ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২০ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। এবার প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ দাম ঘোষণা করে বাজুস। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুসের নির্ধারণ করা নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণালঙ্কার তৈরির ক্ষেত্রে ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে বাজুস। সংগঠনটির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সোনা ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। তবে এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে।

এর আগে, গত ২৮ অক্টোবর সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ওই দিন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ওই দামও সেদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।

নতুন করে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়ানোর ফলে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকায়।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২৮ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬২ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৬৫ দফা কমানো হয়েছে এবং এক দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।

সোনার দাম বাড়লেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৩৯১ টাকা।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রুপার দাম ৭৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৪০ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ১০ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ৩ বার কমানো হয়।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়েছে। সর্বশেষ গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন করে দাম সমন্বয়ের ঘোষণা না আসায় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) আগের নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে সোনা। বাজুসের নির্ধারিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকায়। অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা। বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এ দামেই দেশের বাজারে সোনা কেনাবেচা হবে। আরটিভি/এসকে
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
আরও বাড়তে পারে এলপিজির দাম, জানা যাবে বৃহস্পতিবার
এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) ব্যবসায়ীদের কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গণশুনানিতে বসছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
আরও বাড়তে পারে এলপিজির দাম, জানা যাবে বৃহস্পতিবার
রোজার আগে আবারও সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে চায় ব্যবসায়ীরা
পবিত্র রমজান মাসের বাকি এখনও তিন মাসের বেশি। এর মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির অজুহাতে ভোজ্যতেলের দাম আরেক দফায় বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।
রোজার আগে আবারও সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে চায় ব্যবসায়ীরা
সৌদির তেল শোধনাগারে হামলার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
বিশ্বের শীর্ষ অপরিশোধিত তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরবের একটি তেল শোধনাগারে হামলার খবর পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে।  বুধবার (২৮ অক্টোবর) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলে ১.৪৮ ডলার বা ১.৩ শতাংশ বেড়ে ১১৫.৩৬ ডলারে পৌঁছেছে।  অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ব্যারেলে ১.২২ ডলার বা ১.২২ শতাংশ বেড়ে ১০১.১২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল উৎপাদক দেশটির ওপর আক্রমণ আরও জোরদার করার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিরা দাবি করেছে, তারা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগারে আঘাত হেনেছে। তবে দৈনিক ৫ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ওই শোধনাগারে হামলার বিষয়টি সৌদি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেনি। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি শান্ত করতে আলোচনার কারণে মঙ্গলবার তেলের দাম প্রায় ২ ডলার কমেছিল। তবে নতুন এই হামলার খবরের পর বাজার আবারও ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুদ বৃদ্ধির পূর্বাভাস সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের এই দরবৃদ্ধি ঘটল।  রয়টার্সের আটজন বিশ্লেষকের মতামত নিয়ে করা এক সমীক্ষা অনুযায়ী, ২৩ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের মজুত প্রায় ১৫ হাজার ব্যারেল বেড়েছে। বাজারের প্রত্যাশার সঙ্গে মিল রেখে ওপেকের প্রভাবশালী তিন সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, জোটভুক্ত তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো আগামী রোববার তাদের ডিসেম্বর মাসের জন্য নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অপরিবর্তিত রাখতে পারে। বর্তমানে ওপেকের প্রধান সাতটি দেশ– সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, আলজেরিয়া, কাজাখস্তান ও ওমানের অধিকাংশেরই উৎপাদন তাদের পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলতি মাসের এক সমঝোতার পর চালিত দেশীয় শোধনাগারগুলোতে ডিজেল উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। ফলে আগামী মাসে রাশিয়ার বাল্টিক ও কৃষ্ণসাগর বন্দর দিয়ে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি কমে যেতে পারে। আরটিভি/এসআর
সৌদির তেল শোধনাগারে হামলার পর বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে জেটরোর প্রেসিডেন্ট / বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেটরো) প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমু। বৈঠকে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণে জেটরোর ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে উন্নত উৎপাদনশিল্প, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি), অটোমোবাইল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে জাপানের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ। এ সময় বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে। বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (EPA) দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করে। এ ছাড়া বাংলাদেশের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার জন্য জাপানের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এসব উদ্যোগ জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে বলে উল্লেখ করা হয়। জেটরোর (JETRO) প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমু বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটি বিনিয়োগের জন্য সম্ভাবনাময়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগে জাপানি কোম্পানিগুলোর আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বৈঠক শেষে জেটরোর প্রেসিডেন্ট কাতাওকা সুসুমুর আমন্ত্রণে তার আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ।  এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাতাওকা সুসুমুকে তার সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান
আরও পড়ুন
দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম