ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্যাশলেস লেনদেনে কোনো চার্জ লাগবে না: অর্থমন্ত্রী

বাসস

প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী : ছবি সংগৃহীত

ক্যাশলেস বাংলাদেশ ও ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে বাংলা কিউআর কোড ভিত্তিক লেনদেনে কোনো ফি বা চার্জ দিতে হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, সরকারের এ উদ্যোগের আওতায় কিউআর কোডের মাধ্যমে যে কোনো লেনদেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সম্পন্ন করা যাবে এবং এর জন্য কোনো ধরনের বাড়তি চার্জ বা ফি দিতে হবে না।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর বনানী কাঁচাবাজারে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার করে পণ্য কেনাকাটার উদ্বোধন ও বাংলা কিউআর কোড ভিত্তিক লেনদেন পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ফুসকা বিক্রেতা, রিকশাচালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের আওতায় আনা হবে। এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ফুটপাতের বিক্রেতা বা যে কোনো ছোট ব্যবসায়ী যে কোনো ব্যাংক কিংবা সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাকাউন্টে খুব সহজেই কিউআর কোড ব্যবহার করে টাকা গ্রহণ করতে পারবেন। এর ফলে কাউকে আর কষ্ট করে নগদ টাকা বহন করতে হবে না। এতে লেনদেন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ছোটখাটো কিছু কারিগরি চ্যালেঞ্জ বা সাময়িক সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠা যাবে ।

তিনি বলেন, বিশ্বের বহু উন্নত ও দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে ক্যাশলেস লেনদেন সহজ ও নিরাপদ যা ইতোমধ্যে প্রমাণিত এবং সফল। বাংলাদেশ ব্যাংকও এই আন্তর্জাতিক চর্চাকে দেশে সর্বজনীন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

মন্ত্রী দেশের সাধারণ নাগরিক, ব্যবসায়ী ও সেবা প্রদানকারীদের কোনো দ্বিধা ছাড়াই ক্যাশলেস ও নিরাপদ অর্থনৈতিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার এ সরকারি উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৯০ দিনে বাংলা কিউআরে লেনদেন বেড়েছে সাড়ে ৩ গুণ
দেশে আন্তঃসংযুক্ত ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্প্রসারণের ফলে বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত ৯০ দিনে বাংলা কিউআর লেনদেনের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ গুণ ও লেনদেনের অর্থমূল্য প্রায় ৫ গুণ বেড়েছে। ১ নভেম্বর থেকে চালু হবে পারসন-টু-পারসন (পিটুপি) লেনদেন। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসাইন খান এ তথ্য জানান। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বর্তমানে ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) গ্রাহকরা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে দেশব্যাপী প্রায় ৩৯ লাখ মার্চেন্টে বাংলা কিউআর স্ক্যান করে অর্থ পরিশোধের সুযোগ পাচ্ছেন। ২০২৬ সালের জুনে দৈনিক গড়ে ১ লাখ বাংলা কিউআর পেমেন্ট সম্পন্ন হতো, যার অর্থমূল্য ছিল গড়ে ২৮ কোটি টাকার বেশি। বর্তমানে দৈনিক গড়ে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ বাংলা কিউআর পেমেন্ট হচ্ছে, যার অর্থমূল্য প্রায় ১৪৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে দেশীয় বাংলা কিউআরের মাধ্যমে লেনদেন সম্প্রসারণে ১ জুলাই থেকে সব ধরনের প্রোপ্রাইটারি কিউআরের স্থলে বাংলা কিউআর প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলা কিউআর লেনদেনের পারফরম্যান্স, প্রচার ও মূল্য নির্ধারণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী ১ অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআরভিত্তিক পেমেন্ট গ্রহণে মার্চেন্টদের উৎসাহিত করতে সংশ্লিষ্ট মার্চেন্ট হিসাবে অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করা হবে। একই সময় থেকে বাংলা কিউআর পেমেন্টে অধিগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) সর্বোচ্চ ১ শতাংশ নির্ধারণ ও ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানের ইন্টারচেঞ্জ রিইমবার্সমেন্ট ফি (আইআরএফ) শূন্য করা হয়েছে। ফলে বাজার পর্যায়ে বাংলা কিউআর পেমেন্টের খরচ কমবে। এদিকে সেপ্টেম্বর মাসে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে গড় লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে ৪ হাজার ১০১ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা জুনে ছিল ২ হাজার ৮০০ টাকা। আরিফ হোসাইন খান বলেন, আগামী ১ নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক পারসন-টু-পারসন (পিটুপি) লেনদেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে একজন গ্রাহক অন্য গ্রাহকের বাংলা কিউআর স্ক্যান করে বা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপে ছবি আপলোড করে অর্থ স্থানান্তর করতে পারবেন। গ্রাহকের আস্থা বাড়াতে ব্যর্থ বাংলা কিউআর লেনদেনের অর্থ দ্রুততম সময়ে ফেরতের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর পৃথক গাইডলাইন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আরটিভি/এমএইচজে
৯০ দিনে বাংলা কিউআরে লেনদেন বেড়েছে সাড়ে ৩ গুণ
অক্টোবরে কোন জ্বালানি তেলের দাম কত টাকা হবে, সিদ্ধান্ত দিলো সরকার
এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ায় সরকার, যা পরের দিন ২১ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হয়।
অক্টোবরে কোন জ্বালানি তেলের দাম কত টাকা হবে, সিদ্ধান্ত দিলো সরকার
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক
জ্বালানির মূল্য ও পে-স্কেলের কারণে মূল্যস্ফীতিতে ঝুঁকি দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরকম বাস্তবতায় আপাতত নীতি সুদহার কমাবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নীতি সুদহার ৯ দশমিক ৫০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রেখে প্রথমবারের মতো ত্রৈমাসিক ভিত্তিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এ সময় অন্যান্য ডেপুটি গভর্নর, পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ডেপুটি গভর্নর বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মুদ্রানীতি কমিটির (এমপিসি) ১৪তম সভায় নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) হার ১১ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) হার ৭ দশমিক ৫০ শতাংশে বহাল রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সম্প্রতি মূল্যস্ফীতি কমলেও তা দীর্ঘমেয়াদে নিয়ন্ত্রণে আসার যথেষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা, দেশে জ্বালানির নিয়ন্ত্রিত মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী সমন্বয় এবং নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, এ অবস্থায় আগেভাগে মুদ্রানীতি শিথিল করা হলে মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা বেড়ে যেতে পারে। এতে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রবৃদ্ধিতে চাপ, শিল্প উৎপাদনেও সংকোচন দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এখনো চাপের মধ্যে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে মুদ্রানীতিতে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.১৪ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে। তবে একই অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ২.২ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। ওই সময়ে শিল্প উৎপাদন ০.২৮ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। পুনরুদ্ধারে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফেরাতে বিভিন্ন খাতে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকাসহ মোট ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ এবং কৃষি, ক্ষুদ্র, কুটির, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে পুনঃঅর্থায়ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, শুধু মুদ্রানীতির মাধ্যমে অর্থনীতির সরবরাহসংক্রান্ত বাধাগুলো দূর করা সম্ভব নয়। তাই বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়াতে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি কাঠামোগত সংস্কারও প্রয়োজন। বেসরকারি ঋণে প্রবৃদ্ধি মাত্র ৪.৭৫ শতাংশ মুদ্রানীতি শিথিল করার পর আর্থিক বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত ২ আগস্ট থেকে নীতি সুদহার ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট কমিয়ে ৯.৫০ শতাংশ কার্যকর করা হয়। এরপর আন্তঃব্যাংক সুদহার ও সরকারি সিকিউরিটিজের ইল্ড কমেছে। তবে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা ও ঋণ বিতরণ এখনো দুর্বল। ২০২৬ সালের আগস্টে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৪.৭৫ শতাংশ। বিনিয়োগে মন্থরতা, ঋণগ্রহীতাদের উচ্চ ঝুঁকি এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এর অন্যতম কারণ। এদিকে ২০২৬ সালের জুনে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের অনুপাত বেড়ে ৩২.৭৮ শতাংশে পৌঁছেছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যাংক পুনর্গঠন, সুশাসন নিশ্চিত করা, মূলধন পুনরুদ্ধার এবং ঋণ শৃঙ্খলা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রেমিট্যান্সে স্বস্তি, তবে লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের বৈদেশিক লেনদেন পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ওই অর্থবছরে ব্যালেন্স অব পেমেন্টসের উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৬.৬ বিলিয়ন ডলার। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। মূলত আর্থিক হিসাবের ঘাটতি এর জন্য দায়ী। এ সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈদেশিক খাতে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। পাশাপাশি বিনিময় হার মোটামুটি স্থিতিশীল থাকায় আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা মিলেছে। মূল্যস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধি নিয়ে বহুমুখী ঝুঁকি মুদ্রানীতিতে আগামী দিনের অর্থনীতির জন্য কয়েকটি প্রধান ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্ন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের উচ্চমূল্য, কঠোর বৈশ্বিক মুদ্রানীতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা। এ ছাড়া রাজস্ব খাতের চাপ, জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতাও অর্থনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি কমানোর প্রক্রিয়া ব্যাহত না করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করাই এখন মুদ্রানীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ জন্য বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আরটিভি/এসআর
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক
দুই মাসে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা
চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই-আগস্টে ব্যাংকগুলো থেকে ১৬ হাজার ৬০১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। গত অর্থবছরের একই সময়ে নিয়েছিল মাত্র ৩ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা।
দুই মাসে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা
দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই, মন্ত্রীকে নিশ্চিত করলেন অপারেটররা
এলপিজির পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও গ্রাহক পর্যায়ে যেন সরবরাহ ঘাটতি না হয় এবং অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ যেন মজুদ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করেন সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার বলেন জ্বালানিমন্ত্রী।
দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই, মন্ত্রীকে নিশ্চিত করলেন অপারেটররা
আরও পড়ুন
যবিপ্রবিতে সার্ভিস চার্জ ছাড়াই ডিজিটাল পেমেন্ট চালু
সাতক্ষীরায় পুকুরে ডুবে মামা-ভাগ্নের মৃত্যু
ইলেকট্রিক প্লাগের পিনে কাটা দাগ কেন থাকে, জানুন আসল কারণ
চার্জারের গায়ে V, A, W, Hz কোনটি কী বোঝায়?