ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

জরুরি প্রয়োজনে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ই-ঋণ দেবে সরকার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৮ পিএম
ছবি সংগৃহীত

সাময়িক জরুরি খরচ মেটাতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সুদের পরিবর্তে ফি-ভিত্তিক এই ঋণ-সুবিধার মাধ্যমে গ্রাহক বিভিন্ন অপরিহার্য সেবার বিল ও ফি পরিশোধ করতে পারবেন। ঋণের সীমা ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং তিন স্তরে মেয়াদ নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গত ৬ সেপ্টেম্বর সব তফসিলি ব্যাংককে এ সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ই-পেমেন্ট ক্রেডিটের আওতায় ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত ফি, টোল ও টিকিট, করসহ সরকারি ফি, আমানতের কিস্তি এবং বিমা প্রিমিয়াম পরিশোধ করা যাবে। তবে ঋণের অর্থ নগদে তোলা, গ্রাহকের ওয়ালেটে জমা কিংবা কোনো ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা যাবে না।

ঋণের পরিমাণভেদে ৭, ১৫ অথবা ৩০ দিন মেয়াদের সর্বোচ্চ ফি বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ৭, ১৫ ও ৩০ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ফি ৩ টাকা থেকে ২০ টাকা টাকা। ১ হাজার ১ টাকা থেকে তিন হাজার টাকা ঋণে ১০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, তিন হাজার ১ টাকা থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত ২০ টাকা থেকে ৯০ টাকা নির্ধারণ হয়েছে।

একইভাবে ৭ হাজার ১ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ফি সর্বোচ্চ ৩৫, ৭০ ও ১৩০ টাকায় বেধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারকারীরা মূলত এই সুবিধা পাবেন।

নির্দেশনায় বলা হয়, ঋণ বিতরণের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মূল অর্থ ও ফি পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের আগেই পরিশোধ করলে অতিরিক্ত কোনো সুদ, প্রি-পেমেন্ট বা আর্লি সেটেলমেন্ট ফি নেওয়া যাবে না। তবে নির্ধারিত সময়ে পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত দিনের জন্য সীমিত হারে জরিমানা বা ফি নেওয়া যাবে। কারা এর সুযোগ পাবেন বা সবাই পাবেন কি না, তা নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সাময়িক নগদ সংকটে থাকা গ্রাহকের জরুরি বিল ও ফি সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করা, নগদ টাকার নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়ানো।

তবে এই পদ্ধতি বাণিজ্যিকভাবে চালুর আগে প্রতিটি ব্যাংককে ন্যূনতম ছয় মাস পাইলটিং করতে হবে। পাইলটিংয়ের ফলাফল মূল্যায়নের পর পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে চালু করা যাবে।

সিটি ব্যাংক পিএলসির ডিএমডি অরুপ হায়দার বলেন, সাময়িকভাবে এটি ছোট পদক্ষেপ মনে হলেও জরুরি প্রয়োজনে স্বল্পমেয়াদি অর্থের জোগান হবে; যা দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি দেবে গ্রাহককে। পাশাপাশি স্বল্প সময়ের ঋণ ক্যাশলেস লেনদেনে সাধারণ মানুষকে আরও উৎসাহী করবে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, যাদের গ্রাহক ডেটাবেজ আছে বা কোনো কোলাবেরশন আছে এমএমএফএস প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তারা দ্রুত ডিজিটাল ঋণটি চালু করতে পারবে। আমরা গ্রাহকের লেনদেন ডেটা বিশ্লেষণ করে একটা ট্র্যাক রেকর্ড তৈরি করব। সেটা সম্ভব, তারপরই ঋণ বিতরণ করা যাবে। গ্রাহক চাইলে এটা জনপ্রিয় হবে। আলটিমেটলি আমাদের ডিজিটালি যেতে হবে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশনায় বলেছে, এ সুবিধার পুরো প্রক্রিয়া এন্ড-টু-এন্ড ডিজিটাল হতে হবে। গ্রাহকের ওয়েট সিগনেচারের পরিবর্তে ডিজিটাল সম্মতি নেওয়া, নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে অনবোর্ডিং এবং ওটিপি দুই স্তরের বা মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগ বাড়াতে চায় জাপান
সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় জাপান সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এই কথা জানান দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের সভাপতি তারো আসো।
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগ বাড়াতে চায় জাপান
৬০ হাজার কোটি টাকায় হচ্ছে কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ
ঢাকা-কুমিল্লার মধ্যে রেল যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত করতে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ নির্মাণ হচ্ছে।
৬০ হাজার কোটি টাকায় হচ্ছে কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ
চার জেলায় ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প, সমৃদ্ধ হবে জেলেদের জীবিকা
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চার জেলার ২৯টি বাঁওড়ের মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে ৪৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। পাঁচ বছর মেয়াদি ‘নির্বাচিত বাঁওড় এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাঁওড় খনন, মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, পোনা উৎপাদন অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের পরিকল্পনা রয়েছে।  যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন অন্তত ১০ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যশোরের জেলা প্রশাসক ওই অঞ্চলের বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেন। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ডিসেম্বরে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব, মৎস্য বিভাগের প্রতিনিধি ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন এবং প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তৎকালীন সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিষয়টি অনুমোদন পায়। পরবর্তীতে প্রকল্পের জনবলকাঠামো অনুমোদনের জন্য অর্থ বিভাগে প্রস্তাব পাঠানো হয়। বর্তমান সরকারের সময়ে জনবলকাঠামো অনুমোদিত হওয়ার পর প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটির ব্যয় ও কার্যক্রম মূল্যায়নের অপেক্ষায় রয়েছে। জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া বাঁওড়ের নির্বাচিত অংশ খনন করে গভীরতা ও পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ খাতে ১১ কোটি ২১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমেও মাছের বসবাস ও বেড়ে ওঠার উপযোগী পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে ২৯টি বাঁওড়ে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠায় ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যমান ৩৫টি পোনা উৎপাদন পুকুর সংস্কারে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, খামার যান্ত্রিকীকরণে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং পানি সরবরাহের জন্য ছয়টি গভীর নলকূপ স্থাপনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। বাঁওড় ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ, পোনা সরবরাহ ও সম্প্রসারণ সেবার অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে জরাজীর্ণ ছয়টি বাঁওড় ব্যবস্থাপকের অফিস ভবন পুনর্নির্মাণে ৭ কোটি ৩১ লাখ ৮ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ বছরে ২৯০টি বিল নার্সারি স্থাপনে ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং রুইজাতীয় ও দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণে পৃথকভাবে ৭ কোটি ৬১ লাখ ৯৩ হাজার টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে। বিল নার্সারির মাধ্যমে পোনা লালন-পালন ও উৎপাদন কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি নির্ধারিত জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পের সরঞ্জাম খাতে আট লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এ খাতে চারটি ডেস্কটপ কম্পিউটারের পাশাপাশি দুটি ল্যাপটপ, চারটি প্রিন্টার ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পে জলাশয় খনন, অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, পোনা উৎপাদন, পানি সরবরাহ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু মাছের উৎপাদন বাড়ানো নয়, বরং বাঁওড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সম্পৃক্ত করে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য। অভয়াশ্রমের নির্ধারিত এলাকায় মাছ আহরণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে, যাতে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়। বর্ষায় মাছ আশপাশের নদী ও বিলে ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকেও জেলেরা মাছ আহরণ করতে পারবেন। বর্তমানে প্রকল্পটি মূল্যায়নাধীন রয়েছে। প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. খালেদ কনক জানান, এটি একটি সমাজভিত্তিক মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প। দীর্ঘদিন ধরে বাঁওড়ের জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের প্রকল্পের অভাব ছিল। প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো প্রকৃত মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদ করা। নব্বইয়ের দশকে গঠিত মৎস্যজীবী সমিতিগুলোর সদস্য তালিকা দীর্ঘদিন ধরে হালনাগাদ হয়নি। এর মাধ্যমে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অন্তর্ভূক্তি, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সুফল সুষমভাবে বণ্টনের সুযোগ তৈরি হবে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাঁওড়ের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় জেলেদের দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা ও আয় বৃদ্ধির পথ সুগম হবে। আরটিভি/টিআর
চার জেলায় ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প, সমৃদ্ধ হবে জেলেদের জীবিকা
যশোরে বিএনপি কার্যালয়ে বসল সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে
প্রথমবারের মতো দেশে কোনো রাজনীতিক দলের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ চালু হলো। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে যশোর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে দুই কিলোওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সিস্টেমের উদ্বোধন করা হয়।
যশোরে বিএনপি কার্যালয়ে বসল সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে
চট্টগ্রাম বন্দরে ১০০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ে বিশাল উদ্যোগ
৮ দশমিক ৪২ মেগাওয়াট (পিক) উৎপাদন ক্ষমতার রুফটপ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হচ্ছে বন্দরের বিভিন্ন ভবন ও শেডে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ২০ বছর সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে চট্টগ্রাম বন্দরে।
চট্টগ্রাম বন্দরে ১০০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ে বিশাল উদ্যোগ
আরও পড়ুন
দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার
এই মুহূর্তে ব্যাংকিং লেনদেনে কোনো ঝুঁকি নেই: বাংলাদেশ ব্যাংক
সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকি কাটিয়ে সচল বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
সাইবার হামলার শঙ্কায় এখনও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট