
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। এখন থেকে কোনো মাদরাসা যদি নিজে একটি পরীক্ষা কেন্দ্র হয়, তবে সেই মাদরাসার পরীক্ষার্থীরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানে (ভেন্যুতে) পরীক্ষা দিতে পারবে না। এর পরিবর্তে তাদের পার্শ্ববর্তী অন্য কোনো কেন্দ্রের ভেন্যুতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত কেন্দ্র কমিটির ১১৮তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যেসব উপজেলা ও জেলা শহর বা মহানগরীতে দুই বা ততোধিক পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে, সে এলাকার মাদরাসার পরীক্ষার্থীরা নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে কাছের অন্য কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে।
যেসব এলাকায় তিনটি বা তার বেশি কেন্দ্র রয়েছে, এরই মধ্যে তাদের জন্য একটি খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে মাদরাসা বোর্ড। প্রকাশিত তালিকায় ভালুকা, রূপগঞ্জ, কাপাসিয়া, মাদারীপুর, কালকিনি, নান্দাইল, জামালপুর, বাগমারা, শেরপুর, জয়পুরহাট, গোবিন্দগঞ্জ, রংপুর, পার্বতীপুর, ঠাকুরগাঁও, কয়রা, ডুমুরিয়া, আশাশুনি, যশোর, বরিশাল, বাকেরগঞ্জ, ভান্ডারিয়া, ভোলা, চরফ্যাশন, পটুয়াখালী, দুমকী, বাউফল, কলাপাড়া, বরগুনা, চট্টগ্রাম মহানগরী, রাউজান, ফটিকছড়ি, বাঁশখালী, কক্সবাজার, বেগমগঞ্জ, হাতিয়া, সেনবাগ, লক্ষ্মীপুর, চৌদ্দগ্রাম, মুরাদনগর, বরুড়া, দেবিদ্বার, বুড়িচং, নাঙ্গলকোট, দাউদকান্দি, ব্রাহ্মণপাড়া, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর সদর, কচুয়া, হাজীগঞ্জ, কসবা ও ছাতক উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, প্রকাশিত এ খসড়া তালিকায় কোনো মাদরাসার আপত্তি থাকলে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে নির্দিষ্ট ইমেইলে ([email protected]) তাদের মতামত জানাতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্যই মাদরাসার ইআইআইএন নম্বর জানাতে হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরটিভি/ এমএ


