ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে চালু হচ্ছে নতুন দুই বিষয়

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
ছবি: সংগ্রহীত

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে দুটি করে নতুন বিষয় চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক স্তরের চতুর্থ শ্রেণিতে ‘স্পোর্টস’ এবং ‘কালচার’ নামে দুটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষা এবং ‘টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন’ নামে আরও দুটি নতুন বিষয় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে শুধু সনদনির্ভর না রেখে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিকতা, সৃজনশীলতা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও কর্মমুখী দক্ষতাভিত্তিক করার লক্ষ্যে সরকারের ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা যেখানে সমতা, ন্যায্যতা এবং সুযোগের সমবণ্টন নিশ্চিত হবে। শহর ও গ্রামের শিক্ষার মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য কমিয়ে এনে দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য সমান মানের শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, সরকার এমন শিক্ষা ব্যবস্থা চায়, যা শুধু পরীক্ষার ফলাফল বা সনদ অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে নাগরিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা, পারিবারিক শিক্ষা ও শৃঙ্খলাবোধ গড়ে তুলবে। এ লক্ষ্যেই দেশের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গার্লস গাইড, বিএনসিসি, রোভার স্কাউটসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে দেশব্যাপী ক্রীড়া, সংস্কৃতি, বিতর্ক, বিজ্ঞান মেলা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ইনোভেশন এবং বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

মাহদী আমিন বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলগত কাজের দক্ষতা, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ এবং কর্মজীবনমুখী দক্ষতা গড়ে তোলাই এসব উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য। পাশাপাশি অষ্টম শ্রেণি থেকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ল্যাব স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষাকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং হাতে-কলমে শেখার সুযোগ বাড়ানো হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য আরও প্রস্তুত হয়ে উঠবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা, দাবি করা হচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা করছে একটি চক্র। বিকাশ, নগদ ও রকেটের এজেন্ট কিংবা স্থানীয় দোকানদারের পরিচয় ব্যবহার করে ফোনে জাল নোট লেনদেনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। পরে থানায় মামলা করার হুমকি দিয়ে চক্রটি দাবি করছে বড় অঙ্কের টাকা।
যবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে টার্গেট করে প্রতারণার চেষ্টা, দাবি করা হচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা
বেরোবিতে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’ উদ্‌যাপন
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) মার্কেটিং বিভাগের আয়োজন এবং ‘মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ’ (এমআইবি)-এর উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়েছে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’।
বেরোবিতে ‘নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং দিবস’ উদ্‌যাপন
রাবিতে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই বিভাগের তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।  আহত শিক্ষার্থীরা হলেন— নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মো. আলী চৌধুরী আবিদ ও শাওন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের তানভীর হোসাইন। প্রত্যক্ষদর্শী ও দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভবনটির সামনে ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।  এক পক্ষের দাবি, কয়েক দিন আগে তারা সেখানে কোর্ট তৈরির জন্য বাঁশ পুঁতে জায়গা নির্ধারণ করে রেখেছিলেন। পরে অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা একই জায়গায় কোর্ট তৈরির উদ্যোগ নিলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি থেকে মারামারির ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আহত এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। এ সময় ব্যাডমিন্টন কোর্টের বাঁশ দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়। এতে তার নাক ও চোখের নিচে আঘাত লাগে এবং নাক দিয়ে রক্তপাত হয়। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।  ওই শিক্ষার্থীর দাবি, কয়েক দিন আগে তারা সেখানে কোর্ট তৈরি করেছিলেন। অন্য পক্ষের কোর্ট তৈরির দাবির পক্ষে কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন বা প্রমাণ ছিল না। অন্যদিকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা কোর্ট তৈরি করব বলে সেখানে বাঁশ পুঁতে জায়গাটি নির্ধারণ করে রেখেছিলাম। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অ্যালামনাই অনুষ্ঠানের কারণে সেখানে আরও কিছু বাঁশ পোঁতা হয়। পরে অনুষ্ঠান শেষে তাদের বাঁশের সঙ্গে আমাদের বাঁশও তুলে নেওয়া হয়। এরপর আমাদের নির্ধারিত জায়গায় তারা কোর্ট তৈরি করতে চায়। বিষয়টি জানালে তারা মেনে নেওয়ার কথা বলে।  ‘কিন্তু আজ আমাদের বিভাগের কয়েকজন জুনিয়র কোর্ট তৈরি করতে গেলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মারধর করেন। পরে প্রক্টর স্যার এসে বিষয়টি মীমাংসা করলে আমরা চলে যেতে চাই। এ সময় আবারও আমাদের ওপর হামলা করা হয়।’ এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক এএইচএম খুরশিদ আলম বলেন, এ ঘটনায় মোট তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনের নাকে আঘাত লেগেছে, একজনের মাথায় সামান্য ক্ষত হয়েছে এবং অন্যজনের হাতে ব্যথা পেয়েছেন। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।  ‘হাতে আঘাত পাওয়া শিক্ষার্থীর হাড় ভাঙার আশঙ্কায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে এক্স-রে করানো হয়। তবে পরীক্ষার ফল স্বাভাবিক এসেছে। মাথায় আঘাত পাওয়া শিক্ষার্থীর ক্ষতেও ব্যান্ডেজ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনজনই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ আবাসস্থলে ফিরেছেন। তাদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক স্বপ্নিল রহমান বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আলোচনায় বসেছেন। এখনো ঘটনার চূড়ান্ত মীমাংসা হয়নি। আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  আরটিভি/এসআর  
রাবিতে ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরি নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন নারী শিক্ষার্থীরা, ঘটনা কী
রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের (সাবেক হোম ইকোনমিকস কলেজ) অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মেহেরুন্নেছার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রশাসনিক ভবনে তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে একপর্যায়ে কক্ষে তালা দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করেন তারা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত প্রায় আট ঘণ্টা ধরে অধ্যক্ষ কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একটি বিদায় অনুষ্ঠান নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি চলায় দুই আবাসিক শিক্ষার্থীর আসন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে আসন ফিরিয়ে দেওয়ার শর্ত হিসেবে অডিটোরিয়ামের এক রাতের বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা দাবি করা হয়। এসব সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অধ্যক্ষের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন তারা। বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীদের ‘দফা এক দাবি এক, প্রিন্সিপালের পদত্যাগ’ এবং ‘প্রিন্সিপালের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পূজার ছুটির আগে কলেজ অডিটোরিয়ামে তিনটি আবাসিক হলের পাঁচ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি রাত ১০টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা থাকলেও শিক্ষার্থীদের অনুরোধে সময় বাড়িয়ে রাত ১২টা করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠান শেষ হতে ভোর ৪টা থেকে ৫টা বেজে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী দুই শিক্ষার্থীর আবাসিক হলের আসন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন অধ্যক্ষ। শিক্ষার্থীদের দাবি, পরে তারা অধ্যক্ষের কাছে ক্ষমা চাইতে গেলে আসন ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক রাতের এসি ও বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়।  এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানাতে বৃহস্পতিবার সকালে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান তারা। কলেজের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স প্রথম পর্বের শিক্ষার্থী তাবাসসুম বলেন, দুই শিক্ষার্থীর আসন বাতিলের সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক মনে করেই তারা প্রতিবাদ শুরু করেছেন।  আরটিভি/এসআর  
অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন নারী শিক্ষার্থীরা, ঘটনা কী
বেরোবি কর্মকর্তাদের মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন 
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যের কার্যালয়ে এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বেরোবি কর্মকর্তাদের মারধরের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন 
আরও পড়ুন
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি, এইচএসসি পাসেও আবেদনের সুযোগ 
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করিডোরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল ৩ সাপ, অতঃপর...
বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক সমন্বিত স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়তে চায় সরকার: মাহ্দী আমিন
এবার বড় সুখবর পেলেন ১ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষক