ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ‘রাস্তার মেয়ে’ বললেন প্রভোস্ট, অভিযোগে যা লিখলেন শিক্ষার্থী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তার মেয়ে ও বেয়াদপ মেয়ে বলে সম্বোধন করার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির অপরাজিতা হল প্রভোস্ট রেহেনা পারভীনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

ওই নারী বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং তিনি মাস্টার্সে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত।

প্রক্টর বরাবর দেয়া অভিযোগ পত্রে ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, আমি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার আনুমানিক দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট রেহেনা পারভীন আমার সঙ্গে অত্যন্ত অশালীন, অপমানজনক ও অসম্মানজনক ভাষায় কথা বলেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি আমাকে ‘রাস্তার মেয়ে’ এবং ‘বেয়াদপ মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেন। এ ধরনের মন্তব্য আমার ব্যক্তিগত মর্যাদা, সম্মান ও আত্মসম্মানকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। উক্ত ঘটনার সময় সেখানে একজন ইলেকট্রিশিয়ান, একজন অফিস সহকারী এবং হলের আরও কয়েকজন ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন, যারা বিষয়টির প্রত্যক্ষদর্শী।

একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সঙ্গে একজন শিক্ষক/প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের এ ধরনের অশালীন ও অপমানজনক আচরণ অত্যন্ত অনভিপ্রেত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌহার্দ্যপূর্ণ, নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশের পরিপন্থি। ঘটনাটির কারণে আমি অত্যন্ত বিব্রত, অপমানিত ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। বিশেষ করে একজন ছাত্রী হিসেবে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার আমার এবং আমার পরিবারের জন্যও অত্যন্ত অসম্মানজনক ও মানসিকভাবে কষ্টদায়ক।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তপূর্বক ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে এ ধরনের অশালীন, অপমানজনক ও মর্যাদাহানিকর আচরণ না করা হয়, সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। প্রয়োজনে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য/প্রমাণ প্রদান করতে আমি প্রস্তুত আছি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৩৬ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে সীমিত পরিসরে শুরু চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম
দীর্ঘ ৩৬ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে অবশেষে একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা।  বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টায় নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ক্লাস শুরুর মধ্য দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ১১টা পর্যন্ত চলে ক্লাস। সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি বিভাগের মধ্যে কেবল নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগেই ক্লাস হয়েছে। বাকি ১১টি বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম এদিন বন্ধ ছিল। পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো: নাঈম হাওলাদার জানান, "বুধবার শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম থাকায় সীমিত পরিসরে ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত রুটিনে ল্যাব ক্লাস থাকলেও বিভাগীয় আলোচনার ভিত্তিতে তা স্থগিত রাখা হয়।" বিভাগীয় প্রধান ফৌজিয়া গুলশানা রশিদ লোপা বলেন, বুধবার সকাল ৯টা থেকে ২১, ২২ ও ২৩ ব্যাচের ক্লাস নেওয়া হয়েছে। তবে সব ব্যাচেই শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল কম। তুলনামূলকভাবে ২১ ও ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বেশি উপস্থিত ছিলেন। আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি শিক্ষার্থী ক্লাসে ফিরবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এদিকে শ্রেণিকক্ষে ফিরলেও উপাচার্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংকটের অবসান হয়নি। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের দাবি, নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি আন্দোলনও অব্যাহত থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে ইউজিসির গঠিত ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গেও প্রতিনিধি দলটির বৈঠক করার কথা রয়েছে। সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিধি দলটি। উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটে নতুন উপাচার্য নিয়োগের পর থেকেই প্রতিবাদে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন তাঁরা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন। নিয়োগ বাতিলের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম, ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ৩৬ দিন পর বুধবার সীমিত পরিসরে ক্লাস শুরু হলেও উপাচার্যকে ঘিরে সৃষ্ট সংকটের সমাধান এখনো হয়নি। আরটিভি/এসআর
৩৬ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে সীমিত পরিসরে শুরু চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত পাবিপ্রবি শিক্ষার্থী, সাত দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) বাস থেকে নামতে গিয়ে সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী মনীষার আহত হওয়ার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তসহ সাত দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।  বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান কর্মসূচিতে নামেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সবধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে পাবনা শহরের মুক্তমঞ্চ বাসস্টপে নামতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী মনীষা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে কয়েকজন ছাত্রী শহরের মুক্তমঞ্চ এলাকায় নামছিলেন। এ সময় মনীষা বাস থেকে নামার আগেই চালক হঠাৎ বাসটি চালিয়ে দেন। এতে তিনি রাস্তায় পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান এবং তার মাথা থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পাবনা এসোর্ট হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থান কর্মসূচিতে সমাজকর্ম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. মোশাররফ পারভেজ বলেন, আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং মনীষার চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের দাবি জানাই। পাশাপাশি আমাদের অন্যান্য দাবিও বাস্তবায়ন করতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। একই বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. মুহুস্তাসিন নাদির বলেন, মনীষার দুর্ঘটনার ঘটনায় অবিলম্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আগামী তিন দিনের মধ্যে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসন ব্যর্থ হলে আমাদের চলমান আন্দোলন আরও কঠোর ও বেগবান হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা যেন আর না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এদিকে, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গতকাল রাতেই আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে হাসপাতালে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টর, ছাত্রপরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক, সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকেরা। শিক্ষার্থীদের সাত দফা দাবিগুলো হল ১) দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থী মনীষার চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যয়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহন করতে হবে এবং তাঁর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। ২) দুর্ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ী বাসচালকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে তাঁকে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কোনো বাস চালানোর দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। ৩) শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ওঠানামা নিশ্চিত করতে প্রতিটি বাসে কমপক্ষে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত হেলপার নিয়োগ করতে হবে এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক হেলপার নিশ্চিত করতে হবে। ৪) প্রতিটি নির্ধারিত বাসস্টপেজে শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ওঠানামা সম্পন্ন হওয়ার পর বাসের পরবর্তী গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে চালক ও হেলপারকে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও যাতায়াতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।  ৬) সকল বাসচালক ও হেলপারের নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা যাচাই, পেশাগত দক্ষতা মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাঁদের শালীন, দায়িত্বশীল ও পেশাদার আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। ৭) অনিবার্য কারণ দেখিয়ে হঠাৎ করে দূরপাল্লার বাস বন্ধ করা যাবে না, একান্তই বন্ধ রাখলে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁদের গেট থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করেছি। শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা রয়েছে, তাই বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখার কথা বলেছি। বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুপুর ১২টায় আলোচনায় বসব। আরটিভি/এসআর
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত পাবিপ্রবি শিক্ষার্থী, সাত দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি
নতুন সচিবালয় নির্মাণের সাইনবোর্ড তুলে নিয়ে গেলেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) পুরোনো গবেষণা মাঠে নতুন সচিবালয় স্থাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে তারা গবেষণা মাঠ পুনরুদ্ধার ও সেখানে বাণিজ্য মেলার কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান। এ সময় মাঠে চলমান মাটি পরীক্ষার কাজ বন্ধ করে সরঞ্জাম ও নমুনাবাহী দুটি গাড়ি ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি গণপূর্ত অধিদপ্তরের লাগানো সাইনবোর্ড উপড়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে নিয়ে যান তারা। এদিন বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকাস্ট্যান্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি প্রশাসনিক ভবন প্রদক্ষিণ করে পুরোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মাঠে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অবস্থান নিয়ে মাটি পরীক্ষার কাজ বন্ধ করে দেন তারা। শিক্ষার্থীদের দাবি, গবেষণা মাঠটি ফিরিয়ে না দেওয়ায় ব্যবহারিক শিক্ষা ও উচ্চতর কৃষি গবেষণা ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ছাড়া সেখানে কোনো বহিরাগত কার্যক্রম বা নির্মাণকাজ করতে দেওয়া হবে না। মাঠ পুনরুদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন তারা। এদিন জমি উদ্ধার ও সুরক্ষার দাবিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফের কাছে স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা। এতে আগামী তিন দিনের মধ্যে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে মাঠটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা মাঠ হিসেবে ঘোষণা এবং জমি উদ্ধারে হাইকোর্টে রিট করার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানানো হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো. আশিক আহমদ বলেন, চোখের সামনে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, অথচ প্রশাসনের কোনো হেলদোল নেই। আমরা প্রশাসনকে তিন দিনের সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে সিন্ডিকেট সভা ডেকে জোরালো আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা দিতে হবে এবং ওই জায়গা যে আমাদের, তা নিশ্চিত করতে হবে। স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ওয়াসিউল হাসান সরকার জানান, আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তরের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেছেন। দাবি বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ বলেন, বাণিজ্য মেলার মাঠ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কমিটি রয়েছে। রিটের বিষয়ে কমিটি এখনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তাদের সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মঙ্গলবার বা বুধবারের মধ্যে কমিটির সঙ্গে বসার কথাও জানান তিনি। অন্যদিকে, মেলা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অনুমতি নিয়েই মেলার কাজ চলছে। তার দাবি, মেলার প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে এবং নিয়ম মেনেই অর্থ ব্যয় ও অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। এর আগে গত ১৫ অক্টোবর গবেষণা মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। একই দিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। ২০১৫ সালেও পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ‘টেক ব্যাক শেকৃবি ল্যান্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে মাঠটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তারা। আরটিভি/এসআর  
নতুন সচিবালয় নির্মাণের সাইনবোর্ড তুলে নিয়ে গেলেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা
জবিতে নতুন প্রক্টর নাছির আহমদ, দুই দপ্তরের দায়িত্বে আনিসুর ও জুয়েল
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নতুন প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. নাছির আহমদ। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান এবং ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মো. মাহাদি হাসান জুয়েল। তাদের প্রত্যেককে দুই বছরের জন্য এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
জবিতে নতুন প্রক্টর নাছির আহমদ, দুই দপ্তরের দায়িত্বে আনিসুর ও জুয়েল
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত প্রকল্প পাস করানোর বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। 
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা
আরও পড়ুন
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে ৩ যুবক ধরা, দিলেন ‘বিশেষ পরিচয়’
৭ বছর বেতন পান না শিক্ষক-কর্মচারী, তবু চলছে গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল
লেকপাড় থেকে কফি হাউস, রাত নামলেই আপত্তিকর অবস্থান গোবিপ্রবিতে
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুস সাদাত