ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ইবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ‘পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক’ অভিযান

ইবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান। ছবি: ইবি সংবাদদাতা

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সরকারের ঘোষিত তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

এ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এ সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের হয়ে র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে ফেলা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মামুন আল রশীদ, জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. সরফরাজ নেওয়াজ, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি আব্দুল মঈদ বাবুলসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা।

অভিযানের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।পাশাপাশি ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে জমে থাকা পানি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ সম্পর্কে সতর্ক থাকার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, “আজকের এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র একদিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়। ইতোমধ্যে ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করেছে। এটি এখন আর শুধু ঢাকা শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; দেশের প্রান্তিক অঞ্চলগুলোতেও ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিয়েছে। আমরা যদি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন না হই, তাহলে আমাদেরও এর ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বাংলাদেশের অন্যতম একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই, যা দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় অনুসরণ করবে। একাডেমিক উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম ও শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও প্রাণবন্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা এই ক্যাম্পাসকে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, ক্লিন ও গ্রিন ক্যাম্পাসে রূপান্তর করতে চাই।

উপাচার্য বলেন, এ জন্য আপনাদের সবার সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। আপনারা নিজ নিজ অবস্থান ও আঙিনায় উদ্যোগ নিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করবেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা আশা করি, এক মাসের মধ্যেই ক্যাম্পাসের পরিবেশে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখতে পাব।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডেঙ্গুতে রামেকে আরও এক মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ১৩৭
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মো. সাদেক (৩৫) নামে আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে রামেক হাসপাতালের মিডিয়া মুখপাত্র ডা. শামীম আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে আক্রান্ত সাদেককে গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৮ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, তার মৃত্যুর কারণ ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে নতুন করে ৩০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে ৬১ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটিতে ১৩৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রামেক হাসপাতালের মিডিয়া মুখপাত্র ডা. শামীম আহমেদ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীর তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি রোগী চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন। তবে এ সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি জানান, সাদেক গত ৩০ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। আরটিভি/এসআর
ডেঙ্গুতে রামেকে আরও এক মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ১৩৭
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম আর নেই
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম মারা গেছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) ভোর পাঁচটার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।  বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন মাঠে তার জানাজা সম্পন্ন হয়। অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশক্রমে রুটিন দায়িত্বে থাকা রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত শোকবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। আরটিভি/এসআর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম আর নেই
দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রাবিতে ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’ চালু 
পরীক্ষার হলে নেই খাতা-কলম, নেই প্রশ্নপত্রের স্তূপ। শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির সহায়তায় সরাসরি ডিজিটাল প্লাটফর্মে অংশ নিচ্ছেন পরীক্ষায়। আর পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই মিলছে ফলাফল। কাগজনির্ভর প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতির বাইরে গিয়ে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর এ পরীক্ষা ব্যবস্থার যাত্রা শুরু করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চালু হয়েছে ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিভাগের তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা টিউটোরিয়াল পরীক্ষা দিয়েছেন নতুন এ পদ্ধতিতে। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগেও ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. হাসনাত কবীরের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীদের জন্য এ সিস্টেম তৈরি করেছেন আইসিই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক এবং মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সামিউল বাসির। সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’-এ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনের জন্য পৃথক সমন্বিত প্লাটফর্ম রয়েছে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে এমসিকিউ ও শর্ট কোয়েশ্চনের উত্তর দেয়ার পাশাপাশি পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল ও ভুল উত্তরের সঠিক উত্তর এবং ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন। উদ্ভাবকদের সূত্রে জানা গেছে, সিস্টেমটিতে রয়েছে সমৃদ্ধ প্রশ্নব্যাংক, যার মাধ্যমে শিক্ষকরা সহজেই প্রশ্ন তৈরি ও একাধিক পরীক্ষা পরিচালনা করতে পারবেন। স্বয়ংক্রিয় মূল্যায়নের ফলে খাতা দেখার সময় কমার পাশাপাশি ফলাফল দ্রুত প্রকাশ, মূল্যায়নে নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এছাড়া প্রশাসনের জন্য পরীক্ষার সার্বিক নজরদারি, ফলাফল সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্ট তৈরির সুবিধা রয়েছে। ফলে কাগজের ব্যবহার, সময়ের অপচয় ও প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতিকে আরো দ্রুত, সুশৃঙ্খল ও পরিবেশবান্ধব করা সম্ভব হবে। কাগজবিহীন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে আইসিই বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী মাহামুদুল হাসান শান্ত বলেন, ‘পরীক্ষা পদ্ধতিটি আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞতা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষা শুরু ও শেষ হওয়া এবং পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদর্শনের বিষয়টি আমার কাছে আকর্ষণীয় লেগেছে। এ ব্যবস্থায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ই উপকৃত হবেন। পাশাপাশি নকল প্রতিরোধ ও সঠিক মূল্যায়নে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে একই বর্ষের আরেক শিক্ষার্থী মনীষা আফরিন তিন্নি বলেন, ‘ই-এক্সাম আমাদের জন্য সহায়ক ও কার্যকর একটি ব্যবস্থা। পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল দেখার পাশাপাশি কোন প্রশ্নের উত্তর ভুল হয়েছে এবং সঠিক উত্তর কী, সেটিও জানা যাচ্ছে। ফলে নিজেদের ভুল বুঝে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। কাগজ ছাড়া পরীক্ষার পদ্ধতিটি সহজ ও সময়সাশ্রয়ী।’ সার্বিক বিষয়ে পদ্ধতিটির তত্ত্বাবধায়ক ড. মো. হাসনাত কবীর বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রচলিত কাগজনির্ভর পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তে আরো আধুনিক, স্বচ্ছ ও কার্যকর পরীক্ষা পদ্ধতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এ ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কাগজবিহীন ও আধুনিক পরীক্ষা গ্রহণ, দ্রুততম সময়ে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ, পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদর্শন, ফলাফল প্রক্রিয়ায় নির্ভুলতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য অধিকতর সহজ ও সুবিধাজনক ব্যবস্থাপনা। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আইসিই বিভাগে এ পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হয়েছে। এর কার্যকারিতা ও সফলতা বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগেও ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাইলে এ সিস্টেম ব্যবহার করে পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। এক্ষেত্রে সিস্টেমটির নির্মাতারা প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা দেবেন। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সবসময় চেষ্টা করে আসছি। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমকে অটোমেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। পরীক্ষা পদ্ধতিকে আরো স্বচ্ছ ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিমুক্ত করতে পেপারলেস পরীক্ষা চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগকেও এ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।' উপাচার্য আরও বলেন, এ পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এটি তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর শিক্ষা। আরটিভি/এসআর
দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রাবিতে ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’ চালু 
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকালে কলেজ প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (সদর) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমতাজুর রহমান, বিজিবিএমএস, সিপিএমএস, এনডিইউ, পিএসসি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল ড. মো. তাজুল ইসলাম, এমফিল, শ্রীউন্নতি, এইচএসসি। অনুষ্ঠানে এসএসসি ২০২৬-এ জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে প্রধান অতিথি তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। কৃতী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাঁদের সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকদেরও সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বাংলা মাধ্যমের দুইজন এবং ইংরেজি ভার্সনের দুইজন কৃতী শিক্ষার্থী তাদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি তুলে ধরেন। তারা শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমতাজুর রহমান কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভালো ফলাফল শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও এটিই শিক্ষার চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। অর্জিত সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের সময়ের সঠিক ব্যবহার, নিয়ম-শৃঙ্খলা, সততা, পরিশ্রম ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান। কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল ড. মো. তাজুল ইসলাম তার বক্তব্যে কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য অভিভাবক ও শিক্ষকদের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, জিপিএ-৫ অর্জন একটি মাইলফলক। তবে জীবনের প্রকৃত সাফল্যের জন্য প্রয়োজন অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ। অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে কলেজের শিক্ষার্থীরা গান, কবিতা, নৃত্যসহ বিভিন্ন সৃজনশীল পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। বিশেষ আকর্ষণ ছিল লালনগীতি ও নৃত্য পরিবেশনা। এসব পরিবেশনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আনন্দিত করে। আরটিভি/টিআর
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
জীবন যুদ্ধে হার মেনে না ফেরার দেশে চবি শিক্ষার্থী মহুয়া তাসনিম
দীর্ঘদিন ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত থেকে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ে হার মেনে ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মহুয়া তাসনিম। শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে শিক্ষার্থী মহুয়ার মৃত্যুর বিষয়টি সহপাঠীদের জানিয়েছেন নিহতের বোন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শিক্ষার্থী মহুয়ার বাড়ি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দিতে। তবে ঢাকার সাভার উপজেলায় থাকতেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ার আগে থেকেই ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এই শিক্ষার্থী।  রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুর ২টায় মহুয়ার জানাজার নামাজ তার নিজ এলাকা রাজবাড়ির বালিয়াকান্দির পাইককান্দিতে অনুষ্ঠিত হবে। নিহত মহুয়ার ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র ইসরাফিল হোসেন মানিক বলেন, মহুয়া অসম্ভব ভালো মেয়ে ছিল। গত আগস্টের ১৪ তারিখ আমাকে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠিয়েছে ছিল। সেখানে বলছে, ‘ভাইয়া, সাভার এনাম মেডিক্যালে জরুরি O+ রক্ত লাগবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কার জন্য রক্ত লাগবে? তখন বলল, ‘ভাইয়া, আমার জন্যই।’ আমি উত্তর দিলাম আল্লাহ মাফ করুক, কি হইছে আপু?  ‘এরপর মহুয়া বললো, তার রক্তের প্লাটিলেট অনেক কমে গেছে, তাই প্লাটিলেট দেওয়ার প্রয়োজন। এরপর রক্তের ব্যবস্থা করার জন্য প্রায় ৭–৮ জনকে নেওয়া হলেও কারও সাথেই রক্ত মিল ছিল না। পরে একজনের সাথে রক্তের মিল পাওয়া গেলে সেসময় ওই রাতেই তাকে প্ল্যাটিলেট দেওয়া হয়।’ শিক্ষার্থী ইসরাফিল হোসেন মানিক আরও বলেন, লিউকেমিয়ার চিকিৎসা চলছিল ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে। কিছুদিন আগে হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে মাত্র একদিনের জন্য বাড়ি ফিরেছিল। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার কথা ছিল তার। আরটিভি/এসআর
জীবন যুদ্ধে হার মেনে না ফেরার দেশে চবি শিক্ষার্থী মহুয়া তাসনিম
আরও পড়ুন
ডেঙ্গুতে রামেকে আরও এক মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ১৩৭
মনোহরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
চট্টগ্রামে জাহাজভাঙা শিল্প এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৬০৮