ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

যেসব ক্ষেত্রে ভারত-পাকিস্তান থেকে এগিয়ে বাংলাদেশ

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৭:২৩ পিএম

পাকিস্তানের একজন অর্থ বিশ্লেষক জায়গাম খান সম্প্রতি দেশটির একটি টকশোতে বলেছেন, খোদা কি ওয়াস্তে হামে বাংলাদেশ বানা দো, ৫ সাল নেহি, ১০ সালছে। স্বাধীনতার পাঁচ দশকে পাকিস্তানের কাছে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে ঠাঁই নিয়েছে একসময় তাদের হাতে শোষিত বাংলাদেশ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি এখন আর্থ-সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে। শুধু পাকিস্তানের কাছে নয়, পুরো বিশ্বের কাছে এখন রোল মডেল এই দেশ।

সদ্য প্রকাশিত ইউএনডিপির (জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি) ‘মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন-২০১৮’ তেও বাংলাদেশ তার সফলতা দেখিয়েছে। ৩ ধাপ এগিয়ে ১৮৯ দেশ নিয়ে করা এইচডিআই সূচকেও অগ্রগতি বাংলাদেশের। পাকিস্তানকে তো বটেই, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। সূচকটিতে যেখানে ভারত ও পাকিস্তানের অবস্থান যথাক্রমে ১৩০ ও ১৫০ সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৬তম।

প্রত্যাশিত আয়ু

ইউএনডিপির প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল এখন ৭২ দশমিক ৮ বছর। অন্যদিকে, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের গড় আয়ু ৬৮ দশমিক ৮ বছর। আর পাকিস্তানের ৬৬ দশমিক ৬ বছর।

ভারতে নারীদের গড় আয়ু ৭০ দশমিক ৪ আর পুরুষদের ৬৭ দশমিক ৩। অন্যদিকে বাংলাদেশে নারীদের গড় আয়ু ৭৪ দশমিক ৬ আর পুরুষদের ৭১ দশমিক ২। এছাড়া পাকিস্তানের নারীদের গড় প্রত্যাশিত আয়ু ৬৭ দশমিক ৭ ও পুরুষের আয়ু ৬৫ দশমিক ৬ বছর।

শিশু মৃত্যু

মানব উন্নয়ন সূচক ২০১৮ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সদ্যোজাত শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ২৮ দশমিক ২ জন। অন্যদিকে ভারতে এই হার ৩৪ দশমিক ৬ জন। আর পাকিস্তানে ৬৪ দশমিক ২ জন। বাংলাদেশে ৫ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৩৪ দশমিক ২ জন। ভারতে এই হার ৪৩ জন আর পাকিস্তানে ৭৮ দশমিক ৮ শতাংশ।

টিকাদান কর্মসূচি

ভারতে শতকরা ৯টি সদ্যোজাত শিশু প্রয়োজনীয় ডিপিটি টিকা থেকে বঞ্চিত হয়। বাংলাদেশে এই সংখ্যা মাত্র ১ জন। পাকিস্তানে যা ১৭ জন। ভারতে হামের টিকা থেকে বঞ্চিত হয় শতকরা ১২ জন সদ্যোজাত শিশু। বাংলাদেশে এই সংখ্যা মাত্র ৬ জন আর পাকিস্তানে ২৪ জন।

অপুষ্টি

ভারতে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের অপুষ্টির হার ৩৭ দশমিক ৯। বাংলাদেশে এই হার ৩৬ দশমিক ২ আর পাকিস্তানে ৪৫ শতাংশ।

এইডসের প্রাদুর্ভাব

ভারতে প্রতি ১০০ জনে এইচআইভি আক্রান্তের হার শূন্য দশমিক ৩। অন্যদিকে বাংলাদেশে শূন্য দশমিক ১। আর পাকিস্তানেও এই হার বাংলাদেশের সমান।

ম্যালেরিয়ার প্রকোপ

বাংলাদেশে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের হার প্রতি হাজারে মাত্র শূন্য দশমিক ৬ জন। ভারতে এই হার ১৮ দশমিক ৮ জন। আর পাকিস্তানে ১০ দশমিক ৬ জন।

মৃত্যু হার

ভারতের প্রতি হাজারে নারী মৃত্যুর হার ১৩৯ জন। বাংলাদেশের এই হার প্রতি হাজারে ১০৭ জন। আর পাকিস্তানের ক্ষেত্রে তা ১৪০ জন। ভারতে পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ২১২ আর বাংলাদেশে ১৪৮, পাকিস্তানে যা ১৭৮ জন।

বৈষম্য

ভারতে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্যের হার ৩৮ দশমিক ৭ শতাংশ। বাংলাদেশে ৩৭ দশমিক ৩ শতাংশ এবং পাকিস্তানে যা ৪৬ দশমিক ২ শতাংশ। ভারতে আয় বৈষম্যের শিকার হয় শতকরা ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ আর বাংলাদেশে ১৫ দশমিক ৭ শতাংশ। আর পাকিস্তানে ১১ দশমিক ৬ শতাংশ।

জেন্ডার ডেভেলপমেন্ট

জেন্ডার ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (জিডিআই) এ ভারতের স্কোর শূন্য দশমিক ৮৪১। এই সূচকেও ভারতের থেকে এগিয়ে বাংলাদেশ। দেশটির স্কোর শূন্য দশমিক ৮৮১। এক্ষেত্রে পাকিস্তানের স্কোর শূন্য দশমিক ৭৫০।

ভারতে পার্লামেন্টে নারীর আসন ১১ দশমিক ৬ শতাংশ। অন্যদিকে বাংলাদেশে এই হার ২০ দশমিক ৩ শতাংশ। পাকিস্তানে তা ২০ শতাংশ।

কর্মসংস্থান

ভারতে মোট জনসংখ্যার ৫১ দশমিক ৯ শতাংশ কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। বাংলাদেশে এই হার ৫৪ শতাংশ। পাকিস্তানে এই হার ৫২ শতাংশ।

নিরাপত্তা

ভারতে প্রতি লাখে হত্যার শিকার হয় ৩ দশমিক ২ জন। বাংলাদেশে এই সংখ্যা ২ দশমিক ৫ জন। আর পাকিস্তানে ৪ দশমিক ৪ জন। ভারতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বাস্তুহারা হয় প্রতি ১০ লাখে ৪৬১ জন। বাংলাদেশে এই সংখ্যা ১৩১ জন। পাকিস্তানে যা ৭২ জন। ভারতে নারীদের আত্মহত্যার হার প্রতি লাখে ১৪ দশমিক ২ জন। বাংলাদেশে যা ৬ দশমিক ৬ জন আর পাকিস্তানে ২ দশমিক ৪ জন।

রেমিটেন্স

ভারতের প্রবাসী আয় জিডিপির ২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। বাংলাদেশে এই হার ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ। আর পাকিস্তানের এই হার ৬ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

পরিবেশের ভারসাম্য

ভারত মাথাপিছু ১.৭ টন কার্বনডাই অক্সাইড নিঃসরণ করে। আর বাংলাদেশ ০.৫ টন। এছাড়া পাকিস্তান ০.৯ টন কার্বনডাই অক্সাইড নির্গমন করে থাকে। বায়ু দূষণের প্রভাবে ভারতে মৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১৮৪ দশমিক ৩ জন। বাংলাদেশে এই হার ১৪৯ জন। পাকিস্তানে যা ১৭৩ দশমিক ৬ জন। দূষিত পানি ও পয়নিষ্কাশন অব্যবস্থাপনার কারণে ভারতে মৃত্যু হয় লাখে ১৮ দশমিক ৬ জনের। বাংলাদেশে এই হার ১১ দশমিক ৯ জন আর পাকিস্তানে ১৯ দশমিক ৬ জনের।

আর্থ-সামাজিক অবস্থা

বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ২৭ দশমিক ২ ভাগ দক্ষ শ্রমিক। ভারতে এই হার ১৮ দশমিক ৫। আর পাকিস্তানে ২৮ দশমিক ৩ ভাগ। বাংলাদেশে মোট জাতীয় আয়ের বিপরীতে সঞ্চয়ের হার ২৬ শতাংশ। ভারতে এই হার ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ। পাকিস্তানে যা ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ।

আরও পড়ুন :

এসআর/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
ফ্রিজে বিশ্ব জলবায়ু উষ্ণায়নের জন্য দায়ী এইচএফসি গ্যাসের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে ওয়ালটন। সেই লক্ষ্যে ফ্রিজ ও কম্প্রেসারে এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট চালু করেছে তারা। এর আওতায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ফ্রিজ ও এর কম্প্রেসারে বিশ্ব স্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস ব্যবহার করবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানটি। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা ইউএনডিপি। এ বিষয়ে শনিবার রাজধানীতে ওয়ালটনের করপোরেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে ইউএনডিপি ও ওয়ালটনের মধ্যে ‘এইচএফসি ফেজ আউট প্রজেক্ট’ নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওয়ালটনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ এক বছর। বিশ্বে এইচএফসি গ্যাস ফেজ আউটে এই প্রকল্পেই প্রথম সহায়তা প্রদান করছে ইউএনডিপি। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম আশরাফুল আলম এবং ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, ইউএনডিপি, বাংলাদেশ এর সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি খুরশিদ আলম ও শায়লা খান, জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ মামুনুর রশীদ ও সংস্থাটির প্রাকিউরমেন্ট বিভাগের প্রধান মরিয়ম আকতার রিকতা, ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক এস এম জাহিদ হাসান, মো. হুমায়ুন কবীর, প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর আশরাফুল আম্বিয়া ও অন্যান্য কর্মকর্তা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এস এম আশরাফুল আলম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি আমরা সব সময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আর তাই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এক গ্রাম কেমিক্যালও ওয়ালটন ব্যবহার করে না। আমাদের টার্গেট বাংলাদেশি ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ডের মর্যাদায় নিয়ে যাওয়া। সেই লক্ষ্যে পরিবশেবান্ধব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্রিজ, এসিসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করছি আমরা। প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুল আম্বিয়া জানান, কয়েক বছর আগেই ইউএনডিপির সহায়তায় অত্যন্ত সফলভাবে ফ্রিজে বায়ুমন্ডল তথা ওজোনস্তর ক্ষয়কারী এইচসিএফসি গ্যাসের ব্যবহার রোধ করেছে ওয়ালটন। পাশাপাশি, এইচএফসির ব্যবহার রোধের উদ্দেশ্যে পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত প্রকল্প বাস্তবায়নে সফল হয়েছে ওয়ালটন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এবার ফ্রিজে এইচএফসির ব্যবহার সম্পূর্ণ রোধ করার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সম্পূর্ণভাবে এইচএফসিমুক্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কম্প্রেসার উৎপাদনও শুরু করলো ওয়ালটন। সূত্রমতে, প্রকল্পটি চালুর ফলে বায়ুমন্ডলে বাৎসরিক প্রায় ২ দশমিক ৫৩ লাখ টন কার্বনডাই অক্সাইডের সমপরিমাণ ১৮৯ টন এইচএফসি গ্যাসের নিঃসরণ রোধ করবে ওয়ালটন। এর মধ্য দিয়ে ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশ। এসআর
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
নির্বাচনের কারণে ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি শেষ হয়েছে। আজ সোমবার থেকে পুরোদমে শুরু হয়েছে অফিস আদালত। তবে ব্যাংক হলিডে থাকায় এদিন ব্যাংক খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হচ্ছে না। ফলে সাধারণ গ্রাহকরা ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না। তবে প্রয়োজন হলে কার্ডের মাধ্যমে এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ শাখা খোলা থাকবে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন শাখা থেকে পাঠানো হিসাব একত্রিত করে অর্ধ বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। যে কারণে এ দিনটিকে ‘ব্যাংক হলিডে’ হিসেবে ধরা হয়। এদিন বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্যান্য ব্যাংক গ্রাহকদের সঙ্গে কোনও ধরনের লেনদেন বা দাপ্তরিক কার্যক্রম করে না। এদিন বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারের লেনদেনও। এসআর
আজও ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন না গ্রাহকরা
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবায় লেনদেনের ক্ষেত্রে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। আজ রোববার বিকেল ৫টার পর গ্রাহকরা আবারও আগের মতো টাকা লেনদেন, ক্যাশ আউট, মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে পারবেন।   বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।   তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে আজ বিকেল ৫টা পযর্ন্ত ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানোর বিষয়ে শিথিলতা আনা হয়। সে অনুযায়ী গ্রাহকরা আজ বিকেল ৫টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা শুধু পাঠাতে পারছেন। কোনও ক্যাশ আউট ও রিচার্জের সুযোগ নেই।   নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়। কারণ নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসআর
বিকাশ-রকেটে টাকা তোলায় নিষেধাজ্ঞা উঠছে বিকেল ৫টায়
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। তবে শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে রোববার তথা নির্বাচনের দিন বিকেল ৫টা পযর্ন্ত এই ২৪ ঘণ্টা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পাঠানো যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২৭ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ফলে শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) থেকে বিকাশ, রকেট, ইউক্যাশ, এমক্যাশ, শিওর ক্যাশের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) বা মুঠোফোনে আর্থিক সেবা বন্ধ রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও ভোটার আকৃষ্ট করতে টাকা ছড়ানো বন্ধের জন্য এ নির্দেশনা দেয়া হয়। নগদ টাকার পাশাপাশি অনেক সময় মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে অবৈধ লেনদেন হয়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুপারিশ ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ৪৮ ঘণ্টার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বন্ধ রাখার সিন্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মতে, সব মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে ২৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত সব ধরনের লেনদেন বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হলো। তবে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হতে ২৯ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা থেকে ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা লেনদেনের সুযোগ রেখে সীমিত আকারে এ সেবা চালু রাখা যেতে পারে বলে জানানো হয়। আরও পড়ুন : ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও এসআর
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৫ হাজার টাকার বেশি লেনদেন নয়
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (জিডিপি) ক্ষেত্রে বৃহত্তম দেশ হিসাবে উত্তরণ ঘটতে পারে। ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ২০৩০’ শীর্ষক এইচএসবিসি গ্লোবাল রিপোর্টে একথা বলা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) নিউজ বুলেটিনের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৮) সম্পাদকীয় শাখায় এই তথ্য প্রকাশ করেছে। তাদের বুলেটিনে বলা হয়, ‘ফিলিপাইন, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে দেশটি (বাংলাদেশ) বিশ্বের ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে যাচ্ছে।’ এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে এবং আর্থ-সামাজিক গতিশীলতার কারণে ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালু ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের অবস্থান ৩৯তম। লন্ডন ভিত্তিক ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’-এর ‘ন্যাশনাল ব্র্যান্ডস ২০১৮’ প্রতিবেদন অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশের ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’ ২৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইসিসিবি নিউজ বুলেটিনে বলা হয়, বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি চমৎকারভাবে ৬ শতাংশের অধিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরে রেখেছে এবং গত দু’বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বুলেটিন অনুসারে, টেকসই জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই), সরকারের বিনিয়োগ বান্ধব কার্যক্রম, ‘ওয়ান-স্টপ-সার্ভিস’ অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সাবলীল করেছে। পাশাপাশি, বেসরকারি ও সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের সুবিধার্থে সরকার অনেকগুলো ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ (এসইজেড) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে। বাণিজ্য ও শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য জমির সংকট দূর করার জন্য সরকার ২০৩০ সাল নাগাদ ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতিমধ্যে ১০০টির মধ্যে ৭৬টির জন্য জমি নির্ধারণ করেছে। আরও পড়ুন : বিকাশ-রকেট থেকে হচ্ছে না মোবাইল ফোনের রিচার্জও বাংলাদেশের পুঁজিবাজার হবে এশিয়ায় নেতৃস্থানীয়: ডিএসই এমডি এসআর
ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
ইউএনডিপি-ওয়ালটন চুক্তি: পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ তৈরি করছে ওয়ালটন
ভারতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ১০ জন নিহত
প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মমতা
বছরের ফ্লপ একাদশের অধিনায়ক ধোনি, ভারতের আধিপত্য