ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

সিগারেটের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০০ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশে নিম্নস্তরের বা কম দামি প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

তবে প্রজ্ঞাপনে অন্যান্য স্তরের মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে যার মধ্যে মধ্যম স্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেট ৯২ টাকা, উচ্চ স্তর ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তর ২১০ টাকা ও তদূর্ধ্ব বহাল থাকছে। সম্প্রতি নিম্ন স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়।

বাজেটে নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকা প্যাকেটের দাম ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়।

তবে নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এই স্তরে আরও ৩ টাকা বেড়ে ন্যূনতম দাম দাঁড়াল ৬৫ টাকা। এ ছাড়া বাজেটের মধ্যম স্তরের ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতি-উচ্চ বা প্রিমিয়াম স্তরের ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে চীনের বিনিয়োগের আগ্রহ 
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশে আধুনিক নৌযান নির্মাণ ও মেরিটাইম খাতের উন্নয়ন নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। 
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে চীনের বিনিয়োগের আগ্রহ 
শিল্পাঞ্চল ও আবাসিকে গ্যাস সরবরাহে আরও উন্নতি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আশ্বাসের পর দেশের অধিকাংশ শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। একইসঙ্গে বাসাবাড়িতে রান্নার গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।
শিল্পাঞ্চল ও আবাসিকে গ্যাস সরবরাহে আরও উন্নতি
আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি গত আগস্টে একক মাস হিসেবে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই মাসের তুলনায় আগস্টে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।  চলতি অর্থবছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। গত অর্থবছরের একই মাসে এর পরিমাণ ছিল ৬৫০ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার। আর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে দেশটিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে মোট ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির মাসিক গড় দাঁড়িয়েছে ৮০৬ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মোট রপ্তানিকে ১২ মাসের সমান গড় হিসেবে ধরলে মাসিক গড় ছিল ৬৪৫ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, চলতি অর্থবছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানির মাসিক গড় গত অর্থবছরের গড়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়েছে। তবে চলতি অর্থবছরের এই বাড়তি গতি মূলত আগস্টের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির কারণে। ওই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় একক রপ্তানি বাজার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৯ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ০৯ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে তৈরি পোশাক থেকেই এসেছে ৭ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, পোশাকের বাইরে অন্যান্য পণ্য থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি রয়েছে। পোশাকের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, প্লাস্টিক ও মেলামাইন পণ্য, টেক্সটাইল ও সুতা, ওষুধ, হালকা প্রকৌশল পণ্য, জুতা ও অন্যান্য শিল্পপণ্য। এসব পণ্যের পাশাপাশি তৈরি পোশাকের উচ্চমূল্যের ও বৈচিত্র্যময় পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোরও সুযোগ রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, হালকা প্রকৌশল এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি শুধু তৈরি পোশাক নির্ভর না রেখে অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। রপ্তানিকারকরাও আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন। তাঁদের মতে, সামনের মাসগুলোতে বাজারটিতে বাংলাদেশি পোশাকের অর্ডার বাড়তে পারে। দেশের পোশাক শিল্পের অন্যতম বড় উদ্যোক্তা ও বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক বাসসকে বলেন, শীতকালীন পোশাকের অর্ডারের কার্যাদেশ দেওয়ার শেষ সময় হওয়ায় গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক নানা সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের একটি অন্তর্নিহিত সক্ষমতা রয়েছে। এ কারণে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। আগের কয়েক মাসের তুলনায় আগামী মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে তারা ভালো অর্ডার পাচ্ছেন উল্লেখ করে ফজলুল হক বলেন, পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো সম্ভব হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব। আগামীতে রপ্তানি আরও বাড়াতে তিনি পণ্যের বৈচিত্র্য আনার ওপর জোর দেন। বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ও ফতুল্লা অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলে শামীম এহসান বলেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা কাজে লাগাচ্ছেন। প্রয়োজনমতো জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সরকারের নীতি-ধারাবাহিকতা বজায় রাখা গেলে এই সুযোগ আরও ভালোভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মহিউদ্দিন রুবেল বাসসকে বলেন, বর্তমানে যে গতিতে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি হচ্ছে, তা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। এই গতি আগামী ১২ মাস অব্যাহত থাকলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আয় ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একক বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। তাই সেখানে রপ্তানি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একই সঙ্গে পণ্যের বৈচিত্র্য, উচ্চমূল্য সংযোজন ও মানোন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানির সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে জ্বালানিসহ অন্যান্য ইউটিলিটি সেবা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়া, পাট, হোম টেক্সটাইল, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ, প্লাস্টিক ও হালকা প্রকৌশলসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের সামগ্রিক রপ্তানি আরও বিস্তৃত হতে পারে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র একাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একক বাজার হিসেবে প্রায় ৯ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। চলতি অর্থবছরের শুরুতেই দেশটির বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির গতি এবং আগস্টে একক মাসে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনাকে নতুন করে সামনে এনেছে। আরটিভি/এসআর  
আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড
কর্ণফুলী ইপিজেড: দুই দশকে রপ্তানি ছাড়িয়েছে ১৪ বিলিয়ন ডলার
২০০৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই ইপিজেডের উদ্বোধন করেন। ২০ বছরের পথচলায় ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্য রপ্তানি করেছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
কর্ণফুলী ইপিজেড: দুই দশকে রপ্তানি ছাড়িয়েছে ১৪ বিলিয়ন ডলার
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় ব্যাপকভাবে বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের প্রধান সূচক ব্রেন্ট ক্রুডের (বা অপরিশোধিত ব্রেন্ট তেলের) দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে উঠে গেছে। গত মে মাসের পর এই প্রথম ব্রেন্টের দাম ১০৮ ডলারে পৌঁছাল। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) লেনদেন শেষে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম মে মাসের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।  এদিন ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে লেনদেন শেষ হয়। আগের দিনের তুলনায় দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দামও মে মাসের মাঝামাঝির পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে ডব্লিউটিআইয়ের দাম দাঁড়ায় ব্যারেলপ্রতি ১০৩ দশমিক ৮২ ডলার। এক দিনে এ দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্ন নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই-দুই ধরনের অপরিশোধিত তেলের দামেই বড় উত্থান দেখা গেছে। আবারও সংঘাত তীব্র হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেল পরিবহণ নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে।  বাজার বিশ্লেষণী সংস্থা ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের ডেপুটি চিফ ইমার্জিং মার্কেটস ইকোনমিস্ট জেসন টুভে এক নোটে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালিতে এবং হুথিদের সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করছে যে, ইরান ও তার মিত্ররা যুদ্ধে আবারও উদ্যোগ নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে।’ টুভে বলেন, এতে উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল উৎপাদন পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া পিছিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে আগামী কয়েক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।’ যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল এনার্জি জানিয়েছে, আগামী বছরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদন যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে তারা আর আশা করছে না। প্রতিষ্ঠানটি এখন আর ধরে নিচ্ছে না যে যুদ্ধের একটি নিশ্চিত সমাপ্তি হবে কিংবা ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ হরমুজ প্রণালিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। এসঅ্যান্ডপি এখন ধারণা করছে, আগামী বছরজুড়েও তেলের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে এবং ব্যারেলপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে। আরটিভি/এসআর
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ

শিল্প বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

SELECT id,hl2,video_dis,news.cat_id,parent_cat_id,server_img,tmp_photo,entry_time,show_in_latest,hits FROM news AS news INNER JOIN news_hits_counter AS nh ON news.id=nh.news_id WHERE AND news.cat_id LIKE "%#68#%" AND show_in_latest=1 ORDER BY hits DESC,id DESC LIMIT 8
Error!: SQLSTATE[42000]: Syntax error or access violation: 1064 You have an error in your SQL syntax; check the manual that corresponds to your MySQL server version for the right syntax to use near 'AND news.cat_id LIKE "%#68#%" AND show_in_latest=1 ORDER BY hits DESC,id D' at line 6