ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

পবিপ্রবিতে ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে অশালীন অঙ্গভঙ্গি, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পলাতক যুবক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) নির্মাণাধীন চাঁদ সুলতানা হলের এক নির্মাণ শ্রমিকের বিরুদ্ধে সুফিয়া কামাল হলের নারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অশালীন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে নির্মাণাধীন চাঁদ সুলতানা হল থেকে মামুন (২৫) নামে ওই নির্মাণ শ্রমিক সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বারবার অশালীন অঙ্গভঙ্গি করেন বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে হলে অবস্থানরত নারী শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ভুক্তভোগী এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, ‘এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিছুদিন আগে সকালে ফজরের নামাজ পড়ে আমি ছাদে হাঁটতে গেলে নির্মাণাধীন ভবন থেকে একজন আমার ছবি তোলেন। সে সময় তার ফোনের ফ্ল্যাশ জ্বলতে দেখি। এছাড়া তারা প্রায়ই পার্শ্ববর্তী ভবন থেকে আমাদের দিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকিয়ে থাকেন।’

এ বিষয়ে কবি বেগম সুফিয়া কামাল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মো. ইফতেখারুল আলম বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা ঘটনাস্থলে যাই। নির্মাণাধীন হল থেকে যেসব স্থান দিয়ে ছাত্রীদের দেখা যায়, সেসব জায়গায় প্রাথমিকভাবে নিরাপত্তাবেষ্টনী দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টদের বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবুল বাশার খান বলেন, ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর আমরা তিনজনকে আটক করেছি। তাকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। যে শ্রমিক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে, সে বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাকে পালিয়ে যেতে যারা সহযোগিতা করেছে, জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে ওই শ্রমিককে আটক করার চেষ্টা চলছে। তাকে আটক করার পর থানায় মামলা করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাবিতে বেড়েছে সাপের উপদ্রব, চলতি বছরেই উদ্ধার ৮৫ সাপ   
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকা থেকে চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে প্রায় ৮৫টি সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। 
রাবিতে বেড়েছে সাপের উপদ্রব, চলতি বছরেই উদ্ধার ৮৫ সাপ   
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রামেকে গৃহবধূর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ১১০
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ফারজানা খাতুন (২৩) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।  হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, ‘তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম উল্লেখ করা হয়েছে।’ মৃত ফারজানা খাতুনের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ফুলহরি এলাকায়।  হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার সকালে তাকে রম্যক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এদিকে রামেক হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ অব্যাহত রয়েছে।  হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ৩৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে ১১০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে পারে। বিশেষ করে ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম দেখা দিলে পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। তাই জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, বমি কিংবা অতিরিক্ত দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। আরটিভি/এসআর
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রামেকে গৃহবধূর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ১১০
৭ দফা দাবিতে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
২০২১-২০২২ থেকে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করে এবং পরীক্ষা শেষে নির্ধারিত সময়ে ফলাফল প্রকাশসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা।
৭ দফা দাবিতে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন
সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব: ইরানের রাষ্ট্রদূত
সত্য, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ, বিশ্ব গণতন্ত্র, নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত। ফারসি ভাষায় দেওয়া তার বক্তব্য পরে ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়। সেমিনারে বক্তাদের ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান এবং ইরানের জনগণের প্রতি সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ইরানের জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুদ্ধ শুধু সামরিক, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে গণমাধ্যমও গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত। তার ভাষ্য, পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমে অনেক সময় যুদ্ধের ঘটনাগুলো একপেশেভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে। স্বাধীন গণমাধ্যমের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েল—কোনো পক্ষের হয়ে অবস্থান নেওয়া সাংবাদিকতার কাজ নয়। সত্য, ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব। আন্তর্জাতিক আইনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন রাখেন, যুদ্ধের আইন অনুযায়ী হাসপাতাল, শিশু, স্কুল, নারী ও ঐতিহাসিক স্থাপনায় হামলা কতটা বৈধ। বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, আত্মরক্ষার অধিকার আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত। ইরান নিজেদের দেশ ও জনগণকে রক্ষায় সেই অধিকার প্রয়োগ করছে। তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ সনদের ৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য কোনো রাষ্ট্র হুমকি সৃষ্টি করলে নিরাপত্তা পরিষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে, যার মধ্যে বলপ্রয়োগের অনুমোদনও থাকতে পারে। তবে ইরানে হামলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদ এমন কোনো অনুমোদন দেয়নি। বেসামরিক মানুষের ওপর হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ধরে নিন, আমরা সবাই সন্ত্রাসী। ইরানের শিক্ষার্থীরাও সন্ত্রাসী। তারপরও কি যুদ্ধের কোনো আইন থাকবে না? বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা করা কি বৈধ? হাসপাতাল কিংবা শিশুদের ওপর হামলা কি বৈধ? যুদ্ধের বাস্তবতা তুলে ধরতে বিশ্বের স্বাধীন গণমাধ্যমগুলোকে ইরান সফরের আহ্বান জানান তিনি। সাংবাদিকদের সরেজমিনে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং নিজেদের মতো করে যুদ্ধের পরিস্থিতি তুলে ধরার আহ্বান জানান ইরানি রাষ্ট্রদূত। উল্লেখ্য, সেমিনারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গবেষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
সত্য ও ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেওয়াই স্বাধীন গণমাধ্যমের দায়িত্ব: ইরানের রাষ্ট্রদূত
ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে. সিমনস
ইসরায়েলকে সমর্থন করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী তার দীর্ঘদিনের আধিপত্যই ক্ষয় করছে বলে মন্তব্য করেছেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গেগরি জে. সিমনস। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পশ্চিম এশিয়া যুদ্ধ, বিশ্ব গণতন্ত্র, নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। বক্তব্যে গেগরি জে. সিমনস বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতকে শুধু ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বোঝা যাবে না। এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাব, ইসরায়েলের আঞ্চলিক কৌশল এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পরিবর্তনের বিষয়ও জড়িত। তিনি বলেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতা থাকলেও দুই দেশের স্বার্থ সব ক্ষেত্রে এক নয়। যুক্তরাষ্ট্র মূলত তার দীর্ঘদিনের বৈশ্বিক নেতৃত্ব বা ‘Pax Americana’ ধরে রাখার চেষ্টা করছে। তবে পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাত সেই প্রভাবকে আরও দুর্বল করে দিচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। ইরান প্রসঙ্গে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করেন। তার ভাষ্য, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্যের যে বয়ান দেওয়া হচ্ছে, বাস্তব পরিস্থিতি তার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গেগরি জে. সিমনস পশ্চিমা দেশগুলোর পররাষ্ট্রনীতিতে ‘দ্বৈত মানদণ্ডের’ অভিযোগও তোলেন। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও নৈতিক জবাবদিহির ক্ষেত্রে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসঙ্গ টেনে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে পশ্চিমা প্রতিক্রিয়ার তুলনা করেন। তার দাবি, আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগে রাষ্ট্রভেদে ভিন্ন মানদণ্ড দেখা যাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের কথা বলা হলেও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের ক্ষেত্রে এসব নীতির প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর ইসরায়েল যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, সেটিকে বৃহত্তর আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক লক্ষ্য বাস্তবায়নের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। এ সময় তিনি ‘Greater Israel’ ধারণার কথাও উল্লেখ করেন। সেমিনারে পশ্চিম এশিয়ার চলমান যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নৈতিক জবাবদিহি, গণতন্ত্রের বর্তমান সংকট এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে ইরানের রাষ্ট্রদূত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে. সিমনস
আরও পড়ুন
পবিপ্রবিতে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ চালুর ঘোষণা
শিক্ষক নিচ্ছে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়