ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

রাবির হরিজন পল্লীতে গর্ভবতী মায়েদের পাশে দুই সংগঠন

রাবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
ছবি: আরটিভি

পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সবুজ ও বাসযোগ্য সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) মহিলা ক্লাব ও রোটারি ক্লাব অব মেট্রোপলিটন রাজশাহীর যৌথ উদ্যোগে হরিজন পল্লীতে বসবাসকারী গর্ভবতী নারী, শিশু ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বৃক্ষরোপণ, পুষ্টি বক্স এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বুধপাড়া হরিজন কলোনির মন্দির মাঠে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ৬ জন গর্ভবতী নারীকে পুষ্টি বক্স এবং সন্তানসম্ভবা আরও ১০ জন নারীর মাঝে ফলমূল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শতাধিক শিশুর মাঝে শিক্ষা উপকরণ, জুস এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

এ ছাড়া স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেন মহিলা ক্লাব ও রোটারি ক্লাবের সদস্যরা। এ সময় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা এবং সবুজায়নের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মহিলা ক্লাবের সভাপতি সানজিদা আহমেদ বলেন, শিক্ষা ও পরিবেশ—এই দুই শক্তির সমন্বয়েই একটি মানবিক, সচেতন ও টেকসই সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। ভবিষ্যতেও সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।

তিনি আরও বলেন, সমাজের প্রতিটি মানুষ যেন সমান সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে, সে লক্ষ্যেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মহিলা ক্লাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে হরিজন পল্লীর শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা, তাদের সুন্দর ও আনন্দময় পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

রোটারি ক্লাব অব মেট্রোপলিটন রাজশাহীর সভাপতি এ কে এম এনামুল হক বলেন, রোটারির মূল দর্শনই হলো মানবসেবা। সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। বিশেষ করে যারা বাবা হতে যাচ্ছেন, তাদের প্রতি আমার আহ্বান— তারা যেন নিজেদের স্ত্রীদের প্রতি সহমর্মী, দয়াশীল ও সম্মানজনক আচরণ করেন। একজন মা যদি পরিবার থেকে যথাযথ সম্মান, ভালোবাসা ও সহযোগিতা না পান, তবে তার পক্ষে একজন সুস্থ ও আত্মবিশ্বাসী মা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা কঠিন হয়ে পড়ে।

মহিলা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুসরাত জাহান রানি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মহিলা ক্লাব ও রোটারি ক্লাব অব মেট্রোপলিটন রাজশাহীর যৌথ উদ্যোগে আমরা একটি সেবামূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি। সমাজে হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা বৈষম্য ও অবহেলার শিকার। সেই বিভেদ দূর করে সবাইকে এক কাতারে আনার লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ।

রোটারি ক্লাব অব মেট্রোপলিটন রাজশাহীর পাস্ট প্রেসিডেন্ট (পিপি) রোটারিয়ান শাহনাজ পারভীন বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মহিলা ক্লাব ও রোটারি ক্লাব অব মেট্রোপলিটন, রাজশাহীর যৌথ উদ্যোগে হরিজন পল্লীতে একটি ব্যতিক্রমধর্মী সামাজিক সেবামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় বৃক্ষরোপণ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, খাদ্যসামগ্রী প্রদান এবং সন্তানসম্ভবা মায়েদের মাঝে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের কল্যাণে কাজ করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সেমিনারের প্রোগ্রাম চেয়ার ছিলেন রোটারিয়ান ডা. শিখা বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মহিলা ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ শাকিলা হোসেন, সহ-সম্পাদক প্রফেসর ড. শামীমা নাসরিন সীমা ও নুরুন্নাহার ইতি, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শাহনাজ মহল, বিথি বিশ্বাস, রুমানা জান্নাত ও সূচনা ইসলামসহ ক্লাবের সাধারণ সদস্যবৃন্দ। তাদের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

আরও পড়ুন

রোটারি ক্লাব অব মেট্রোপলিটন রাজশাহীর পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সেক্রেটারি রোটারিয়ান খন্দকার ইমাম আল আমিন সম্রাট, রোটারিয়ান লুৎফে রহমান অনু, রোটারিয়ান শাহনাজ পারভিন শিল্পী, রোটারিয়ান মান্জুরুল আলম, শামীম আহমেদসহ অন্যান্য রোটারিয়ানবৃন্দ।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
টানা দুই সপ্তাহ ধরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সাড়া না পাওয়ায় আন্দোলনের ১৫তম দিনে ক্যাম্পাস ছেড়ে চট্টগ্রাম শহরে গিয়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি জানান তারা। বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলে। চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে দীর্ঘ দুই সপ্তাহ পর চুয়েট ক্যাম্পাসের বাইরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে প্রেসক্লাব এলাকায় পাঁচটি বাসে করে শতাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন। এর পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকেও চুয়েটের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী কর্মসূচিতে যোগ দেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এর মধ্যে ছিল— ‘চুয়েট সচলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ’, ‘চুয়েট রিভোল্টস ফর সায়েম স্যার’ এবং ‘পিএম, কনসিডার আওয়ার অ্যাপিল’। পাশাপাশি ‘দফা এক, দাবি এক, অনলাইন ভিসির পদত্যাগ’ এবং ‘দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ -সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। মানববন্ধনে পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিএমই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ হিল গালিব বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ সংকট সমাধানে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি না। আমরা এর নিন্দা জানাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি অনন্য নজির যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা সবাই একজনকে উপাচার্য হিসেবে দেখতে চান। আশা করি, সরকার আমাদের দাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে সায়েম স্যারকেই উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করবে। মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণব, মাহিরা তাজরিন ও যুলকারনাইন মিহাদ। লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, চুয়েটের চলমান সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই এবং দেশের অন্যতম প্রধান এই প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দিনের পর দিন অচল থাকায় হাজারো শিক্ষার্থীর ক্লাস, পরীক্ষা, গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক ভবিষ্যৎ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়নি, বরং একটি ব্যাখ্যাহীন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ন্যায্য পুনর্বিবেচনা চাচ্ছে। বক্তব্যে আরও বলা হয়, কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং চুয়েটে স্বাভাবিক শিক্ষাপরিবেশ ফিরিয়ে আনাই শিক্ষার্থীদের মূল দাবি। অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের ৫৬ দিনের কার্যকালের পরিকল্পিত উদ্যোগগুলো বিবেচনায় নিয়ে তাকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের বিষয়ে সরকারের দ্রুত ও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত চান তারা। একই সঙ্গে সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাইজুল কবির আবরার বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এতদিন ধরে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের দাবির বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা স্পষ্ট বক্তব্য আসেনি। সরকারের এমন নীরবতা ও উদাসীনতার আমরা তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। বাধ্য হয়েই আজ ক্যাম্পাসের বাইরে এসে আমাদের দাবি জানাতে হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, দ্রুত শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি বিবেচনা করে চুয়েটের চলমান অচলাবস্থার অবসান ঘটানো হোক এবং অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করা হোক। প্রসঙ্গত, ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে ওই দিন থেকেই আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে শুরু হয় ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি। এর পর থেকে লাল কার্ড প্রদর্শন, মশাল মিছিল, মুখোশ মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তবে টানা ১৫ দিন ধরে আন্দোলন চললেও এখনও দাবির বিষয়ে কোনো কার্যকর সমাধান না হওয়ায় চুয়েটের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। আরটিভি/এসএস
সরকারের সাড়া না পেয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের অবস্থান
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য, প্রধান উপদেষ্টা ও বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারর্সন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর জন্য মনোনীত রুয়েটের ৭ শিক্ষার্থী
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) প্রবর্তিত ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সাত (৭) শিক্ষার্থী।
‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’-এর জন্য মনোনীত রুয়েটের ৭ শিক্ষার্থী
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদ হারিয়েছেন ৬ শিক্ষক
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদান না করা এবং অব্যাহতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় শিক্ষকের মূল পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদ হারিয়েছেন ৬ শিক্ষক
আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী জকসুর দোয়া মাহফিল
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের ৭ম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী জকসুর দোয়া মাহফিল
আরও পড়ুন
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিবাদ
রাবি ছাত্রদল ‘হিজড়া’: বহিষ্কৃত নেতা
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় রাবির জিয়া হলের প্রভোস্টকে অব্যাহতি
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় রাবি ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার