ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কেএসআরএম’র অ্যাওয়ার্ডস ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস প্রদর্শনী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৭:৩৮ পিএম

ভবিষ্যৎ স্থপতিদের উৎসাহ দিতে ‘কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ডস ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সেরা গবেষণাপত্রের প্রকল্প প্রদর্শনী শুরু হয়েছে।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ স্থপতি ইন্সটিটিউটে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সাবেক সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ও কেএসআরএমের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সারওয়ার জাহান।

সারওয়ার জাহান বলেন, নবীন স্থপতিদের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে কেএসআরএম গর্বিত। আইএবির আন্তরিক সহযোগিতা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আমাদের চেষ্টা থাকবে ভবিষ্যতেও যেন পাশে থাকতে পারি।

স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, আমাদের উদ্যোগে কেএসআরএমকে পাশে পেয়ে আনন্দিত। আশা করছি কেএসআরএম ভবিষ্যতেও আমাদের পাশে থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএমের উপদেষ্টা (বিক্রয় ও বিপণন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শহিদুর রহমান, বিক্রয় ও গবেষণা বিভাগের প্রধান কর্নেল (অব.) আশফাকুল ইসলাম, আইএবির সহ সভাপতি (জাতীয় বিষয়াদি) স্থপতি মামনুন মুরশেদ চৌধুরী, কেএসআরএমের গণমাধ্যম উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম, আইএবির সম্পাদক (শিক্ষা) স্থপতি এম আরেফিন ইব্রাহিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক স্থপতি শেখ ইতমাম সৌদ, কেএসআরএমের ব্র্যান্ড বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক এহসান রহমান, সিনিয়র কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান, সাদ হোসেন প্রমুখ।

আইএবি সেন্টারে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

জুরি বোর্ডের নির্বাচিত তিনটি সেরা প্রজেক্ট চূড়ান্ত করে আগামী ৮ জানুয়ারি একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

সেরা তিন বিজয়ের মধ্যে প্রথম বিজয়ী পাবেন এক লাখ টাকার চেক ও সম্মাননা ক্রেস্ট, দ্বিতীয় বিজয়ী ৭৫ হাজার টাকার চেক ও সম্মাননা ক্রেস্ট এবং তৃতীয় বিজয়ী পাবেন ৫০ হাজার টাকার চেক ও সম্মাননা ক্রেস্ট।

প্রজেক্ট নির্বাচনে জুরি বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্থপতি মোস্তফা আমিন, স্থপতি ফুয়াদ এইচ মল্লিক, স্থপতি সাইফ উল হক, স্থপতি মোহাম্মদ আলী নকী ও স্থপতি ফরিদা নিলুফার প্রমুখ।

পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ মোরশেদ আলম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে ইনসুরেন্স সেক্টরও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ফয়স লেকে ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বৃহত্তর চট্টগ্রামের কর্মী সম্মেলন ও আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।   এ সময় আলহাজ মোরশেদ আলম বলেন, ইনসুরেন্স ব্যবসার ভবিষ্যৎ আছে। সরকার বীমা খাত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ন্যাশনাল লাইফ সরকারকে বিরাট অংকের ট্যাক্স দিয়ে থাকে। ন্যাশনাল লাইফে ২০ হাজারের মতো লোক কাজ করে। অনুষ্ঠানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল এম. এ. নাসের বলেন,  ন্যাশনাল লাইফ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। সাড়ে সাতশ কোটি টাকার বীমা দাবীর টাকা পরিশোধ করেছে। এ সময় ন্যাশনাল লাইফের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।   অনুষ্ঠানে আলহাজ মোরশেদ আলমের সহধর্মিণী বিলকিস নাহার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিচালক নাদের খান, ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমদসহ কোম্পানির উধ্বর্তন কর্মকর্তারা। এজে/ এমকে
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
সময়মতো বায়াররা ক্রয়কৃত নিটিং পণ্যের মূল্য পরিশোধ না করায় নারায়ণগঞ্জে নিটিং ব্যবসায় মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। এতে এই ব্যবসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভবনে বার্ষিক প্রতিবেদন সভায় ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ সময় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য না থাকায় কোনও কোনও ব্যবসায়ী কম মজুরিতে ওয়ার্ক অর্ডার নিচ্ছেন। যে মজুরিতে তারা অর্ডার নিচ্ছেন ওই মজুরিতে তাদের লাভ তো দূরের কথা প্রায় ৩ থেকে ৪ টাকা লোকসান গুনতে হয়। ফলে গত ছয় মাসে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশত নিটিং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম সারোয়ার বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য নেই। ফলে কেউ কেউ গোপনে কম মজুরিতে কাজের অর্ডার নিচ্ছেন। ফলে মাসে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা নিটিং ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মন্দা কাটিয়ে উঠতে নিটিং মূল্য নির্ধারণে ৭৮ সদস্য উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার ও রকিবুল হাসান রাকিব, পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, নিজাম মুন্সি, নির্মল চন্দ্র রায়সহ আরও অনেকে। এজে
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
কাল শুরু হচ্ছে বাণিজ্য মেলা, টিকিটের দাম বেড়েছে ১০ টাকা
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় (ডিআইটিএফ) প্রবেশে টিকিটের দাম গত বছরের  চেয়ে এ বছর ১০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। গত বছর মেলায় প্রবেশের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের টিকিটের দাম ছিল ৩০ টাকা। এবার সেই টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ টাকা। এছাড়া  অপ্রাপ্তবয়স্কদের টিকিটের দাম আগের মতোই ২০ টাকা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাণিজ্য মেলার মাঠে এক সংবাদ সম্মেলনে টিকিটের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এবিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগে এক কাপ চা খেতেন তিন টাকায়, এখন পাঁচ টাকা লাগে। মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। এছাড়া মেলায় এবার স্টলের সংখ্যা কমেছে। সব বিষয় মাথায় রেখে এবার টিকিটের নতুন এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগামীকাল বুধবার (১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া মাসব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবারের মেলায় বাংলাদেশসহ ২১টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪৮৩টি প্যাভিলিয়ন ও স্টল থাকবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। এবারের মেলায় প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন রাখা হয়েছে ৬৪টি। এছাড়া সাধারণ প্যাভিলিয়ন ১৩টি, সাধারণ মিনি প্যাভিলিয়ন ৫৯টি ও প্রিমিয়াম মিনি প্যাভিলিয়ন ৪২টি। এমকে
কাল শুরু হচ্ছে বাণিজ্য মেলা, টিকিটের দাম বেড়েছে ১০ টাকা
বছরজুড়েই বেসামাল নিত্যপণ্যের বাজার (ভিডিও)
বছরজুড়েই বেসামাল নিত্যপণ্যের বাজার। এর মধ্যে ভোক্তাদের সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে পেঁয়াজ ও চালের দাম। সরকারি হিসেবে বছরের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে ১৫ শতাংশ। আর ২৭০ শতাংশ বেড়েছে পেঁয়াজে।  বেড়েছে ভোজ্যতেল, মাংস ও রসুনের দামও। এ অবস্থায় বিশ্লেষকদের পরামর্শ, আসছে বছর নিত্যপণ্য ভোক্তার নাগালে রাখতে ব্যবস্থা নিতে হবে বছরের শুরু থেকেই।  বছরের মাঝামাঝির পর এসে হঠাৎই পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এতে বাংলাদেশের বাজারে, ঝাঁজ বেড়ে যায়, পণ্যটির। ৩০ টাকার পেঁয়াজ ভোক্তাদের কিনতে হয় ২৫০ বা তারও বেশি টাকায়। সরকারি তৎপরতায় দাম কিছুটা কমানো গেলেও নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করায় কমছে দাম। তারপরও কিনতে হচ্ছে গত বছরের চেয়ে আড়াই গুণের বেশি দামে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। পেঁয়াজের পাশাপাশি বেসামাল হয়ে পড়ে, লবনের বাজারও। দাম বাড়তে পারে, এমন গুজবে ভোক্তারা দেদারসে কিনতে থাকে, লবন। দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৫ টাকার লবন বিক্রি হয় দেড়শ টাকা পর্যন্ত। যদিও বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে শাস্তি আওতায় এনে, দ্রুত বাজার শান্ত করে, ‘জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর’। চাল বাজারে অস্থিরতার শুরু বছরের প্রথম থেকে, যা বছর শেষেও চলছে।  কৃষক বেশি দামে চাল বিক্রি করছে, এমন অজুহাতে গেল মাসেও প্রায় সব ধরণের চালের দাম কেজিতে বেড়েছে, চার থেকে ছয় টাকা। সারা বছর স্থিতিশীল থাকলেও শেষে এসে বেড়েছে সয়াবিন তেলের দাম।  বোতল ও খোলা সয়াবিনের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৪ টাকা। সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান টিসিবি’র তথ্যেই, (জিএফএক্স) গেল বছরের ৩৫ টাকা রসুন ১৭৮ শতাংশ বেড়ে এ বছর বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।  এছাড়া ময়দার দাম বেড়েছে নয় শতাংশ, মশুর ডাল ২০ শতাংশ, আলু ১০ শতাংশ, আদা ২৮ শতাংশ, গরুর মাংস ১১ শতাংশ এবং প্রায় সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে, ৩০ শতাংশ। অর্থনীতিবিদ নাজনীন আহমেদ বলছেন, পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে, সরকার ও ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতি নিতে হবে, বছরের শুরু থেকে। এসজে
বছরজুড়েই বেসামাল নিত্যপণ্যের বাজার (ভিডিও)
দাবি না মানায় আবারও অনশনে রাজশাহীর পাটকল শ্রমিকরা
জাতীয় মজুরি কমিশন বাস্তবায়নসহ ১১ দফা দাবি না মানায় আবারও আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন রাজশাহী জুট মিলের শ্রমিকরা। রোববার দুপুর ২টা থেকে রাজশাহীর পবা উপজেলার কাটাখালী এলাকার রাষ্ট্রায়ত্ত এই পাটকলের সামনে কাঁথা-বালিশ নিয়ে এই আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এ বিষয়ে রাজশাহী জুট মিলসের সিবিএ সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, তাদের ১১ দফা দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক হয়েছে। তবে তারা আমাদের দাবি মেনে নেয়নি। তাই আমরা আবারও আমরণ অনশন শুরু করেছি। তিনি আরও বলেন, সরকার যতক্ষণ পর্যন্ত দাবি মেনে না নিবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমরণ অনশন চালিয়ে যাব। এর আগে গত নভেম্বর থেকে শ্রমিক সমাবেশ, প্রতীকী সমাবেশ, অনশন কর্মসূচি এবং পরে ২৪ ঘণ্টা উৎপাদন বন্ধ রেখে ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নে আন্দোলন করেছিল শ্রমিকরা। পরে গত ১০ ডিসেম্বর থেকে তারা আমরণ অনশন শুরু করেন। পরে সরকারের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে আন্দোলনরত শ্রমিকরা গত ১৪ ডিসেম্বর অনশন কর্মসূচি স্থগিত করে কাজে যোগ দেন। এজে/পি
দাবি না মানায় আবারও অনশনে রাজশাহীর পাটকল শ্রমিকরা
আরও পড়ুন
এবার মহাখালীর নতুন সিনেপ্লেক্সে \'সাপলুডু\'
ঝালকাঠিতে অনুষ্ঠিত হলো খাঁচায় পাখির প্রদর্শনী
‘বিশ্ব শিল্পের বৃহৎ আয়োজনে আমাদের চারুশিল্প উপস্থাপনের সুযোগ পাচ্ছি’
২৩তম জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে চিত্রকর্ম আহ্বান