড়তে থাকলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা আরও কঠিন হতে পারে। আরটিভি/এসআর
বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে পৌঁছানোর শঙ্কা আইএমএফের
দেশের বাজারে কমল সোনার দাম
বিশ্ববাজারে সোনার দামের পতনের পর দেশেও দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস। বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন দাম অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। এ ছাড়া ​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকায় বিক্রি হবে। বাজুস জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২২ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ৬০ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৬২ দফা। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়, কমানো হয়েছিল ২৯ বার। আরটিভি/এসআর
দেশের বাজারে কমল সোনার দাম
মোংলা ইপিজেডে ১৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে চীনা প্রতিষ্ঠান
মোংলা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ইপিজেড) তৈরি পোশাক কারখানা স্থাপনে ১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে চীনা মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান লংটেং গার্মেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
মোংলা ইপিজেডে ১৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে চীনা প্রতিষ্ঠান
দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ও রুপা
দেশের বাজারে ভালো মানের এক ভরি সোনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩১ হাজার টাকার ওপরে।
দেশে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ও রুপা
প্রবাসীরা পাঠালেন ১৪ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা
চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম ১১ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১১৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১৪ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।
প্রবাসীরা পাঠালেন ১৪ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা
আরও পড়ুন
ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে বাকৃবিতে ‘মিট দ্য গভর্নর’ 
আগস্টের ৩০ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা
কৃষি ঋণ নিয়ে বড় সুখবর দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফায় বড় প্রবৃদ্ধি