ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

পোশাক শ্রমিকদের দ্রুত সর্বজনীন পেনশনে আনার আহ্বান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পোশাক খাতের সব শ্রমিককে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সার্বিক কল্যাণ এবং সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। পোশাক শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা হলে সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এটি ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের নুরুল কাদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক আলোচনা সভায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মাহমুদ হাসান খান বলেন, শ্রমিকদের মধ্যে স্কিমটি আরও জনপ্রিয় করতে প্রথম দুই বছরের জন্য বিশেষ সরকারি প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি পোশাক শ্রমিকদের পেনশন গ্রহণের বয়সসীমা ৬০ বছরের পরিবর্তে ৫৫ বছর নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব উদ্যোগ নেওয়া হলে শ্রমিকদের স্কিমে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ বাড়বে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, নাগরিকদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সরকার সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছে। ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী নাগরিকরা ব্যাংকের মাধ্যমে এতে চাঁদা জমা দিতে পারবেন এবং ৬০ বছর পূর্ণ হলে পেনশন পাবেন।

তিনি বলেন, গ্রাহক ৬০ বছর বয়সের আগে মারা গেলে তার মনোনীত ব্যক্তি জমাকৃত অর্থ মুনাফাসহ পাবেন। আয়-সংক্রান্ত সমস্যায় নিয়মিত চাঁদা দিতে অসুবিধা হলে চাঁদার পরিমাণ পরিবর্তনের সুযোগও রয়েছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০২৬-এর সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী ১০০ জনের বেশি শ্রমিক রয়েছে এমন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান বলেন, তৈরি পোশাক খাতের প্রায় ৫০ লাখ শ্রমিককে এ স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা চ্যালেঞ্জিং হলেও এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী উদ্যোগ।

বিজিএমই এর সহ সভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম বলেন, সর্বজনীন পেনশন শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ লক্ষ্যে বিজিএমইএ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবে।

সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য শেখ কামরুল হাসানসহ বিজিএমইএর সদস্য, পোশাক শিল্পের মালিক, কর্মকর্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম
দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসেসিয়েশন (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রাইসিং এন্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আজ দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সর্বসম্মতভাবে স্বর্ণ ও রৌপ্যালঙ্কারের ভ্যাটসহ নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ১৩ হাজার ৮৫৯ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮২ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা। এর আগে সোমবার (২ নভেম্বর) সোনার দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। তখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। অর্থাৎ দুই দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ানো হলো। সোনার পাশাপাশি রুপার দামও নির্ধারণ করেছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রুপার দাম ৩০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ২৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, সোনা ও রুপার অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে নির্ধারিত মূল্যের ওপর ১২ শতাংশ এবং পুরোনো সোনা কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পুরোনো স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন নির্ধারিত দাম কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৩১ বার সোনার দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৬৩ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, ৬৭ বার কমানো হয়েছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছর ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়। আরটিভি/এসআর
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম
একদিনের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানির দাম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরুর সম্ভাবনায় একদিনের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে আবারও কমেছে জ্বালানি তেলের দাম। 
একদিনের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানির দাম
পুঁজিবাজার গতিশীল করতে পাঁচ মাসে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের পথ সম্প্রসারণে গত পাঁচ মাসে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কমিশনের বর্তমান নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণের পর অনুমোদিত এসব বন্ডের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে কর্পোরেট অর্থায়ন বাড়ানোর পাশাপাশি শেয়ারবাজারের বাইরে বিকল্প বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত বন্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের ১ হাজার কোটি টাকার তিন বছর মেয়াদি জিরো-কুপন গ্রিন বন্ড, সাউথইস্ট ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকার সাত বছর মেয়াদি সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড, ব্যাংক এশিয়ার ৮০০ কোটি টাকার সাত বছর মেয়াদি সাসটেইনেবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার সাত বছর মেয়াদি সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড এবং ওয়ান ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। বন্ড অনুমোদনের পাশাপাশি এ বাজারের পরিধি বাড়াতে বেশ কিছু সংস্কার উদ্যোগ নিয়েছে বিএসইসি। এর মধ্যে রয়েছে বন্ডকে স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ডে তালিকাভুক্ত করা, থিমেটিক ও সামাজিক বন্ডের প্রচলন, প্রভিডেন্ট ও পেনশন তহবিলের অংশগ্রহণ বাড়ানো, বীমা কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং বন্ড ইস্যুর বিধিমালা আধুনিক করা। সংস্কার উদ্যোগের অংশ হিসেবে অনুমোদিত বন্ডগুলো স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ডে তালিকাভুক্ত করার শর্ত দেওয়া হয়েছে ইস্যুয়ারদের। এর লক্ষ্য, কর্পোরেট বন্ডের লেনদেন বাড়িয়ে দ্বিতীয় বাজারকে (সেকেন্ডারি মার্কেট) সক্রিয় করা। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বন্ড ইস্যুর প্রক্রিয়া সহজ ও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্ডের তালিকাভুক্তি ফি কমানোর নির্দেশনাও দিয়েছে কমিশন। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে বলেন, বন্ড মার্কেটকে গতিশীল করতে এবারই প্রথম মূল বোর্ডে তালিকাভুক্তির শর্ত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বন্ডগুলো স্টক এক্সচেঞ্জের দ্বিতীয় বাজারে লেনদেনের সুযোগ পাবে। এজন্য তালিকাভুক্তি ফি কমানোরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বন্ড মূল বোর্ডে তালিকাভুক্ত হলে বিনিয়োগকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী তা বিক্রি করে সহজে বিনিয়োগ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন। এতে বন্ডের জন্য কার্যকর বাজার গড়ে তোলা এবং লেনদেন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। পুঁজিবাজারে নতুন ধরনের বিনিয়োগ পণ্য যুক্ত করতেও কাজ করছে বিএসইসি। পরিবেশ সুরক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও নারী ক্ষমতায়নের মতো নির্দিষ্ট লক্ষ্য সামনে রেখে থিমেটিক ও সামাজিক বন্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে নারী ক্ষমতায়নে অর্থায়নের জন্য সাজেদা ফাউন্ডেশনের ১৫৮ কোটি টাকার ‘অরেঞ্জ বন্ড’ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ বন্ডের মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়ন ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের পাশাপাশি বাজারে নতুন বিনিয়োগ পণ্য যুক্ত হবে। এ ছাড়া ব্র্যাক ব্যাংকের গ্রিন বন্ড পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগে অর্থায়ন এবং টিয়ার-২ মূলধন সংগ্রহে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে কর্পোরেট বন্ডের ধরন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হতে পারে। বিএসইসির মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, দেশের বড় প্রাতিষ্ঠানিক তহবিলগুলোকে কর্পোরেট বন্ড মার্কেটে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন প্রভিডেন্ট ও গ্র্যাচুইটি ফান্ডের অর্থের বড় অংশ সরকারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়। এসব তহবিলের অর্থের একটি নির্দিষ্ট অংশ যাতে কর্পোরেট বন্ড ও শেয়ারে বিনিয়োগ করা যায়, সেজন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি অর্থের নতুন উৎস তৈরি হবে। একই সঙ্গে কর্পোরেট বন্ডের চাহিদা বাড়বে এবং বেসরকারি খাতের জন্য বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে। বন্ড মার্কেটে বীমা কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। বিশেষ করে মিউচুয়াল ফান্ডের নির্দিষ্ট আয়ভিত্তিক তহবিল এবং বীমা কোম্পানির তহবিল যাতে কর্পোরেট বন্ডে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে পারে, সেজন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বন্ড কেনাবেচার জন্য পৃথক লেনদেন প্ল্যাটফর্মকে আরও কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বন্ড কেনাবেচার সুযোগ বাড়বে এবং দ্বিতীয় বাজারে লেনদেন সম্প্রসারণের পথ সুগম হবে। বন্ড ইস্যুর প্রক্রিয়া সহজ ও সময়োপযোগী করতে বিদ্যমান আইনি কাঠামো আধুনিক করার উদ্যোগও নিয়েছে বিএসইসি। এ লক্ষ্যে ডেট ইস্যু রুলস সংশোধন ও সংস্কারের কাজ চলছে। নতুন বিধিমালায় বন্ড অনুমোদন ও ইস্যুর প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিএসইসি মনে করে, পুঁজিবাজারকে শুধু শেয়ারনির্ভর না রেখে শেয়ার, বন্ড ও অন্যান্য আর্থিক পণ্যের সমন্বয়ে বহুমাত্রিক বাজার হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। সে লক্ষ্যেই কর্পোরেট বন্ড মার্কেটের বিকাশকে সংস্কার কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে বিনিয়োগকারীরা শেয়ারের পাশাপাশি তুলনামূলক স্থির আয়ের বিনিয়োগ পণ্য বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে বন্ডের দ্বিতীয় বাজার সক্রিয় হলে পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিধি বাড়ানো এবং বাজারের গভীরতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক হতে পারে। আরটিভি/এসআর
পুঁজিবাজার গতিশীল করতে পাঁচ মাসে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম
টানা কয়েক দফা কমার পর দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়ল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসেসিয়েশন (বাজুস)। ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। বুধবার (২৮ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এ দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা। সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৬৭৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৩৯১ টাকা। আরটিভি/এসআর
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম
দেশে আজ সোনার ভরি কত?
গত ২৫ অক্টোবর সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেই সময় ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। নতুন ঘোষণা না আসায় বুধবার (২৮ অক্টোবর) আগের নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে সোনা। সবশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা। অন্যদিকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম রাখা হচ্ছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ২ হাজার ৩৯১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি সোনার দাম কমে যাওয়ায় দেশের বাজারে সোনার বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। ঘোষিত নতুন দাম ২৫ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়। সংস্থাটির নির্দেশনা অনুযায়ী, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকারের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। অলংকার ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুসের নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে। আরটিভি/এসআর
দেশে আজ সোনার ভরি কত?
আরও পড়ুন
৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা: বিজিএমইএ
৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক
শ্রমিকদের বিক্ষোভে ৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক: বিজিএমইএ
টেকসই পোশাকশিল্পের রূপান্তর তুলে ধরবে বাটেক্সপোর ইমপ্যাক্ট জোন