ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক স্মার্ট সিটি প্রাইজের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের পিউপিল স্কুল বাস

হাবিপ্রবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬ পিএম
ছবি: আরটিভি

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক আয়োজন ‘সিউল স্মার্ট সিটি প্রাইজ ২০২৬’। এ আয়োজনে সেমিফাইনালিস্ট হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তা ও Pupil School Bus Ltd.-এর প্রতিষ্ঠাতা, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং চেয়ারম্যান মো. আবদুর রশিদ সোহাগ। বাংলাদেশ থেকে তিনিই একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন।

সিউল স্মার্ট সিটি প্রাইজ সচিবালয় থেকে পাঠানো আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর পরিবহনসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান Pupil School Bus Ltd. এ বছরের প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনালিস্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড স্মার্ট সাস্টেইনেবল সিটিজ অর্গানাইজেশন (WeGO)-এর সেক্রেটারি জেনারেল জিয়ং-কি কিম স্বাক্ষরিত ওই আমন্ত্রণপত্রে প্রকল্পটির উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও সামাজিক প্রভাবের প্রশংসা করা হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ‘স্মার্ট লাইফ উইক ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিতব্য এ অনুষ্ঠানে Tech-InnovaCity, Human-CentriCity, Leadership এবং Special Mention বিভাগে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। পুরস্কারের ফলাফল অনুষ্ঠানের আগে প্রকাশ করা হবে না বলে জানানো হয়েছে।

এ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি স্মার্ট সিটি উদ্যোগ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও নগর উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন প্রদর্শনী ও ফোরামের আয়োজন থাকবে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নগর কর্তৃপক্ষ, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও উদ্ভাবকেরা অংশ নেবেন।

আমন্ত্রণপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সোহাগের যাতায়াত ও আবাসনের ব্যয় বহন করবে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে Pupil School Bus Ltd. কোনো বিভাগে বিজয়ী হলে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিকে পুরস্কার গ্রহণের জন্য মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

Pupil School Bus Ltd. বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর স্কুল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ঢাকা ও চট্টগ্রামে পরিচালিত হচ্ছে। জিপিএস ট্র্যাকিং, রিয়েল-টাইম নোটিফিকেশন, স্মার্ট অ্যাটেনডেন্স, রুট ম্যানেজমেন্ট ও অভিভাবক যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি স্কুল পরিবহন খাতে আধুনিক সমাধান প্রদান করছে।

উদ্যোক্তা হিসেবে মো. আবদুর রশিদ সোহাগ ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য অর্জনের মধ্যে রয়েছে A2i Smart District Innovation Challenge-এ প্রথম পুরস্কার, BYLC Ventures Accelerator-এর প্রি-সিড বিনিয়োগ এবং DNCC Citizen Award 2025। এছাড়া তিনি CEO Monthly Chairperson Awards-এ ‘Student Transportation Innovator of the Year 2024 (South Asia)’ সম্মাননা লাভ করেন। Global Startup Awards-এ Global Finalist, Founder of the Year এবং People's Best Choice স্বীকৃতিও পেয়েছেন তিনি।

সিউল স্মার্ট সিটি প্রাইজে বাংলাদেশের একটি স্টার্টআপের সেমিফাইনালিস্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়াকে দেশের উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি খাতের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্টার্টআপ সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে নতুনভাবে তুলে ধরবে।

সিউল সফরের পর আগামী ৮ থেকে ১০ অক্টোবর মস্কোতে অনুষ্ঠিতব্য ‘গ্লোবাল ডিজিটাল ফোরাম ২০২৬’-এও বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে সোহাগের।

সেমিফাইনালিস্ট হিসেবে আমন্ত্রণ পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মো. আবদুর রশিদ সোহাগ বলেন, “সিউল স্মার্ট সিটি প্রাইজের সেমিফাইনালিস্ট হিসেবে আমন্ত্রণ পাওয়া শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে আমরা যে কাজ করছি, তা আন্তর্জাতিক পরিসরে উপস্থাপনের সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত।”

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কচুরিপানা আর প্লাস্টিক বর্জ্যে বেহাল ইবির মীর মুগ্ধ সরোবর
কচুরিপানা আর প্লাস্টিক বর্জ্যে বেহাল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) মীর মুগ্ধ সরোবর। একসময় স্বচ্ছ পানিতে মাছের বিচরণ, অতিথি পাখির কলকাকলি, দৃষ্টিনন্দন সেতুর আলো আর শিক্ষার্থীদের আড্ডায় মুখর থাকা লেকটি এখন কচুরিপানায় ঢেকে গেছে।
কচুরিপানা আর প্লাস্টিক বর্জ্যে বেহাল ইবির মীর মুগ্ধ সরোবর
চবিতে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সেবা নিলেন তিন শতাধিক
নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
চবিতে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সেবা নিলেন তিন শতাধিক
হাবিপ্রবিতে নেই স্বাস্থ্যবিমা, তবুও শিক্ষার্থীদের থেকে আদায় ২৭০ টাকা 
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাহাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) একটি বেসরকারি জীবনবিমা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে করা স্বাস্থ্যবিমা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রায় দুই বছর পেরিয়ে গেলেও তা নবায়ন করা হয়নি। তবে অভিযোগ উঠেছে, চুক্তি কার্যকর না থাকলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতি সেমিস্টারে এনরোলমেন্টের সময় স্বাস্থ্যবিমার নামে ২৭০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।
হাবিপ্রবিতে নেই স্বাস্থ্যবিমা, তবুও শিক্ষার্থীদের থেকে আদায় ২৭০ টাকা 
ববিতে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ কর্মশালা
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ মোকাবিলা ও সুস্থ জীবনযাপন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) Organization of Disaster Management (ODM)-এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)-তে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. রেহেনা পারভীন। এতে একই বিভাগের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ১৫তম ব্যাচের ৩৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। কর্মশালায় মানসিক চাপের কারণ, চাপ মোকাবিলার বিভিন্ন কৌশল, আত্মসচেতনতা এবং প্রয়োজনের সময় যথাযথ সহায়তা নেওয়ার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত ও একাডেমিক জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। ODM-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড সদস্য মো. জুনায়েদ রাব্বি প্রকাশ বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে আমরা প্রথমবারের মতো ডেডিকেটেডভাবে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের’ ওপর কর্মশালা আয়োজন করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান সোহাগ আমাদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং কর্মশালাটি আয়োজনে প্রশাসনিক সহযোগিতা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুবদের মধ্যে দ্রুতগতিতে মানসিক অবসাদ বৃদ্ধি এবং অনেকের অজান্তেই বিভিন্ন মানসিক সমস্যার দিকে ঝুঁকে পড়ার বিষয়টি উদ্বেগের। একজন মানুষের সুস্থ জীবনের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ চিকিৎসা ও সহায়তার আওতায় আসার জন্য মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে জানা জরুরি। ODM-এর সভাপতি জয় দাস বলেন, আমাদের সমাজে, বিশেষ করে গ্রামীণ পর্যায়ে, কেউ Mental Disorder, Depression বা Anxiety-এর মতো বিষয় নিয়ে কথা বললে অনেক সময় তাকে নেতিবাচকভাবে দেখা হয়। আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছাত্রসমাজ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা যেন কঠিন সময়ে কীভাবে নিজেকে ভালো রাখতে ও পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে, সে বিষয়ে সচেতন হয়—আমরা সেই জায়গায় কাজ করতে চাই। হয়তো এটি খুব বড় কোনো উদ্যোগ নয়, কিন্তু এই ছোট উদ্যোগই কারও জীবনে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা, আত্মসচেতনতা ও ব্যক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এ ধরনের কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে। ভবিষ্যতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পৃথকভাবে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির। আরটিভি/টিআর
ববিতে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট’ কর্মশালা
বসতভিটা না থাকায় নিয়োগে বাদ পড়লেন ইবি শিক্ষার্থী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে উপজেলা পর্যায়ে ১৭তম হয়ে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য। তবে স্থায়ী ঠিকানায় নিজের বসতভিটা না থাকায় শেষ পর্যন্ত নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায়। তার দাবি, জন্মের পর থেকে একই এলাকায় বসবাস করলেও নিজের নামে কোনো বসতভিটা না থাকায় চাকরি পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। মিশন আচার্য জানান, তার স্থায়ী ঠিকানায় কোনো বসতভিটা নেই। তার বাবা বহু বছর আগে পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ায় বাবার ঠিকানা থেকে তিনি বঞ্চিত হন। এরপর থেকে তিনি মায়ের সঙ্গে ঝিনাইদহে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। কলাবাগান এলাকাতেই তার জন্ম এবং জন্মের পর থেকে সেখানেই তিনি বসবাস করে আসছেন। তিনি জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৮২ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে ১৮০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। দুজন নিয়োগপত্র পাননি। তাদের একজনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং অপরজন তিনি নিজে। উপজেলা পর্যায়ে তিনি ১৭তম স্থান অধিকার করেন বলে জানান। মিশন আচার্যের দাবি, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে জমিজমা-সংক্রান্ত কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে—এমন ধারণা থেকে তার খালু গ্রামের এলাকায় তার নামে দুই শতক জমি লিখে দেন। পুলিশ তদন্তের সময় তিনি ওই জমির দলিলও জমা দেন। তবে সেখানে তার কোনো বসতবাড়ি নেই এবং তিনি কখনো ওই জমিতে বসবাস করেননি। তিনি আরও জানান, পুলিশকে প্রথমে ভূমিহীন সনদ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে জমির দলিল জমা দিলেই হবে বলে জানানো হয়। সে অনুযায়ী তিনি দলিল জমা দেন। পরে স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকায় তাকে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মিশন আচার্য বলেন, আমার মা বাসাবাড়িতে কাজ করে আমাকে বড় করেছেন। আমাদের আর্থিক অবস্থা খুবই শোচনীয়। আমি কোনো রাজনৈতিক দল বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। আমি সরকারের কাছে আমার চাকরিটি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সদয় বিবেচনার অনুরোধ করছি। তিনি আরও বলেন, আমার কী দোষ? ভাড়া বাসায় জন্মেছি, এটাই কি আমার দোষ? রাষ্ট্র আমার ভোট নিচ্ছে, আমাকে খাওয়াচ্ছে, পড়াচ্ছে; কিন্তু চাকরি দিচ্ছে না। মনে হচ্ছে, রাষ্ট্রের কাছে আমার মেধা ও পরিশ্রমের চেয়ে জমিজমার মূল্য বেশি। এর থেকে কষ্টের আর কী হতে পারে? নতুন করে পড়াশোনা করে অন্য কিছু করার বয়সও প্রায় শেষের দিকে। এ বিষয়ে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন বলেন, মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়ে স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে একটি জটিলতা দেখা দিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ইতোমধ্যে বিষয়টি লিখিতভাবে শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি, বিষয়টি সমাধান হবে। আরটিভি/টিআর
বসতভিটা না থাকায় নিয়োগে বাদ পড়লেন ইবি শিক্ষার্থী
আরও পড়ুন
হাবিপ্রবিতে নেই স্বাস্থ্যবিমা, তবুও শিক্ষার্থীদের থেকে আদায় ২৭০ টাকা 
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হাবিপ্রবির শিক্ষার্থী সেই জিতু মারা গেছেন
সড়ক দুর্ঘটনায় আইসিইউতে ভর্তি হাবিপ্রবির জিতু, বাঁচাতে প্রয়োজন আর্থিক সহযোগিতা
হাবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন