ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দামে বড় লাফ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম। ফাইল ছবি

দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম। এবারের দফায় প্রতি লিটারে দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ টাকা। এতে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম এখন দাঁড়িয়েছে ২০৪ টাকা।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি, আমদানি ব্যয় এবং দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের বর্তমান মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শেষে নতুন এ দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে বাজারে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ২০৪ টাকায়। এর আগে, একই পরিমাণ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ছিল ১৯৯ টাকা। অর্থাৎ এক লিটারে ভোক্তাকে আগের চেয়ে ৫ টাকা বেশি গুনতে হবে।

এর আগে, চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন প্রতি লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এর আগে এই তেলের দাম ছিল ১৯৫ টাকা।

ওই সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেলের মূল্য পর্যালোচনা নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী নতুন মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বৈশ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে যেসব পণ্যের জন্য বাংলাদেশকে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়, সেসব পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি দেশের আমদানি ব্যয়ে পড়ে।

সয়াবিন তেলের ক্ষেত্রে এই প্রভাব আরও বেশি বলে জানিয়েছিলেন তিনি। কারণ দেশের চাহিদার সয়াবিন তেলের বড় অংশই আমদানিনির্ভর। আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন ও সংশ্লিষ্ট কাঁচামালের দাম বাড়লে আমদানি ব্যয়ও বেড়ে যায়। এর ফলে দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দেয়।

এবারও আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও আমদানি ব্যয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সয়াবিন তেলের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। নতুন দাম কার্যকর হওয়ার ফলে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের মূল্য আরও এক ধাপ বাড়ল।

এদিকে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে পাম অয়েলের দাম। ফলে, পাম অয়েলের ক্ষেত্রে আপাতত আগের মূল্যই বহাল থাকবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রবাসীরা পাঠালেন ১৪ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা
চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম ১১ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১১৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১৪ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।
প্রবাসীরা পাঠালেন ১৪ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা
দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক-শেয়ারবাজার
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে দেশের ব্যাংক ও শেয়ারবাজার। আগামী ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এ সময়ে দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন হবে না।
দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক-শেয়ারবাজার
১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৯৯ কোটি ডলার
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৯৯ কোটি মার্কিন ডলার। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সে হিসাবে এ বছর রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। 
১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৯৯ কোটি ডলার
দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?
সবশেষ গত শুক্রবার সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেই সময় ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। সেই দামেই রোববার (১১ অক্টোবর) দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা করা হয়েছে।  আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা। এর আগে গত ৫ অক্টোবর সোনার দাম কমিয়েছিল বাজুস। ওই দিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়।  একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা। অর্থাৎ, ৫ অক্টোবর দাম কমানোর চার দিনের মাথায় আবারও সোনার দাম বাড়াল বাজুস। নতুন করে দাম সমন্বয় না হওয়া পর্যন্ত দেশের বাজারে এই দামেই সোনার গহনা বিক্রি হবে। আরটিভি/এসআর
দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা কমে আসায় শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। এতে মার্কিন ডলারের দর দুর্বল হয়ে পড়ায় সোনার দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৪২ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৮৯ দশমিক ৯৯ ডলারে দাঁড়ায়। এতে সপ্তাহজুড়ে দাম বাড়ার পথে রয়েছে মূল্যবান এই ধাতু।  এ ছাড়াও স্পট সিলভারের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬০ দশমিক ৩৬ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৬৯০ দশমিক ৪৯ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ১৬২ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনার ফিউচার মূল্যও ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২১৫ দশমিক ৩০ ডলারে লেনদেন হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা চালাবে না তার দেশ। একই সময়ে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চলছে। এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে। জেফরিজের মালিকানাধীন ট্রেডু ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবুরাস বলেন, তেলের দাম কমে আসায় চলতি মাসে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে যুক্তি জোরালো হচ্ছে। এতে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে এবং বন্ডের মুনাফার হারও সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে কিছুটা নেমেছে। এমন পরিস্থিতি সোনার দাম পুনরুদ্ধারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে। মার্কিন ডলারের দর দুর্বল হলে অন্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের কাছে ডলারে মূল্য নির্ধারিত সোনা তুলনামূলক সস্তা হয়ে ওঠে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার চাহিদা বাড়তে পারে। তবে জাবুরাস সতর্ক করে বলেন, সোনার বাজারে এখনো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত রয়েছে। বাজারে এখনো ফেডের সুদের হার বাড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে এবং বন্ডের মুনাফার হারও তুলনামূলক বেশি। এসব কারণে স্বর্ণের দাম আবারও কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষাকবচ হিসেবে সোনাকে বিবেচনা করা হয়। তবে সুদের হার বাড়লে সোনা ধরে রাখার আকর্ষণ কমে যায়। কারণ, সোনা থেকে সুদ বা নিয়মিত আয় পাওয়া যায় না। বিপরীতে সুদযুক্ত সম্পদে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ে। সূত্র: রয়টার্স আরটিভি/এসআর  
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
আরও পড়ুন
ফের সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব
চড়ামূল্যের বাজারে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কৃত্রিম সংকট
কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট
দাম বাড়লেও মিলছে না সয়াবিন তেল, ব্রয়লারে ফের ডাবল সেঞ্চুরি