ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

কন্টাক্টলেস ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো কন্টাক্টলেস বা পিনবিহীন ক্রেডিট কার্ডের প্রচলন বাড়াচ্ছে। এ ধরনের ট্যাপ অ্যান্ড পে প্রযুক্তি ভোক্তাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ডিজিটাল পেমেন্ট করতে সহায়তা করছে।

২০১৮ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ৬টিরও বেশি ব্যাংক কন্টাক্টলেস কার্ড চালু করেছে এবং করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে এই ধরনের কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে। বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ কন্টাক্টলেস ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার হচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে ৭০ শতাংশ করে বেড়েছে এর ব্যবহার। কন্টাক্টলেস লেনদেন প্রযুক্তি সম্বলিত ৪২ হাজার পয়েন্ট অফ সেল (পিওএস) টার্মিনাল রয়েছে দেশে।

কন্টাক্টলেস পেমেন্ট সুবিধা সম্পন্ন পিওএস টার্মিনালের কাছে কার্ড এনে 'ট্যাপ' করতে হয়। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীকে টার্মিনালে হাত দেওয়া, কার্ড সোয়াইপ করা বা যন্ত্রে প্রবেশ করানোর প্রয়োজন হয় না।

বাংলাদেশে এই প্রযুক্তি সবার আগে চালু করেছে সিটি ব্যাংক। ব্যাংকটি ভোক্তাদের জন্য বেশ কিছু কন্টাক্টলেস কার্ড চালু করেছে, যেমন আমেরিকান এক্সপ্রেস প্লাটিনাম কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস সিটি আলো কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস বিমান কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস আগোরা কার্ড এবং ভিসা প্লাটিনাম কার্ড। ব্যাংকটি অবকাঠামো তৈরিতে বিনিয়োগ করছে এবং তাদের প্রায় ২৭ হাজার পিওএস মেশিন আছে যেগুলো কনটাক্টলেস লেনদেনে সক্ষম।

এ ছাড়াও ঢাকা ব্যাংক ২০১৮ সালে এই সুবিধাটি চালু করে। তাদের সব ভিসা ও মাস্টারকার্ড পণ্য কন্টাক্টলেস লেনদেন সুবিধাযুক্ত।

ঢাকা ব্যাংকের হেড অফ রিটেল বিজনেস এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কন্টাক্টলেস পেমেন্ট ব্যবস্থা নগদ টাকা-বিহীন সমাজের পথ দেখাচ্ছে। সারা বিশ্বে এটি পেমেন্টের একটি নিরাপদ প্রক্রিয়া হিসেবে জনপ্রিয়। করোনাভাইরাস নগদ অর্থের পরিবর্তে কার্ড ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

জানুয়ারি থেকে আগস্টের মধ্যে ঢাকা ব্যাংকের কন্টাক্টলেস কার্ডের মাধ্যমে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক লেনদেনের পরিমাণ যথাক্রমে ১৬২ ও ১০৩ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশে শুধুমাত্র ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কন্টাক্টলেস লেনদেনের অনুমোদন রয়েছে। তবে এই খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডেও এই সুবিধা চালু করা প্রয়োজন, যাতে আরও বেশি মানুষ এই সেবা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।

২০২০ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক কন্টাক্টলেস কার্ডের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্দেশ্যে লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমাকে ৩ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার করে।

প্রথম সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেসিক ব্যাংক এ বছরের ডিসেম্বরে একটি ডুয়াল কারেন্সি কন্টাক্টলেস ক্রেডিট কার্ড বাজারে ছেড়েছে।

ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) ভিসা ও মাস্টারকার্ড ব্র্যান্ডের কন্টাক্টলেস ক্রেডিট কার্ড বাজারে ছেড়েছে। তাদের ১ লাখ ৯০ হাজার ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে ২০ শতাংশ কন্টাক্টলেস।

ইবিএলের ৫ হাজার পিওএস টার্মিনালে কন্টাক্টলেস লেনদেন সুবিধা রয়েছে।

ইবিএলের হেড অফ ডিজিটাল ফাইনান্স সার্ভিস আহসান উল্লাহ চৌধুরী বলেন, 'আমরা সব পণ্যে কন্টাক্টলেস লেনদেন সুবিধা রাখিনি, কারণ আগে আমাদের সব পিওএস টার্মিনালে যথোপযুক্ত প্রযুক্তি ছিল না।'

তবে ব্যাংকটি সব নতুন ক্রেডিট কার্ডের সঙ্গে এই সুবিধা দিচ্ছে। কন্টাক্টলেস কার্ডের উৎপাদন খরচ প্রথাগত কার্ডের চেয়ে দেড় গুণ বেশি।

উন্নত বিশ্বে কন্টাক্টলেস কার্ড ব্যবহার করে খুব সহজে বাস ও ট্রেনের টিকেট কেনা যায়।

আহসান বলেন, 'ঢাকায় মেট্রোরেল সুবিধা চালু হলে এ ধরনের কার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে।'

এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, যেহেতু কোনো ব্যাংকই কন্টাক্টলেস কার্ড ব্যবহার নিয়ে তেমন কোনো প্রচার চালায়নি, বিক্রেতারা এর ব্যবহার সম্পর্কে তেমন জানেন না। এছাড়াও এই সুবিধাসহ পিওএস টার্মিনালের সংখ্যা কম থাকাও এক্ষেত্রে আরেকটি প্রতিবন্ধকতা।

২০২০ সালের আগস্টে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ কন্টাক্টলেস ক্রেডিট কার্ড চালু করে। এক্ষেত্রে তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণের সময়ে কফির দোকানের বিল দেওয়া, গাড়ীতে গ্যাস ভরানো বা টিকেট কেনার মত ছোট লেনদেনের ক্ষেত্রে ট্যাপ-টু-পে সুবিধাকে জনপ্রিয় করা।

ব্যাংকের ১ লাখ ২৫ হাজার ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে ৩০ শতাংশে এই সুবিধা রয়েছে। ডেবিট কার্ডসহ সব নতুন কার্ডে এই সুবিধা থাকছে।

তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এখনও অনুমোদন না দেওয়ায় ডেবিট কার্ডের ক্ষেত্রে এই সুবিধাটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

বহুজাতিক ব্যাংকটির হেড অফ কনজ্যুমার, প্রাইভেট অ্যান্ড বিজনেস ব্যাংকিং সাব্বির আহমেদ বলেন, আমাদের গ্রাহক সংখ্যা ও তাদের চাহিদা বাড়ছে এবং আমরা তাদের অভিনব ও প্রযুক্তির দিক দিয়ে এগিয়ে থাকা বিশ্ব মানের সেবা দিতে সংকল্পবদ্ধ।

ব্যাংকাররা জানান, যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব ক্রেডিট কার্ড লেনদেনের জন্য ট্যাপ অ্যান্ড পে প্রক্রিয়া অনুসরণকে বাধ্যতামূলক করে দেয়, তাহলে কন্টাক্টলেস পেমেন্টের পরিমাণ অনেক বাড়বে।

বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, কন্টাক্টলেস কার্ডের ব্যবহার বাড়ছে। এটিই পেমেন্টের ভবিষ্যৎ, কারণ এতে সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

মাস্টারকার্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ১০০টিরও বেশি দেশে প্রথাগত ক্রেডিট কার্ড ভিত্তিক লেনদেনের তুলনায় কন্টাক্টলেস লেনদেনের পরিমাণ অন্তত ৫০ শতাংশ বেড়েছে।

এসজে/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দুই দিনেই পাল্টে গেল বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত
করোনাভাইরাস মহামারিতে ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পরিশোধে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। সেই বিশেষ সুবিধা দুই দিন আগে বাতিল করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু আজকে বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে ব্যবসায়ীদের আগের মতোই বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।  বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়ে আলোচনা করেন ব্যবসায়ী নেতারা। আলোচনা শেষে ছোট ব্যবসায়ীদের মতোই বড় ব্যবসায়ীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ, মোট ঋণের ১৫ শতাংশ ফেরত দিলে খেলাপি হওয়া থেকে রেহাই পাবেন ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘২৫ শতাংশ পরিশোধ করে ঋণ নিয়মিত করার যে সুবিধা ছিল, সেটা ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইতোমধ্যে অনেকে এ সুবিধা নিয়ে ঋণ নিয়মিতকরণ করেছে।’ এর আগে বুধবার ( ২৯ ডিসেম্বর) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওইু সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘ঋণ বা বিনিয়োগ পরিশোধের ক্ষেত্রে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের শেষ কর্মদিবসের মধ্যে প্রদেয় কিস্তিগুলোর ন্যূনতম ২৫ শতাংশ পরিশোধ করা হলে এ সময়ে ঋণ বা বিনিয়োগগুলো বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। তবে কোভিড-১৯ মহামারিকালীন সিএমএসএমই খাতের ঋণ বা বিনিয়োগগ্রহীতারা অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং এই খাতে কর্মরত কর্মবল বহাল রাখার লক্ষ্যে সিএমএসএমই খাতে বিতরণকৃত ঋণ বা বিনিয়োগের বিপরীতে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদেয় অর্থের ২৫ শতাংশের পরিবর্তে ন্যূনতম ১৫ শতাংশ চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষ কর্মদিবসের মধ্যে পরিশোধ করা হলে উক্ত সময়ে ঋণ বা বিনিয়োগ বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না মর্মে নির্দেশনা প্রদান করা হলো।’  এর আগে মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভায় এ-সংক্রান্ত একটি সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ঋণের ২৫ শতাংশের পরিবর্তে ১৫ শতাংশ পরিশোধ করলেও খেলাপি হবে না— এই সুবিধা কেবল সিএমএসএমই খাত, অর্থাৎ ছোট উদ্যোক্তারাই পাবেন। এফএ/টিআই
দুই দিনেই পাল্টে গেল বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত
ঋণ পরিশোধে বিশেষ সুবিধা বাদ
করোনার কারণে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধে যে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল সেটির মেয়াদ বাড়াচ্ছে না বাংলাদশ ব্যাংক। এর আগে ডিসেম্বরের শেষ কর্মদিবসের মধ্যে ঋণের ২৫ শতাংশ পরিশোধ করেই খেলাপি না থাকার সুয়োগ ছিল। এই বিশেষ সুবিধার মেয়াদ আর বাড়ছে না। এখন ডিসেম্বরের মধ্যেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে ব্যবসায়ীদের। এই সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ না করলে গ্রাহক খেলাপিতে পরিণত হবেন। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ব্যাংকের ঋণ শ্রেণিকরণ সুবিধা ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিলেও বাংলাদেশ ব্যাংক সেদিকে নজর দেয়নি।  মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আয়োজিত ব্যাংকার্স সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান গভর্নর ফজলে কবির। সভা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম। সম্প্রতি ব্যাংকের ঋণ শ্রেণিকরণ সুবিধা আরও ছয় মাস অর্থাৎ ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবীরের কাছে চিঠি দিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। এফএ/এসকে
ঋণ পরিশোধে বিশেষ সুবিধা বাদ
‘ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের শ্রেষ্ঠত্বের পেছনে রয়েছে সবার পরিশ্রম’  
ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা কাজিম উদ্দিন বলেছেন, দেশের ৭৯টি বীমা কোম্পানির মধ্যে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড শ্রেষ্ঠ স্থান অর্জন করেছে।  দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ৮টি দেশ নিয়ে গঠিত জুড়ি বোর্ডের বিচার বিশ্লেষণে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডকে সেরা ঘোষণা করা হয়।  সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) কুমিল্লার বার্ড মিলনায়তনে ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড দক্ষিণ এশিয়ার সেরা লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় সংবর্ধনা ও বীমা দাবি পরিশোধ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  অনুষ্ঠানে সম্মানীত অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জজ কোর্টের সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্থাপন আইন ও কমপ্লায়েন্স বিভাগের ইভিপি একচ্যুয়ারিয়াল এনামুল হক, ডেপুটি ভাইস প্রেসিডেন্ট খোরশেদ আলম, হেলাল আহমেদ।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল মান্নান।  আলোচনা শেষে গ্রাহকদের ১ কোটি ৩ হাজার ৭০০ টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। এনএইচ/এসকে
‘ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের শ্রেষ্ঠত্বের পেছনে রয়েছে সবার পরিশ্রম’  
গ্রামে ফেরা মানুষের জন্য ৫০০ কোটি টাকার প্রণোদনা
করোনার মধ্যে শহর ছেড়ে গ্রামে ফিরে আর্থিক সংকটে পড়েছেন অনেকে মানুষ। এই সংকট নিরসনে ৮টি খাতে গ্রামে ফেরা মানুষের জন্য ৫শ’ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দুই এক দিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত নোটিশ জারি করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।  ৮টি খাত হচ্ছে- হালকা প্রকৌশল, মৎস্য ও পশুসম্পদ, স্থানীয় ক্ষুদ্র পুঁজির ব্যবসা, পরিবহন খাতে ছোট আকারের যানবাহন ক্রয়, তথ্য-প্রযুক্তির জন্য সেবাকেন্দ্র (সার্ভিস সেন্টার) স্থাপন, ফল ও শাকসবজি আবাদ, ঘর নির্মাণ এবং কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয় কেনা।  কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নথি অনুসারে, করোনায় চাকরি হারিয়ে নিন্মবিত্ত ও কম আয়ের বেশিকিছু মানুষ শহর ছেড়ে গ্রামে ফিরেছেন। গ্রামে ফিরে আর্থিক সংকটে কঠিন জীবনযাপন করছেন। এসব মানুষের জন্য স্বল্প সুদে ৫০০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ চালু করতে যাচ্ছে।   কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগে প্রত্যাবর্তনকারীরা উল্লিখিত প্রকল্প থেকে ৬ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। এছাড়া ঋণদাতারা তহবিল পাবেন শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ সুদে। অর্থাৎ ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে তারা ৫ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ নিজেদের আয়খাতে নিয়ে যেতে পারবেন।  যারা ১ থেকে ২ লাখ টাকা ঋণ নেবেন, তাদের ৩ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৮ মাসের মধ্যে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হবে। আর ২ থেকে ৫ লাখ টাকার মধ্যে হলে ৬ মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ পরিশোধের মেয়াদ ২ বছর হবে।  পুনঃঅর্থায়নের এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর। এ ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতাদের জামানত লাগবে না।  এই প্রকল্পে অংশ নিতে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে কোনো ধরনের অংশগ্রহণমূলক চুক্তি করতে হবে না।  এফএ
গ্রামে ফেরা মানুষের জন্য ৫০০ কোটি টাকার প্রণোদনা
৩ বিশেষায়িত ব্যাংকে নতুন এমডি
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তিন বিশেষায়িত ব্যাংক- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।  রোববার (১৯ ডিসেম্বর) তাদের নিয়োগের বিষ‌য়ে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। প্রজ্ঞাপন তথ্যমতে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়েছেন মো. ইসমাঈল হোসেন। এর আগে তিনি রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হয়েছেন মো. আব্দুল মান্নান। তিনি এখন কর্মসংস্থান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।  এছাড়া কর্মসংস্থান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক করা হয়েছে শিরীন আখতারকে। তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।   এনএইচ 
৩ বিশেষায়িত ব্যাংকে নতুন এমডি