
আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে বিশ্বের শীর্ষ ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে থাকা বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে শাখা খুলতে চাইলে অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ঢাকাস্থ কচুয়া উপজেলা সমিতি আয়োজিত ‘কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে ক্রস বর্ডার এডুকেশন সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিশ্বের ৫০০টি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে থাকা কোনো বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে শাখা খুলতে চাইলে তাদের অনুমোদন দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হবে।
এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশে এলে দেশের শিক্ষার্থীরা দেশেই আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে।
অনুষ্ঠানে পাঠ্যপুস্তকের মান নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, নিম্নমানের বই সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে। পাঠ্যবইয়ের মানের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। ইতোমধ্যে নিম্নমানের পাওয়া বই বাতিল ও নষ্ট করা হয়েছে।
কচুয়ার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দক্ষ জনবল তৈরিতে কারিগরি ও উৎপাদনমুখী শিক্ষার বিকল্প নেই। কচুয়ার শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কচুয়ার প্রতিটি সেক্টরের উন্নয়নে ‘শেডো মিনিস্টার’ ও কমিটি গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীর আলম প্রধান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নাজমুন নাহার বেবি। এ ছাড়া কচুয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষাবিদ, কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কচুয়ার কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাও দেওয়া হয়।
আরটিভি/ এসকেডি




