ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ফাইভ জি অ্যাক্সন স্মার্টফোন উন্মোচনের ঘোষণা দিলো জেডটিই

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৩৭ পিএম
জেডটিই অ্যাক্সন ১০এস প্রো

সম্প্রতি নিজেদের নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন জেডটিই অ্যাক্সন ১০এস প্রো উন্মোচনের ঘোষণা দিলো মোবাইল ইন্টারনেটে টেলিযোগাযোগ, এন্টারপ্রাইজ ও কনজ্যুমার প্রযুক্তি সেবাদানে বৈশ্বিকভাবে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান জেডটিই করপোরেশন।

ফোনটি ফাইভ জি এসএ এবং এনএসএ উভয় মোডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ডিভাইসটি ২০২০ সালের প্রথম প্রান্তিকে বাণিজ্যিকভাবে চীনে উন্মুক্ত করা হবে।

মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ফোনটিতে থাকছে অ্যান্ড্রয়েড ১০, প্রসেসর হিসেবে রয়েছে নতুন ফ্ল্যাগশিপ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৬৫ ফাইভ জি মোবাইল প্ল্যাটফর্ম যা বিশ্বের অত্যাধুনিক ফাইভ জি মোবাইল প্ল্যাটফর্ম কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন এক্স৫৫ মডেম-আরএফ সিস্টেমের ফিচারযুক্ত।

জেডটিই অ্যাক্সন ১০এস প্রো’তে রয়েছে সর্বাধুনিক ওয়াই-ফাই ৬ প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারীদের ১.২ গিগাবাইট (ল্যাবরেটরি পরীক্ষার তথ্য অনুযায়ী) পর্যন্ত অবিশ্বাস্য গতি দিবে, নিশ্চিত করবে কম ল্যাটেন্সি। এমনকি যেখানে লিমিটেড নেটওয়ার্কে অনেকেই একসাথে ডিভাইস শেয়ার করেন এ পরিস্থিতিতেও অ্যাক্সন ১০এস প্রো দিবে অত্যাশ্চর্য গতি।

এছাড়াও, জেডটিই অ্যাকসন ১০এস প্রো একাধিক নেটওয়ার্কে যুক্ত করা যাবে। যেমন ব্যবহারকারী নেটওয়ার্কের স্থিতাবস্থা ও দ্রুতগতির জন্য ফোনটিকে একইসাথে ২.৪ গিগাহার্টজ এবং ৫ গিগাহার্টজ দু’টি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে পারবেন।

লিঙ্ক-বুস্টার নেটওয়ার্ক এনহান্সমেন্ট সল্যুশনের কারণে জেডটিই অ্যাক্সন ১০এস প্রো ওয়াই-ফাই সিগন্যাল থেকে এলটিই কিংবা ফাইভ জি নেটওয়ার্কে সহজেই সুইচ করা যাবে। সিগন্যালের জটিলতর অবস্থায় সেলফ ডেভলপড হাই-স্পিড অ্যালগরিদম ও স্মার্ট পারসেপশনের মাধ্যমে ইন্টেলিকজেন্ট রেসপন্স প্রদান করে। নেটওয়ার্ক ব্যবহারযোগ্য কী না ডিভাইসটি তা নিরীক্ষা করে উন্নত ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা ও কম ল্যাটেন্সির জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে এলটিই বা ফাইভ জি ডাটা কানেকশনে স্থানান্তরিত করবে।

সর্বশেষ স্ন্যাপড্রাগন ৮৬৫ মোবাইল প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি স্মার্টফোনটিতে সর্বশেষতম এলপিডিডিআর ৫ র‌্যাম মেমোরি এবং ইউএফএস ৩.০ রম স্টোরেজও রয়েছে যা উচ্চতর অপারেটিং দক্ষতা এবং দ্রুত পড়ার / লেখার গতি সরবরাহ করে।

অত্যাধুনিক স্ন্যাপড্রাগন ৮৬৫ মোবাইল প্ল্যাটফর্ম ছাড়াও, স্মার্টফোনটিতে থাকছে অত্যাধুনিক এলপিডিডিআর৫ র‌্যাম মেমোরি ও ইউএফএস৩.০ রম স্টোরেজ যা কোনো কিছু পড়া বা লেখার ক্ষেত্রে নিশ্চিত করবে দ্রুতগতি।

এ নিয়ে জেডটিই করপোরেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জেডটিই’র মোবাইল ডিভাইস ডিভিশনের প্রেসিডেন্টে শু ফেং বলেন, ‘ব্যবহারকারীরা যেনো ফাইভ জি’র উন্নত অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে এ জন্য বিশ্বজুড়েই ফাইভ জি ডিভাইসের প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে জেডটিই। ফাইভ জি অ্যাপ্লিকেশন ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আমরা নানা ধরনের ফাইভ জি টার্মিলান ডিভাইস নিয়ে আসবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০২০ সালে জেডটিই ১৫টির বেশি ফাইভ জি টার্মিনাল নিয়ে আসবে। যার মধ্যে ১০টির কাছাকাছি হবে ফাইভ জি স্মার্টফোন। জেডটিই অ্যাক্সন ১০এস প্রো ছাড়াও, পরবর্তী প্রজন্মের ফাইভ জি স্মার্টফোনের ঘোষণা দিবে জেডটিই। আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকেই উন্মোচন হবে এ ফোনের। সাশ্রয়ী এ ফোনের দাম হবে তিন হাজার আরএমবি (চীনের মুদ্রা) এর চেয়ে কম।’

এছাড়াও, জেডটিই অ্যাক্সন ১০এস প্রো’তে রয়েছে নতুন প্রজন্মের ফুল-সিন সিস্টেম অপটিমাইজেশন ইঞ্জিন জেড-বুস্টার ২.০, গেমিং ও মাল্টি টাস্কের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর উন্নত অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে যা এআই অ্যালগরিদমের উপর ভিত্তি করে সিস্টেম রিসোর্স অ্যালোকেট করে। জেড-বুস্টার ২.০ অ্যাপ্লিকেশন-বুস্টার, সিস্টেম-বুস্টার এবং লিংক-বুস্টার সহ তিনটি কার্যকরী মডিউলগুলির সমন্বয়ে গঠিত।

এখন পর্যন্ত, জেডটিই ইউরোপ, এশিয়া প্যাসিফিক, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার (এমইএ) এর মতো বড় বাজারগুলোতে ৩৫টি বাণিজ্যিক ফাইভ জি চুক্তি করেছে। জেডটিই তার বার্ষিক আয়ের ১০ শতাংশ গবেষণা এবং উন্নয়নে ব্যবহারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক মান-নির্ধারণকারী সংস্থাগুলিতে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করে আসছে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্যস্ততার সাথে ভারসাম্য থাকুক ব্যক্তিগত জীবনে
ডিম আগে না মুরগি আগে। এই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলে নি। তবে দুটোই যে গুরুত্বপূর্ণ, তাতে কোন সন্দেহ নেই। ঠিক তেমনি মানুষের জীবনেও কর্মজীবন আগে না ব্যক্তিগত জীবন আগে এ নিয়ে রয়েছে সংশয় । আবার অনেকেই সারাজীবন কেবল চিন্তাই করেন, কীভাবে তিনি ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স করে জীবনটাকে উপভোগ করবেন। যখন কাজে ব্যস্ত হয়ে যান তখন নিজেকে আর সময় দেয়া হয় না, আবার সময় অপচয় করার মতো সময়ও কিন্তু কম নেই। এই ভাবে চলছে মানুষের জীবন। কিন্তু জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যস্ততার সাথে ব্যক্তিগত জীবনের মাঝে ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্সটা রক্ষা করা খুবই জরুরি। ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স রক্ষা করার অর্থ হচ্ছে সারাদিনের কতটুকু সময় কাজ, আর কতটুকু ব্যক্তিগত জীবনে ব্যয় করা উচিত তার একটি হিসাব। একজন ব্যক্তি যাতে নিজেকে যথেষ্ট সময় দিতে পারে আবার ঠিক তার পাশাপাশি কর্মজীবনও যেন তাৎপর্যপূর্ণ হয়। এই পুরো সময় জুড়ে হীনমন্যতা, চাপ ও প্রতিকূল পরিবেশকে মোকাবিলা করে এগিয়ে যাওয়ার নামই হচ্ছে ভারসাম্য। কিন্তু বাস্তবে কতজন মানুষ প্রতিকূল পরিস্থিতি এবং নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করে এই ভারসাম্য টিকিয়ে রাখতে পারে। নিজের উপর অবিচল বিশ্বাস নিয়ে সামনের দিকে পথ চলতে পারলেই সফলতার দেখা পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে সাফল্য ধরে রেখে সুন্দর একটি জীবনযাপন করা সম্ভব হয়। প্রযুক্তির সাথে সাথে অর্থনৈতিক ভাবে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সবার দৃষ্টি এখন উন্নয়নের দিকে। তবে এই উন্নয়নের পেছনে যারা কাজ করছে তাদের মানসিক উন্নয়নের দিকে নজর নেই খুব একটা। যার ফলে তারা অনেক সময় হয়ে পড়ছে হতাশাগ্রস্ত। গুটিয়ে নিচ্ছে তার জীবনটাকে। একা হয়ে পড়ছে প্রতিটি ক্ষেত্রে। প্রতিযোগিতার এই যুগে নিজেকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে দায়িত্বের চেয়ে বেশি কাজ করতে হয়। যার ফলে প্রতিটি ক্ষেত্রে ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়ে উঠে না। দায়িত্বের চেয়ে অতিরিক্ত পরিশ্রম, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা এবং একটি কাজের নেতিবাচক পরিবেশ কর্মচারীদের পূর্ণাঙ্গ শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। ভারসাম্যহীনতার ফলে ব্যক্তিগত এবং সামাজিক প্রভাবগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো যেমন, মানসিক চাপ এবং মানসিক চাপজনিত অসুস্থতার হার বৃদ্ধি, পারিবারিক কলহের উচ্চ হার, সহিংসতা, বিবাহবিচ্ছেদ, সহিংসতার ক্রমবর্ধমান হার ইত্যাদি। যা অনেক সময় একজন কর্মীকে অবসাদগ্রস্তও করে। অন্যদিকে, কর্মীদের ভারসাম্য বজায় এবং জীবনের দায়বদ্ধতা অব্যাহত রাখার ফলে কাজে অনুপস্থিতি, টার্নওভারের উচ্চ হার, উৎপাদনশীলতা হ্রাস, কাজের ক্ষেত্রে সন্তুষ্টি হ্রাস পাচ্ছে। এজন্য শুধুমাত্র নিজেকে নিয়ে কিংবা কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লে ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স তৈরির ক্ষেত্রে বড় ধরনের বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে। ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স রক্ষার সমাধান হিসেবে অনেকেই কাজ থেকে ফিরে এসে, কাজের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রাখেন। এই চিন্তা করে যে, এখন আমি শুধু নিজেকেই সময় দেব। কিন্তু কিছু দায়িত্ব থাকে যেগুলোর ব্যাপারে সবসময় সজাগ ও সম্পৃক্ত থাকতে হয়। তাই সবচেয়ে ভালো উপায় হতে পারে, যদি কাজ এবং ব্যক্তিগত জীবনের ব্যাপারগুলো একীভূত করে নেয়া যায়। সুখীভাবে বেঁচে থাকতে হলে জীবনে ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স ধরে রাখতে হবে। কাজকে ব্যক্তিগত জীবন থেকে আলাদা করে কখনোই সুখী হওয়া যায় না। সেজন্য জনসাধারণের মধ্যে ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্সের ধারণাকে উৎসাহিত ও উন্নীত করার জন্য বাংলাদেশের একমাত্র ব্যালেন্সড ড্রিংকিং ওয়াটার ব্র্যান্ড স্পা একটি গল্প প্রতিযোগিতা শুরু করেছে। প্রতিযোগীদের গল্পগুলো তাদের ফেসবুক একাউন্ট থেকে পোস্ট করতে হবে অথবা গল্প লিখে ইমেইলও করতে পারবে  [email protected] এই ঠিকানায়। গল্পটি ফেইসবুক এ পোস্ট করার সময়  #Spa এবং #BalancedLife এই দুইটি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে হবে। প্রতিযোগীর ফেইসবুক পোস্ট টি PUBLIC করতে হবে এবং SPA ফেইসবুক পেজ কে ট্যাগ করতে হবে। গল্প পাঠানোর শেষ তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত। সংগৃহীত গল্পগুলো থেকে সেরা ১৫ জনকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করা হবে। বিজয়ীরা পুরস্কার হিসাবে পাবে মীরসরাই এর মহামায়া লেক থেকে ঘুরে আসার সুযোগ। এছাড়াও ভ্রমণ কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে খৈয়াছড়া ঝর্ণা যাওয়া, মহামায়া হ্রদে কায়াকিং, ক্যাম্প ফায়ার, তাঁবুতে রাত্রিযাপন, মজার গেমসসহ নানান কার্যক্রম। এসজে
ব্যস্ততার সাথে ভারসাম্য থাকুক ব্যক্তিগত জীবনে
‘এটিডি এক্সেলেন্স ইন প্র্যাকটিস অ্যাওয়ার্ড’ জিতলো জেডটিই
‘লার্নিং অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট : ইমপ্রুভিং দ্য এফিশিয়েন্সি অব নলেজ অপারেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ইন ক্যাপাবিলিটি সেন্টার’ প্রকল্পের কারণে অ্যাসোসিয়েশন ফর ট্যালেন্ট ডেভলপমেন্টের (এটিডি) ‘২০১৯ এটিডি এক্সেলেন্স ইন প্র্যাকটিস (ইআইপি)’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে মোবাইল ইন্টারনেটে টেলিযোগাযোগ, এন্টারপ্রাইজ ও কনজ্যুমার টেকনোলজি সেবাদানে বৈশ্বিকভাবে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান জেডটিই করপোরেশন। পণ্য উৎপাদনের প্রাথমিক পর্যায়ের শুরু থেকে বিপণনের প্রথম ধাপ পর্যন্ত পণ্য সংক্রান্ত জ্ঞানের পরিসীমা ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেতে থাকে এবং বিপণনের কর্মীদের পণ্য বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান ও ধারণা থাকে না। এ সমস্যা সমাধানে গত দু’ বছর ধরে এ প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করে আসছিলো জেডটিই। সমন্বিত ও উদ্ভাবনী জ্ঞান রূপান্তর ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও কার্যক্রমগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এ মেকানিজমের মধ্যে রয়েছে প্রয়োজন, বাস্তবায়ন, পর্যালোচনা ও সম্পূর্ণ উপযোগিতা। এন্ড-টু-এন্ড অপটিমাইজেশন ও জ্ঞান রূপান্তর ব্যবস্থার উন্নয়নে, কর্মীর জ্ঞানের দক্ষতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে এ মেকানিজমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে পেশাগত জ্ঞান বিষয়ক প্রশিক্ষণের সাথে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়। দীর্ঘদিন ধরেই লার্নিং অর্গানাইজেশন গড়ে তোলার ব্যাপারে জেডটিই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিষ্ঠানটি এর ট্যালেন্ট ডেভলপমেন্ট কৌশলের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনায় ও কর্মী প্রবৃদ্ধিতে অনুশীলনমুখী, টপ-ডাউন (ঊর্ধ্বতন থেকে অধস্তন) কর্মী দক্ষতা বিকাশ ব্যবস্থা তৈরি করেছে। সেসব প্রতিষ্ঠান ও অনুশীলনকেই ইআইপি অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয় যাদের প্রতিষ্ঠানগত লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট ফলাফল রয়েছে, নির্দিষ্ট প্রয়োজন পূরণ হয়েছে, যার ডিজাইন ভ্যালু রয়েছে এবং পারফরমেন্সের উন্নয়নের অন্যান্য উদ্যোগ ও সূচকের সাথে যা সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশ্বজুড়ে যারা কর্মীদের জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়নে যুক্ত তাদের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করে ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ ট্যালেন্ট অ্যাসোসেয়েশন এটিডি। ১শ’ ২০টি দেশে এটিডির ৩৫ হাজারের বেশি সদস্য রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণা, বই, ওয়েবকাস্ট, নানা আয়োজন ও শিক্ষামূলক কর্মসূচির বিভিন্ন কন্টেন্ট প্রদানের মাধ্যমে এটিডি ট্যালেন্ট ডেভলপমেন্ট পেশাদারদের সহায়তা করে আসছে। এ নিয়ে জেডটিই করপোরেশন বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা, পাং ওয়ই বলেন, সম্মানজনক এ অ্যাওয়ার্ড পেয়ে আমরা গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করছি। আমাদের কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে আসছি। এ অ্যাওয়ার্ড আমাদের ধারাবাহিকভাবে এ কাজ চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করবে। গ্রাহক, ক্যারিয়ার, প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি খাতের গ্রাহকদের জন্য অত্যাধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, মোবাইল ডিভাইস এবং এন্টারপ্রাইজ টেকনোলজি সল্যুশনে কাজ করে জেডটিই। টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত একীভূত করণে নিজেদের ব্যবসায়িক কৌশলের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি এর গ্রাহকদের এন্ড-টু-এন্ড উদ্ভাবনী সেবাদানে উৎকর্ষ অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। হংকং এবং শেনঝেন (এইচ শেয়ার স্টক কোড: ০৭৬৩.এইচকে/ শেয়ার স্টক কোড: ০০০০৬৩.এসজেড) স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভু জডটিই ১৬০ টিরও বেশি দেশে পণ্য বিক্রয়সহ নানা সেবাদান করে। এখন পর্যন্ত, জেডটিই ইউরোপ, এশিয়া প্যাসিফিক ও এমইএ’র (মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকা) মতো শীর্ষস্থানীয় ফাইভজি বাজারে ২৫টি বাণিজ্যিক ফাইভজি চুক্তি সম্পাদন করেছে। গবেষণা ও উন্নয়নে জেডটিই তার বার্ষিক আয়ের ১০ শতাংশ ব্যয়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণকারী সংস্থাগুলিতে প্রতিষ্ঠানটি নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে। এসজে
‘এটিডি এক্সেলেন্স ইন প্র্যাকটিস অ্যাওয়ার্ড’ জিতলো জেডটিই
রিহ্যাব মেলা : ওয়ালটন এলিভেটর বুকিং দিলেই থাইল্যান্ডের এয়ার টিকিট
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চলছে রিহ্যাব (রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) উইন্টার মেলা-২০১৯। ২৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই মেলা চলবে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। চলমান এই মেলায় মাল্টিন্যাশনাল ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন তাদের তৈরি এলিভেটর (লিফট) বুকিং-এ দিচ্ছে বিশেষ সুবিধা। মেলায় রিহ্যাব সদস্য বা যে কোনো ক্রেতা ওয়ালটন লিফট বুকিং দিলেই পাচ্ছেন ক্যাশ ডিসকাউন্ট এবং থাইল্যান্ড যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। ওয়ালটনের ডেপুটি ডিরেক্টর আব্দুল কাদির জানান, মেলায় ১৭৬ ও ১৭৮ নম্বর স্টলে প্রদর্শিত হচ্ছে ওয়ালটন পণ্য। যেখানে ওয়ালটনের তৈরি এলিভেটর বা লিফট এবং সুইচ, সকেট, সার্কিট ব্রেকার, এলইডি লাইট ও বিভিন্ন ধরনের ফ্যানসহ অন্যান্য পণ্য রয়েছে।  উল্লেখ্য, ইউরোপীয় প্রযুক্তিতে বাংলাদেশেই লিফট তৈরি করছে ওয়ালটন। এর ডিজাইন, উৎপাদন এবং স্থাপনে দক্ষ প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। ওয়ালটন কারখানা এবং করপোরেট অফিসসহ সব ধরনের স্থাপনায় ব্যবহৃত হচ্ছে নিজেদের তৈরি লিফট। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাণিজ্যিকভাবে এলিভেটর বিক্রি করছে ওয়ালটন।  ওয়ালটন ইলেকট্রিক অ্যাপ্লায়েন্স এর ব্র্যান্ড ম্যানেজার জাকিবুর রহমান সেজান জানান, দেশের বাজারে ওয়ালটন ইলেকট্রিক ফ্যানের আশাতীত বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছর সারা দেশে ৬ লাখেরও বেশি ফ্যান বিক্রি হয়েছে। ফ্যানের পাশাপাশি সুইচ, সকেট, সার্কিট ব্রেকার, এলইডি লাইট ইত্যাদি পণ্যগুলো দেশেই ওয়ালটনের নিজস্ব ফ্যাক্টরিতে তৈরি হচ্ছে। একমাত্র ওয়ালটন সিলিং ফ্যানেই সেফটি ওয়ার এর পাশাপাশি ১০ বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি সুবিধা রয়েছে।  ওয়ালটনের এলিভেটর ও কন্সট্রাকশন ম্যাটারিয়াল বিভাগের কর্মকর্তা জেনান-উল-ইসলাম বলেন, ওয়ালটন লিফট বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি শুরুর পর থেকেই ক্রেতাদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছেন তারা। ওয়ালটন এলিভেটর কেনায় রয়েছে পাঁচ বছর পর্যন্ত বিশেষ কিস্তি সুবিধা। এলিভেটরের এই সুবিধা রিহ্যাব মেলার পাশাপাশি থাকবে আগামি বাণিজ্য মেলাতেও। তিনি জানান, একমাত্র ওয়ালটনই ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী বাংলাদেশে এলিভেটর তৈরি করছে। লিফটের মূল্য রাখা হচ্ছে ক্রেতাদের হাতের নাগালে। বাজারে রয়েছে ওয়ালটনের দুই ধরণের এলিভেটর। প্যাসেঞ্জার লিফট ও কার্গো এলিভেটর। প্যাসেঞ্জার এলিভেটরে ৩০০ কেজি থেকে শুরু করে ৩ হাজার কেজি পর্যন্ত ধারণক্ষমতা রয়েছে। এসব এলিভেটরে ৪ থেকে ৪০ জন প্যাসেঞ্জার একই সময় বহন করার সক্ষমতা রয়েছে। অন্যদিকে কার্গো এলিভেটরে ধারণক্ষমতা ৮০০ কেজি থেকে ৪ হাজার ৫০০ কেজি পর্যন্ত। সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবায় ওয়ালটনের রয়েছে নিজস্ব সার্ভিস টিম ও ডেডিকেটেড কাস্টমার কেয়ার নম্বর (১৬২৬৭, ০১৬৮৬৬৯০১৩৭ ও ০১৬৮৬৬৯৪৩১২)। রয়েছে ফ্রি ইন্সটলেশন সুবিধা। এলিভেটর কেনার এক বছরের মধ্যে কোনো যন্ত্রাংশে সমস্যা হলে ঠিক করে দেয়া হচ্ছে সম্পূর্ণ ফ্রিতে। এ ছাড়াও আছে এক বছরের ফ্রি মেইনটেনেন্স সুবিধা। এলিভেটরের যে কোনো সমস্যায় তাৎক্ষণিকভাবে সার্ভিস টিম পৌঁছে যায় গ্রাহকের কাছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি। এসজে
রিহ্যাব মেলা : ওয়ালটন এলিভেটর বুকিং দিলেই থাইল্যান্ডের এয়ার টিকিট
কেএসআরএম’র অ্যাওয়ার্ডস ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস প্রদর্শনী
ভবিষ্যৎ স্থপতিদের উৎসাহ দিতে ‘কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ডস ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সেরা গবেষণাপত্রের প্রকল্প প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ স্থপতি ইন্সটিটিউটে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সাবেক সভাপতি স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ও কেএসআরএমের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সারওয়ার জাহান। সারওয়ার জাহান বলেন, নবীন স্থপতিদের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে কেএসআরএম গর্বিত। আইএবির আন্তরিক সহযোগিতা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আমাদের চেষ্টা থাকবে ভবিষ্যতেও যেন পাশে থাকতে পারি। স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, আমাদের উদ্যোগে কেএসআরএমকে পাশে পেয়ে আনন্দিত। আশা করছি কেএসআরএম ভবিষ্যতেও আমাদের পাশে থাকবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএমের উপদেষ্টা (বিক্রয় ও বিপণন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.)  শহিদুর রহমান, বিক্রয় ও গবেষণা বিভাগের প্রধান কর্নেল (অব.) আশফাকুল ইসলাম, আইএবির সহ সভাপতি (জাতীয় বিষয়াদি) স্থপতি মামনুন মুরশেদ চৌধুরী, কেএসআরএমের গণমাধ্যম উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম, আইএবির সম্পাদক (শিক্ষা) স্থপতি এম আরেফিন ইব্রাহিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক স্থপতি শেখ ইতমাম সৌদ, কেএসআরএমের ব্র্যান্ড বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক এহসান রহমান, সিনিয়র কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান, সাদ হোসেন প্রমুখ। আইএবি সেন্টারে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। জুরি বোর্ডের নির্বাচিত তিনটি সেরা প্রজেক্ট চূড়ান্ত করে আগামী ৮ জানুয়ারি একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। সেরা তিন বিজয়ের মধ্যে প্রথম বিজয়ী পাবেন এক লাখ টাকার চেক ও সম্মাননা ক্রেস্ট, দ্বিতীয় বিজয়ী ৭৫ হাজার টাকার চেক ও সম্মাননা ক্রেস্ট এবং তৃতীয় বিজয়ী পাবেন ৫০ হাজার টাকার চেক ও সম্মাননা ক্রেস্ট। প্রজেক্ট নির্বাচনে জুরি বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্থপতি মোস্তফা আমিন, স্থপতি ফুয়াদ এইচ মল্লিক, স্থপতি সাইফ উল হক, স্থপতি মোহাম্মদ আলী নকী ও স্থপতি ফরিদা নিলুফার প্রমুখ। পি
কেএসআরএম’র অ্যাওয়ার্ডস ফর ফিউচার আর্কিটেক্টস প্রদর্শনী
শেখ কবির হোসেন ন্যাশনাল টি কোম্পানির চেয়ারম্যান পুনরায় নির্বাচিত
শেখ কবির হোসেন সর্বসম্মতিক্রমে ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন।  কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ৬১৭তম সভায় উপস্থিত সকল পরিচালকরা সর্বসম্মতিক্রমে শেখ কবির হোসেনকে পরবর্তী মেয়াদের জন্য কোম্পানির চেয়ারম্যান হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত করেন।   শেখ কবির হোসেন বর্তমানে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।  তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সদস্য এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মেম্বার অব গভর্নরস।  দেশের বীমা শিল্পের উন্নয়নে তিনি সর্বদাই নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। এছাড়াও শেখ কবির হোসেন লায়ন্স ক্লাবের সঙ্গে জড়িত। তিনি লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের সাবেক আন্তর্জাতিক পরিচালক হিসাবে দেশে-বিদেশে লায়ন আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।  তিনি একাধিক স্কুল-কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও শুভাকাঙ্ক্ষী। তিনি আগারগাঁয়ে অবস্থিত লায়ন চক্ষু হাসপাতালেরও অন্যতম পৃষ্ঠপোষক।  এছাড়াও দেশের একমাত্র ইসলামী চক্ষু হাসপাতালের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসাবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।  তিনি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সিডিবিএল ও ফারইষ্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারসিটির ট্রাষ্ট্রি বোর্ডেরও তিনি চেয়ারম্যান। এসজে
শেখ কবির হোসেন ন্যাশনাল টি কোম্পানির চেয়ারম্যান পুনরায় নির্বাচিত