ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

পোশাক শ্রমিকদের দ্রুত সর্বজনীন পেনশনে আনার আহ্বান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পোশাক খাতের সব শ্রমিককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সার্বিক কল্যাণ এবং সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। পোশাক শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা হলে সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এটি ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের নুরুল কাদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক আলোচনা সভায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মাহমুদ হাসান খান বলেন, শ্রমিকদের মধ্যে স্কিমটি আরও জনপ্রিয় করতে প্রথম দুই বছরের জন্য বিশেষ সরকারি প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি পোশাক শ্রমিকদের পেনশন গ্রহণের বয়সসীমা ৬০ বছরের পরিবর্তে ৫৫ বছর নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব উদ্যোগ নেওয়া হলে শ্রমিকদের স্কিমে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ বাড়বে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, নাগরিকদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সরকার সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছে। ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী নাগরিকরা ব্যাংকের মাধ্যমে এতে চাঁদা জমা দিতে পারবেন এবং ৬০ বছর পূর্ণ হলে পেনশন পাবেন।

তিনি বলেন, গ্রাহক ৬০ বছর বয়সের আগে মারা গেলে তার মনোনীত ব্যক্তি জমাকৃত অর্থ মুনাফাসহ পাবেন। আয়-সংক্রান্ত সমস্যায় নিয়মিত চাঁদা দিতে অসুবিধা হলে চাঁদার পরিমাণ পরিবর্তনের সুযোগও রয়েছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০২৬-এর সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী ১০০ জনের বেশি শ্রমিক রয়েছে এমন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, তৈরি পোশাক খাতের প্রায় ৫০ লাখ শ্রমিককে এ স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা চ্যালেঞ্জিং হলেও এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী উদ্যোগ।

বিজিএমই এর সহ সভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম বলেন, সর্বজনীন পেনশন শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ লক্ষ্যে বিজিএমইএ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবে।

সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য শেখ কামরুল হাসানসহ বিজিএমইএর সদস্য, পোশাক শিল্পের মালিক, কর্মকর্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তির পথে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব কাঠামো চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের প্রতিনিধিদল বৈঠক করে চুক্তির বিষয়গুলো চূড়ান্ত করবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তির পথে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী
ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়াল এনবিআর
জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। 
ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়াল এনবিআর
১৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা
চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৫১ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১৮ হাজার ৬৪৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।  বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আরিফ হোসেন জানান, গত বছরের অক্টোবর মাসের প্রথম ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৩৫ কোটি ১০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১২ দশমিক ২০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে এক হাজার ১০ কোটি ৮০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।  গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৮৯৩ কোটি ৭০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ১০ শতাংশ। আরটিভি/এসআর  
১৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১২ দিনে ১২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা।
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে পৌঁছানোর শঙ্কা আইএমএফের
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা করেছে সংস্থাটি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অক্টোবর ২০২৬-এর ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।   ‘রেজিলিয়েন্স আন্ডার স্ট্রেইন, আর্জেন্ট চয়েসেস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে। পরের বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, চলতি বছরে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। ২০২৭ সালে তা কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। আইএমএফের মূল্যায়নে দেখা যাচ্ছে, একের পর এক অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলেও বিশ্ব অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এই সক্ষমতা সব দেশের মধ্যে সমানভাবে বণ্টিত নয়। প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের সুবিধা পাওয়া দেশগুলো তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল এবং প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে কম সম্পৃক্ত দেশগুলো বেশি চাপের মুখে পড়ছে। ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি বজায় থাকলেও বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বৈষম্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে এখনো পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি বলে মনে করছে আইএমএফ। বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ, সরবরাহব্যবস্থায় পরিবর্তন, মজুত ব্যবহার এবং জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার পরিস্থিতি সামাল দিতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি এআই প্রযুক্তিতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ধরে রাখতে ভূমিকা রাখছে। এসব কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি তাৎক্ষণিকভাবে আরও বড় ধাক্কার মুখে পড়া থেকে কিছুটা সুরক্ষা পেয়েছে। তবে এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে অথবা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে বিঘ্ন ঘটলে জ্বালানির দাম বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব শুধু জ্বালানির বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং উৎপাদন ব্যয়, আমদানি ব্যয় এবং সরকারের ব্যয়ের ওপরও চাপ তৈরি করবে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে পণ্য ও সেবা উৎপাদন ব্যয়বহুল হয়ে উঠলে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে। আইএমএফের প্রতিবেদনে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, যেসব দেশ জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল, অথচ প্রযুক্তি খাতে তাদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ নেই, সেসব দেশ সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে। জ্বালানি আমদানিতে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হলে এসব দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য ও বিনিময় হারের ওপর চাপ বাড়বে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যেতে পারে। সরকারের রাজস্ব ও আর্থিক সক্ষমতা সীমিত থাকলে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠবে। নিম্ন আয়ের এবং অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে গেলে এসব দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা থাকবে। ফলে একদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার ওপর চাপ বাড়তে পারে। বিশ্ব অর্থনীতির ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে চিহ্নিত করেছে আইএমএফ। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে অথবা নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করলে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে সরকারি বাজেট এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা করাও অনেক দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং চরম আবহাওয়ার মতো ঘটনাও বৈশ্বিক অর্থনীতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সরবরাহব্যবস্থায় বাস্তব বিঘ্ন ঘটলে পণ্য উৎপাদন ও পরিবহনে ব্যয় বাড়বে। এর প্রভাব বাজারদরে পড়তে পারে এবং পণ্যের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। এদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ, শুল্ক বৃদ্ধি এবং উৎপাদনব্যবস্থায় পরিবর্তন বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।  আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি ধীর হতে পারে। ২০২৭ সালে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাণিজ্য উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সরবরাহব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। সরকারি ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। বড় অর্থনীতিগুলোতে ঋণের ব্যয় বাড়ছে। পাশাপাশি বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয়, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জাতীয় নিরাপত্তার মতো খাতে সরকারের অর্থের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নতুন কোনো সংকট দেখা দিলে তা মোকাবিলায় সরকারের হাতে থাকা আর্থিক সুযোগ সীমিত হয়ে আসছে। ঋণের ব্যয় ও অন্যান্য সরকারি ব্যয়ের চাপ বাড়তে থাকলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা আরও কঠিন হতে পারে। আরটিভি/এসআর
বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে পৌঁছানোর শঙ্কা আইএমএফের
আরও পড়ুন
টানা ৮ দিন বন্ধ হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি
বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিজিএমইএ’র বৈঠক
জাপানে রপ্তানি বাড়াতে আগ্রহী তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা
বাটেক্সপো ২০২৬ দিয়ে বিশ্ববাজারে নতুনভাবে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ব্র্যান্ডিং: বিজিএমইএ