ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ায় এশিয়ার শেয়ারবাজারে পতন, বেড়েছে তেলের দাম

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় তেলের দাম ফের বেড়েছে। এর প্রভাবে বিনিয়োগকারীরা সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে আরও বেশি সতর্ক হয়ে উঠেছেন। এ অবস্থায় শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে এবং সরকারি বন্ডের সুদ কয়েক দশকের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

অপরিশোধিত তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। চলতি সপ্তাহে এখন পর্যন্ত তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। হরমুজ প্রণালীতে ইরানের একটি দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালানোর পর পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

কয়েক সপ্তাহের তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতির পর নতুন করে সামরিক উত্তেজনা শুরু হলো। ওই সময়ে শান্তি আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই থেমে যায় এবং ওয়াশিংটন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর ‘অর্থনৈতিক ভাবে শ্বাসরোধ’ করার অভিযান চালানোর লক্ষ্য ঘোষণা করে।

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন হয়। আপাতত এ নৌপথ বন্ধ থাকার আশঙ্কা থাকায় জ্বালানির দাম শিগগির কমার সম্ভাবনাও কম। ফলে, বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

এর সঙ্গে বিভিন্ন দেশের সরকারি ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ এবং করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিপুল পরিমাণ ঋণপত্র বিক্রির চাপ যোগ হওয়ায় সুদের হার বাড়ানোর প্রত্যাশা বেড়েছে। এতে সরকারের ঋণ নেওয়ার খরচও বাড়ছে।

যুক্তরাজ্যের ৩০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদ ১৯৯৮ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। দেশটির ১০ বছর মেয়াদি সরকারি ঋণের সুদও ২০০৭-০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের সময়ের পর্যায়ে রয়েছে।

জাপানের ১০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদ ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদও ২০০৭ সালের সর্বোচ্চ মাত্রার কাছাকাছি রয়েছে। দেশটির ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদও আর্থিক সংকটের সময়কার পর্যায়ে উঠেছে।

গামা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের রাজীব দে মেলো বলেন, ‘বন্ডের সুদ এমনিতেই বাড়ছিল। এর মধ্যে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা এবং তেলের দামের ওপর এর প্রভাব বিনিয়োগকারীদের বন্ড নিয়ে আরও উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান পর্যায়ের সুদ এশিয়ার শেয়ারবাজারের জন্য স্পষ্টতই চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।’

এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। কম সুদের হারের ওপর নির্ভর করে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় টোকিও ও সিউলের বাজারে বড় চাপ তৈরি হয়েছে।

হংকং, সাংহাই, সিডনি, সিঙ্গাপুর, ওয়েলিংটন, তাইপে ও ম্যানিলার শেয়ারবাজারেও উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে।

এর আগে ওয়াল স্ট্রিটের তিনটি প্রধান সূচকেই দরপতন হয়েছিল।

আগামী এক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তথ্য প্রকাশিত হবে। এসব তথ্য আগামী দুই সপ্তাহ পর ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী বৈঠকে সুদের হার বাড়ানো হবে কি না, তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, বাজারে বর্তমানে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা ৭০ শতাংশ ধরে নেওয়া হচ্ছে।

ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর মাইকেল বারও সুদের হার বাড়ার প্রত্যাশা জোরদার করেছেন। তিনি বলেছেন, মূল্যস্ফীতি যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার ওপরে অনড় থাকে, তাহলে নীতিনির্ধারকদের সুদের হার বাড়ানোর জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।

তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, তথ্য-উপাত্তের প্রবণতা যদি আমাকে এ বিষয়ে আস্থা দেয় যে মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশের দিকে কমছে, তাহলে আমাদের নীতিগত অবস্থান মূল্যায়নের জন্য আরও কিছুটা সময় নেওয়া যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, তবে মূল্যস্ফীতি যথেষ্ট কমছে না বলে মনে হলে আমাদের দ্রুত ও দৃঢ়ভাবে সুদের হার বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১২ দিনে ১২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা।
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে পৌঁছানোর শঙ্কা আইএমএফের
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা করেছে সংস্থাটি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অক্টোবর ২০২৬-এর ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।   ‘রেজিলিয়েন্স আন্ডার স্ট্রেইন, আর্জেন্ট চয়েসেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, চলতি বছরে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। ২০২৭ সালে তা কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। আইএমএফের মূল্যায়নে দেখা যাচ্ছে, একের পর এক অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলেও বিশ্ব অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এই সক্ষমতা সব দেশের মধ্যে সমানভাবে বণ্টিত নয়। প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের সুবিধা পাওয়া দেশগুলো তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল এবং প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে কম সম্পৃক্ত দেশগুলো বেশি চাপের মুখে পড়ছে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি বজায় থাকলেও বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বৈষম্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে এখনো পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি বলে মনে করছে আইএমএফ। বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ, সরবরাহব্যবস্থায় পরিবর্তন, মজুত ব্যবহার এবং জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার পরিস্থিতি সামাল দিতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি এআই প্রযুক্তিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ধরে রাখতে ভূমিকা রাখছে। এসব কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি তাৎক্ষণিকভাবে আরও বড় ধাক্কার মুখে পড়া থেকে কিছুটা সুরক্ষা পেয়েছে। তবে এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে অথবা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে বিঘ্ন ঘটলে জ্বালানির দাম বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব শুধু জ্বালানির বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং উৎপাদন ব্যয়, আমদানি ব্যয় এবং সরকারের ব্যয়ের ওপরও চাপ তৈরি করবে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে পণ্য ও সেবা উৎপাদন ব্যয়বহুল হয়ে উঠলে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে। আইএমএফের প্রতিবেদনে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, যেসব দেশ জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল, অথচ প্রযুক্তি খাতে তাদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ নেই, সেসব দেশ সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে। জ্বালানি আমদানিতে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হলে এসব দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য ও বিনিময় হারের ওপর চাপ বাড়বে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যেতে পারে। সরকারের রাজস্ব ও আর্থিক সক্ষমতা সীমিত থাকলে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠবে। নিম্ন আয়ের এবং অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে গেলে এসব দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা থাকবে। ফলে একদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার ওপর চাপ বাড়তে পারে। বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে চিহ্নিত করেছে আইএমএফ। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে অথবা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করলে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে সরকারি বাজেট এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা করাও অনেক দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং চরম আবহাওয়ার মতো ঘটনাও বৈশ্বিক অর্থনীতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সরবরাহব্যবস্থায় বাস্তব বিঘ্ন ঘটলে পণ্য উৎপাদন ও পরিবহনে ব্যয় বাড়বে। এর প্রভাব বাজারদরে পড়তে পারে এবং পণ্যের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। এদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ, শুল্ক বৃদ্ধি এবং উৎপাদনব্যবস্থায় পরিবর্তন বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।  আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি ধীর হতে পারে। ২০২৭ সালে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাণিজ্য উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সরবরাহব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। সরকারি ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। বড় অর্থনীতিগুলোতে ঋণের ব্যয় বাড়ছে। পাশাপাশি বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয়, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জাতীয় নিরাপত্তার মতো খাতে সরকারের অর্থের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নতুন কোনো সংকট দেখা দিলে তা মোকাবিলায় সরকারের হাতে থাকা আর্থিক সুযোগ সীমিত হয়ে আসছে। ঋণের ব্যয় ও অন্যান্য সরকারি ব্যয়ের চাপ বাড়তে থাকলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা আরও কঠিন হতে পারে। আরটিভি/এসআর
বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে পৌঁছানোর শঙ্কা আইএমএফের
দেশের বাজারে কমল সোনার দাম
বিশ্ববাজারে সোনার দামের পতনের পর দেশেও দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস। বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন দাম অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। এ ছাড়া ​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকায় বিক্রি হবে। বাজুস জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২২ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ৬০ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৬২ দফা। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়, কমানো হয়েছিল ২৯ বার। আরটিভি/এসআর
দেশের বাজারে কমল সোনার দাম
প্রবাসীরা পাঠালেন ১৪ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা
চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম ১১ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১১৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১৪ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।
প্রবাসীরা পাঠালেন ১৪ হাজার ৩৪১ কোটি টাকা
দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক-শেয়ারবাজার
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে দেশের ব্যাংক ও শেয়ারবাজার। আগামী ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এ সময়ে দেশের দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন হবে না।
দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক-শেয়ারবাজার
আরও পড়ুন
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান
বিশ্ববাজারে ফের বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম