
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় টানা চতুর্থবারের মতো স্থান পেয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো নুরুজ্জামান খাঁন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক স্বনামধন্য প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার (Elsevier) কর্তৃক যৌথভাবে প্রকাশিত বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় তার নাম স্থান পেয়েছে। এর আগে তিনি ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের প্রকাশিত তালিকায়ও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
প্রকাশিত আন্তর্জাতিক সূচক অনুযায়ী, ড. মো নুরুজ্জামান খাঁনের বৈশ্বিক র্যাংক ৪৬০১৭। তার মূল বিষয় 'ক্লিনিক্যাল মেডিসিন' এবং ‘পাবলিক হেলথ’ সাবফিল্ডে তার বিশ্ব র্যাংক ৪২৬। প্রকাশিত তথ্যে আরও দেখা যায়, তার এইচ-ইনডেক্স (H-index) ২৬ এবং এইচএম-ইনডেক্স (Hm-index) ৬।
এলসেভিয়ারের প্রকাশিত এই তালিকায় বিশ্বের শীর্ষ এক লাখ গবেষকের পাশাপাশি নিজ নিজ গবেষণা-শাখায় সেরা ২ শতাংশে থাকা বিজ্ঞানীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গবেষকদের কাজের আন্তর্জাতিক প্রভাব, সাইটেশন সংখ্যা, গবেষক হিসেবে তাদের ভূমিকা ও সহলেখকদের সঙ্গে যৌথ কাজের নানা মানদণ্ড বিবেচনা করে এই র্যাংকিং তৈরি করা হয়ে থাকে।
টানা চার বছর আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি অর্জনে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ড. মো নুরুজ্জামান খাঁন বলেন, বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। এই অর্জন আমার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হলেও এর সঙ্গে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম যুক্ত হওয়ায় আমি আরও আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি, একজন গবেষকের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ব্যক্তিগত নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং অনুকূল গবেষণা পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গবেষকদের পেশাগত বিকাশে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরও বেশি গবেষক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করতে পারবেন। আমার প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে গবেষণাবান্ধব পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং গবেষকদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ ও উৎসাহ বৃদ্ধি পাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারা আমার জন্য সব সময়ই আনন্দের।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর বিশ্বের শীর্ষ ২% গবেষকদের এই তালিকা প্রকাশ করে থাকে। মানসম্পন্ন প্রকাশনা ও গবেষণাপত্রের উদ্ধৃতির ওপর ভিত্তি করে বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীদের স্বীকৃতি প্রদানে এই তালিকাটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ বলে বিবেচিত।
আরটিভি/ এসকেডি




