ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

এইচএসসিতে যশোর বোর্ডের ফলাফলে এগিয়ে মেয়েরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ এএম
ফল প্রকাশের পর উল্লাস করছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। পুরোনো ছবি

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। তবে বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা আগের তুলনায় কমেছে। এ বছর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২২৮ জন শিক্ষার্থী। সামগ্রিক ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জনে মেয়েদের এগিয়ে থাকা ফলাফলের অন্যতম ইতিবাচক দিক।

এদিকে, বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগ শীর্ষে এবং জেলাভিত্তিক ফলাফলে যশোর জেলা প্রথম স্থান অর্জন করেছে। এ ছাড়া তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) ফলাফল ঘোষণা করে এসব তথ্য জানান যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ১০ জেলার ৫৭১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২৪০টি কেন্দ্রে মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৫১০ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল। পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ১২ হাজার ৭৯১ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫০ হাজার ৬৬৮ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কৃত হয়েছে ৪৩ জন পরীক্ষার্থী।

ফলাফলে ছাত্রীদের এগিয়ে থাকার ধারাবাহিকতা
এবারও যশোর বোর্ডের ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ভালো করেছে। ৫৪ হাজার ৮১১ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে ২১ হাজার ৫০২ জন। পাসের হার ৩৯ দশমিক ২৩ শতাংশ। অন্যদিকে ৫৭ হাজার ৯৮০ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছে ২৯ হাজার ১৬৬ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫০ দশমিক ৩০ শতাংশ।

জিপিএ-৫ অর্জনেও এগিয়ে ছাত্রীরা। মোট ৩ হাজার ২২৮ জন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী ১ হাজার ৮৭০ জন এবং ছাত্র ১ হাজার ৩৫৮ জন। অর্থাৎ মেধার স্বীকৃতিতেও মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।

বিজ্ঞান বিভাগে সাফল্যের চিত্র উজ্জ্বল
বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগ সবচেয়ে ভালো করেছে। এ বিভাগে ২১ হাজার ৬৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৫ হাজার ১৬৭ জন। পাসের হার ৭০ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৮৫৮ জন।

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১২ হাজার ১১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ হাজার ৩১০ জন। পাসের হার ৪৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৫ জন।

মানবিক বিভাগে ৭৯ হাজার ১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩০ হাজার ১৯১ জন। পাসের হার ৩৮ দশমিক ২১ শতাংশ। এ বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১৬৫ জন।

জেলাভিত্তিক ফলাফলে শীর্ষে যশোর
জেলাভিত্তিক ফলাফলে পাসের হারে বোর্ডের ১০ জেলার মধ্যে প্রথম হয়েছে যশোর। এ জেলায় পাসের হার ৫২ দশমিক ৯৪ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে খুলনা, পাসের হার ৪৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ। চুয়াডাঙ্গায় ৪৬ দশমিক ১৩, কুষ্টিয়ায় ৪৫ দশমিক ৩৮, সাতক্ষীরায় ৪৩ দশমিক ৪৫, ঝিনাইদহে ৪১ দশমিক ৯৮, মেহেরপুরে ৪০ দশমিক ৭৬, বাগেরহাটে ৩৮ দশমিক ৮৬ এবং মাগুরায় ৩৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। নড়াইল জেলায় পাসের হার ৩৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ
বোর্ড সচিব প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন জানান, ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার কারণে এ বছর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জিত হয়নি। এ বছর ইংরেজিতে পাসের হার ৫৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ। অন্যদিকে বাংলায় ৮৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং আইসিটিতে ৫৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষকের স্বল্পতাও ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি।

প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন বলেন, এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে আন্তঃবোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে আগামীতে শিক্ষার্থীদের ফলাফলের উন্নতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

শতভাগ পাস তিন প্রতিষ্ঠানে
এ বছর যশোর বোর্ডের অধীনে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ খুলনা এবং চুয়াডাঙ্গার ব্রাইট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

এর মধ্যে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ৪৩ জন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ খুলনার ৬১ জন এবং ব্রাইট মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ জন পরীক্ষার্থী সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে।
তবে বিপরীতে ১৬টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ড সচিব।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বক্তব্য ও ফলাফলের কারণ বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে অধিভুক্তি নবায়ন বন্ধের উদ্যোগও নেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত বছর যশোর বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫০ দশমিক ২০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৫ হাজার ৯৯৫ জন। এ বছর পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশে এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ৩ হাজার ২২৮ জন। তবে ছাত্রীদের সাফল্য, বিজ্ঞান বিভাগের ভালো ফল ও যশোর জেলার শীর্ষস্থান এবারের ফলাফলে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক দিক। সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এইচএসসির ফল / সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অসাধারণ সাফল্য
এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। 
সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অসাধারণ সাফল্য
এইচএসসিতে ক্যাডেট কলেজগুলোর ঈর্ষণীয় ফলাফল
এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা চমকপ্রদ ফল অর্জন করেছে। ১২টি ক্যাডেট কলেজ থেকে ৫৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৩৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে, পাসের হার শতভাগ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার ৯৪ দশমিক ২০ শতাংশ।
এইচএসসিতে ক্যাডেট কলেজগুলোর ঈর্ষণীয় ফলাফল
শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক: ডা. শফিকুর
বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতীতে শিক্ষাঙ্গনগুলো গণরুম, গেস্টরুম কালচার ও অপসংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু ছিল। আমাদের শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা এবং গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক। আমরা এগুলাকে স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে চাই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে আয়োজিত পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসূচিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে আমির বলেন, আগস্টের পর বাংলাদেশের পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। তার ধারে কাছেও অন্যরা আসতে পারে নাই। ​কেন ছাত্রশিবিরকে এতো ভালোবাসে ছাত্রজনতা? তার একমাত্র কারণ হচ্ছে— ছাত্রশিবিরের জ্ঞানকে, শিক্ষাকে, প্রজ্ঞাকে সম্মান করে। ইবিতে নির্বাচনে হলে কি চিত্র হতো? নিশ্চয় একই চিত্র দেখা যেত। ষড়যন্ত্র করে এখানে নির্বাচন দেওয়া হয়নি। ডা. শফিকুর বলেন,​যে সমস্ত জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন হয়েছে, সব জায়গা থেকে সারা জীবনের জন্য গণরুম বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। ​এখন ছাত্র-ছাত্রীরা শান্তিতে, মেধার ভিত্তিতে— তারা হলে সম্মানের সহিত নিরাপত্তা ও গৌরবের সাথে থাকতে পারে। এখন তারা লেখাপড়ায় মনোযোগ দেয়, কারণ মিছিলে যাইতে কাউকে বাধ্য করা হয় না। শফিকুর রহমান বলেন, সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাই যেখানে সুশিক্ষা হাতে নিয়ে আমাদের সন্তানেরা একদিন এক মুহূর্তও বেকারের দুঃখ বুঝবে না, বরঞ্চ দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করবে— সেই শিক্ষাটাই আমরা আমাদের সন্তানদেরকে দিতে চাই।​যারা এটা চায় না, তারাই গণভোটের পুনরাবৃত্তি মানতেও চায় না। অন্যায় ও আধিপত্যবাদের কাছে তারা কখনো মাথা নত করবেন না এবং মাথা সোজা করেই এ জাতি সামনে এগিয়ে দাঁড়াবে। আরটিভি/এসআর  
শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার কেন্দ্রে পরিণত হোক: ডা. শফিকুর
এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় না ফেরার দেশে ছেলে, ফল দেখে কাঁদলেন বাবা
এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মিনহাজুল ইসলাম রোজান। তবে জীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার আগেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন এই শিক্ষার্থী। কিন্তু ছেলের ফলাফল দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা সাজ্জাদুল মিরাজ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, জীববিজ্ঞান ছাড়া অন্য বিষয়গুলোতে জিপিএ ৪ দশমিক ৩৩ পেয়েছেন রোজান। তবে জীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারায় এ বিষয়ে তাকে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। রোজান ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ১২ আগস্ট এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে হাসপাতালে টানা ১০ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ছেলের ফল প্রকাশের দিনে স্মৃতিকাতর হয়ে বাবা সাজ্জাদুল মিরাজ বলেন, ছেলের ফলাফল বের হয়েছে। আজ ওর কথা খুব মনে পড়ছে। অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে ও দুটি ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। পরীক্ষা দিতে পারলে ওর ফলাফল আরও ভালো হতো। স্কুলের এক শিক্ষক রোজানের ফলাফলের কপি তার বাবার কাছে পাঠান। ফল দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাজ্জাদুল মিরাজ। তিনি জানান, চতুর্থ বিষয় বাদ দিয়ে রোজানের জিপিএ ৪ দশমিক ৩৩ হয়েছে। জীববিজ্ঞানের ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এ বিষয়ে এ প্লাস পেলে তার চূড়ান্ত জিপিএ হতো ৪ দশমিক ৮৩। ছেলের অসুস্থতা ও মৃত্যুর আগের ঘটনাগুলো নিয়েও আক্ষেপ রয়েছে পরিবারের। তার মা ফাহমিদা আক্তার জানান, পরীক্ষার চাপের পাশাপাশি রোজানের ডায়াবেটিস ছিল, যা তারা আগে জানতেন না। এর আগে, গত ৬ আগস্ট অসুস্থ হওয়ার পর রোজানকে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের কেউ পরীক্ষার দুশ্চিন্তা থেকে অসুস্থ হওয়ার কথা বলেন, কেউ প্যানিক অ্যাটাকের কথা জানান। আবার কেউ মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে বলেন। পরিবারের অভিযোগ, তখন ডায়াবেটিসসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা না করেই স্যালাইন ও ঘুমের ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়েছিল। পরে ১৩ আগস্ট রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় রোজানের রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে ৩৮ মিলিমোল/লিটারে পৌঁছায়। সেদিনই প্রথম ছেলের ডায়াবেটিসের বিষয়টি জানতে পারেন তার মা-বাবা। আরটিভি/এসআর
এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় না ফেরার দেশে ছেলে, ফল দেখে কাঁদলেন বাবা
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, জেনে নিন নিয়ম
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে প্রায় ছয় লাখ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। অনেক শিক্ষার্থী প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়তো ফল পাননি। তারা চাইলে ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারেন।
এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, জেনে নিন নিয়ম
আরও পড়ুন
সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অসাধারণ সাফল্য
এইচএসসিতে ক্যাডেট কলেজগুলোর ঈর্ষণীয় ফলাফল
উপজেলায় জিপিএ-৫ মাত্র দুই, দুজনই যমজ বোন
এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় না ফেরার দেশে ছেলে, ফল দেখে কাঁদলেন বাবা