ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্যাংক ঘেরাওয়ের মুখে চুয়েট শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ

চুয়েট সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
ছবি: আরটিভি

বেতন-ভাতা আটকে যাওয়ার প্রতিবাদে ব্যাংক ঘেরাও করে অবস্থান নেওয়ার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখায় কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচির পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বেতন পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

চুয়েট কর্মচারী সমিতির সভাপতি জামাল উদ্দিন বলেন, চুয়েটের চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী কম্পট্রোলার ও সহকারী কম্পট্রোলারের স্বাক্ষরেই এত দিন বেতন-ভাতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এবার নতুন উপাচার্য বেতন আটকে দিয়েছিলেন। এর প্রতিবাদে আমরা ব্যাংক ঘেরাও করে অবস্থান নিই। কিছুক্ষণ আগে আমাদের বেতনের মেসেজ এসেছে। আমাদের দাবির মুখে চুয়েটের চিরাচরিত নিয়ম অনুসারেই বেতন দেওয়া হয়েছে।

সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিক বলেন, কর্মচারীদের বেতন দিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক-কর্মকর্তাসহ বাকি সবার বেতনও আজ পরিশোধ করা হবে।

এর আগে গত বুধবার বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপককে ই-মেইল করেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। ই-মেইলে উপাচার্যের পূর্বানুমোদন ছাড়া ব্যাংকে বেতনের বিল পাঠানোকে ‘অননুমোদিত ও বেআইনি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ সময় চুয়েট আইন, ২০০৩-এর ধারা ১৩(৭) উল্লেখ করে উপাচার্যের সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া কোনো আর্থিক লেনদেন আইনত বৈধ নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

উপাচার্যের ওই ই-মেইলের পরই বেতন-ভাতা পরিশোধের কার্যক্রম আটকে যায় বলে জানিয়েছিলেন সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিক। তিনি জানিয়েছিলেন, বিষয়টি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং সেখান থেকেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসবে।

এদিকে, বেতন-ভাতা আটকে যাওয়ার প্রতিবাদে আজ সকাল ১১টা থেকে সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখা ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা। দীর্ঘ সময় অবস্থানের পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁদের বেতন পরিশোধ করা হয়। পরে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বেতনও পরিশোধের কথা জানায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর পর থেকেই সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে একই দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও কর্মবিরতিতে যুক্ত হন।

এদিকে, আন্দোলনের কারণে টানা ১৬ দিন ধরে চুয়েটের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে রয়েছে। বন্ধ রয়েছে নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষা; পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আবরার হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফির নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে সংগঠনটির সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের ভিত্তি রচিত হয়েছিল ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর, ২০১৩ সালের ৫ মে এবং শহীদ আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে। আবরার ফাহাদের আদর্শ ও রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে অর্জিত স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে কেউ রাষ্ট্রক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের ইন্ধনে আবরার হত্যার রায় বাস্তবায়ন করা হয়নি। পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারও খুনিদের রায় বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে। তাই আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের যে রায় হয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তাঁর ৭ম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবরার হত্যার রায় দ্রুত কার্যকর এবং ভারতীয় আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদমুক্ত, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার দাবি জানায় সংগঠনটি। আরটিভি/টিআর
আবরার হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন
চবিতে চালু হলো সাইবার ক্যাফে অ্যান্ড ডিজিটাল লার্নিং হাব 
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ও গবেষণার সুযোগ বাড়াতে সাইবার ক্যাফে অ্যান্ড ডিজিটাল লার্নিং হাব চালু করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)। চাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্থাপিত এ হাবে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছে উচ্চ কনফিগারেশনের ১০টি কম্পিউটার। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে হাবটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও চাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান এবং চাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) ইব্রাহিম হোসেন রনি। উদ্বোধনের পর হাবটি ঘুরে দেখেন অতিথিরা। সংশ্লিষ্টরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখানে অনলাইন শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি বিভিন্ন সফটওয়্যারনির্ভর কাজ এবং প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সুযোগ পাবেন। শুধু কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধাতেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকবে না। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন সময়ে কোর্স, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালাও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান এ উদ্যোগের জন্য চাকসু প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা এবং গবেষণা ও ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাবটিতে থাকা ১০টি উচ্চ কনফিগারেশনের কম্পিউটার শিক্ষার্থীদের গবেষণা, অনলাইন শিক্ষা ও সফটওয়্যারভিত্তিক বিভিন্ন কাজে সহায়ক হবে বলে জানান উপাচার্য। পাশাপাশি এখানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি নিজেদের অন্যান্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাও বাড়াতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। চাকসু থেকে জানানো হয়, ডিজিটাল দক্ষতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ, নেতৃত্ব ও প্রেজেন্টেশন দক্ষতা এবং ক্যারিয়ার প্রস্তুতির মতো বিষয়গুলো নিয়েও হাবটিতে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে চাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিবসহ ছাত্র সংসদের অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
চবিতে চালু হলো সাইবার ক্যাফে অ্যান্ড ডিজিটাল লার্নিং হাব 
চবির ১০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিল ‘স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ইনিশিয়েটিভ’
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ১০ শিক্ষার্থীকে চার মাসের আবাসন বৃত্তি দেওয়ার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ইনিশিয়েটিভ’ (এসডব্লিউআই)। প্রথম ধাপে ২০৬টি আবেদন যাচাই করে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের এসব শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের সূচনা ঘোষণা করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ১০ শিক্ষার্থীকে সহায়তার মধ্য দিয়ে শুরু হলেও ভবিষ্যতে এ উদ্যোগের পরিধি আরও বড় হতে পারে। একসময় এর মাধ্যমে হাজারো শিক্ষার্থী উপকৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আর্থিক সংকট যেন কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনায় বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেটিই এ ধরনের উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত বলে উল্লেখ করেন উপাচার্য। উদ্যোগটির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি এর ধারাবাহিকতা ও বিস্তৃতি কামনা করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ‘স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ইনিশিয়েটিভ’ বন্ধুর ভূমিকা পালন করতে পারে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ব্যক্তিগত, দলগত, শ্রেণিভিত্তিক কিংবা শিক্ষার্থীদের নিজেদের উদ্যোগ—সব ধরনের প্রচেষ্টাই গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি দাতা ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরাও এগিয়ে এলে শিক্ষার্থীদের সমস্যা অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব। অনুষ্ঠানে সংগঠনটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও পরিকল্পনা তুলে ধরে স্লাইড উপস্থাপন করেন নাদিম মাহমুদ উল্লাস। আয়োজকেরা জানান, আবাসনের পাশাপাশি স্কিল ডেভেলপমেন্ট, চিকিৎসাসেবা ও প্রাণীসেবা—এই চারটি ক্ষেত্রকে সামনে রেখে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আবাসন সহায়তার প্রথম ধাপে মোট ২০৬টি আবেদন জমা পড়ে। সেখান থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ১০ শিক্ষার্থীকে বেছে নেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেককে চার মাসের জন্য আবাসন ব্যয় নির্বাহে বৃত্তি দেওয়া হবে। তবে শুধু সাময়িক আর্থিক সহায়তায় সীমাবদ্ধ না থেকে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা যেন নিজেদের আবাসন ব্যয় নিজেরাই বহন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে সংগঠনটির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন। আরও বক্তব্য দেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন, কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. আমির মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হলের প্রভোস্ট এ.জি.এম নিয়াজ উদ্দিন, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শারমিন আক্তার এবং চাকসুর এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নির্বাচিত ১০ শিক্ষার্থীর হাতে আবাসন বৃত্তির অর্থ তুলে দেন উপাচার্যসহ অতিথিরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/টিআর
চবির ১০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দিল ‘স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার ইনিশিয়েটিভ’
ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য নিবন্ধন চলছে
আগামী ২০ নভেম্বর (শুক্রবার) ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা কলেজ ডে ও ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই পুনর্মিলনী।
ঢাকা কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য নিবন্ধন চলছে
নতুন উপাচার্যকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যানের ডাক চুয়েট শিক্ষার্থীদের
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতা আটকে রাখার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে মেডিকেল সেন্টারের সামনের সড়কে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী গোলাম মোর্শেদ রাতুন, জুলকারনাইন মিহাদ ও মো. মাসুম বিল্লাহ। নবনিযুক্ত উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের আগেই ক্ষমতা প্রদর্শন করে ১ হাজার ৮৭ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বেতন আটকে রাখার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা এ ঘটনাকে ন্যক্কারজনক বলে উল্লেখ করেন। মিছিল-পরবর্তী বিক্ষোভ সমাবেশে যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জুলকারনাইন মিহাদ বলেন, গতকাল একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। আমাদের নবনিযুক্ত ভিসি ১ হাজার ৮৭ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন আটকে দিয়েছিলেন। সামনে ধর্মীয় উৎসব রেখে তাদের বেতন-ভাতা আটকে রেখেছিলেন। পরে আজকে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী আন্দোলন করার পর সেই বেতন তারা পান। এ থেকে প্রমাণ হয়, নিযুক্ত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত যে ভিসি চুয়েট ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারেননি, ক্যাম্পাসে না ঢুকেই তিনি এ রকম একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আজকে এই চুয়েট ক্যাম্পাস থেকে আমরা একটি ঘোষণা দিতে চাই। মাননীয় নবনিযুক্ত ভিসি অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম, আপনি আমাদের কথা মন দিয়ে শুনুন—আমরা আপনাকে পরিপূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। আপনি কীভাবে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন, সেটা আমরা দেখে নেব। এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপককে ই-মেইল করেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। ই-মেইলে উপাচার্যের পূর্বানুমোদন ছাড়া ব্যাংকে বেতনের বিল পাঠানোকে ‘অননুমোদিত ও বেআইনি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এ সময় চুয়েট আইন, ২০০৩-এর ধারা ১৩(৭) উল্লেখ করে উপাচার্যের সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া কোনো আর্থিক লেনদেন আইনত বৈধ নয় বলেও দাবি করেন তিনি। উপাচার্যের ওই ই-মেইলের পরই বেতন-ভাতা পরিশোধের কার্যক্রম আটকে যায় বলে জানিয়েছিলেন সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিক। তিনি জানিয়েছিলেন, বিষয়টি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং সেখান থেকেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসবে। বেতন-ভাতা আটকে যাওয়ার প্রতিবাদে আজ সকালে সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখা ঘেরাও করে অবস্থান নেন কর্মচারীরা। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাদের বেতন পরিশোধ করা হয়। পরে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বেতনও পরিশোধের কথা জানায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/টিআর
নতুন উপাচার্যকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যানের ডাক চুয়েট শিক্ষার্থীদের
আরও পড়ুন
দুই সপ্তাহেও কাটেনি চুয়েটের অচলাবস্থা, শিক্ষক দিবসেও শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারেননি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
নতুন পে স্কেলে বেতন পুনর্নির্ধারণ শুরু আজ, লাগবে যেসব তথ্য
নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশে চাকরি
৭ বছর বেতন পান না শিক্ষক-কর্মচারী, তবু চলছে গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল