ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

৬ মাসে রেমিট্যান্স বাড়ল ১৩.১ শতাংশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে স্বস্তি এনে চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ১ শতাংশ। এ সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৮৯৪ কোটি মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ১ হাজার ৬৭৪ কোটি ডলারের তুলনায় ২২০ কোটি ডলার বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পর্যালোচিত ছয় মাসের মধ্যে মোট পাঁচ মাসেই প্রবাসী আয় ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এর মধ্যে গত আগস্ট মাসে সর্বোচ্চ ২২ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। চলতি বছরের মার্চে ৩৭৫ কোটি ডলার আসার পর এপ্রিলে ৩১৩ কোটি এবং মে মাসে এসেছে ৩৪৩ কোটি ডলার। জুনে প্রবাহ কিছুটা স্থির (২৮১ কোটি ডলার) থাকলেও জুলাইয়ে তা আবার বেড়ে ২৮৬ কোটি ডলারে দাঁড়ায়। এরপর আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ডলার।

এই ছয় মাসে দেশের রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় উৎস ছিল মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ৩০৮ কোটি ৮ লাখ ডলার এসেছে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য থেকে ২৯৪ কোটি ২ লাখ, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২২৬ কোটি ৭২ লাখ, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৭১ কোটি ৬৫ লাখ এবং মালয়েশিয়া থেকে ১৪৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার দেশে এসেছে। মূলত এই পাঁচ দেশ থেকেই মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৬০ দশমিক ৭ শতাংশ আয় পরিবাহিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের ওপর প্রবাসীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং হুন্ডি নিরুৎসাহিত করতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কারণেই এই প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ইতিবাচক ধারা বজায় থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনীতিতে আরও স্থায়িত্ব আসবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩২ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৯ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৪ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ৩২ হাজার ৪৮৪ কোটি ৩০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মুখপাত্র আরিফ হোসেন জানান, গতকাল মঙ্গলবার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৩৪০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। গত বছরের সেপ্টেম্বরের মাসের প্রথম ২৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫৬ কোটি ২০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে তিন দশমিক ১০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে ৮৪৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।  গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৭৪৬ কোটি ২০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ আরটিভি/এসআর
২৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩২ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে কম বৃদ্ধি পাওয়ায় ডলারের মান কমেছে। আর অক্টোবরে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াবে না বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এতে করে সুদবিহীন সম্পদ সোনার বাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
অক্টোবরে কোন জ্বালানি তেলের দাম কত টাকা হবে, সিদ্ধান্ত দিলো সরকার
এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ায় সরকার, যা পরের দিন ২১ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হয়।
অক্টোবরে কোন জ্বালানি তেলের দাম কত টাকা হবে, সিদ্ধান্ত দিলো সরকার
অক্টোবরের জন্য জ্বালানি তেলের দাম বেঁধে দিল সরকার
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানের কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়।
অক্টোবরের জন্য জ্বালানি তেলের দাম বেঁধে দিল সরকার
ফার্নেস তেলের দামে বড় লাফ
অক্টোবর মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের ভোক্তা পর্যায়ের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়ে ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বিইআরসি। নতুন এ দাম ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) ধারার আওতায় বিপিসি ও তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানি ও বিস্তারিত পর্যালোচনার পর ফার্নেস অয়েলের মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের বিইআরসির আদেশে বিপিসি সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের ভোক্তাপর্যায়ের দাম, বিপিসির মজুতকরণ ও সরবরাহ চার্জ, তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর বিপণন চার্জ এবং সমন্বিত পরিবহন ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হয়। ওই আদেশে প্রয়োজন অনুযায়ী তিন মাস পরপর ফার্নেস অয়েলের দাম সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছিল। ফার্নেস অয়েলের মূল্য সমন্বয়ের জন্য গত ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করে বিইআরসি। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানিকৃত পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের প্লাটস রেট, সেপ্টেম্বর মাসের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের (ক্রুড) সিআইএফ মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের পরিবর্তন বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, এসব বিষয় পর্যালোচনা করে অক্টোবর ২০২৬ মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি লিটার ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিপিসি সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের এ সমন্বয়কৃত মূল্যহার ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা থেকে প্রযোজ্য ও কার্যকর হবে। আরটিভি/এসআর
ফার্নেস তেলের দামে বড় লাফ
আরও পড়ুন
দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.১৪ বিলিয়ন ডলার
রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, ২৩ দিনে এল ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৩১ বিলিয়ন ডলার
দুই বছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ৪৭ শতাংশ