ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

‘বরকতউল্লাহর ‘কোথাও কেউ নেই’ মাইলফলক হয়ে থাকবে’

কাজল রিপন

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২০, ১১:১৮ এএম
আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২০, ০১:২৯ পিএম
ছবি লেখকের ফেসবুক থেকে।

বরেণ্য মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বিটিভির সাবেক জিএম, স্বনামধন্য প্রযোজক, পরিচালক ও নৃত্যশিল্পী বরকতউল্লাহর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করি।

ছোটবেলার কথা। বিটিভির অনুষ্ঠান দেখে মুগ্ধ হয়ে কৃতজ্ঞচিত্তে অপেক্ষা করতাম টাইটেলের শেষ নামটা দেখার জন্য। সেই নামটাই হলো প্রযোজকের, যিনি সেই চমৎকার অনুষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। সেই থোকা থোকা নামগুলোকে ভালোবাসতে বাসতে বড় হয়েছি। মনের অজান্তেই সেই নামগুলো কখন যে টিভির পর্দা থেকে মনের পর্দায় সোনার অক্ষরে লেখা হয়ে গেছে, জানি না। তাদের একজন, অসম্ভব প্রিয় - প্রযোজক বরকতউল্লাহ। সদালাপী সজ্জন মেধাবী পরিচালক।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বরকতউল্লাহর অভিষেক ঘটে ষাটের দশকে, নৃত্যশিল্পী হিসেবে। ১৯৬৭ সালে ডি আইটি ভবনে ঢাকা টিভিতে প্রযোজক হিসেবে যোগ দেন তিনি। কাজ শুরু করেন ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘বিচিত্রা’ দিয়ে। উপস্থাপনায় ছিলেন খ্যাতিমান উপস্থাপক ফজলে লোহানী। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকশাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন বরকতউল্লাহ। কালো পতাকা হাতে ‘বাংলার রূপে টেলিভিশন সাজো’ স্লোগান সহকারে রাজপথে নেমে পড়েন। ১৯৭২ সালে বিবিসিতে টিভি অনুষ্ঠান নির্মাণের প্রশিক্ষণ নিতে বিলেতে যান। সেখান থেকে ফিরে এসে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বিষয়ক ডকুমেন্টরী নির্মাণ করে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বরকতউল্লাহ ৭০ দশকে কিছু সংখ্যক তথ্য ও প্রতিবেদনমূলক অনু্ষ্ঠান, নাটক, ম্যাগাজিন, নৃত্যানুষ্ঠান ও শিশুদের অনুষ্ঠান নির্মাণ করেন। ৮০ দশকের শুরুতে প্রথম সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন সিরিজ নাটক ‘সকাল সন্ধ্যা’ প্রযোজনা করে। শহুরে যৌথ পরিবার ও একক পরিবারের বিভিন্নরকম মানুষের প্রতিদিনের খুব সাধারণ গালগল্প নিয়ে সাজানো সেই নাটক, দর্শকদের মাঝে বিপুলভাবে প্রশংসিত হয়। বলা যায় প্রথম সিরিজ নাটক, যেটা সব শ্রেণির মানুষের মনে গেঁথে আছে। পরিবারের ছোট বড় সবাই মিলে উপভোগ করতো সেই নাটক। স্বনামধন্য প্রযোজক বরকতউল্লাহর দক্ষ পরিচালনা ও নির্দেশনায় ‘সকাল সন্ধ্যা’ এক অবিস্মরণীয় সৃষ্টি।

তার আরেকটা উল্লেখযোগ্য কাজ ১৯৮৭ সালে উপমহাদেশের শীর্ষস্থানীয় কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার ১০টা গান নিয়ে সাজানো ঈদের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘উপহার’। আজো দর্শকদের মনের মণিকোঠায় জেগে আছে সেই অনুষ্ঠানের গানগুলো। সেই অসাধারণ পরিচালনা বিটিভির ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

সিরিজ নাটক ‘সকাল-সন্ধ্যা’র অসামান্য সাফল্যের পর স্বনামধন্য প্রযোজক বরকতউল্লাহর দ্বিতীয় অনবদ্য সৃষ্টি, সিরিজ নাটক ‘ঢাকায় থাকি’। ১৯৮৪/৮৫ সালে প্রচারিত এ নাটক রচনা করেছিলেন নাজমুল আলম। ঢাকা শহরে বসবাসকারী নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত - তিনশ্রেণির মানুষের জীবনের নানা টানাপোড়েন অত্যন্ত চমৎকার ভাবে ফুটে ওঠে সেই নাটকে। সেই সময়ের জনপ্রিয়, মেধাবী, সুন্দরী ও সু-অভিনেত্রী তারানা হালিমের বিপরীতে প্রায় নবাগত সুদর্শন অভিনেতা ডাবলু আনোয়াকে মূলনায়কের ভুমিকায় অভিনয়ের সুযোগ করে দেন বরকতউল্লাহ। আরও ছিলেন আরিফুল হক, ফাল্গুনী হামিদ, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, ডালিয়া রহমান, মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান, মিনতি হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, লুনা, শাকিল প্রমুখ।

অল্পকিছু সাপ্তাহিক নাটক পরিচালনা করেছিলেন গুণী প্রযোজক বরকতউল্লাহ। বেশিরভাগই প্রশংসিত হয়েছে। যেমন, ১৯৮৫ সালে মোর্শেদ চৌধুরী রচিত, হুমায়ুন ফরীদি, লুবনা আহমেদ, আরিফুল হক ও আলেয়া ফেরদৌসী অভিনীত মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় রচিত ‘এরা ছিলো এধারে’ নাটকের কথা বহু দর্শক আজো মনে রেখেছে। মোর্শেদ চৌধুরী রচিত আরেকটা স্মরণীয় নাটক ‘সুখের ছাড়পত্রে’র পরিচালক ছিলেন বরকতউল্লাহ। আফজাল হোসেন ও লুবনা আহমেদ অভিনীত সেই নাটকের একটা সংলাপ – ‘ওহ বয়....’ মানুষের মুখে মুখে ফিরতো। নাটকের গল্প, পরিচালনা ও অভিনয়ও উচ্ছসিত প্রশংসা পেয়েছিলো। মোর্শেদ চৌধুরী রচিত আরও দুটো নাটকের সুপরিচালনা করেছিলেন তিনি। ‘দূরের বাঁশী’ এবং ‘ওহে পরবাসী’ নামের সেই নাটকদুটো প্রশংসার দাবিদার। আজিজ মিসির রচিত অল্পকিছু নাটক পরিচালনা করে সুখ্যাতি পেয়েছিলেন বরকতউল্লাহ। দুটো নাটকের কথা খুব মনে পড়ে। একটা ছিল তারানা হালিম, পিযুষ বন্দোপাধ্যায় ও নায়লা আজাদ নূপুর অভিনীত 'ক্যাকটাস', আরেকটা জাহিদ হাসান ও শমী কায়সার অভিনীত ‘ছবি শুধু ছবি নয়’।

১৯৮৭ সালে প্রচারিত ড. আবদুন নুর রচিত এবং বরকতউল্লাহ প্রযোজিত ‘কয়েকদিনের ছুটি’ সুধীমহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। খ্যাতিমান প্রযোজক, নির্দেশক ও পরিচালক বরকতউল্লাহর অসংখ্য সৃজনশীল কাজের মধ্যে ‘কয়েকদিনের ছুটি’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তার আরেকটা উল্লেখযোগ্য কাজ কাজী মাহমুদুর রহমান রচিত, আফজাল হোসেন ও শান্তা ইসলাম অভিনীত বিদেশি গল্পের ছায়া অবলম্বনে নির্মিত নাটক ‘হারজিত’। মজাদার গল্পের সেই নাটকের স্মৃতি আজও অম্লান।

স্বনামধন্য প্রযোজক বরকতউল্লাহর কালজয়ী পরিচালনা হুমায়ূন আহমেদ রচিত সিরিজ নাটক ‘কোথাও কেউ নেই’। সেই যুগোত্তীর্ণ সৃজনশীল কাজ, বিটিভির ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। তিনি অসামান্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন সিরিজ নাটক পরিচালনা করে। ‘সকাল সন্ধ্যা’, ‘ঢাকায় থাকি’, ‘কোথাও কেউ নাই’ – এক একটা অভিনব সৃষ্টি। সেইসব নাটকের কথা ভোলা যাবেনা কোনোদিন। স্মৃতির জানালা খুললে পরিষ্কার ভেসে উঠে মানসপটে।

আজ (৩ আগস্ট) সেই সদালাপী সরল সহজ হাসিখুশি প্রাণোচ্ছল সৃজনশীল নাটকের করিগর চিরবিদায় নিয়েছেন। তার অসাধারণ কাজগুলো জেগে আছে আমাদের মনে। আমরা শ্রদ্ধাভরে সেগুলো স্মরণ করি। আর প্রিয় বরকতউল্লাহর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে জান্নাতবাসী করুন।

এম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন সাম্প্রতিক আলোচিত বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী। নানা আলোচনা-সমালোচনার পর নতুন বছরেই পর্দায় ফিরতে যাচ্ছেন এই নায়িকা। তার অভিনয়ে ফেরার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তারই বন্ধু ও পরিচালক রুমি জাফেরি। রুমি জাফেরি জানিয়েছেন, অতীতের সময় যেমনই হোক না কেন নতুন বছরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া। সম্প্রতি ওর সাথে দেখা করেছি আমি। তবে সে এখন বেশ চুপচাপ। খুব বেশি কথা বলেনি। সুশান্ত সিংয়ের মৃত্যুর ঘটনায় অনেক ঝড় বয়েছে রিয়ার ওপর। আশা করছি শিগগিরিই স্বাভাবিক হবে রিয়া। তিনি আরও বলেন, চলতি বছরটা সবার কাছে একটা দুঃসময়ের মতো। রিয়ার কাছেও এমনটা ছিল। নীতিগতভাবে অনেকটাই ভেঙে পড়েছে সে। আশা করছি কাজে ফিরলে সব ঠিক হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুন সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনায় রিয়ার নাম প্রকাশ্যে আসে। পরে ০৮ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করে এনসিবি। সেই সময় প্রায় একমাসের মতো মুম্বাইয়ের বাইকুল্লা জেলে বন্দী থেকে ০৪ অক্টোবর জামিনে মুক্তি পান সুশান্ত সিংয়ের সাবেক প্রেমিকা রিয়া। এসআর/ এমকে
শিগগিরই অভিনয়ে ফিরছেন রিয়া
অনুদানের ছবি পেতে ছুটছেন তারকারা!  
২০২০-২১ অর্থ বছরের জন্য চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদানের জন্য রেকর্ড সংখ্যক চিত্রনাট্য জমা  পড়েছে। একই সঙ্গে তারকা শিল্পীদের চিত্রনাট্য জমা দেওয়ারও যেন উৎসব হয়েছে। চিত্রনাট্য জমা দেওয়ার সবশেষ সময় ছিল বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টা পর্যন্ত। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এবার অনুদানের জন্য চিত্রনাট্য জমাদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান, অপু বিশ্বাস ও শাহনূর, অভিনেতা আলমগীর ও শাকিব খান, প্রযোজক নেতা খোরশেদ আলম খসরু, পরিচালক অপূর্ব রানা, গাজী মাহবুব, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, সাজ্জাদ খান, বন্ধন বিশ্বাস, সানী সানোয়ার, কাজী হায়াত ও দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। তবে চিত্রনাট্য বাছাইয়ের জন্য এখনো জুরি বোর্ড গঠিত হয়নি। শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। চলতি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পূর্ণদৈর্ঘ্যে ১০টি এবং স্বল্পদৈর্ঘ্যে ১০টি চলচ্চিত্র অনুদান দেওয়া হবে। এম
অনুদানের ছবি পেতে ছুটছেন তারকারা!  
নতুন বছরে আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে ডেডলাইন রেকডর্স
ডেডলাইন মিউজিক কোম্পানী কাজ শুরু করে ২০০৩ সাল থেকে। এই লেবেল কোম্পানী থেকে নিয়মিত সংগীত শিল্পী, আবৃত্তি শিল্পী, সিনেমার গান, নাটক এবং পুরো সিনেমার অডিও ভিডিও ক্যাসেট, সিডি এবং ডিভিডি প্রকাশ হয়েছে। দেড় যুগ মানে ১৮ বছরে পর্দার জনপ্রিয় তারকা মোশাররফ করিম, অপূর্ব, নিশো, মেহজাবিন, তানজিন তিশা থেকে শুরু করে অনেকের নাটক, টেলিছবি এখান থেকে প্রকাশ হয়েছে। এছাড়া সংগীত তারকা আসিফ আকবর, হাবিব, তাহসান, বালামসহ অনেক তারকা শিল্পীদের গান ডেডলাইনের ব্যানারে প্রকাশ হয়েছে। তবে নতুন বছরে নতুন খবর দিলেন এই ডেডলাইন মিউজিকের কর্ণধার ফাহিম ইসলাম। তিনি জানান, নতুন বছরে আর্ন্তজাতিক প্ল্যাটফর্ম নিয়ে আসছে ডেডলাইন। যার নাম থাকছে ডেডলাইন রেকর্ডস। শুধু দেশিয় মিডিয়া না, আর্ন্তজাতিক শিল্পীরাও এই প্লাটফর্ম-এ কাজ করবে। এমনকি দেশিয় শিল্পীদের সঙ্গে আর্ন্তজাতিক শিল্পীরা মিলিত হয়ে একসঙ্গে এই প্লাটফর্মে কাজ করবে।  আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ২০২১ সালের জানুয়ারির প্রথম দিকে প্রকাশ হচ্ছে ডেডলাইন রেকর্ডস। এম
নতুন বছরে আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে ডেডলাইন রেকডর্স
পর্ন তারকার সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক কী?
সালমান খান। বলিউডের সুপারস্টার তিনি। তাকে নিয়ে ভক্তদের উন্মাদনার কমতি নেই। কদিন আগেই নিজের ৫৫তম পালন করলেন এই মহাতারকা। এই বয়সে এসেও একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তার জন্মদিনে যেন পুরো শহরবাসী এসে জড়ো হয় সালমানের বাড়ি গ্যালাক্সির সামনে।  কিন্তু এবার তেমন কিছুই ঘটেনি। বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে  জন্মদিনের একদিন আগেই নিজের পানভেলের বাংলোতে চলে গিয়েছেন। আর ওই বাড়িতে নিভৃতিতে কাটিয়েছেন নিজের ৫৫তম জন্মদিন। এমন অবস্থায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইজানকে নিয়ে বহু শুভেচ্ছা এসেছে। আর এরই মাঝে নজর কাড়ল বিশেষ একটি বার্তা। কী সেই ঘটনা জানেন?  পর্ন তারকা কেন্ড্রা লাস্টের পোস্ট দেখে মাথায় হাত সালমান ভক্তদের।  ভাইজানের জন্মদিনে কেন্ড্রা  শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন। সালমানের সঙ্গে নিজের একটি ছবি এডিট করে পাশাপাশি বসিয়ে পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর ওই ছবিটি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, জন্মদিনের অসংখ্য শুভেচ্ছা আপানাকে সালমান খান। আশা করি আপনার জন্মদিন আনন্দে কাটবে। এদিকে ওই পোস্টের পর থেকে নেটিজিনদের একাংশ  হাসি-তামাশায় মেতে উঠেন। সালমান এখনো বিয়ে করেননি। আরও পড়ুন... একাকীত্বে ভুগছেন শ্রাবন্তীর স্বামী! অ্যাকশন অবতারে সানি লিওন হিন্দি গান গাইলেন হিরো আলম (ভিডিও) আমি যাই করি মানুষের সহ্য হয় না: হিরো আলম (ভিডিও) কেউ মন্তব্য করেছেন, ভাই মনে হচ্ছে এ তারকা আপনার প্রেমে পড়ে গেছে। অতীতে অবশ্য শাহরুখ খানকে নিজের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কেন্ড্রা। এম
পর্ন তারকার সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক কী?
গায়িকার মামলা, আসিফ বললেন আমি বিরক্ত এবং বিব্রত
বছরের শেষ দিন অর্থাৎ আজ ৩১ ডিসেম্বর নিজের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া নিয়ে ফেসবুক ওয়ালে স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলা গানের যুবরাজ খ্যাত আসিফ আকবর। স্বনামধন্য একজন গায়িকা তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন ও প্রিয়া খ্যাত এই তারকা শিল্পী। আসিফ মামলার বিষয়টি প্রকাশ করলেও কে এই মামলা করেছেন তা গোপন রেখেছেন। পাঠকদের জন্য আসিফ আকবরের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো। বছরের শেষ দিনে আদালতের সমন পেলাম। কোন একজন স্বনামধন্য গায়িকা মামলা করেছেন। এখনো মামলার কপি উত্তোলন করিনি তাই সঠিকভাবে কোন তথ্য দিতে পারছিনা। এতোটুকু জানি ময়মনসিংহ গিয়ে মামলা ফেস করতে হবে। হাতে কিছু সময় আছে। এদিকে কপিরাইট অফিসের যাদুতে মুগ্ধ আমি। তাদের ভুলভাল দিকনির্দেশনা এখন গলার ফাঁস হয়ে গেছে। ওখানেও অযাচিত ঝামেলায় জড়াতে হচ্ছে। এসব ঝামেলা কখনো আমি চাইনি, চাইও না। আপাতত ভূক্তভোগী তবে জয় নিশ্চিত ইনশাআল্লাহ। মামলা আমার ভাল লাগেনা। আবার রাশি গ্ন্ডগোলে মুক্তির উপায়ও একমাত্র যুদ্ধ। যতই লুকিয়ে বেড়াতে চাই ততোই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে অযাচিত ঝামেলাগুলো। আমার বিরুদ্ধে কোনরকম অপরাধ প্রমাণ করার কিছু আছে তা আপাতদৃষ্টিতে দেখিনা। কোর্টকাচারী লম্বাচওড়া প্রক্রিয়া। রসদ আছে প্রচুর, মামলা আমিও করতে পারি, কারো বিরুদ্ধে এসব প্ল্যান নিয়ে ভাবার সময়ও নাই। সেক্ষেত্রে আরেক পক্ষের দাবড়ানী সহ্য করাটাই শ্রেয় মনে করেছি। আমি মামলা দিলে মানুষ বলবে- এগুলো আসিফের সাথে যায়না। অসহনীয় অত্যাচার সহ্য করে যাচ্ছি সহজাত অভ্যাসের বাইরে গিয়ে। এখন আমার অনেক ধৈর্য, তবে এটা দুর্বলতা নয়। এতো ঝামেলা আমার সাথেই কেন হয় ? এই প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। আমি নিজেও বিরক্ত এবং বিব্রত। সত্য কথা বলার সাহস রাখুন, ঝামেলা হবে আপনার নিশ্চিত বন্ধু। সব সুবিধা নিয়ে মুখ বন্ধ রাখুন, কাপুরুষের মত মৃত্যুস্বাদ গ্রহণ করুন। আরো একদিন আমি জিতবো, বারবার জিতেই যাবো পুরোনো অভ্যাসে। একটু লম্বা সময় নিতে হবে এই যা, ধৈর্য তো ধরতেই হবে... মাঝেমাঝে মনে হয়ে সুলতান বাদশাহ সম্রাটদের আমলে থাকলে এতো সময় নষ্টই হতো না। ভালোবাসা অবিরাম... এদিকে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে আসিফের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন সঙ্গীত শিল্পী ন্যান্সি। এম  
গায়িকার মামলা, আসিফ বললেন আমি বিরক্ত এবং বিব্রত
আরও পড়ুন
বিটিভির ৫৬ বছরে পদার্পণ
সোশ্যাল মিডিয়া, বিকল্প মাধ্যম নাকি মূল ধারার গণমাধ্যমের সমান্তরাল?
টিভিতে দেখা যাবে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের ফাইনাল
রাষ্ট্র-সরকারবিরোধী পোস্টে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের লাইক শেয়ারে নিষেধাজ্ঞা