ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জাবি সিনেটে শরীফ এনামুল কবীর সমর্থকদের জয়

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭, ১২:৫৮ পিএম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে ২৫টি আসনের বিপরীতে নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী গ্র্যাজুয়েটদের একাংশের প্যানেল ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল জোট’ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। রোববার ভোর ৫টায় রিটার্নিং অফিসার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক সাময়িকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরিফ এনামুল কবীর ও কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার নেতৃত্বাধীন এই প্যানেল 'শরিফ-মোতাহার' প্যানেল নামেই বেশি পরিচিত।

২৫টি আসনের মধ্যে এই প্যানেল থেকেই বিজয়ী হয়েছেন মোট ১৮ জন।

অপরদিকে, বিএনপন্থী গ্র্যাজুয়েটদের ‘স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী’ প্যানেল পেয়েছে ৬টি আসন। এদিকে, আওয়ামীপন্থী গ্র্যাজুয়েটদের অপর অংশ ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীল গ্র্যাজুয়েট মঞ্চ’ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র ১ জন। একমাত্র বিজয়ী ব্যক্তি হলেন- মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী (প্রাপ্ত ভোট-১০২৭)।

এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ৪৪জন। তবে কেউই নির্বাচিত হতে পারেননি।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল জোট’ প্যানেল থেকে নির্বাচিতরা হলেন- কেএইচ মাহিদ উদ্দিন (প্রাপ্ত ভোট-২১৪৪), মো. কায়কোবাদ হোসাইন (প্রাপ্ত ভোট-১৮৭৩), শরীফ এনামুল কবীর (প্রাপ্ত ভোট-১৬৮৫), ড. মোহাম্মদ আলমগীর কবীর (প্রাপ্ত ভোট-১৪৫৭), মো. সোহেল পারভেজ (প্রাপ্ত ভোট-১৪৩৪), আশীষ কুমার মজুমদার (প্রাপ্ত ভোট-১৪৩২), শামীমা সুলতানা (প্রাপ্ত ভোট-১৪১১), কৃষ্ণা গায়েন (প্রাপ্ত ভোট-১৪০২), পৃথ্বিলা নাজনীন নীলিমা (প্রাপ্ত ভোট-১৩৯৬), মহব্বত হোসেন খান (প্রাপ্ত ভোট-১২৩৮), শেখ মনোয়ার হোসেন (প্রাপ্ত ভোট-১১৯৪), মো. মোতাহার হোসেন (প্রাপ্ত ভোট-১১৩১), আবুল কালাম আজাদ (প্রাপ্ত ভোট-১১১৫), মোহাম্মদ মেহেদী জামিল (প্রাপ্ত ভোট-১০৮২), মো. এবায়দুল্লাহ তালুকদার (প্রাপ্ত ভোট-১০৭৭), ইন্দুপ্রভা দাস (প্রাপ্ত ভোট-৯৯৪), মো. মাসুদুর রহমান (প্রাপ্ত ভোট-৯৮০) এবং মো. আনোয়ার হোসেন মৃধা (প্রাপ্ত ভোট-৯৭৫) টি ভোট পেয়েছেন।

বিএনপিপন্থী প্যানেল থেকে ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান (প্রাপ্ত ভোট-১৩৪২), শিহাব উদ্দিন খান (প্রাপ্ত ভোট-১৩০৭), শামীমা সুলতানা (প্রাপ্ত ভোট-১২০৭), মো. শামসুল আলম সেলিম (প্রাপ্ত ভোট-১১৮৪), সাবিনা ইয়াসমিন (প্রাপ্ত ভোট-১০৩০), ড. মো. নজরুল ইসলাম (প্রাপ্ত ভোট-১০১০) নির্বাচিত হয়েছেন।

ফল প্রকাশের পর তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল জোট’ প্যানেলের পক্ষে অধ্যাপক শরিফ এনামুল কবীর বলেন, "নির্বাচনের আগে আমরা যেসব সংকল্প করেছিলাম, সেগুলো বাস্তবায়ন করবো। প্রথমে আমরা ক্যাম্পাসে বাণিজ্যিক পরিবেশ দূরীকরণে কাজ করবো। জাকসু নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা আমাদের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে আমরা তৎপর থাকবো।"

জাতীয়তাবাদী প্যানেলের পক্ষে অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে আমরা একত্রে কাজ করবো। জাকসু নির্বাচনসহ সব প্রতিশ্রুতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর।"

রিটার্নিং অফিসার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক বলেন, "সাময়িক ফল ঘোষণার তিন কার্যদিবসের মধ্যে কোনও প্রার্থী লিখিত অভিযোগ না করলে, এই ফলই চূড়ান্ত ফল বলে গণ্য হবে।"

এসজে/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এবার আমরণ অনশনে গেলেন নন-এমপিও শিক্ষকরা
টানা পাঁচ দিন ধরে অবস্থান কর্মসূচি চলার পর রোববার সকাল থেকে আমরণ অনশন শুরু করেছেন নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ডাকে এ কর্মসূচি চলছে। গেলো মঙ্গলবার থেকে অবস্থান শুরু করেন নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা। তবে গেলো শুক্রবার ফেডারেশনের নেতারা বৈঠক করে রোববার থেকে অনশন কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেন। ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী রোববার দুপুর ১১টার দিকে বলেন, সকাল ১০টা থেকে আমরা আমরণ অনশন শুরু করেছি। আমাদের একটাই দাবি, সেটা হলো সরকারস্বীকৃত ৫ হাজার ২৪২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করতে হবে। ফেডারেশনের সভাপতি বলেন, ২০১১ সাল থেকে সরকার শুধু আশ্বাসই দিচ্ছে। তাই এবার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত প্রাণ গেলেও তাঁরা অনশন থেকে সরবেন না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা চান তাঁরা। গতকাল পঞ্চম দিনেও অবস্থান কর্মসূচিতে কয়েকশ' শিক্ষক-কর্মচারী অংশ নেন। আজ অনশনে যোগ দিতে বিভিন্ন স্থান থেকে এক হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী ঢাকায় আসছেন। অবস্থানরত শিক্ষকনেতারা বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও একই নিয়মনীতিতে পরিচালিত হয়। একই শিক্ষাক্রম, পাঠ্যক্রম ও প্রশ্নপদ্ধতি অনুসরণ করে। শিক্ষার্থীরাও বোর্ড থেকে একই মানের সনদ অর্জন করে। অথচ বেতন পান না তাঁরা। যদিও দেশে বিভিন্ন পর্যায়ে ২১ লাখ চাকরিজীবীর বেতন বেড়েছে। এদিকে ৯টি শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ মোর্চা-শিক্ষক কর্মচারী সংগ্রাম কমিটি শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণসহ ১১ দফা দাবিতে শিগগিরই ধর্মঘটে যাচ্ছে।  রোববার তাদের জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা রয়েছে। এসজে
এবার আমরণ অনশনে গেলেন নন-এমপিও শিক্ষকরা
ঢাবি শিক্ষকের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে শিক্ষিকা উদ্ধার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের এক শিক্ষকের কক্ষ থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় এক শিক্ষিকাকে উদ্ধার করেছে প্রশাসন। আজ শনিবার বিকেলে ওই শিক্ষিকাকে উদ্ধার করা হয়। ওই শিক্ষিকা অ্যাডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের প্রভাষক। তিনি কলাভবনের যে কক্ষে (৩০৪৯) তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিলেন, সেই কক্ষটি মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আকিব-উল-হকের জন্য বরাদ্দকৃত।  প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিকেলে দুজন শিক্ষকই আকিবের কক্ষে ছিলেন। একপর্যায়ে সেখানে আকিবের স্ত্রী এসে উপস্থিত হন। কক্ষ ভেতর থেকে আটকে দুজনের সেখানে অবস্থান নিয়ে কথা বললে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শিক্ষিকাকে কক্ষে আটকে রেখেই তিনি সেখান থেকে চলে যান। আকিবের স্ত্রীর অভিযোগ, অনেকক্ষণ ধরে মুঠোফোন না ধরায় তিনি কলা ভবনে আকিবের কক্ষে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে দরজা তালাবদ্ধ দেখতে পান। বেশ কিছুক্ষণ দরজা ধাক্কাধাক্কি করার পর তিনি দরজা খুলে বাইরে থেকে তালা দিয়ে দেন। তখন তাঁদের দুজনের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে আকিব সেখান থেকে চলে যান। পরে তিনি জানতে পারেন ভেতরে শিক্ষিকা আটকা পড়ে আছেন। খবর পেয়ে সহকারী প্রক্টর আবু হোসেন মুহাম্মদ আহসানের নেতৃত্বে প্রক্টরিয়াল দল গিয়ে কক্ষের তালা ভেঙে শিক্ষিকাকে উদ্ধার করেন। ওই শিক্ষিকা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আকিবের দাম্পত্য কলহ চলছিল বলে তিনি জানেন। হঠাৎ তাঁর স্ত্রী সেখানে চল এলে তিনি রাগারাগি করে সেখান থেকে চলে যান। কিন্তু তাঁকে কেন তালাবদ্ধ করে গেলেন, সেটি বুঝতে পারছেন না। শিক্ষিকা বলেন, ‘আমি আমার বিভাগের একটি কর্মশালার কাজে ছুটির দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলাম। আকিবও তাঁর ব্যক্তিগত কাজে এসেছিলেন। হঠাৎ দেখা হয়ে যাওয়ায় তাঁর সঙ্গে এখানে আসি। আমাদের একটি যৌথ গবেষণাকাজ অসমাপ্ত ছিল। সেটি শেষ করা নিয়ে আমাদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হচ্ছিল। এমন সময় আকিবের স্ত্রী চলে আসেন। এর আগেও একই ঘটনা ঘটেছিল’। এর আগে গত ৫ আগস্ট দুজনকে একই কক্ষে পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছিলেন আকিবের স্ত্রী। যোগাযোগ করা হলে আকিব-উল-হকের ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, বিষয়টি  শুনেছি। সেখানে একজন সহকারী প্রক্টরকে গিয়েছিলেন। তাঁর কাছ থেকে বিষয়টি জেনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব। পি
ঢাবি শিক্ষকের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে শিক্ষিকা উদ্ধার
বাংলা একাডেমির ফেলোশিপ পেলেন ৭ গুণি
বাংলা একাডেমি বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করেছে। বাংলা একাডেমির সাধারণ পরিষদের ৪০তম বার্ষিক সভায় শনিবার এই ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি পরিচালিত পাঁচটি পুরস্কারও প্রদান করা হয়। বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপ ২০১৭ প্রাপ্তরা হলেন, ইকবাল বাহার চৌধুরী (সাংবাদিকতা), প্রতিভা মুৎসুদ্দি (ভাষা-আন্দোলন, নারী নেতৃত্ব এবং শিক্ষা ও সমাজসেবা), অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ্ (চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণা), অধ্যাপক আইনুন নিশাত (পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদ), ড. নূরুন নবী (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাহিত্য), হাসান শাহরিয়ার (সাংবাদিকতা) এবং দুলাল তালুকদার (নৃত্যকলা)। একই আয়োজনে প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত সাহিত্যিক মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধসাহিত্য পুরস্কার ২০১৭ দেওয়া হয় ভাষাসংগ্রামী ও প্রাবন্ধিক আহমদ রফিককে, মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার-২০১৭ পান কবি রুবী রহমান, সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার ২০১৭ পান অধ্যাপক সাইফুদ্দীন চৌধুরী ও অধ্যাপক শফিউল আলম, মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার ২০১৭ পান অধ্যাপক আলী আসগর এবং ‘উদ্ভিদস্বভাব’ বইয়ের জন্য হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার ১৪২৪ পান জায়েদ ফরিদ। সাহিত্যিক মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা, মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা, সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কারের অর্থমূল্য পঞ্চাশ হাজার টাকা, মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা এবং হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কারের অর্থমূল্য ত্রিশ হাজার টাকা। পুরস্কার ও ফেলোশিপপ্রাপ্তদের হাতে পুরস্কারের অর্থমূল্য, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা তুলে দেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এবং মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান। সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী’র শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনায় মধ্য দিয়ে সভা শুরু হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রয়াত গুণী ব্যক্তিদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব পাঠ এবং তাদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান ২০১৬-২০১৭ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন এবং একাডেমির সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ২০১৭-২০১৮ সালের বাজেট উপস্থাপন করেন। সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অ্যামেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। সাধারণ সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ সারাদেশ থেকে বাংলা একাডেমির ফেলো, জীবনসদস্য এবং সদস্যসহ দুই সহস্রাধিক বিশিষ্টজন অংশগ্রহণ করেন। সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ অনুষ্ঠিত ৩৯তম বার্ষিক সাধারণ সভার কার্যবিবরণী সারাদেশ থেকে আগত একাডেমির ফেলো, জীবনসদস্য ও সদস্যদের সম্মতিক্রমে অনুমোদন ঘোষণা করেন বার্ষিক সাধারণ সভা ২০১৭ এর সভাপতি এবং বাংলা একাডেমির সভাপতি অ্যামেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। পি
বাংলা একাডেমির ফেলোশিপ পেলেন ৭ গুণি
\'জীবন গেলে যাবে, আন্দোলন চলবে\'
এমপিওভুক্তির দাবিতে পঞ্চম দিনেও আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। দাবি আদায়ে রোববার থেকে আমরণ অনশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। গত পাঁচ দিন ধরে এমপিওভুক্তির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ব্যানারে। গত মঙ্গলবার থেকে খোলা আকাশের নিচে শীত আর মশার যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করে শিক্ষক-কর্মচারীরা এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, টানা পাঁচ দিন আন্দোলন চালিয়ে গেলেও আমাদের দিকে কেউ মুখ তুলে দেখছেন না। শিক্ষক-কর্মচারীরা নিজেদের অধিকার আদায়ে টানা পাঁচ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সবাই অর্ধাহার-অনাহারে দিন পার করছেন। এতে অনেকে অসুস্থ হয়েও পড়ছেন। তিনি আরও বলেন, গত পাঁচ দিন ধরে আমাদের খোলা আকাশে নিচে শীতের মধ্যে অনেক কষ্টে রাত পার করতে হচ্ছে। এতে অনেকেই দুর্বল হয়ে যাচ্ছেন। মানুষ গড়ার হাতিয়ারদের এমন নাজুক অবস্থার পরও সরকার আমাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তাই জীবন গেলে যাবে তবুও এ আন্দোলন চলবে। কাল থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা আমরণ অনশনে নামবেন বলেও জানান তিনি। এসজে
\'জীবন গেলে যাবে, আন্দোলন চলবে\'
আন্দোলনরত শিক্ষকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী / \'শীতের মধ্যে কষ্ট করে লাভ নাই, বাড়ি গিয়ে খাওয়াদাওয়া করেন\'
'শীতের মধ্যে এত কষ্ট করে লাভ নেই। আন্দোলন বাদ দিয়ে বাড়িতে গিয়ে খাওয়াদাওয়া করেন।'  আন্দোলনরত নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের উদ্দেশে এভাবেই বললেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।  শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের দাবিদাওয়া পূরণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সবচেয়ে বেশি সচেতন। আমরা চাই দেশের সব শিক্ষকই এমপিওভুক্ত (মাসিক বেতন-ভাতার সুবিধাপ্রাপ্ত) হোক। এ লক্ষ্যে আমাদের চেষ্টার কোনো কমতি নেই। কিন্তু বিষয়টি অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এখানে আমাদের করার কিছুই নেই। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেওয়ার আগে একটি লিখিত শর্তই থাকে ভবিষ্যতে শিক্ষকরা এমপিওভুক্তির জন্য কোনো ধরনের দাবিদাওয়া পেশ করতে পারবেন না। এমপিওভুক্তির জন্য ভবিষ্যতে আবেদন করা হবে না, মর্মে অঙ্গীকার করেই নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেওয়া হয়। কিন্তু অনুমোদনের পরই শিক্ষকরা তাঁদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে এমপিওভুক্তির জন্য আন্দোলন শুরু করেন। এতে মানবিক কারণেই সবাই শিক্ষকদের দাবিকে সমর্থন করেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এতে বাজেটে অর্থ বরাদ্দের বিষয় জড়িত। আমরা বাজেটের আগেই অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দেনদরবার করি। অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পেশ করি। এখন শিক্ষকরা নতুন করে আন্দোলন করছেন। এ আন্দোলনে কোনো ফল বয়ে আনবে বলে আমার মনে হয় না।’ জাতীয় প্রেসক্লাবের সমনে এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন করছেন নন-এমপিও শিক্ষকরা। আগামীকাল রোববার থেকে আমরণ অনশনের ডাক দিয়েছেন তাঁরা। এসজে
\'শীতের মধ্যে কষ্ট করে লাভ নাই, বাড়ি গিয়ে খাওয়াদাওয়া করেন\'
আরও পড়ুন
জাবিতে ৬ দিন দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধ