ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৩ এএম
অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ সীমিত করার পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় পরিবর্তন আনছে দেশটির সরকার। নতুন ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার সুযোগ সীমিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অস্থায়ী ভিসাধারীদের এক ভিসা থেকে অন্য ভিসায় গিয়ে দেশটিতে থাকার সুযোগও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে অভিবাসন নীতিতে এসব পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। সরকারের লক্ষ্য, বর্তমানে বছরে প্রায় ৩ লাখ থাকা নিট বিদেশি অভিবাসন ২০২৮ সালের মধ্যে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সময় স্বামী-স্ত্রী বা সঙ্গী এবং ১৮ বছরের কম বয়সী সন্তানদের অস্ট্রেলিয়ায় নিতে পারেন। শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধরন অনুযায়ী তার সঙ্গীর কাজ করার সুযোগও রয়েছে।

তবে নতুন ব্যবস্থায় অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ভরশীল হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার সুযোগ বন্ধ বা ব্যাপকভাবে সীমিত করা হবে। কিছু নির্দিষ্ট দেশের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সীমিত ছাড় রাখা হয়েছে।

গত অর্থবছরে অস্ট্রেলিয়া ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৪২৭টি শিক্ষার্থী ভিসা দিয়েছে। এর মধ্যে ৪৫ হাজার ৯৯১টি ভিসা ছিল শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্য বা নির্ভরশীলদের জন্য।

অস্থায়ী ভিসাধারীদের একটি ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অন্য ভিসায় গিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় থাকার প্রবণতাও কমাতে চায় সরকার। এ জন্য ভিসা পরিবর্তন, মেয়াদ বাড়ানো এবং কিছু ক্ষেত্রে দেশটির ভেতর থেকে নতুন ভিসার আবেদন করার সুযোগ আরও কঠোর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সরকারের নতুন পদক্ষেপের মধ্যে পর্যটক ভিসাধারীদের অন্য ধরনের ভিসায় পরিবর্তনের সুযোগ সীমিত করার ব্যবস্থাও রয়েছে।

করোনা মহামারির পর ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়া সীমান্ত খুলে দেওয়ার পর দেশটিতে অভিবাসন দ্রুত বেড়ে যায়। ২০২৩ সালে নিট বিদেশি অভিবাসন রেকর্ড ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছায়।

এরপর সংখ্যা কমতে শুরু করে। ২০২৪ সালে তা ৪ লাখ ২৯ হাজারে এবং ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে ৩ লাখ ৬ হাজারে নেমে আসে। সরকার আগামী কয়েক বছরে এই সংখ্যা আরও কমিয়ে ২০২৮ সালের মধ্যে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনতে চায়।

সরকারের ভাষ্য, আবাসন ও অবকাঠামোর ওপর চাপ কমানো এবং অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও নিয়ন্ত্রিত করতেই এসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা খাত দেশটির অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখলেও নতুন অভিবাসন নীতিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রবেশের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

সূত্র: রয়টার্স


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে ইবি শিক্ষার্থীদের ম্যারাথন
‘তুফানুল আকসা’র ৩ বছর অতিক্রম হওয়ায় গাজাসহ বিশ্বের সকল নির্যাতিত মুসলিম জনগোষ্ঠীর প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দুই শিক্ষার্থী ২৬ কিলোমিটার ম্যারাথন সম্পন্ন করেছেন। তারা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দা’ওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার মুন ও আহমাদ জামিল। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে ‘Steps of Solidarity’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ার হরিপুর ব্রিজ থেকে ম্যারাথন শুরু করেন তারা। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে তারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছান। ‘তুফানুল আকসা’ হলো—২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা ও অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলের সীমান্ত এলাকায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামাস বাহিনী পরিচালিত একটি ঐতিহাসিক ও ব্যাপক সামরিক অভিযান। আয়োজকদের ভাষ্যমতে, ‘তুফানুল আকসা’র তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে গাজাসহ বিশ্বের সকল নির্যাতিত মুসলিম জনগোষ্ঠীর প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং নিপীড়ন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এ ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়। তাদের মতে, বিশ্বের মুসলমানরা এক দেহ-এক প্রাণ। গাজায় নির্যাতিত মানুষের কষ্ট এবং নারী ও শিশুদের দুর্ভোগ তাদেরও ব্যথিত করে। ম্যারাথনে অংশ নেওয়া শাহরিয়ার মুন বলেন, ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনে নিরীহ শিশু, নারী ও জনগণের ওপর যে গণহত্যা চালায়, সে মিশনের নাম তারা দিয়েছিল ‘আল-আকসা ফ্লাড’ অভিযান। যার মর্মান্তিকতা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। We are here for Gaza. We are here for the innocent people who are suffering. তিনি আরও বলেন, আমাদের আজকের আয়োজনটা শুধু গাজাকে কেন্দ্র করে নয়, আমরা পৃথিবীর সকল নির্যাতিত মুসলিম জনগোষ্ঠীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। অপর অংশগ্রহণকারী আহমাদ জামিল বলেন, ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে গাজায় হত্যাকাণ্ড চলছে। এখানে এভাবে বলার কোনো সুযোগ নেই যে, ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে স্বাধীনতাকামী সংগঠনের হামলার পর থেকে হত্যাকাণ্ড শুরু হয়েছে। প্ল্যাটফর্মটি চেয়েছিল পৃথিবীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে, জানাতে চেয়েছিল গাজার জনগণ বাকিদের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে না। তিনি আরও বলেন, সবার চোখের সামনে তিন বছরে ৭৪ হাজার মানুষকে হত্যা করা হলো, ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা মানুষের সংখ্যা তো অজানাই রয়ে গেল। গাজা প্রমাণ করে দিল—পৃথিবীর কোনো কেন্দ্রীয় শক্তি নেই এবং আমাদের বিবেক ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা এই নৃশংসতার দ্রুত অবসান চাই। আরটিভি/টিআর
গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে ইবি শিক্ষার্থীদের ম্যারাথন
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বিভাগের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বিভাগের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গত শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯১তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত পরিসংখ্যান বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ‘পরিসংখ্যান এবং উপাত্ত বিজ্ঞান’ করা হবে। আর সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত ফোকলোর বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ‘ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ’ নামকরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ থেকে কার্যকর হবে। চাকরির সুযোগ বৃদ্ধি ও যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে বিভাগ দুটির নামের সঙ্গে বিভাগ-সংশ্লিষ্ট বিষয় যুক্ত করে নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে তারা উপাচার্য ও ডিনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২৭ নভেম্বর ৯০তম সিন্ডিকেট সভায় বিভাগ দুটির নাম পরিবর্তন উপযুক্ত কি না, তা যাচাই করতে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ৯১তম সিন্ডিকেট সভায় নাম পরিবর্তনের বিষয়টি অনুমোদিত হয়। পরিবর্তিত নামের সঙ্গে বিভাগের কারিকুলামও পরিবর্ধন করা হলে যুগোপযোগী জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি চাকরির বাজারে শিক্ষার্থীরা এগিয়ে থাকবেন বলে মনে করছেন তারা। পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসেন বলেন, দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডেটা সায়েন্সে আমাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়বে। পাশাপাশি এই অটোমেশনের যুগে আমরাও এগিয়ে থাকব। বিভাগে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য এটি সুফল বয়ে আনবে। প্রশাসনকে যথাযথ সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ফোকলোর বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের কাজ সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে। কিন্তু বিভাগের নামে এটি উল্লেখ না থাকায় চাকরির বাজারের অনেক জায়গায় আবেদনের সুযোগ পেতাম না আমরা। নামের এই পরিবর্তন আমাদের এগিয়ে রাখবে বলে বিশ্বাস করি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আরটিভি/টিআর
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বিভাগের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত
বিশ্ব সেরা গবেষকের তালিকায় চুয়েটের ছয় শিক্ষক
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার। গত বুধবার প্রকাশিত স্ট্যানফোর্ড-এলসেভিয়ারের এ বৈশ্বিক তালিকায় স্থান পেয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয়জন শিক্ষক। গত বছর চুয়েটের চারজন শিক্ষক এ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছিলেন। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে ছয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বছর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন, রসায়ন বিভাগের একজন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের একজন শিক্ষক তালিকায় স্থান পেয়েছেন। তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আশরাফ আলী রয়েছেন সবার ওপরে। ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে তার অবস্থান ১ হাজার ৪১৮তম। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৮৮টি। একই বিভাগের অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিনের ৮৭টি গবেষণাপত্র রয়েছে। এ উপক্ষেত্রে তার বৈশ্বিক অবস্থান ৪ হাজার ৫৪১তম। আর অধ্যাপক মো. মুক্তার হোসাইনের ৮১টি গবেষণাপত্র রয়েছে এবং ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে তার অবস্থান ৫ হাজার ১১৯তম। রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ইউনুস আহমেদ সাধারণ রসায়ন উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ৪২৬তম অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৩৪টি। অন্যদিকে, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সামিত মজুমদার বিশ্লেষণাত্মক রসায়ন উপক্ষেত্রে ৯৪১তম অবস্থানে রয়েছেন। তার গবেষণাপত্রের সংখ্যা ২০টি। এ ছাড়া যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া নির্ভরযোগ্য শক্তিবিষয়ক উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে ৭ হাজার ৩৫০তম অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৪৪টি। শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষক নির্ধারণে শুধু গবেষণাপত্রের সংখ্যা নয়, গবেষণার প্রভাব ও সাইটেশনকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে মোট সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, সহলেখকের সংখ্যা বিবেচনায় সমন্বিত এইচএম-ইনডেক্স, একক লেখক হিসেবে প্রকাশিত গবেষণার সাইটেশন এবং প্রথম ও শেষ লেখক হিসেবে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সাইটেশন—এই ছয়টি সূচকের ভিত্তিতে গবেষকদের সি-স্কোর নির্ধারণ করা হয়। স্কোপাস ডেটাবেজে সংরক্ষিত বিশ্বের বিপুলসংখ্যক গবেষকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দুটি মানদণ্ডের যেকোনো একটি পূরণকারী গবেষকদের শীর্ষ ২ শতাংশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর একটি হলো সি-স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের শীর্ষ এক লাখ বিজ্ঞানীর মধ্যে থাকা। অন্যটি হলো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক উপক্ষেত্রের গবেষকদের মধ্যে শীর্ষ ২ শতাংশে অবস্থান করা। এ মূল্যায়নে বিজ্ঞানজগতকে ২২টি প্রধান ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে ভাগ করে গবেষকদের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। এ বছর বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একাধিক গবেষকও এ বৈশ্বিক তালিকায় স্থান পেয়েছেন। ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার প্রভাব বিবেচনায় দেশের ৮৮টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৪৭ জন গবেষক তালিকাভুক্ত হয়েছেন। আরটিভি/টিআর
বিশ্ব সেরা গবেষকের তালিকায় চুয়েটের ছয় শিক্ষক
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: নির্ধারিত সময়ে জমা হয়নি তদন্ত প্রতিবেদন
নির্ধারিত সময় পার হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা হয়নি। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম। উপাচার্য বলেন, আমরা তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছি। শুনেছি, প্রতিবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমরা সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখছি। তবে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা হতে মধ্যরাত বা শেষ রাত হতে পারে। যদি মধ্যরাত পেরিয়ে যায়, তাহলে আগামীকাল প্রতিবেদনের সুপারিশ প্রকাশ করা হবে। এরপর আমরা কাল অফিস খুলে তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ ঘোষণা করব। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়ে কমিটির আহ্বায়ক প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম-২ বলেন, প্রতিবেদনের খসড়া সংশোধন এবং এর সঙ্গে কিছু সংযুক্তির কাজ চলছে। আমরা আশা করছি, রাতের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দিতে পারব। এর আগে গত সোমবার দিবাগত রাত ২টার সময় ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে এ আশ্বাস দেন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তরের কথা থাকলেও এখনো জমা হয়নি। উপাচার্যের দেওয়া আশ্বাসের ৭২ ঘণ্টা সময় শেষ হবে আজ রাতে। এ সময় সাংবাদিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হামলার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ ডিলিট করার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষকে অব্যাহতি দেন উপাচার্য। বর্তমানে ওই হলের আবাসিক শিক্ষক মো. মতিউর রহমান ভারপ্রাপ্ত প্রাধ্যক্ষের দায়িত্বে রয়েছেন। প্রশাসনিক কার্যক্রমে অভিজ্ঞ এমন কাউকেই প্রাধ্যক্ষ নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য। এতে এক থেকে দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলেও জানান তিনি। সাংবাদিকদের অন্যতম দাবি ছিল, হামলায় চিহ্নিত ব্যক্তিদের নামে মামলা করতে হবে। সাংবাদিকদের দাবির মধ্যে আরও ছিল, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে রাতেই জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে জড়িতদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে। এ ছাড়া যাঁদের পড়াশোনা শেষ হয়েছে, তাদের সনদ বাতিল করতে হবে। উপাচার্য এসব দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। উল্লেখ্য, গত রোববার রাতে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় ছাত্রদলের ১০ থেকে ১২ জন নেতাকর্মী জড়িত ছিলেন। আহত সাংবাদিকেরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আরটিভি/টিআর
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: নির্ধারিত সময়ে জমা হয়নি তদন্ত প্রতিবেদন
জবির দুই অধ্যাপক হলেন সিন্ডিকেট সদস্য
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সিন্ডিকেটে সদস্য হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে মনোনয়ন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (৮ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তারা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫-এর ১৭(১)(চ) ও ১৭(২) ধারা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ক্যাটাগরিতে ওই দুই শিক্ষককে সদস্য হিসেবে দুই বছরের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/টিআর
জবির দুই অধ্যাপক হলেন সিন্ডিকেট সদস্য