
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ১১ শিক্ষক। এছাড়াও চলতি বছরের তালিকায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তালিকাভুক্ত গবেষকের সংখ্যায় ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে যবিপ্রবি।
যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক গবেষণা ও প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান এলসেভিয়ারের সমন্বিত উদ্যোগে স্কোপাস-ভিত্তিক তথ্যের ওপর এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে। গবেষকদের প্রকাশিত গবেষণাপত্র, সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, সহ-লেখকদের প্রভাবসহ বিভিন্ন সূচকের ভিত্তিতে ২০টি বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে তাদের ক্যারিয়ার-লং ও সাম্প্রতিক এক বছরের গবেষণা-প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়েছে।
তালিকায় যবিপ্রবির শিক্ষকদের মধ্যে অ্যানালিটিক্যাল কেমিস্ট্রি ক্যাটাগরিতে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসাইন খান ১১৩তম অবস্থানে রয়েছেন। এনার্জি ক্যাটাগরিতে পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ৪৩৩তম এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার ইমরান খান ৮১১তম অবস্থানে রয়েছেন। অপটোইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ফোটোনিক্স ক্যাটাগরিতে একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিপ্লব হোসাইন ৩৩৮তম এবং অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার আমজাদ হোসাইন ২ হাজার ৩২৯তম অবস্থানে রয়েছেন। এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ক্যাটাগরিতে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মশিয়ার রহমান ২ হাজার ৩৩৬তম এবং পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইবুর রহমান মোল্লা ৩ হাজার ৭৬তম অবস্থানে রয়েছেন। এ ছাড়া ন্যানোসায়েন্স অ্যান্ড ন্যানোটেকনোলজি ক্যাটাগরিতে গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম ৬৫৬তম, পলিমার ক্যাটাগরিতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম ২ হাজার ৪৯তম, মেডিসিনাল অ্যান্ড বায়োমলিকিউলার কেমিস্ট্রি ক্যাটাগরিতে পার্থ কুমার বিশ্বাস ১ হাজার ৪০৪তম এবং অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্স ক্যাটাগরিতে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ তানভীর আহমেদ ৭ হাজার ৫০৯তম অবস্থানে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর প্রকাশিত ২০২৬ সালের এ তালিকায় বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২২ জন শিক্ষক ও গবেষক স্থান পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। এরপর রয়েছে আইসিডিডিআরবি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। এসব প্রতিষ্ঠানের পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
আরটিভি/ এসকেডি



